প্রলাপ – ১৪

সে-কথাগুলো কেবলি ভাসতে থাকে।
আকাশের এক টুকরো ফাঁকে
কি করে এঁটে যায়
মস্ত জীবনের সবগুলো ছবি
হার্ড ডিস্ক, যত নেগেটিভ
মামুলি সব লোনাজল,
কথা অনর্গল

তাকে প্রলাপ বলে ভুল করে
ছুঁড়ে ফেলে
হাত মুখ মুছে নিয়ে
জীবনে জীবন ঘষে
আগুন জ্বালাবার মিছে
প্রয়াস নিয়ে
যখন ফুলে ফুলে
দুলে দুলে উঠছে
সব-পেয়েছি-র হাওয়া,

তখন কি দেখনি
সে-প্রেত
বুকে হেঁটে
বুকে মুখে হেঁটে
কাদামাটি পার হয়ে
তোমার সাজানো দ্বীপে
নিস্প্রাণ প্রদীপ
সেজে
ধকধক ধকধক
শিখা নিয়ে
অনিমেষ তাকিয়ে আছে?

১,৬৩৩ বার দেখা হয়েছে

১৮ টি মন্তব্য : “প্রলাপ – ১৪”

  1. লুৎফুল (৭৮-৮৪)

    কথাগুলো ভাসে কি কেবলি
    হয়ে শুধু জীবন কথকতা শিউলি !
    কোষে কোষে, শ্বেতে ও লোহিতে
    মজ্জা ও মস্তিষ্ক অনুতে !
    সে তো নয় কেউ এলেবেলে
    মগ্ন অভিপ্রেত বলে খেয়ালে,
    লেলিহান শিখাতে উদগ্রীব
    যাকে দ্যাখো, লব্ধি ধাবমান গান্ডীব !

    - পড়ে ভালো লাগলো জীবনের দুর্দান্ত আর্চারি ...

    জবাব দিন
  2. পারভেজ (৭৮-৮৪)

    কাজী সাদিকের "ছবির কবিতার গল্প"-এর সাথে কি একটা যোগসুত্র পেলাম যেন...

    সবচেয়ে ইমপর্টেন্ট কথা হলো - সুখপাঠ্য, বুঝি আর না বুঝি
    তাতে কি আর এসে গেল.........


    Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

    জবাব দিন
  3. খায়রুল আহসান (৬৭-৭৩)

    কবিতাটির নামকরণ যথার্থ, তবে এ প্রলাপ তো কোন পাগলের নয়, এ প্রলাপ এক পাগলপারা কবির, যা এক মোহন জাদুবলে পাঠককূলকেও পাগল করে দেয়!
    সাবিনার প্রথম মন্তব্যটাও দারুণ appreciative হয়েছে, এ ধরণের কবিতার জন্য তা যথার্থ।

    জবাব দিন

মওন্তব্য করুন : খায়রুল আহসান (৬৭-৭৩)

জবাব দিতে না চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।