দু:সময়।

দু:সময়
ওবায়েদুল্লাহ খান ওয়াহেদী

এত জল বুকে শুয়ে হে জলধি
জগৎ জ্বলে খরতাপে,
পুডে খাক চরাচর ঘর বাড়ী
জলে দাউ দাউ লোলুপ বহ্নি শিখা,
নিষ্ঠুর নির্দয় আক্রোসে আস্ফালন
উমর্িলা কি পরাক্রমশালী?
অস্থির উৎকন্ঠায় গোকুলের কুলবাসি,
গর্জন হুংকারে উথালি বাণে
ধাবিত জলোচ্ছ্বস,
ভেসে যায় বসত শতাব্দীর
সুনামির তান্ডব প্রলয় নাচে
প্রকৃতির কোলাহল স্তব্ধ চিরতর।
এত হিংস্রতা এত ক্রোধ
ক্ষিপ্ত করালগ্রাসী ডাকিছে প্রলয়
হোলি দোলে রং বলিতে রাঙালে
রক্ত ভক্তের পূজায়।

সমস্ত শুষে নিঙারি অমৃত
শুষ্ক খড়কুটো ভাসমান ভরহীন,
এই যাত্রা অনাদিকাল ভিজে জলে
ভেসে চলে অনন্তর তাসের ঘর।
শ্বাপদ শংকিল বাসর ভরা দিন
বিষাক্ত ছোবলে হানিছে ফনা তুলে
বারংবার নীলকন্ঠ বিষ পানে
মুখোশ খুলেছে অবতার ।
অসহায় দেবতা দাঁড়িয়ে কাননে
মলিন কৃষ্ণ শ্রীহীন ভগবান
রাঁধা ক্রোধে নিবর্াসিত চন্দ্রমুখিরা
অসতি হয়েছে প্রেমেতে বলি
ইস্রাফিলের শিঙায় সুর যত ছিল
নহে প্রণয়ের গান গীত অঞ্জলি।

ঢাকা । ২৫/০৫/২০১৬

২ টি মন্তব্য : “দু:সময়।”

মওন্তব্য করুন : ওবায়েদুল্লাহ (৬৮-৭৪)

জবাব দিতে না চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।