ঝর্ণার গান

অন্যমনে,
যেনবা
নিতান্ত অনিচ্ছায়
দুলকিচালে
গড়াতে গড়াতে
অভিকর্ষের ডাকে
পাকিয়ে ওঠে
রশির মতন;
শেষে কিনারায় এসে
নিরুপায় লটকে যায়
বিনিদ্র
বিস্ফোরণ!

স্ফটিকের সহস্র কুচো
দ্রুতলয়
সন্তুরে চড়ে
ওইই নীচে
নেমে গেলে
টলটল
সুবোধ জল
ডাকে আয়!

তন্ময়তা
ভেঙে খানখান।
তরুণী পাতাদের
সন্মোহিত গাল
লালচে আঁচে
পুড়ে
বনভূমি জুড়ে
আত্মাহূতির
ধুম লেগে যায়…

বিস্তারিত»

ওয়েস্টার্নঃ ঠান্ডা প্রতিশোধ! (১ম পর্ব)

(এখানে বর্ণিত তথ্য ও উপাত্ত ঐতিহাসিকভাবে সত্য নাও হতে পারে)

১।

সানসিটি, ক্যালিফোর্নিয়া।

শহরের একমাত্র আন্ডারটেকার ডার্টি মরিস এক দলা থুথু ফেলে জানালো কবর খোঁড়ার কাজ শেষ। গত কিছুদিন টানা বৃষ্টি হবার কারনে মাটি নরম হলেও আঠাল ভাবের জন্য কাজটা মোটেও সহজ ছিল না। গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি এখনো চলছে বলে ইতোমধ্যেই কবরের মধ্যে পানি জমা শুরু হয়ে গেছে। কনকনে ঠান্ডার মধ্যে বৃষ্টিতে ভিজে গিয়ে সে রীতিমতন ঠকঠক করে কাঁপছে।

বিস্তারিত»

এপ্রিল ফুল

আজ যে ঘটনাটি বলব তার ঘটনকাল ২০০৯ এর ফার্স্ট টার্মে, এপ্রিলের ১ তারিখ। আমরা ক্লাস নাইনে। তখন কলেজে চলছে “১০,০০০ যুগ”। ১০,০০০ যুগ বলার কারন, তখন ১০,০০০ টাকা জরিমানা খাওয়া ইডি খাওয়ার চেয়েও সহজ। ঠিক এমনই দিনে লাঞ্চের পর মাত্র হাউসে এসেছি। ঠিক তখন তৎকালীন জুনিয়র প্রিফেক্ট মাকসুদ ভাই (ছদ্মনাম) রুমে এলেন। ভাবলাম হয়ত রুম চেকিংয়ে এসেছেন। তড়িঘড়ি করে প্লেস গোছাতে শুরু করলাম। কিন্তু উনি চেকিং না করে বললেন,

বিস্তারিত»

অত:পর ব্লগর ব্লগর

গল্পযন্ত্র এবং কল্পমঞ্চ

আমি প্রতিদিন গল্প লিখতে চাই গল্প যন্ত্র দ্বারা তাড়িত হয়ে। চোখের সামনে অবিরত চলমান গল্পযন্ত্র আপন গতিতে গল্প উৎপাদন করে যায়। আমার সমস্ত চিন্তা চেতনা এক করে সেই গল্প গুলোকে এক করার চেষ্টা চলে গল্প মঞ্চে। ও হ্যা, গল্প মঞ্চের পরিচয়টা একটু দেয়া যাক। আমি চোখ বন্ধ করলেই একটা ঘর দেখতে পাই। সাদাসিদে পলেস্তরা খসে পড়া দালানের ঘর। চারপাশে একধরণের ধূসর রহস্যাবৃত আবহ।

বিস্তারিত»

শাকুর ভাই এবং আমি

২০০৮ সালে আমি যখন ক্লাস এইটে, তখন আমাদের কলেজের সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করা হয়। কলেজের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ২৮ এপ্রিল হলেও কোন এক কারনে সুবর্ণ জয়ন্তী পরে পালন করা হয়। দুর্ভাগ্যবশত সে সময় আমিও কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। পায়ে সমস্যা থাকায় আমাকে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়া হয়নি। তবুও রাতে কনসার্টে যেতে পেরেছিলাম।

যদিও তারিখটা মনে নেই, দিনটি ছিল শুক্রবার। যেহেতু অনেক এক্স-ক্যাডেট আসবেন, আগের দিন প্রিন্সিপাল ইন্সপেকশন ছিল।

বিস্তারিত»

বাঙালি মুসলমানের নাম বিভ্রাট

সতর্কীকরণঃআপনি কি আরবি নামকে ইসলামিক নাম মনে করেন?আপনার মতে কি মুসলমানের নাম অবশ্যই আরবি হতে হবে? আপনার কি মনে হয় বাংলা নাম মানে হিন্দুয়ানী নাম?তিনটি প্রশ্নের একটিরও উত্তর যদি হ্যা হয়ে থাকে তবে লেখাটি পড়বেননা।আপনি কোনভাবে আঘাত পেলে আমি দায়ী থাকবো না।

একদিন মুখে এল নূতন এ নাম–
চৈতালিপূর্ণিমা ব’লে কেন যে তোমারে ডাকিলাম
সে কথা শুধাও যবে মোরে
স্পষ্ট ক’রে
তোমারে বুঝাই
হেন সাধ্য নাই।

বিস্তারিত»

পোশাকশিল্পের মজুরি নিয়ে আমার ভাবনা।

পোশাক শ্রমিক দের বেতন বাড়ানো নিয়ে সারাদেশে তুঘলকি কান্ডকারখানা। শ্রমিকরা বলে ৮,০০০টাকা দিতে হবে, মালিক-রা বলে ৩,৬০০টাকার বেশী দিতে পারব না। মাঝখান থেকে রাজনীতিবিদরা এবিষয়ে ঢুকে, শেষ পর্যন্ত যা হয়, তালগোল অবস্থা।

আমারও ছোট একটা কারখানা আছে।
৮,০০০টাকা সর্বনিম্ন বেতন হলে বাধ্য হবো মান্যুয়াল মেশিন এর পরিবর্তে অটোমেটিক মেশিন ব্যাবহার করতে। আগে ১০,৮০০টাকাতে ২জন (৬,০০০টাকাতে একজন অপারেটর, ৪,৮০০টাকাতে একজন হেল্পার) দিয়ে ম্যানুয়াল মেশিন দিয়ে কাজ হত,

বিস্তারিত»

নীরব ভালোবাসা

ছাতা হাতে খোলা চুলে সতর্ক হরিণী।
“নীলচে জামা!” তুমি বলেছিলে, খেয়ালই করিনি।
লাজুক হাসি, “কোথায় যাবেন? বলুন কিছু?”
“যেদিকে বলো, দুচোখ যাবে তোমার পিছু।”
কপট রাগে উল্টো ঘুরে হাঁটা দিলে।
“এই মামা যাবে নাকি কার্জন হলে?”
রিকশায় বসে হয়না দেখা ঘাড় ঘুরিয়ে,
আলতো করে হাতটি ধরি চোখ সরিয়ে।
দুপুর গড়িয়ে শেষ বিকেলের লাল দালানে,
বসে আছি তুমি আমি আপন মনে।

বিস্তারিত»

রাধাকথন-৭

বাসে উঠে’ আজ
‘আ মেরে জান
শাহরুখ সালমান’
চেঁচাবোনা। প্রমিজ!
আজ কোন
প্রসাধন নেই,
উচ্চগ্রাম শিস
করতালি নেই,
নেই জোড়াতালির
উত্তেজক কামিজ

আজ এই আধা-
মানবী নয়
তোর রাধা
হয়ে যাক,
আজ চোখ
সরিয়ে নেয়া থাক।
আজ দশটাকা দিয়ে
পালানো নয় প্লিজ!

বিস্তারিত»

একটি ফাঁকিবাজী টাইপের ছবি ব্লগ !

ব্লগে কিছু লিখতে হলে একটু সময় নিয়ে বসতে হয়। বেশ কিছুদিন ধরেই সেরকম সময় করে বসে কিছু লেখার সুযোগ পাচ্ছিলাম না ।সময় হয়তো বের করা কঠিন কিছু ছিল না। এক্ষেত্রে মূল ভিলেন হলো আলসেমি । সপ্তাহান্তে গিয়ে সমস্ত ইচ্ছেশক্তি হারিয়ে ফেলি। ঐ  সময় ধূমায়িত কফির মগ হাতে ফুটবল খেলা দেখে বা টিভি সিরিজ,মুভি দেখেই সময় পার করে দেই। তবুও এর মাঝে একটি প্রাক্তন ক্যাডেট দের ফেসবুক পেজে বেশ কিছু পোস্ট দেই।

বিস্তারিত»

মা, আম্মা কিংবা আম্মু

১.

প্রবাদবাক্য : পরিবর্তন চিরস্থায়ী।

প্রমাণ : একটি প্রেমের গান…… ”তোমারে লেগেছে এতো যে ভালো চাঁদ বুঝি তা জানে…… রাতেরও বাসরে দোসর হয়ে তাই সে আমারে টানে…… আ আ আ…… চাঁদ বুঝি তা জানে……”

আরেকটি প্রেমের গান…… ”যেভাবে জলদি হাত মেখেছে ভাত……নতুন আলুর খোসা আর এই ভালোবাসা……আমার দেয়াল ঘড়ি কাঁটায় তুমি লেগে আছো……”

উপসংহার : প্রেমিক-প্রেমিকার ভালোবাসার ধরণটা খুব দ্রুত বদলাচ্ছে……

বিস্তারিত»

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ও আমাদের সচেতনতা:ব্লগাররা আসুন আমরা সবাই আমাদের অধিকার সম্বনদ্ধে জানি এবং প্রয়োগ করি

আমাদের দেশে আইন আছে কিন্তু আইনের প্র​য়োগ নেই। আবার অনেকের মধ্যে সচেতনতার অভাবও রয়েছে। আমাদের দেশে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন বলে একটি আইন আছে যা আমরা অনেকেই জানিনা। কিন্তু এই আইনটি বেশ কার্যকরি। এখন কথা হচ্ছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনটি কি এবং কিভাবে আমরা সাধারণ মানুষ এর সুফল পেতে পারি।

আমাদের দেশে আমরা যতরকম সার্ভিস বা পণ্য কিনি সেগুলো বিক্রেতারা সঠিকভাবে আপনাকে দিচ্ছে কিনা বা আইন মেনে তারা আপনাকে আপনার প্রাপ্য বুঝিয়ে দিচ্ছে কিনা এসব বিষয়ে যেকোন ধরনের প্রতারণার স্বীকার হলে আইনি সুবিধা পেতে আমরা এই আইনের আশ্রয় নিতে পারি।২০০৯ সালের ৬ এপ্রিল ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন করা হয়।

বিস্তারিত»

স্বাধীনতা, পরাধীনতা ও নবাব সিরাজউদ্দৌলা – ১

স্বাধীনতা, পরাধীনতা ও নবাব সিরাজউদ্দৌলা – ১
—————————- ডঃ রমিত আজাদ

গত ১৯ শে সেপ্টেম্বর ছিলো নবাব সিরাজউদ্দৌলার ২৮৬ তম জন্মবার্ষিকী।

যে মহান ব্যক্তিটির সাথে আমাদের বাঙালী জাতির ভাগ্য গাঁথা হয়ে গেছে তিনি হলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা। আগ্রাসী কূটকৌশলী ইংরেজ ও দেশীয় বিশ্বাসঘাতকদের হাতে নবাবের পতন কেবল একটি ব্যক্তির পতন ছিলো না, উনার পতনের সাথে সাথে আমাদের জাতিরও পতন ঘটে। একটি জাতির যখন উন্নয়ন ও শ্রীবৃদ্ধি ঘটে তখন জাতিটিকে স্বাধীন জাতি বলা যাবে,

বিস্তারিত»

ঘূর্ণাবর্তে আমরা

ঘূর্ণাবর্তে আমরা
—————– ডঃ রমিত আজাদ

হয় আপনি, নয় তিনি, এইতো চলছে?
আপনি পক্ষে, তিনি বিপক্ষে,
না না তিনি পক্ষে, আপনি বিপক্ষে,
না না আপনারা দুজনেই পক্ষে, আমরা বিপক্ষে,
ভুল বকছি বোধহয়
আমরা পক্ষে, আপনারা দুজনে বিপক্ষে,
কি জানি বুঝতে পারছি না,
মাথাটা এলোমেলো হয়ে গেছে বোধহয়।

আসলে আমরা কেউ নই, আপনারাই সব,

বিস্তারিত»

২০২১

অনেক দিন পরে এসে নামলাম ঢাকা এয়ারপোর্টে। প্রথমেই ভাল লাগলো যখন দেখলাম বিমান বন্দরের নাম এখন শুধু “ঢাকা”। জিয়া, জালাল, হাসিনা, পুতুল না হয়ে শুধু ‘ঢাকা’ অনেক পছন্দের আমার। বাংলাদেশের মানুষ আসলে সব কিছু সোজাসুজিই পছন্দ করে। পাসপোর্ট কেউ দেখতে চাইলো না দেখে একটু অবাক হলাম। এক সহযাত্রীকে জিজ্ঞেস করলাম – পাসপোর্টে সিল মারাতে হবে না?

– কত দিন পরে এখানে আসছেন আপনি?

বিস্তারিত»