রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ

রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ বাংলাদেশের ৪র্থ ক্যাডেট কলেজ।১৭৩৩ সালে বার্লিনে প্রথম ক্যাডেট স্কুল স্থাপন করেন জার্মান সামরিক শাসক দ্বিতীয় ফ্রেড্রিক উইলিয়াম। জার্মান সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবার (জাংকার) এর সন্তানরা যাতে বিদেশী সেনাবাহিনীতে যোগ না দেয় এবং একই সাথে জাংকারদের সমর্থন পাবার জন্য এই ক্যাডেট স্কুলের শুরু।পরবর্তীতে সম্রাট নেপোলিয়ান বোনাপার্ট ফ্রান্সে এই ব্যবস্থা চালু করেন।কিন্তু ক্যাডেট কলেজ শব্দটি প্রথম আসে জার্মানীর চ্যান্সেলর অটো ফন বিসমার্ক এর সময়ে ।

বিস্তারিত»

নয় মিছে প্রলাপ

আমায় বারুদ এর ভয় দেখিয়ে লাভ নেই
সভ্যতাকে পোড়াতে ,ছাই ভস্ম করতে যে হিংসার বারুদ ছড়ানো ছিটানো ছিল
আরব সাগরের পাড়ে, দজলা ফোরাতের তীরে
সেই বারুদ কে আমি পুড়িয়েছি নিজের হাতে নিজের মত করে আপন খেয়ালে আপন ধ্যানে
এক্টুও ভয় পাইনি
সুকান্তের দেশ্লাই দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছি লাখ লাখ টন বারুদ

আমাকে দাবানলের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই
আমি অনেক দাবানল দেখেছি
এশিয়া থেকে মধ্যপ্রাচ্যে ,আফ্রিকা থেকে ইউরোপে
শীতল প্রশান্ত করে দিয়েছি সেইসব দাবানল কে

আমাকে আগুনের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই
পুড়তে পুড়তে আমি নিজেই জ্বলে উঠেছি
পুড়িয়ে দিয়েছি চিতার আগুন কেও

আমাকে হিংসার ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই
আমি হিংসাকে ভালোবেসে নিজেই কখন জানি হয়ে উঠেছি অহিংস
আমাকে মানুষের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই
আমি মানুষ খেকো মানুষ কে বধ করে অমানুষ কেও বানিয়েছি মানুষ

আমাকে হৃদয়ের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই
আমি হৃদয়ের পাথুরে জমিন খুড়ে
সে জমিনে ফুটিয়েছি ্লাল টুকটুকে রক্তগোলাপ

ভেবোনা তুমি আবার –

বিস্তারিত»

ছবিব্লগ ৪ – গত এক বছরের মার্কিনি ফিরিস্তিঃ এখন গ্রীষ্মকাল

এখানকার এলাকাবাসীরা বেশীরভাগ ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত। এদের বেশিরভাগ আমেরিকান নামের শেষে দাঁত ভাঙ্গা কোন ইউরোপীয় শেষ নাম থাকেই। আগেই বলেছিলাম ১৮৮৫ সালে মাইনিং কলেজ হিসেবে যাত্রা শুরু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। সেই সময় ফিনল্যান্ড, সুইডেন, পোল্যান্ড, থেকে প্রচুর শ্রমিক কাজ করতে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। যাই হোক পুরনো এই অধিবাসীরা পর্যন্ত এবারের শীতের উপর চটে গিয়েছিল। গত নভেম্বরে তুষার পড়া শুরু হয়ে সর্বশেষ তুষারপাত হয়েছে এই বছর মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত।

বিস্তারিত»

দি নিউ মমিন্সিঙ্গা সার্কাস ….!

ঘুম থেকে উঠে দরজা খোলা মাত্রই দেখলাম প্রচুর ভীড়।বিকেল ৫.৩০ বাজে।আবার কি হল?? ভীড় নীচতলার করিডোর জুড়ে, সিঁড়ির ধাপে ধাপে,দোতলায় গিয়ে তুঙ্গে!! কোমরে তোয়ালে পেঁচিয়ে বের হয়েছিলাম গোসল করার আশা নিয়ে! জুলাই মাসে দিনে অন্তত একবার গোসল না করলে নিজেকে বড় বিবেকহীন মনে হয়। কিন্তু অনুসন্ধিৎসু অন্তঃকরণের কাছে হার মেনে গেলাম! আবার দরজা লাগায়ে হাফ প্যান্ট আর টিশার্ট পরলাম! জুলাই মাসে গোসল রাতেও করা যাবে!

বিস্তারিত»

মায়াবতী তরুণীর প্রতি খোলা চিঠি

আমার ডান হাতের তর্জনী ছুঁয়ে দিতে চাইলে তোমাকে জানতে হবে কেন আমি রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে দুধ চা খাই না, আদা চা খাই। জানতে হবে প্রচণ্ড জ্বরে কিছুই মুখে তুলতে না পারা একলা বালক কেন চিনি গোলানো পানিতে ভিজিয়ে ব্রেড খেতে চায়। তোমাকে জানতে হবে ফুটবল মাঠে খেলতে নামার সময় বালকের কোন হাতের মুঠোয় ধরা থাকে নিরন্তর সাথী ভেনটোলিন ইনহেলার।

আমার বাহু জড়িয়ে ধরতে চাইলে তোমাকে জানতে হবে লিওনেল মেসি কোন পায়ে শট নেয় গোলপোস্টে।

বিস্তারিত»

কিসের বলির পাঠা রনি

এই দফায় আওয়ামীলীগের বা জোট সরকারের ব্যার্থতা কি কি?
বিডিয়ার বিদ্রোহ ১ নম্বরে।
যদিও আমি বিশ্বাস করি না আওয়ামীলীগ এর পিছনে ছিলো। কিনবা এর কোন নেতা ছিলো। যদিও নানকের নাম বার বার এসেছে।
বিভিন্ন গুম খুন নিউজে এসেছে।
বিশেষ করে ইলিয়াস আলী এমপির ঘটনা।
আমি এর পিছনে রাজপুত্রের হাত দেখতে পাই।

কালো বিড়াল আর আবুল হোসেনের সাকোর কথা বিশেষ করে বলার কিছু নাই।

বিস্তারিত»

সুইসাইড পয়েন্ট

আমার বান্ধবীরা,যারা আত্মহত্যা করতে চায়,অথবা চায় না
সবাইকে নিয়ে এবার আটতলার ছাঁদে বেড়াতে এসেছি
নিচে কংক্রীটের কী মসৃণ মজবুত সারফেস!
সাথে ব্লেড,রশি,আর তিনশত ঘুমের বড়ি

এদের সবারই বয়ফ্রেন্ড ছিলো,প্রেমিক ছিলো না
যার যার কাজ শেষ করে সকলেই বাড়িতে গেছে গা ধুতে
শুধু মেয়েগুলো পড়েছিলো বিছানায়-
~একা,বিধ্বস্ত,আতঙ্কিত,লজ্জিত এবং একা~
অবশ্য শীৎকারে কেউ কার্পন্য করে নি
অন্তত বয়ফ্রেন্ডদের তাই মনে হয়েছিলো
(অবশ্য তাড়াহুড়োর মধ্যে কে শুনতে যায়)

আর আজকে যখন ছাদে নিয়ে এলাম
একজন বলছিলো,কেউ তো জানে না!

বিস্তারিত»

অদ্ভুত উটের পিঠের আরোহী

প্রায় ৪ মাস বাসার মুখ দেখিনা। তাই পরিবারের প্রতি একটা আলাদা টান অনুভব করছি গত ৩ দিন ধরে। অনাকাংখিতভাবে, আরও ভালভাবে বলতে গেলে আশ্চর্যজনকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ ২ তারিখ ছুটি ঘোষণা করে দিয়েছে। ১ তারিখ রাতে রওনা দেব বলে ঠিক করলাম। ২৩ তারিখ টিকেট কাটতে যাবো স্টেশনে। ১২টা পর্যন্ত ক্লাস করে যেই বাসে উঠতে যাচ্ছি,তখনি এক বন্ধু কল করল।”দোস্ত,খবর তো খারাপ।” “ক্যান,কি হইসে?” “২ ঘণ্টা দাঁড়ানোর পর বলে টিকেট নাকি নাই।”

বিস্তারিত»

দৈনিক ধারাবাহিক অভিনয়…

রাত ৯.১৫। বিশ্ববিদ্যালয়ের হল। জহির বসে আছে বিছানায়।
তার মোবাইলটা বেজে ওঠে হঠাৎ। হাতে নিয়ে দেখে মা কল দিয়েছে গ্রাম থেকে। সে কলটা কেটে দিয়ে নিজেই কলব্যাক করে।

– হ্যালো, মা।
– হ্যালো বাবা কেমন আছিস রে?
– আমি খুব ভাল আছি মা। তোমার শরীর এখন কেমন? রাশেদ আর মিলি কেমন আছে?
– আমার শরীর এখন একটু ভাল। রাশেদ আর মিলি পড়ছে।

বিস্তারিত»

রেলগাড়ী

তোমার জন্য মরীয়া হয়ে ছুটছে সারা শহর
তারপরও তুমি কাঁচঘরে একা জানালায় বসে থাকো
সামনে রঙিন স্বপ্ন সাজিয়ে দুই চোখ বেধে রাখো
চাঁদ চুঁয়ে চুঁয়ে নেমে আসা জল
ভাঙা রেলগাড়ী, শিশিরের দল
দুই হাতে গালে মাখো!
কাঁচঘরে বসে থাকো
তোমার জন্য মরীয়া হয়ে ছুটছে সারা শহর
তারপরও তুমি কাঁচঘরে একা জানালায় বসে থাকো

তোমার জন্য হঠাৎ সাহসী রোদেপোড়া রাজধানী
তারপরও তুমি প্রাণ নিয়ে গেছো চেনা রাজপথ থেকে
ভেঙে দিয়ে গেছো প্রিয় মনুমেন্ট রাস্তার মোড় থেকে
গুপ্তধনের ছেড়া খোড়া ম্যাপ
ভাঙা কাঁচে মাখা রূপোর প্রলেপ
রাস্তা পেরুনো বোকা ছেলেটাও আড়চোখে চেয়ে দেখে
তোমার জন্য মরীয়া হয়ে ছুটছে সারা শহর
তুমি নিয়ে গেছো প্রিয় নীল রঙ রাস্তার মোড় থেকে

বিস্তারিত»

বিফোর মিডনাইট (২০১৩)

২০১৩ সালে এসে আমরা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি রিচার্ড লিংকলেটারের “বিফোর” ট্রিলজি ইতিহাসে একটা বিশেষ জায়গা করে নেবে। ট্রিলজিটা শুরু হয়েছিল ১৯৯৫ সালে, বিফোর সানরাইজ-এর মাধ্যমে, যেখানে অভিনয় করেছিলো ২৪ বছর বয়সী মার্কিন অভিনেতা ইথান হক (জেসি চরিত্রে) ও ২৫ বছর বয়সী ফরাসি অভিনেত্রী (১৯৯০ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত) জুলি দেলপি (সেলিন চরিত্রে)। এর নয় বছর পর ২০০৪ সালে বিফোর সানসেট-এ ইথান ও জুলি আবার একত্রিত হয়,

বিস্তারিত»

আরগো, ইরান হোস্টেজ ক্রাইসিস ও কিছু অসঙ্গতি

Argo দেখলাম। যদিও একটু দেরি হয়ে গেল। বিভিন্ন কারনে মুভিটা দেখা হচ্ছিল না। অবশেষে সময় করে দেখে ফেললাম। আমি অভিনেতা বেন এফ্লেক এর তেমন একটা ভক্ত না, কিন্তু ডিরেক্টর বেন এফ্লেকের বিশাল ভক্ত। অসাধারণ একজন  ট্যালেন্ট। মাত্র চব্বিশ বছর বয়সে Good Will Huntingএর জন্য ম্যাট ডেমনের সাথে বেস্ট স্ক্রিন প্লে ক্যাটাগরিতে অস্কার পেয়েছিলেন সেই ১৯৯৭ সালে। আর্গো র জন্য এবার বেস্ট ডিরেক্টর এওয়ার্ড পেলেন গোল্ডেন গ্লোব এ।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট কলেজ কড়চা-২

২০০২ থেকে ২০০৮।আমার ক্যাডেট লাইফ।ভালোয় মন্দে মিশিয়ে কেটেছে জীবনের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর এই ছয়টি বছর।যেকোন ক্যাডেটের এই ছয়টি বছর কাটে অনেক ঘটনাবহুল।আমিও ব্যাতিক্রম না,মাঝে মাঝে মনে হয় আমার ক্যাডেট লাইফ একটু বেশিই উরা-ধুরা।কলেজের গল্প করতে কার না ভালো লাগে?ছয় বছরের ছোট ছোট ঘটনা নিয়ে আমার এই সিরিজ ‘ক্যাডেট কলেজ কড়চা’।আগেই বলে নেই ঘটনাগুলো ক্রমানুসারে সাজানো নয়।যেটা আগে মনে আসবে সেটাই লিখবো আগে।

(ডিসক্লেইমারঃধূমপান ক্যানসার সহ নানা প্রকারের দুরারোগ্য ব্যাধির কারণ হতে পারে)

বয়স তখন ১৩ কি ১৪।ক্লাস এইটের কোন এক ছুটি।দুই দুষ্টু (ক্যাডেট)বন্ধুর প্ররোচনায় সিগারেটে হাতেখড়ি।আমার ভাব তখন দেখে কে?২ দিনে মনে হলো অনেক বড় হয়ে গেছি।অসম্ভব(!)স্মার্ট লাগতে লাগলো নিজেকে।তার উপর বিলবোর্ডে নেভির প্যাকেট সামনে রেখে জাহিদ হাসানের ছবি,লেখা “শেষ পর্যন্ত সিগারেটটা ধরেই ফেললাম”।ভ্যাকেশনে লুকিয়ে লুকিয়ে সিগারেট খেতাম বাথরুমে,অনেক রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে।মাঝে মাঝে মিসটাইমিং হয়ে যেত।আম্মা বলতো রাতদুপুরে নাকি বিড়ির গন্ধ পায়।নানী এগিয়ে আসতো আমাকে বাঁচাতে,বলতো পাশের বাসার আঙ্কেল রাতে বিড়ি খায়।

বিস্তারিত»

তারেক ওসমানের নিবন্ধ

অনুবাদকের দুই পয়সা

সবার মতোই আমিও পত্রপত্রিকা পড়ি। সময় পেলে বেশ খুঁটিয়েই পড়ি। অনেক সময়ই দেশের চলমান ঘটনাগুলোতে বিশেষত রাজনৈতিক ঘটনা প্রবাহে হতাশ হই। আমি নিশ্চিত যে এটা আমি একা নই, আরো অনেকের ক্ষেত্রেই ঘটে থাকে। এ মাসের প্রথম দিকে যখন মিশরে সামরিক বাহিনী জনসমর্থন সাঙ্গ করে নির্বাচিত ইসলামিক দল মুসলিম ব্রাদারহুডকে ক্ষমতাচ্যুত করে – সংবাদমাধ্যমে তার গতিপ্রকৃতি খেয়াল করছিলাম আর মনে হচ্ছিল এ যেন আমাদের দেশের ‘ওয়ান ইলেভেন’

বিস্তারিত»

জিসান এর মত চাই না মুহিব ভাই আমাদের ছেড়ে চলে যাক

২১ ডিসেম্বর ২০১১ , দিনটা ছিল আমার জীবনে অন্যতম বেদনাদায়ক একটা দিন । এই দিনে আমার কলেজের বন্ধু জিসান ব্লাড ক্যান্সারে মারা যায় । জিসান ছিল আমার কলেজের ভাসানী হাউস এর । ২-৩ দিন আগে ব্যাচ গ্রুপে হঠাৎ নাফিজের পোস্ট দেখে স্তব্ধ হয়েছিলাম অনেক ক্ষণ, কোন কমেন্ট করতে পারিনি । পোস্টটা ছিল আমাদের গাইড ব্যাচ এর মুহিব  ভাই কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত । আবার এই ক্যান্সার এর আক্রমণ !

বিস্তারিত»