যারা এখনো এই শাহবাগ : প্রজন্ম চত্ত্বর এ আসার মধ্যে কোন লাভ খুজে পাচ্ছেন না (এবং অফিসে যেতে একটু দেরী হচ্ছে বলে যারা আমাদের এই তারুন্যের জাগরন কে গালাগালি করছেন ) তাদের বলছি, ৭১ এ যখন আমাদের পূর্বপুরুষেরা মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিল তাদেরও কোন ব্যাক্তিগত লাভ ছিল না। তারা যুদ্ধ করার জন্য কোন বেতন পেতনা। নিজের কাজ বাদ দিয়ে, সব ছেড়েছুড়ে শুধু মাত্র একটা স্বাধীন দেশের স্বপ্নের জন্য জীবন বাজী রেখে তারা যুদ্ধ করেছিল।
বিস্তারিত»শ্লোগান মশাল
নিঃশেষ না হলেও স্বপ্নগুলো দিন-দিন সংকুচিত আর বিবর্ণ হয়েছে অনেক।শরীর ও আচরন থেকে পিছু হটে তারুন্য এখন বাস করে বুকের খুউব গভীরে; সচরাচর তাকে ঘাটাই না। কিন্ত শাহবাগের গগন-বিদারী শ্লোগান সেখান পর্যন্ত পৌছে গেছে।
বিশ বছর আগে পিজি হাসপাতালের কেবিনে পৃথিবির সবচেয়ে প্রিয় মানুষটির শিয়রে বসে নির্বোধ আশাবাদী হয়ে যখন তার সুস্থতার স্বপ্ন দেখতাম, তখন আমি টিন-এজার।ডাক্তারদের নিরাশা সত্য হয়েছিল; মা চলে গিয়েছিলেন।ফ্যাকালটিতে যাবার পথে কিংবা কোন কাজে শাহাবাগ ক্রস করার সময় বাস কর্মীদের ‘শাহবাগ’ ‘শাহবাগ’চিৎকার আমার সেই শোক-কে জাগ্রত করেছে বারবার……।
বিস্তারিত»অ
বর্ণমালার আর্তি
‘ঘ’ ছিটকে পালালো ঘাসের সঙ্গী হবে বলে,
জ্যামুক্ত ছুটে গেলো তৃণের মূর্ধণ্য ণ
‘আমি কি ভুলিতে পারি’ কণ্ঠে তুলে
নিয়েছে “আ’-কার —
করজোড়ে ঋ-ফলা এসেছে কাছে
অনুনয়ে বলেছে
‘ঘৃণা’ শব্দেরও যোগ্য নয়
কোন রাজাকার।
(গতকালের ফেসবুক স্ট্যাটাস)
বিস্তারিত»শাহবাগ শাহবাগ!
মোড় ঘুরতেই জ্বলজ্বলে চোখে এ কে?
ভড়কে গেছি তার ডোরাকাটা বেশ দেখে।
মৃদু হেসে বলেছে টাইগার,
‘ডরাস ক্যান, নস তো রাজাকার,
বেজন্মাদের টুঁটি ছিঁড়বো বলে
এবেলা রাজপথে এলাম চলে;
ততক্ষণ বিনিদ্র বসে থাক
রুদ্র আর বিস্ফোরিত শাহবাগ
ততক্ষণ ঠহল দিতে যাক
বাংলার যত দুর্বীনিত বাঘ’।
(দু’দিন আগের ফেসবুক স্ট্যাটাস)
বিস্তারিত»একটি সাময়িক পোষ্ট
এক ফোটাও বাড়িয়ে বলছি না।
অন্য যেকোন প্রতিবাদের চাইতে আমাদের প্রতিবাদ ছিলো একেবারেই ভিন্ন।
প্রথমেই গর্ভস্রাবেরা দখল করে নেয় স্মৃতি সৌধ, আমাদের শহীদ মিনার; আমরা তখনো পৌঁছাইওনি লন্ডনের আফতাব আলী পার্কে।
এরপর ওরা পার্কের মাঝের সড়কটি দখলে নেয় সেই সাথে শহীদ মিনার সংলগ্ন স্থানসমূহ।
আমাদের পেছনে ওরা আরেকটি লাইন করে দাঁড়ায়।
আমাদের বামে দাঁড়ায়।
আমাদের ডানে দাঁড়ায়।
বিশ্বাস করেন ভাই সে এক অভাবনীয় অবস্থা।
কাক-কবি-চিল
১.
অতঃপর ভোর হবে,
আমি হাততালি দিয়ে বলবো,”পায়রা ওড়ো!”
তুমি চা আনতে আনতে বারান্দার রকে বসে একবার দেখবো
ডিগবাজী খেতে খেতে নেমে আসছে আমাদের প্রিয় গিরিবাজ
আমিও বৃদ্ধ হবো একদিন,যেমন তুমিও…আমাদের ধূসর চুলে
হাত রেখে সময়ের ওল বুনে যাবে,
রঙচঙে সুয়েটার গায়ে আমাদের সন্তানেরা রোদ্দুরে দাঁড়াবে
শুধু ভাঁড়ার ঘরের খোলে পড়ে থাকবে পুরোনো মেসেজ,
আর আজকের মতই দুরত্ব- ২৯৩ মাইল মাত্র
আর ইঁদুরের থেকে বেঁচে যাওয়া ৩৩ হাজার ইনবক্স!
তোমার হাতটা ধরতে দেবে তো?
আজ ভোরের সূর্যটা দেখেছিলে নিশ্চয়ই?
শীতবুড়ির কুয়াশার চাদরের আড়াল থেকে বেড়িয়ে কেমন রঙ্গিন হয়ে উঠেছিলো!
কিন্তু সেই রাঙা রোদ নয়, তোমার রাতজাগা চোখের তারায় ঝিকমিকিয়ে উঠা
দেশপ্রেম আর চেতনা আমার ঘুম ভাঙিয়েছে আজ!
ভোরের প্রথম আলোকরশ্মি মেখে মিটমিটিয়ে হাসছিল জড়াজড়ি করে দাঁড়ানো
রংধনু রঙ ডালিয়া, গাঁদা, চন্দ্রমল্লিকারা-
কিন্তু তোমাদের তুলির আঁচড়ে জ্বলজ্বল করতে থাকা প্রাণের বর্ণমালা যখন
ব্যানার,
বিস্তারিত»রাজাকারের ফাঁসী চেয়ে
জেগেছে আজ লাখো প্রাণ; মুক্তির নয়া নিশান।
শাহবাগ, প্রেস ক্লাব, চত্ত্বরে চত্ত্বরে-
জেলা, উপজেলা, শহর ছাপিয়ে সারা দেশ জুড়ে;
আমিও আছি তাদের ভীড়ে।
ভাই, আজ আমি দেশ নিয়ে তর্ক করতে পারব না,
ভাই, আজ আমি ব্যাখ্যা দিতে পারব না;কেন রাজাকারদের ঘৃণা করি ।
মুহুর্মুহু শুনতে চাওয়া আমার প্রিয় কথাগুলো আজ শুনতে পারব না,
ঠাট্টা, চাপা, আড্ডা কিছুই আজ মারতে পারব না,
আমার ভাষা – আমার ভালোবাসা – পর্ব ১
আমার ভাষা – আমার ভালোবাসা – পর্ব ১
——————————— ডঃ রমিত আজাদ

ভূমিকাংশ
শহীদ মিনারের সাদাকালো ছবি তার নীচে লেখা, ‘আমরা সালামের ভাই, আমরা বরকতের ভাই’। খুব ছোটবেলায় (‘৭৫/’৭৬ সালের কথা বলছি) ফেব্রুয়ারী মাস এলেই দৈনিক সংবাদপত্র ‘দৈনিক বাংলা’-য় একটি কলাম দেখতে পেতাম এই শিরোনামে। আগ্রহ জাগলো মনে, প্রতি ফেব্রুয়ারীতে এই কলাম আসে কেন? কি লেখা আছে এই কলামে?
বিস্তারিত»বাঁচি অন্যের জন্য
এটা প্রায় দেড় বছর আগের কথা। বারডেম হাসপাতালে গিয়েছিলাম ব্লাড ডোনেট করতে। একজন প্রৌঢ়, বয়স ৭০/৮০ হবে, ডায়াবেটিক। ইঁদুর জাতীয় কোন প্রাণীর কামড় থেকে ইনফেকশন, সেখান থেকে গ্যাংগ্রীন, তাই পা কেটে ফেলতে হবে। ভদ্রলোকের পরিবার-পরিজন সবাই সেখানে উপস্থিত। ছেলে-মেয়ে, তাদের স্বামী-স্ত্রী-সন্তান। সবাই বিহারী। ভাঙ্গা ভাঙ্গা উর্দু, আরও ভাঙ্গা ইংরেজী, এবং তার চেয়েও করুণভাবে ভাঙ্গা বাংলা মিলিয়ে কোন এক ভাষায় তারা আমার সাথে কথা বলছিলেন। যার শতকরা ৯০ ভাগই আমার বোঝার ক্ষমতার বাইরে।
বিস্তারিত»স্বীকারোক্তি… সহজ স্বীকারোক্তি
বাহ, আজ অনেকদিন পর খুব ভালো অনুভব করছি। প্রচন্ড আত্মবিশ্বাসী মনে হচ্ছে নিজেকে। শিরায় শিরায় আজ আমার খুশির ঢল নেমেছে। মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদন্ড হয়েছে, ফাসি হয়নি। তাই আমার আজ আনন্দিত উদ্বেলিত না হবার কোন কারন নেই। নিজেকে বেশ হালকা লাগছে। সারাটা দিন একটা মুচকি হাসি গালে লাগিয়ে ঘুরছি। সত্যি বলতে কি, এই খুশীর শুরু হয়েছিল বাচ্চুর পলাতক হবার পর থেকেই। ফাসির আদেশ হয়েছে তো কি?
বিস্তারিত»দাউ দাউ করে জ্বলুক পাপ মোচনের এই খান্ডব দাহন
দাউ দাউ করে জ্বলুক পাপ মোচনের এই খান্ডব দাহন
(৭১ এর হায়েনা, হিংস্র রাজাকারদের ফাঁসি বাস্তবায়নের দাবিতে শাহবাগ মোড়ে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা তরুণ মুক্তিসেনাদের উদ্দেশ্যে, জয় হোক নতুন প্রজন্মের)
কাদের-নিজামী-মুজাহিদ-সাঈদী আর গোলাম আযমদের রক্ত চাই- মৃত্যু চাই
মৃত্যু চাই- বিচার চাই, বিচার চাই- বিচার চাই দাবিতে
চীৎকার করে করে মায়েদের চীৎকার বোনদের চীৎকার-
ক্ষীণ হয়ে আসে সব শহীদের চীৎকার !
ঋণ শোধের প্রহর
একটা সময় ছিল যখন মুক্তিযোদ্ধাদের মুখ থেকে গল্প শুনতাম তৃষ্ণা ভরা বুক নিয়ে, পাঠ্য বইয়ের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাস পড়তাম জানার জন্য, অবজেক্টিভ প্রশ্ন উত্তর করার জন্য নয়।
জেনেছি, বুঝেছি, শুনেছি। মনে মনে কত ভেবেছি যদি আরেকবার এমন একটা অবস্থায় এসে বাংলাদেশ দাঁড়ায় তবে বুক চিতিয়ে লড়াই করবো।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়টা ছিল গৌরবের আর স্বাধীনতার অপেক্ষায় প্রহর গুনবার। সেই গৌরব আর স্বাধীনতা আমাদের মাটিতে এসেছে,
বিস্তারিত»