কলেজ আউট

বাজার থেকে আজ তা প্রায় বারোটা বছর পর হবে, একটি ভিডিও গেমসের সিডি কিনে এনে করিম আর তার ছেলে সজীব খেলছে। করিম তো বুড়া আর সজীব ক্লাস ফাইবে পড়ে কিন্তু তা সত্বেও দুজন খেলাটার স্বাদ পেতে মোটেও বাকি রাখছে না। সজীবের মা মিসেস লিজা করিম অবাক হয়ে বাপ-বেটার কান্ডটা দেখছে। খেলাটার নাম “কলেজ পলায়ন-১”।

।এক।

১৯৯৫ সাল। নবম শ্রেনীর ছাত্র করিম আর হায়দার।

বিস্তারিত»

তিতো ওজিসান

জোর করেই তোমার মা তোমাকে আমার কোলে তুলে দেয়
তার পর বেশ কটা বছর আমার আত্মা হয়েছিলে,
বিশ্বাসই করতে পারবেনা আমাকে কতটা ভালবাসতে
দেড় বছরেই অনেক কথা শিখে গিয়েছিলে
আব্বু  ডাক শোনার জন্যে তোমাকে কত আব্বু বলেছি !
পিচ্চি হলেও ভুলটা করনি কখনও।

তোমাদের ছোট্ট বাসায় আমার আশে পাশেই থাকতে
খাওয়ানর সময়টাতে পারলে পেটের মধ্যে ঢুকতে।
একটা কথা মনে হলে এখনও হাসি পায়
আমরা খেতে বসলে ভ্যাঁ করে হিসি করে দিতে।

বিস্তারিত»

অতঃপর…!!!

নিহাল কে ভালোবাসে অরিন। নিহাল নামটা খুব পছন্দ ওর। প্রথম যেদিন ওর প্রেমে পড়ল সেদিন বৃষ্টি ছিল, ছেলেটা ওকে অনেকগুলো গোলাপ দিয়েছিল। ভালোবাসার সময়গুলো কেমন জানি কেটে যায়। একটু ঘুরতে যাওয়া, হাত ধরে বসে থাকা, হাতধরাটা ন্যাকামি হলেও অদ্ভুত শান্তি লাগে,৫ আঙ্গুল বারবার আরেক হাতের স্পর্শে ঘেমে গেলেও হাত না ছাড়ার অনুভূতি অন্যরকম। চোখের সামনে দিনগুলো ভাসে। যেদিন নিহাল ওর গলা টিপে ধরে টাকা চাইল সেদিন অরিনের জন্মদিন ছিল।

বিস্তারিত»

কবি হেলাল হাফিজ ও ব্যক্তিগত অনুভূতি

nullমুল লেখাঃ
কবি হেলাল হাফিজের সাথে আমার পরিচয় খুবই অদ্ভুত ভাবে। এক বিকেলে চারুকলার সামনে দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে ঢেলে সাজানো বই গুলোর দিকে চোখ বোলাতেই একটি বই চোখে লেগে যায়। যে জলে আগুন জ্বলে। চোখে লাগার মতোই বই। অদ্ভুত শিরোনাম। বই হাতে নিয়ে কয়েক পাতা ওল্টাতেই একটা কবিতা চোখে পড়ে। এক নিমিষেই পড়ে ফেলি।

“প্রেমের কষ্ট ঘৃণার কষ্ট
নদী এবং নারীর কষ্ট
অনাদর ও অবহেলার তুমুল কষ্ট
কষ্ট নেবে কষ্ট?”

বিস্তারিত»

শিরোনামহীন শব্দচয়ন…!!!

সুখ দুঃখ নিয়ে এই ছোট্ট জীবনে অনেক ভাবতে হয়েছে আমাকে। সেটা যে কারনেই হোক আমার চিন্তাধারা খুলে যায় ২০০৪ সালে শহীদ ক্যাডেট কোচিং এ থাকাকালীন ভবন-১ এ থাকতে। ৪ তালার হাবিব স্যার এর ফ্ল্যাট এ শুয়ে এক বিকালে বেডমেটের সাথে কথা বলতেসিলাম। রাজীব নাম ছিল ছেলেটার। খুব গরীব পরিবারের ছেলে, শুদ্ধ ভাষায় কথা বলা শিখেনি বলে কারও সাথে তেমন কথা বলত না, আর আমার ডুয়েল পারসোনালিটি ডিসঅর্ডার ছিল আই মীন খুব তাড়াতাড়ি পরিবর্তনশীল ছিলাম বলে আলাদা থাকতাম,তাই আমার বেডমেট হিসাবে স্যার ওকে ঠিক করে দিয়েছিলেন এই ভেবে যে আমিও বেশি কথা বলিনা আর রাজীব ও বলেনা,

বিস্তারিত»

আই সি সি এল এম … আহা!

আমি ক্লাস টেনে থাকতে আইসিসিএলএমএম হয় কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজে (২০০৭ সালে)। আমার কলেজে টেস্ট চলে, ৫ টা পরীক্ষা দিয়ে আমাকে বলা হয় বাকি গুলা পরের টার্ম এ এসে দিতে। আমি কলেজের স্যার-ম্যাডাম দের টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে এহেন অবহেলায় মনে মনে ঠিক করি, এস এস সি তে ফেল করে কলেজের নাম ডুবাবো। পত্রিকায় নাম আসবে মেধাবি(!) ছাত্রী নাচ গান করতে গিয়ে অকৃতকার্য। আইসিসিএলএমএম এ গিয়ে এত্ত এত্ত বয়েজ ক্যাডেট দেখে মন টাই ভালো হয়ে গেলো!

বিস্তারিত»

একটি ‘ক্রাশ’ কিংবা অনেকগুলো বিরহের গান..

আমার ক্রাশ খাওয়ার হিস্টোরি বহুত বড়। জীবনে অনেক বার অনেক মেয়ের উপরে ক্রাশ খেয়েছি। সোজা বাংলায় “একতরফা প্রেমে পতিত” হয়েছি। আমি বন্ধুবান্ধবদের সাথে বেশ কথা-বার্তা বলতে পারি, আড্ডা মারায় ওস্তাদ; তা সে ছুটির দিন হোক, আর পরীক্ষার আগের দিনই হোক। কিন্তু মেয়েদের সাথে আমি পুরো উল্টো স্বভাবের। অপরিচিত বা স্বল্প পরিচিত যে কোন মেয়ের সাথে কথা বলতে গেলেই আমার কেন জানি পেটের মধ্যে মোচড়ানো শুরু করে।

বিস্তারিত»

একজন অসামান্য ক্রাচধারী

ব্যক্তিগত পর্যায়ে কর্নেল তাহের বহুদিন যাবত আমার কাছে ছিল অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও সম্মানের সাথে উচ্চারিত এক আজন্ম বিপ্লবীর নাম। তথাপি তার ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক জীবনের খুঁটিনাটি আমার অজানা ছিল এই সেদিন পর্যন্তও। অসংখ্য ধন্যবাদ ডাঃ শাহাদুজ্জামান স্যারকে, “ক্রাচের কর্নেল” বইয়ের মাধ্যমে আমার সে ঘাটতি খানিকটা পূরন করে দেবার জন্য। স্যারের সাথে চট্টগ্রামের বিখ্যাত বইয়ের বাসা “বাতিঘর” এ একটা সমগ্র সন্ধ্যা কাটাবার দুর্লভ সুযোগ আমার হয়েছে।

বিস্তারিত»

যখন আমি ক্যাডেট ছিলাম(পর্ব ৫)

আইসিসিএলএলএম ও কিছু গোপন দুঃখঃ

 

ছোট বেলা থেকেই মা আমাকে বলতেন, নিজের যা আছে তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা উচিৎ। কম থাকার কারণে আমাকে কখনো কষ্ট পেতে হয়নি, পেতে হয়েছে বেশি থাকার কারণে। ব্যপারটা আরেকটু গুছিয়ে বলি।

মানুষ হিসেবে আমি প্রচণ্ড আবেগী। শৈশবের রঙ্গিন জীবনটা কৈশোরে মোড় নেয়ার সাথে সাথে এই আবেগটা বেশ বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গিয়েছিলো বৈকি। প্রেম- ভালোবাসা সংক্রান্ত ব্যপারগুলো নিয়ে ভাবার শুরুটা তখন।

বিস্তারিত»

অপেক্ষা

সেই কবে তুই আসবি বলেছিলি–
আজো তোর অপেক্ষায় অপেক্ষামান
বুড়োদের শ্যাওলাধরা এইদরদালান।

এই সেদিন আবারো বসন্ত ঘুরে গেলো
পাতাগুলো ঝরে পড়লো নিদিষ্ট একটি ইতিহাস নিয়ে।
সেই ন্যাড়াগাছগুলো আবার সবুজ হল
সবুজের মাঝে কতসব রঙ্গিন ফুল ফুটল
সেসব ফুলের খোঁজে কতো কতো মৌমাছি আসল-
ভাবলাম, তুইও হয়তো আসবি।  
আসলি না।

বিস্তারিত»

সেইসব ছায়াদের কথা

আমি মুখ খুললেই দুর্গন্ধময় পাতলা পায়খানার মত ছরছর করে নির্গত হয় অশ্লীল গালিগালাজ।
তাই আমার গল্পটি বলিনি তোমায় আজও।
আমি লিখতে গেলেই মীরজাফরের মত চুপচাপ রং বদলায় কলমের কালি।
তাই তোমায় নিয়ে কবিতাটা হয় নি লিখা আজও।
আমি আঁকতে বসলেই ঝুরঝুর করে ঝরে পড়ে ইতিহাসের ঘুণে খাওয়া ধুন্দল কাঠের টুকরোটা।
তাই তোমার ছবিটা আঁকতে পারিনি আজও।
আমি হাঁটতে গেলেই অলিতে গলিতে শুনি দানবের হেঁটে যাওয়া থপথপ প্রতিধ্বনি।

বিস্তারিত»

ওয়েস্টার্নঃ ঠান্ডা প্রতিশোধ! (২য় পর্ব)

১ম পর্ব

৩।

ঐ দিন বিকেল বেলা।
ন্যাশ যখন হোটেল থেকে বের হল ততক্ষণে সূর্যের দাপট অনেকটাই কমে এসেছে। ওর পোশাক-পরিচ্ছদ এখন একেবারে পশ্চিমাদের মতনই। শুধু পার্থক্য হচ্ছে কোমরে কোন গানবেল্ট ঝোলানো নেই। এখন ও যে যেদিকে লক্ষ্য করে হাঁটছে শেরিফের অফিসটা সেদিকেই। শেরিফের অফিসের সুইঙ্গিং ডোর ধাক্কা দিতেই ও দেখল শেরিফ একমনে কি সব কাগজ-পত্র পড়ছে।
-হ্যালো শেরিফ।

বিস্তারিত»

নদী ভাঙ্গনে হুমকির মুখে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ

আজ ফেসবুকে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ গ্রুপ হতে মন খারাপ করা একটা খবর পেলাম। ৩৭ তম ব্যাচের রায়হানুল ইসলাম পদ্মা নদীর ভাঙ্গনে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ কেমন হুমকির মুখে রয়েছে তা কয়েকটি ছবি দিয়ে বুঝিয়েছে। তার অনুমতি নিয়ে ছবি গুলো সিসিবিতে প্রকাশ করছি-

রায়হান অধ্যক্ষ স্যারের একটি আবেদনও পিডিএফ আকারে আপলোড করে। সেটি দেখার সুবিধার্থে জেপিজি করে দিলাম।
Capture3

আমার প্রিয় কলেজকে নিয়ে আমি শংকিত।

বিস্তারিত»

সাকার বিচারের রায়কে বিতর্কিত করার চেষ্টা। বিশ্বাস করবেন না

খুব তড়িঘড়ি করে লিখলাম। সাথে স্ক্রীনশট দিয়ে দিলাম। ভুল হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। জামাত শিবিরের পুরাণ রোগ। ট্রাইব্যুনালকে বিতর্কিত করা। তারই অংশ হিসেবে তারা এই মিথ্যে খবর ছড়িয়ে দিয়েছে। কিছু মানুষ আবার বিচার না করেই বিশ্বাস করে বসে আছে। প্রত্যেকটি পেজের নিচে কমেন্টে দেখবেন এক শ্রেনির মানুষ এগুলো বিশ্বাস করে বসে আছে… এদের এই বিভ্রান্তিকর প্রচারনা রুখে দেবার দরকার… তাই রাত জেগে লিখে ফেললাম…

 

বিস্তারিত»

ফাঁকিবাজী টাইপের ছবি ব্লগ – ২

অনেকটা ঝোকের মাথায় আগের পর্বটা পোস্ট করে দিয়েছিলাম। খুব একটা চিন্তা ভাবনা না  করেই সামনে যা চোখে পড়েছিল তাই নিয়ে কিছু একটা লিখে দিয়েছিলাম। আজ আরেকটা উইকেন্ড শেষ হওয়ার পথে।  যথারীতি কিছুই করা হয়নি এই দুইদিনে। শনিবার সারাদিন গিয়েছে ফুটবল খেলা দেখে।  মাদ্রিদ ডার্বি তে ১৪ বছর পর রিয়াল মাদ্রিদের পরাজয়ের ধাক্কা সামলাতেই আমার ঐদিন কেটে যায়।  আর আজ লম্বা ঘুম দিয়ে বেলা করে উঠলাম।

বিস্তারিত»