~ আমার দেশ আমার ভাষা আমার কৃষ্টি আমার ঐতিহ্য – ভালবাসা ও যতনে আমারই মাতা আমারই আত্মজার মতো ~

ঈদ, পূজা, বড়দিন, এসব আমাদের ধর্মীয় উৎসব। পহেলা ফাগুন বা পহেলা বৈশাখ, অগ্রানের উদযাপন কি বর্ষা বরণ বা ধরুন পিঠা উৎসব। বলি এমন সব দিনগুলো কি? এমন কি ১১ জৈষ্ঠ বা ২৫ বৈশাখ? আমাদের কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের অংশ এবং উদযাপনের উৎস নয় কি? ২১ ফেব্রুয়ারী, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর? রক্ত ঝরা অর্জনের উদযাপন নয় কি?

একটা জাতির, একটা দেশের, একটা স্বাধীন ভূখন্ডের জনগোষ্ঠীর (সকল ধর্ম বর্ণের সব্বাইকে মিলিয়ে যে সমষ্টি) উৎসবের উদযাপনের স্মরণের একটা ঐতিহ্য ও কৃষ্টির ধারাবাহিকতায় আমার আপনার রক্ত প্রবাহের মতোই আমাদের ত্বকের নীচে শোণিতের সাথে মিশে আছে এই দিনগুলো। একে অস্বীকার করবার চেষ্টা বা প্রবণতা আপন শিকড় উৎপাটনের মধ্য দিয়ে আত্মহননের পথে উদ্বুদ্ধ করবার এক সুচারু প্ররোচনা। এ ছাড়া আর অন্য কিছুই না।

একটা জাতিগোষ্ঠীর পূর্ণতার পথে এগিয়ে যাবার বা আপন সৌকর্যে বলীয়ান হবার প্রমাণ হলো তার আপন কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের উৎসব – উদযাপনগুলো জাতীয় পর্যায়ে পালনের দ্যুতিতে আন্তর্জাতিকতার সম্পৃক্তি ও কদর পাওয়া। সে অবস্থান থেকে আমাদের হঠিয়ে দিতে কে চাইবে? কারা চাইতে পারে? তা বুঝতে পারা আর সে অনুযায়ী এ আত্মহননের প্ররোচনা রোধে প্রতিকার পন্থা গ্রহণ করা জাতিসত্তা সমুন্নত রাখবার অভীপ্সায় সব নাগরিকের এক অতি আবশ্যক দায় ও দায়িত্ব।

বাঙ্গালীর ঐতিহ্যগুলোকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় সুসংহত ও সুসংগঠিত করবার প্রয়াস নেয়া সরকারের কর্তব্য ছিল। পাকিস্তান আমলে তার বিপরীতটাই ঘটছিলো। সে সময়ে আমাদের সাংস্কৃতিক বলেয়ের প্রত্যয়ী মানুষেরা আর আমাদের বুদ্ধিজীবীরা অস্তিত্বের প্রশ্নে চরম বিপন্নতার মুখোমুখি হয়েছিলেন। তাঁরা তাই সক্রিয় ছিলেন এর সুস্থ্য ও পর্যাপ্ত বিকাশের ভেতর দিয়ে জাতিসত্তার অনুভূতি ও অভিজ্ঞানকে জনতার মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে সাধারণের চিন্তা চেতনা ও জীবনযাত্রাকে আপন সৌকর্যে শক্তিমান ও সমুন্নত রাখবার জোর প্রয়াস নিতে। তাঁরা সে উদ্যোগটি যথাযথ নিয়েছিলেন বলেই একাত্তরে এদেশের আপামর জনসাধারণ খুব স্বাভাবিক এবং সংগত ভাবে ঐকবদ্ধ থেকেছে। স্বাধীকার অর্জনের লক্ষ্যে সকল আত্মত্যাগে তাই তাঁরা ঝাঁপিয়ে পড়তে পিছপা হয়নি।

দেশ স্বাধীন হয়েছে সাড়ে চার দশক। অথচ আজও যারা জাতীর বৃহত্তর স্বার্থের কথা চিন্তা না করে ক্ষুদ্র সংকীর্ণতা ও স্বার্থকে বড় করে দেখে, বিদেশী তাঁবেদারি করে, ভোটের রাজনীতি করে, তারা আজও ধর্মের কথা বলে দ্বন্দ্ব লাগাতে চায়। মৌলিকত্বে ধান্দা ফিকিরের রঙ লেপে দিতে চায়।

তখন (পাকিস্তান আমলে) শ্রেণী গোষ্ঠী আর স্বার্থের সংঘাতের বিভাজনটি স্পষ্ট ছিল। ভূখন্ডের সীমানা ও জনগোষ্ঠী বিভাজিত ছিল। তাই প্রতিকার ও প্রতিরোধের প্রশ্নে কোনো দ্বিধার সুযোগ ছিলনা। কিন্রু আজকে যখন রাষ্ট্রের সীমানার ভেতর থেকেই বাঙলা নববর্ষ উদযাপনকে ঘিরে প্রশ্ন ওঠে আর তার জবাবে আমাদের স্বাধীন দেশের বুকে আপন অতীত ঐতিহ্যের উদযাপনের গায়ে লাগাম পরাতে হয়, সংকুচিত করতে হয়। তখন এ প্রশ্নের সকল ব্যাখ্যা ও উত্তর নিয়ে এসবের শেকড় উন্মোচনটি নি:সন্দেহে অত্যাবশ্যক।

সরকার ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আকুণ্ঠ ধন্যবাদ যে তাঁরা কোনো ধরনের বিপদ-বিপর্যয় বিহীন একটা পয়লা বৈশাখ এবার আমাদের উপহার দিতে পেরেছেন। বিশেষ করে গত বছরের ন্যাক্কারজনক ঘটনা এবং তার রহস্য অনুন্মোচিত বিচারপর্ব সুদূর পরাহত থাকবার কারণে কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা ও সদিচ্ছা যথেষ্ট প্রশ্নবিদ্ধ যখন, ঠিক এমনই একটা সময়ে এটা বহুবিধ আংগিকে তাৎপর্যপূর্ণ। এটা অতীব আনন্দের যে, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাঁরা যথার্থ সাফল্য দেখিয়েছেন এবার।

কিন্তু এ’বছর উদ্ভূত সংকটের হেতু কি? তার প্রকৃত উদ্দেশ্য কি? এসবের প্রতিকার কি? সংকটগুলো নিরসনের পথ ও পন্থা কি? এসবের উত্তর খুঁজে বের করাটা অতীব জরুরী।

এক দশক আগে থেকে আমাদের ঐতিহ্য একভাবে ছিনতাই বা অপহৃত হতে চলছিল। আর এবার এতে যোগ হলো যেনো এক প্রবল অস্তিত্ববিরোধী হুমকী।

অতীতে, সেই বায়ান্নের পর থেকে, ব্যক্তি উদ্যোগই ছিল পহেলা বৈশাখ বা একুশে ফেব্রুয়ারীর মতো উদযাপনের পেছনে অর্থ সংকুলানের মাধ্যম। সেই সূত্রে তখন ব্যক্তির পৃষ্ঠপোষকতার সূত্র ধরে এর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণও সম্পৃক্ত ছিল। তবে তা কোনো প্রকার বানিজ্যিক ফায়দা অর্জনকে লক্ষ্য না করেই। এ চর্চাটা বায়ান্নের পর থেকে নব্বুইয়ের দশক পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল।

আমাদের দেশের বোকা-সাহসী ব্যক্তি উদ্যোক্তারা শিল্প কল কারখানা স্থাপনের মধ্য দিয়ে এবং রপ্তানীর প্রসারের মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটিয়েছে। আবার আম-জনতা পৃথিবীর দেশে দেশে শ্রম বেচে বানিজ্যিক ঘাটতি ঘুঁচিয়ে শক্তিশালী রিজার্ভ তৈরীতে সরাসরি অবদান রেখেছে। তেমনি সাধারণ মানুষই এ উৎসব উদযাপনের বোঝা টেনে তাকে বিকষিত জাতিসত্তার আনুপাতিক বিস্তারে ক্রমশ: সরব ও বিস্তৃত করে তুলছিল।

নব্বুই দশকের পর থেকে কর্পোরেট পৃষ্ঠপোষকতা এই উৎসবগুলোকে জাতীয় পর্যায় থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিকশিত ও বিস্তৃত হবার সুযোগ তৈরী করে দিয়েছে। আর তা ঘটেছে কারণ, এর পেছনে জাতীয় পৃষ্ঠপোষকতা অপ্রতুল তো ছিলোই, বিষয় ভাবনা নিয়ে খামখেয়ালীপনাতেও ছিলো ভরপুর। তাই পৃষ্ঠপোষকতার নামে বানিজ্যিক লেবাসে এসবের মৌলিকত্বও বিপন্ন হতে বসেছিলো। পৃষ্ঠপোষকতার সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করবার লক্ষ্যে মাথা ব্যাথা থাকলে প্রযোজ্য নিয়ম নীতির প্রয়োগ আর অবকাঠামো এবং নিরাপত্তা সহায়তা দিয়ে রাষ্ট্র একে সফলভাবেই পৌঁছে দিতে পারতো আন্তর্জাতিকতার মঞ্চে।

এটা অবশ্যই স্রেফ ভাবনা বিলাস নয়। আর তাই বিষয়টা সেই পথেই এগোচ্ছিল। ২১ ফেব্রুয়ারী আজ যেমন আর শুধু আমাদের সীমানাসংকীর্ণ মানচিত্রের গন্ডীতে আঁটকা থাকা কোনো উদযাপন নয়। পুরো পৃথিবীর মানুষের শ্রদ্ধা ও সন্মানের এক উদযাপন উপলক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেমন হয়ে ওঠার পথে ২৫মার্চের গণহত্যার কালোরাত। যেমন পয়লা বৈশাখের তুলনা হচ্ছিলো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশাল বিশাল জনতার উৎসবের সাথে। তা হচ্ছিলো কারণ আমরা কৃষ্টি ঐতিহ্য আর অর্জনে পৃথিবীর বুকে মাথা তুলে দাঁড়াতে শুরু করেছিলাম। বিকশিত হচ্ছিলাম দীপ্ত এক জাতসত্তার আপন কৃষ্টি সৌকর্যে।

ঠিক এমন একটা সময়ে আমাদের কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের উদযাপনকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দেয়ার পেছনে কার বা কাদের কি অভিসন্ধি আছে অথবা থাকতে পারে তা উদঘাটিন করাটা খুব প্রয়োজন।

আজ ইলিশ নিয়ে, পানতা নিয়ে, বা এমনই নানান বিষয়ে যতো মত-দ্বিমতের হৈ চৈ হচ্ছে তাতে আমি বিচলিত নই। যে কোনো বিকাশের পথে আত্মজিজ্ঞাসা নিশ্চিত ভাবে একটা অনুগমনীয় স্তর। এতে আপন পরিচয় উজ্জ্বলতর দ্যুতিতে বিকষিত হবার পথ উন্মোচিত হয়। শুধু খেয়াল রাখতে হবে এতে আমাদের যার যার ভূমিকাটুকু আমরা যথার্থ ভাবে পালন করতে পারছি কিনা।

এসব উত্থাপিত যাবতীয় প্রশ্নের সঠিক জবাব ও সমাধান প্রকৃয়া যদি খুব দ্রুত আমরা সম্পন্ন না করি। সাধারণের মনে দ্বিধা ও মতদ্বৈততার শেকড়কে ভুল ধারনার পিঠে সওয়ার হয়ে বেগবান হবার সুযোগ করে দেই। তবে তার জন্যে খুব উচ্চমূল্য দেবার একটা প্রেক্ষাপট অচিরেই তৈরী হয়ে যেতে পারে।

এভাবে চলতে থাকলে, দিন হয়তো বেশী দূরে নয় যে, আমাদের শহীদ মিনার আর স্মৃতিসৌধ বস্তু পূজার প্রশ্নে প্রশ্নবিদ্ধ হবে। সংস্কৃতে বাংলার শিকড় প্রোথিত বলে এমন কি হয়তো বাংলায় কথা বলা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।

অথচ এই যাঁরা ধর্মের নেংটি ধরে দৌড়-ঝাঁপ করছেন তাদের দাদা-নানারাও ধূতি পরতেন, নামের আগে শ্রী লিখতেন। তখন ইসলাম কি এদেশে ভুল বা অপর্যাপ্ত ভাবে চর্চিত ছিলো?

যে আকবরের আমলে হালখাতার পিঠে পয়লা বৈশাখের রাষ্ট্রীয় তকমা আঁটা হয় সে আকবর কোন ধর্মাবলম্বী ছিলেন? তাঁর এই বিষয়ক চিন্তা-ভাবনা প্রস্তাবনা ও সিদ্ধান্তের পেছনের চিন্তাবিদগণওতো মুসলিমই ছিলেন। ইসলামের পক্ষ-বিপক্ষ বিবেচনায় নয়, ভূখন্ডের নিয়ম রীতির সুবিধা আর সার্বজনীনতা বিবেচনায়ই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।

শুধু অতীত নয়, আমাদের বর্তমানটুকুই বা আমরা কতটুকু ভালো জানি! আমাদের গ্রামে গঞ্জে সেই বৈশাখী মেলা, পুতুল নাচ, যাত্রা পালা, মাছ-ভাত-পিঠার ধুম বা বাতাসা কদমা মুরুলীর বৈশাখ, তালপাতা আর নকশী বোনা হাতপাখার বৈশাখ আজ কেমন উদযাপিত হয়? কতোটা জানি আমরা?

আমদানীকৃত পোষাক পাঞ্জাবীর মতোন অনেক কিছুই হয়তো আমরা আমাদের জীবনে নিজের করে নিচ্ছি এবং নিবো। সেখানে বিসর্জনের তালিকায় কি কি লিখা আছে? কে লিখছে? সংযোজনের তালিকায় কি কি আছে? কে চাইছে তা সংযোজন করতে? এসব না জানলে আর আমার আপনার আপন ভূমিকা পালনে সঠিক ভাবে ব্রতী না হলে আমার আপনার সন্তানের মাতৃভাষাটিই যে একদিন বিপন্ন হয়ে পড়বে না, এমন নিশ্চয়তা আর খুঁজে পাইনা।

এবছর পয়লা বৈশাখে অনাকাংখিত ঘটনা প্রতিরোধে এ সরকার যেমন সফল হয়েছে। তেমনি বাঙালী হিসেবে আমার ঐতিহ্য ও কৃষ্টিকে সমুন্নত রাখবার তাবৎ সিদ্ধান্ত নেয়া আর তার বাস্তবায়নে কিছুমাত্র পিছপা অথবা শ্লথগতি আশা করি তারা হবে না। এমনটাই আমার বিশ্বাস। কারণ সরকার খুব ভালো করেই জানে যে, কোনো ধর্ম ব্যবসায়ী বা স্বার্থান্বেষী মহল কোনো কালেই এ সরকারের পক্ষে ছিলো না, থাকবেও না। তারা এ সরকারকে কস্মিন কালেও একটা ভোট দেয়নি এবং দেবেও না।

সকল ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, নৃতাত্বিক গোষ্ঠী ও মতাবলম্বীর সন্মান এবং রীতিকে সমুন্নত রেখে বাঙালির শতবর্ষের ঐতিহ্যকে বিশ্বের মঞ্চে আরো বর্ণিল এবং উজ্জ্বল করে তুলতে রাষ্ট্র ও তার সকল নাগরিক সজাগ, সক্রিয় এবং সচেষ্ট থাকবে। সেই প্রত্যাশায় বাঁচি। সেই আশাবাদ জড়িয়ে ধরে হাসি। আমার দেশ, আমার ভাষা, আমার কৃষ্টি, ও ঐতিহ্যকে যে মায়ের মতো ভালবাসি, সন্তানের মতো মমতায় লালন করি।

০২ বৈশাখ ১৪২৩
১৫ এপ্রিল ২০১৬

২,৮৯২ বার দেখা হয়েছে

৩ টি মন্তব্য : “~ আমার দেশ আমার ভাষা আমার কৃষ্টি আমার ঐতিহ্য – ভালবাসা ও যতনে আমারই মাতা আমারই আত্মজার মতো ~”

  1. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    আমরা বাস করছি এক ধরণের অন্ধকার যুগে। খুব সহজে এর থেকে উত্তরণ নেই। (সম্পাদিত)


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
    • লুৎফুল (৭৮-৮৪)

      অনেকটা সেই রকমই। সাইকেলটার শেষ কোথায় বা এর কি আদৌ কোনো শেষ নেই কিনা জানাটাও হবে কিনা জানিনা !?!?
      নিয়ম বলে সময় ফুরোলে এক সময় সব কিছু উল্টোপথগামী হয়। ততোদিনে কতোটা পথ পরিক্রান্ত হবে সময়ের সেটাই হলো কথা।

      জবাব দিন
  2. মাহমুদুল (২০০০-০৬)
    সরকার খুব ভালো করেই জানে যে, কোনো ধর্ম ব্যবসায়ী বা স্বার্থান্বেষী মহল কোনো কালেই এ সরকারের পক্ষে ছিলো না, থাকবেও না। তারা এ সরকারকে কস্মিন কালেও একটা ভোট দেয়নি এবং দেবেও না।

    আমার সংশয় আছে। আসলেই কি বোঝে?


    মানুষ* হতে চাই। *শর্ত প্রযোজ্য

    জবাব দিন

মওন্তব্য করুন : লুৎফুল (৭৮-৮৪)

জবাব দিতে না চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।