সেইসব গল্পঃ তিন

পড়ন্ত বিকেলে উড়াল হাওয়া মনটাকে উড়িয়ে নিয়ে গেল।
মেপল পাতাগুলো উড়ে চলে তার পাশে পাশে। কানাডার ৪২তম সাধারণ নির্বাচন।
টানটান উত্তেজনা। নেতৃত্বের পরিবর্তন চায় বেশিরভাগ মানুষ!

পাগলা হাওয়া আজ। মনে জেগেছে ভাব।
দেবী আজ ভীষণ মানবী। দেবতাও বুঝি একদিন ছিলেন কবি।
দূর থেকে ভেসে আসে কানেঃ
যা দেবী সর্বভুতেষু শক্তিরূপেন সংস্থিতা!
লিখে দিলে নাম ‘দুর্গতিনাশিনী’ হেসে
তবু সে তোমারেই আজ দুর্গতির কারণ মানে!

অভিমানী এক ফুল পড়ে থাকে ঘাসে,
না লাগে কারো পূজাতে, না মানায় কারো খোঁপায়,
তবু বেলা কেটে যায় কী জানি কিসের আশে
বাসি ফুল বুঝি এমনি অবেলায় শুকায়!
বেলা ফুরোয়, এক কবি কী আদরে, মমতায়,
সযতনে তারে তুলে নিলে অবশেষে,
তখন থেকে তার স্থান হলো কবিতায়।
এই কি সেই ছন্দ যারে এতদিন ধ’রে খুঁজেছে?
সেই ফুল একদিন হলো ছবি হিয়ার মাঝার
কী অপরূপ চুল, চোখ-মুখ-নাক, ঠোঁট, চিবুক নিয়ে;
কত সাধনার শেষে বুঝি দেখা পেলে তার।
সেই ফুল খুঁজে পাবে কোন একদিন পাতার ভাঁজে প্রিয় বইয়ে …

অক্টোবর ১৯, ২০১৫
টরন্টো, কানাডা।

 

 

৩ টি মন্তব্য : “সেইসব গল্পঃ তিন”

মওন্তব্য করুন : ওবায়দুল্লাহ (১৯৮৮-১৯৯৪)

জবাব দিতে না চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।