ঝর্ণার গান

অন্যমনে,
যেনবা
নিতান্ত অনিচ্ছায়
দুলকিচালে
গড়াতে গড়াতে
অভিকর্ষের ডাকে
পাকিয়ে ওঠে
রশির মতন;
শেষে কিনারায় এসে
নিরুপায় লটকে যায়
বিনিদ্র
বিস্ফোরণ!

স্ফটিকের সহস্র কুচো
দ্রুতলয়
সন্তুরে চড়ে
ওইই নীচে
নেমে গেলে
টলটল
সুবোধ জল
ডাকে আয়!

তন্ময়তা
ভেঙে খানখান।
তরুণী পাতাদের
সন্মোহিত গাল
লালচে আঁচে
পুড়ে
বনভূমি জুড়ে
আত্মাহূতির
ধুম লেগে যায়…

——————————————-
ব্র্যাণ্ডিওয়াইন প্রপাত,ক্লিভল্যাণ্ড দেখে ফিরে।

১,২২৮ বার দেখা হয়েছে

১৩ টি মন্তব্য : “ঝর্ণার গান”

    • নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

      ছবি জুড়ে দেয়া যেতো, কিন্তু কবিতায় আমি ছবি দেবার পক্ষপাতী নই। তাতে কল্পনাকে বাধাগ্রস্ত করা হয়, উসকে দেবার চাইতে --এটা একেবারেই আমার নিজস্ব মত। তাছাড়া এই ব্রাণ্ডিওয়াইন ফলস একেবারে ছোট, তবুও একে খুব যত্নের সঙ্গে সংরক্ষণ করা হয়েছে। ইন্টারনেট থেকে একটা ছবি দিলামঃ
      Brandywine falls (সম্পাদিত)

      জবাব দিন
      • জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)

        নূপুরদা, ছবিটি কি সরিয়ে দিয়েছেন?
        এখন আর দেখতে পাচ্ছি না...
        ছবি দেয়াটা আমারও ভাল লাগে না...বিশেষ করে খালি বেঞ্চ, দূরে কোন মেয়ে একা দাঁড়িয়ে আছে, দু'জন হাত ধরাধরি করে হেঁটে যাচ্ছে-টাইপ... 😛
        যাই হোক, আমার আসলে ''তরুণী পাতাদের সন্মোহিত গাল লালচে আঁচে...''ভিজুয়ালাইজ করতে সমস্যা হচ্ছিল...পরে ছবি (আর এস এস রিডারে) দেখে বুঝতে পেরেছিলাম...:D


        ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

        জবাব দিন
        • নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

          ছবি সরাইনি। এখন দেখা যাচ্ছেনা কেন কে জানে।
          এখন এখানে ফল এর সময় - চারদিকে পাতারা সব লালচে লালচে হয়ে এসেছে, আর বাতাসে ভর দিয়ে ঝরা পাতারা নেমে আসছে -- এখানকার এই সময়টা বড় দৃষ্টিনন্দন, মনে হয় আগুন লেগে গেছে। এখানকার বুলিতে ওই লালচে আঁচের নাম fall color

          জবাব দিন

মওন্তব্য করুন : নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

জবাব দিতে না চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।