নিউরনে আলাপনঃ নয়

: কাল সারাদিন, সারারাত বৃষ্টি হলো!
আমার যে কী কী হলো, কেমন কেমন লাগলো!
পুরোটা সময় মনে হল, তুমি পাশে আছো, তুমি জড়িয়ে আছো হাতে, বাহুতে!
: হুম, আমিও একা একা ভাবছিলাম। আমি সেদিন থেকে বৃষ্টির প্রতিশব্দ হয়ে গেছি তোমার কাছে, আর বাকি জীবনের সাথেও বুঝি জুড়ে গেল, যখনই বৃষ্টি তখনই আমি!
: ভালোই হলো। তোমার না থাকা নিয়ে আমায় ভাবতে হবে না।
আর আমার অনেক সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না তোমাকে দেখাতে হবে না।
বৃষ্টির সাথেই সব রূপক আদর-অভিমান-সোহাগ!
: আমি আসলে অবলম্বন হবার অযোগ্য! অবলম্বন খুঁজে দিতে পারি যদি কখনো সে’ই ভালো। তাতে যদি কেউ সুখী হয়!
: আমাদের যে কিসে সুখ তা যদি তোমরা কখনো বুঝতে?
আচ্ছা, তোমার হাসি-কান্না কী কর?
: হাসি সব ছড়িয়ে দিই, যেখান থেকে আসে, সেখানেই ফিরে যায়।
: আর কান্না?
: আমার ভেতরে-বাইরে কান্না’র জল মেলে,
বাইরে কাঁদি পূর্ণ ক’রে দিলে যদি আমায়,
ভেতরটা তবে একই সাথে শুন্য ক’রে নিলে,
ভেতরটায়ও তাই দয়াল বারে বারে কাঁদায়।
: তুমি কী সুন্দর ক’রে বলো! তোমার কণ্ঠের প্রেমে পড়ে আছি আজ ক’ত বছর …
: মেয়েদের মধ্যে কন্ঠস্বর এর ব্যাপারে একটা ফ্যাসিনেশন থাকে … অনেক সময় অবসেশন হয়ে যায় … ব্যাপারটা।
: খুব লজ্জা পাচ্ছি! মেয়েদের আসলেই সব মুখ ফুটে বলতে নেই …
: কবিতার খাতাও বুঝি কাঁদে আকাশের মেঘের সাথে,
ভেসে যায় শহরের ব্যস্ত দিন-রাত, সব কাজ,
দু’জনার সব শখ-আল্লাদ-খুনসুটি-ভয়-লাজ,
কবির প্রেমিকারা জানি যুঝে চলে ঘর আর প্রেমের সাথে!

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৫
টরন্টো, কানাডা।

৩ টি মন্তব্য : “নিউরনে আলাপনঃ নয়”

মওন্তব্য করুন : লুব্ধক (১৯৮৮-১৯৯৪)

জবাব দিতে না চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।