বিজয়ের দিনে আজ কিছু কথা

বেশ কিছুদিন আগে কাদের মোল্লার ফাসির রায় কার্যকরের মধ্য দিয়ে দেশে প্রথম যুদ্ধ অপরাধীর বিচার সমাপ্ত হল । এজন্য বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন । এবং সেই সাথে নিন্দাও জ্ঞাপন করতে চাই এই কারনে এই বিচার শুরু হতে দীর্ঘ ৪২ বছর লাগার কারনে । যাই হোক আমি সে বিষয়ের দিকে যাচ্ছিনা। শুধু একটা বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাই । একজনের শহীদের মর্যাদা আমাদের সবার কল্পনার বাইরে ।

বিস্তারিত»

পুরোনো পাতায়ঃ বরফের দেশের গল্প ২

বিকাল ৩টা ২৬ মিনিট। মঙ্গলবার। ডিসেম্বর ১০, ২০১৩।

রাতে ঘুমানোর আগে দেখেছিলাম কাদের মোল্লা ফাঁসিতে ঝুলে যাচ্ছে। যতটুকু বুঝলাম সকালে ঘুম থেকে উঠতে উঠতে সুসংবাদটি পেয়ে যাব। সকালে ঘুম থেকে উঠলাম দেখলাম বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় ঝুলে যাবে। হঠাৎ কেন জানি মনে হলো সবকিছু ঠিক মত হবে না। গত কয়েকদিন ধরে প্রচুর তুষারপাত হচ্ছে। লেক ইফেক্ট স্নো বলে সবাই এখানে। অপেক্ষাকৃত তাপমাত্রা কম কিন্তু তুষারপাত বেশী।

বিস্তারিত»

বিজয়ের গল্প শোনো

আজ বিজয়ের গল্প শোনো,
তুমুল উল্লাসে জেগে ওঠা একটি বিজয়ের গল্প।
একদিন এই মাটি ঘাসে ক্রমাগত অত্যাচারের
কঠিন শিঁকলে ছিল বন্দী একটি পতাকা,
একটি মানচিত্র অতঃপর মুক্তির আনন্দে জেগে উঠলো বিশ্বের পবিত্র বুকে।
এক আকাশ নীলের ফাঁকে জেগে উঠল একটি সূর্য স্বাধীনতার।
উচ্ছাসে ফেটে পরা বাংলার বুকে বয়ে চলল যে খুশির স্রোতস্বিনী
তুমি তার গল্প কখনো শোনোনি।

এখানে আনন্দ এসে বেদনার সাথে মিশে যায়
এখানে রাত নামে সন্ধ্যার আবেশে বিমোহিত ভীরু পায়
এখানে পতাকার মিছিলে বিজয়ের ঘ্রান পাবে তুমি ষোড়শীর মুক্ত চুলে
এখানে বিজয়ের গল্প শোনো শুনে যাও হে তরুন প্রান খুলে।

বিস্তারিত»

পরগতিশিল

ইদানিং আমার চারপাশে এক জাতের মানুষ খুব বেড়েছে। খুবই উচ্চ ফলনশীল জাতের জীব এরা। মশা-মাছি-তেলাপকার চেয়েও এদের বিস্তার (মাশাল্লা) অনেক দ্রুত। পথে ঘাটে, হাটে মাঠে, চায়ের দোকানে, নর্দমায় বিশ্ববিদ্যালয়ে কিলবিলিয়ে বাড়ছেই এরা প্রতিদিন। বাস্তবে বা ভার্চুয়াল জগতে, ঘরোয়া আড্ডা কিংবা সিরিয়াস ” টক শো ” সর্বত্রই এঁদের দৃপ্ত পদচারণায় বাংলাদেশ আজ মুখরিত ; রীতিমতো ধন্য। জে, আপ্নে ঠিকই ধরেছেন- এরাই আগামী দিনের কান্ডারী, দেশের ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকার,

বিস্তারিত»

টাই – আমার গলার মালা + ২ টা ফাও জ্ঞান

ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হবার পর আমাদের অনেকেই জীবনে প্রথম টাই পড়েছে। এরপর ৬ বছরে টাই হয়ে হয়ে যায় ক্যাডেটদের প্রতিদিনের সঙ্গী। সেভেন এইটে আমরা যারা সাইজে তত বড়সড় ছিলাম না তারা টাইএর ছোট অংশ যাতে লম্বা না হয়ে যায় বা লম্বা কমানোর ব্যাপারে বেশ কসরৎ করতাম। আর ছিলো টাইয়ে যাতে মাখন না লাগে সেই চেষ্টা। মনে পরে গেলো নভিসেস প্যারেডের আগে ভোরের প্যারেড, একাডেমী আর রাতের প্রেপে পড়তে হতো সাদা শার্ট,

বিস্তারিত»

বিনষ্ট সারথি

ততক্ষণে বিজিত বিকেলে শীত নেমে এসে
নিভায়ে দিয়েছে যৌবনের শিখা
যা জ্বলেছিল শেষরাত্রির বৃষ্টি শেষে।
কথা ছিল তা হবে মহাকালে লেখা
সহস্রাব্দের কোন কবিতার মত
অন্ধকার কোন গুহার দেয়ালে আঁকা
অভিমানে শুকানো ইতিহাসের ক্ষত।

অথচ ভেবেছি অনন্তকাল
কেটে যাবে প্রেমিকার চোখে
স্বপনে দেখেছি যে স্বর্ণসকাল
একে দেব,মেখে দেব প্রিয় সে মুখে
তারপর ভালবাসা ফুরায়ে গেলে
বিপ্লবী হব আমি বিবস্ত্র শোকে।।।

বিস্তারিত»

ডেড পোয়েটস সোসাইটি! ওহ ক্যাপ্টেন, মাই ক্যাপ্টেন !

ফাইনাল এক্সাম চলছে। তাই মোটামুটি বিজি ছিলাম বেশ কয়েকদিন ধরে… নেক্সট পরীক্ষার আগে ৫ দিন গ্যাপ। এত দিন গ্যাপ থাকলে আর যাই হোক, পড়াশুনা জিনিসটা করা হয় না ! সেইটা সেই ক্লাস সেভেনেই বুঝে গেছি। তাই সময় কাটাতে একটা মুভি দেখতে বসলাম। Dead Poets Society … রবিন উইলিয়াম আছেন মুভিতে। বোধহয় ইথান হকের ব্রেক থ্রু মুভি ছিল এটা । মুভি দেখা শেষ করেছি অনেকক্ষণ হলো..

বিস্তারিত»

সম্রাট বাবর ও তার সাঙ্গপাঙ্গ……

ক্লাস ৭ থেকে আমাদের ইতিহাস ক্লাস নিতেন জহির স্যার। জহির স্যার সম্রাট বাবরের বিশাল ফ্যান। তিনি মুঘল আমলকে পড়াতেই সবচে বেশি পছন্দ করতেন। তাই আমরা তার নাম দিয়েছিলাম সম্রাট বাবর।

স্যার ক্লাস এ আসলে ফর্ম সাবধান না বলে আমরা মোঘল আমলের মত সুর করে বলতাম (ফর্ম লিডার বলতো)……মুঘল-ই-আজম……মুঘল-ই- শাহেনশা………… সম্রাট বাবর……এইসব…

স্যারের একমাত্র পানিশমেন্ট সিল ব্যান্ড পজিশন করায়ে পশ্চাৎদেশে কাঠের স্কেল দিয়ে মাইর।

বিস্তারিত»

বিজ্ঞাপন দিয়ে আমাদের কোথায় নিয়ে যাচ্ছে

প্রথম আলোতে একটা সিরিজ বিজ্ঞাপন খুব চলছে। দেশপ্রেমকে ব্যাবহার করে সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষকে উজ্জীবিত করা বিজ্ঞাপন, যার বক্তব্য অনেকটা এরকম-দেশের চলমান রাজনৈতিক সহিংসতায় আমরা যারা সাধারণ মানুষ, তারা এর কোন অংশ নই। আমরা আমাদের কাজ করে যাব। ভালো কথা। বিশেষত যখন ওই লাইনটা বলে “আমরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ” তখন আমারো লোম খাড়া হয়ে যায়। কিন্তু আমি বিজ্ঞাপনের যে মূল বক্তব্য তার আরো একটু ভিতরে ঢুকতে চাই।

বিস্তারিত»

পলাশী থেকে রেসকোর্স

ভূমিকা

পলাশী থেকে রেসকোর্স বিশাল ইতিহাস
বনসাই রুপে প্রকাশিতে
ক্ষুদ্র এ প্রয়াস।

পলাশীর যুদ্ধ

ঘরের শত্রু মীরজাফর
স্বাধীনতার কবর
পলাশীর প্রান্তর।

সিপাহী বিদ্রোহ

অ্যানফিল্ড রাইফেলের কার্তুজ
ব্যারাকপুর থেকে শুরু
রুটির খামে দ্রোহের বার্তা।

দেশ বিভাগ

হাত মে বিড়ি মুখ মে পান
ছাপার ভুলে
পাকিস্তান।

বিস্তারিত»

সিসিবি পিকনিক! (আপডেট)

আপডেট ১৯ ডিসেম্বর’২০১৩:
———————–

তারিখ: ২৫ডিসেম্বর, বুধবার। (ক্রিসমাসের ছুটি)
সময়: সকাল টু সন্ধ্যা
স্থান: রোড: এস ১, ব্লক: এফ, ইস্টার্ন হাউজিং, বর্ধিত পল্লবী, মিরপুর
চাঁদা: ১০০০ টাকা (চাকুরীজীবি)
৩০০টাকা (ছাত্র)

ম্যাপ:
uttarayan

গুগল ম্যাপ লিংক: এখানে

এখন পর্যন্ত যারা উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন:

১। লাবলু ভাই
২।

বিস্তারিত»

অলিভার

অলিভারের সাথে প্রথম পরিচয় হয়েছিল যখন Real wheel এর একটা সমস্যা নিয়ে আমাদের কোম্পানীতে আসে। মোটামুটি লম্বা। প্রায় ৫ ফুট ৯ অথবা ১০ ইঞ্চির মত হবে। কাঁচা-পাকা চুল আর ছোট ছোট চোখের সামনে মোটা ফ্রেমের চশমা। হাঁটে একটু ঝুঁকে ঝুঁকে। Stainless Steel এ মরিচার মতন সাদা সাদা দাঁতের উপর কালো কালো দাগ। সিগারেটের প্রতি আসক্তিটা তখনই বুঝে গিয়েছিলাম। দেখে মনে হয়েছিল বয়স চল্লিশের আশেপাশে কিন্তু পরে জেনেছিলাম পঞ্চান্ন।

বিস্তারিত»

একটি বিক্ষুব্ধ সত্ত্বা

অনেকক্ষণ ধরেই সূর্যটা মধ্যগগনে  অধিষ্ঠিত হয়ে তার অস্তিত্ব টা বেশ ভালোভাবেই জানান দিচ্ছে। প্রচণ্ড তাপে পিচ ঢালা পথ থেকে বাষ্প উড়ে সূক্ষ্ম মরীচিকার সৃষ্টি করছে। শহরের একটি ব্যস্ত রাস্তার ফুটপাতে নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে হেঁটে যাচ্ছে এক যুবক। দুনিয়ার কোন কিছুতেই তার আর কিছু যায় আসে না।মুখে কিছুদিন ধরে শেভ না করা খোঁচা খোঁচা দাড়ি । পরণে প্রায় ফিকে হয়ে যাওয়া একটা নীল ফুল টি শার্ট ও কালো প্যান্ট।

বিস্তারিত»

নয়টি হাইকু আর একটি ক্ষুদে ছোট গল্প

শীতের রাতে

খুন করে মাকড়সা বুঝলাম হায়,
একা আমিই জেগে আছি
পৃথিবী ঘুমায় !

Game

Burning vehicles,
Loss of lives.
Blame game continues !

অবরোধ

বাস ট্রেন লঞ্চ
আগুন লাশ।
অহিংস অবরোধ !

Ants

Fighting ants cutting each other’s head.
Who cares !
Big in number wins.

বিস্তারিত»

পুরোনো পাতায়ঃ বরফের দেশের গল্প ১

কিছু কথাঃ বিপুল পরাক্রমে বিভিন্ন কোর্সের পেপার, এসাইনমেন্ট লেখার কাজ করে যাচ্ছি। আর শেষ সময়ের পূর্বে কাজ শেষ করার শেষ চেষ্টা করছি। খুব গোছানো কম্পিউটার ফাইলের মাঝেও আমার বাজে অভ্যাস হলো এই জায়গায় ঐ যায়গায় বিভিন্ন চিন্তা, গানের কথা, দিনলিপি লিখে রাখা এবং সেটা ভুলে যাওয়া। একটা ক্লাইমেট চেঞ্জ এডাপ্টেশান ফ্রেইমওয়ার্ক খুঁজছিলাম। ফোল্ডারে ঘুরতে ঘুরতে এসে দেখি একটা ফাইল নাম, “life at mtu” খুলে দেখি গত বছরের কয়েকদিনের দিনলিপি।

বিস্তারিত»