ক্যাডেট কলেজে ভুতের সন্ধানে – ৩

ক্যাডেট কলেজে ভুতের সন্ধানে – ৩

 

(পূর্ব প্রকাশিতের পর থেকে)

 

খুব ভোরে সময় মতো ঘুম ভেঙে গেল। কিন্তু এটাকে পুরোপুরি ঘুম ভাঙা বলেনা। চোখ জেগে আছে আর দেহ ঘুমিয়ে আছে।  তড়াক করে উঠে গেলাম। ঐ কাজটা করতে হবে। অনেক দিন যাবৎ আশায় আশায় আছি, ভুতের দেখা চাই। আজ সেই আশা পূর্ণও হয়ে যেতে পারে। আধো ঘুম আধো জাগ্রত অবস্থায়ই সোজা চলে গেলাম সিঁড়ির দিকে।

বিস্তারিত»

কলেজ হাসপাতাল

জুনিয়র অবস্থায় কলেজ হাসপাতাল ছিল আমার কাছে বেহেশতের মত । আহ ! কি শান্তি । কোন পিটি নাই,নিয়মের কড়াকড়ি নাই । সিনিয়রদের ব্যবহারটাও কেমন যেন ভাল হয়ে যায় । ভর্তি হতে পারলে তো আর কথাই নাই , না হলেও কোন সমস্যা নাই । গেলেই অন্তত  রেস্ট মিলত তিন দিন । তবে ভর্তি হবার প্রতি আমার একটা বিশেষ দুর্বলতা ছিল সেটা অস্বীকার করা অন্যায় হয়ে যাবে ।

বিস্তারিত»

মেয়েটা আর আমি…

এক বন্ধুর বিয়েতে পরিচয়_

প্রথম দেখাতেই হলো সংশয়।

জানি না, কেন তার ঐ নীলশাড়ি

আমার মনটা নিলো, অচিরেই কাড়ি।

 

আমি শান্তমনা ছেলে_

বন্ধুপাগল মনটি আমার

রাতদিন থাকে তালেতালে।

আর, কী যেন সে খোঁজে

আপন মনেতেই গান বাজে।

দিনদুপুরে নায়ক বেশে

বাইরে যায় কাজে।

বিস্তারিত»

নেহায়েত ভন্ডামি

শখ করে সিগারেটও খাইনি কখনো
উৎসবে।
মদ!
তওবা তওবা- ছুঁয়েও দেখিনা।
মেয়ে বন্ধু কখনোই ছিল না আমার।
রাতের আড্ডায় কেউ দ্যাখেনি আমাকে।
তাই বলে-
পুরোদস্তুর হাজী সাহেব বলেও নিজেকে দাবি করি না !

জুয়ার টেবিলেও বসিনি কখনো।
বাঈজী নাচতো রীতিমতো অবিশ্বাস্য!

সকালে ক্লাসে যাই,
তারপর খাতা নিয়ে সেমিনার-
নোটপাতি খুঁজে নিয়ে বিকেলে পাঠাগার।

বিস্তারিত»

এখনও কাঁদি

পৃথিবীটা ছোট এবং গোলাকার । ঘুরেফিরে পুরানো মুখগুলোর সাথেই দেখা হয়ে যায় বারবার । তাই  যখন  মিশনের জন্য আমার ইউনিটে  একজন স্যার কে দেখে  অনেক পুরানো একটা দুঃখ মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো । আইসিসি ক্রিকেট ২০০৩-০৪,ভেন্যু রাজশাহি ক্যাডেট  কলেজ । সেবার আমদের প্রিপারেশন অনেক ভাল ছিল । অনুমিতভাবেই গ্রুপ পর্ব পার হয়ে সেমিতে রাজশাহীর  মুখোমুখি  হলাম  । স্বাগতিক এবং ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন । এবারো শক্ত দল । 

বিস্তারিত»

ভুলের ফল

ফুলটা তুলে ভুল করেছি

লাগছে নাতো ভাল

মানিয়ে ছিল যখন সেটি

গাছের ডালে ছিল।

 

ডালে ছিল তীক্ষ্ণ কাঁটা

খোঁচা খেয়েছি তাতে

ফুল তুলতে গিয়ে আমার

রক্ত ঝরে হাতে।

 

বাড়ি ফিরে লাগাই মলম

ব্যথায় টন্‌-টন্‌

ফুলটা রাখি বোতল জলে

মৌমাছি ভন্‌-ভন্‌।

বিস্তারিত»

সমসাময়িক

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে একটি অন্যতম ট্রেন্ড আছে। দুনিয়ার সকল রাষ্ট্র দুইটি দলে বিভক্ত। এক তাদের দলে, দুই শয়তানের দলে। আমাদের দেশের সরকারি দলের মানসিকতাও এমন হয়ে যাচ্ছে। হয় তুমি আওআমী লীগে, নয় তুমি স্বাধীনতাবিরোধী, জামাত শিবিরের দলে।

এই সরকারের সমালোচনা করলেই তারা তার মধ্যে শিবির, জামাত আর জঙ্গিবাদের ভূত দেখে। নিজের দোষ ঢাকার এর চেয়ে ভাল উপায় আর কি হতে পারে? সরকার সমালোচনা করলেই আপনার পশ্চাতদেশে জামাতের সিল লাগিয়ে দিবে।

বিস্তারিত»

নব্বর্ষের বোধোদয়

তারিখঃ ১৪ই এপ্রিল, ২০১০।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের ছাত্র-ছাত্রী কর্তৃক অভিনীত।

 

শিল্পীদের নাম ও ভূমিকার পরিচয়ঃ

সাঈদুর রহমান                   সাদাত

ফারিয়া রহমান                    মুনিরা

মাজেদ                             সোহেল

কাশেম                             তপু

নাদিয়া                             বৈশাখী

রচনায়ঃ মোঃ সাদাত কামাল

নির্দেশনায়ঃ সোহেল ভাই ও দিপুল ভাই।

 

বিস্তারিত»

তোমাকে না বলা কথা

শোন,
তোমাকেই বলছি।প্রেম পত্র নয়,ব্লাস করোনা। কেমন আছো? অবশ্য বৃথাই জিজ্ঞেস করছি, তোমার মতো লোকেরা ভালই থাকে। আমাকে কি চিনতে পারছনা? তা পারার কথাও নয়। রাজা( বা যে নিজেকে রাজা ভাবে) যে প্রজার ঘর ভাঙ্গে;তাকে মনে রাখলেও রাখতে পারে,কিন্তু তার সাথে সম্পর্কিত যার মনটাও গুঁড়িয়ে দেয় তাকে মনে রাখেনা। আমার বোনের কথা মনে আছে? দয়া করে এখন অন্তত এটুকু বলনা, তোমার বোন কে!চিনিনা তো!

বিস্তারিত»

কেন?

এই বছর কলেজ ছেড়েছি। বুকের ভেতরে ঘা টা এখনো দগদগে,আনকোরা নতুন। একটু খোঁচা লাগলেই যন্ত্রনা হয়। কিছু দেখলেই কলেজের সাথে তুলনা করি। খালি মনে হয় কলেজ কত ভাল ছিল। ডাইনিং হলে কত চিল্লাইছি ‘বাদল ভাই গ্লাসে ময়লা ক্যান?’ এখন নিজের রান্না নিজে করতে হয়! কিছুদিন আগে কলেজে গেলাম,আমি একা না,আমার সাথে আরো ৩২ জন ছিল! রিইউিনয়ন টাইপ অবস্থা। সবার মুখে এক কথা,চল বুয়েটে পরীক্ষা না দিয়ে ক্যাডেট কলেজ ইনটেক পরীক্ষা দেই!

বিস্তারিত»

অত্যাচারের রোমন্থন

নতুন হোস্টেলে ওঠার অনেকদিন পর সুপার ম্যাডামের সতর্কবাণী শুনে সুটকেস খুলে মশারিটা বের করলাম।বের করে দেখি মা আমাকে ভুলে ডাবল মশারি দিয়ে দিয়েছে(যার জন্য আমার রুমমেট খুব খুশি, তারটা বের করতে হচ্ছেনা দেখে),তাও আবার ছোটবেলার স্মৃতিময় মশারি। ভাঁজ খুলে দেখি তাতে আমার ক্লাস ফোরের হাতে লেখা “মশারি নং ৪২০,১ম মশা পিনি ও পরিবারবর্গ”…আমার ও আমার বোনের প্রিয় “হুমায়ুন আহমেদের কিশোর উপন্যাস সমগ্র”- র একটা চরিত্র থেকে লেখা।১ম মশার সাথে আমাদের টেলিপেথিক যোগাযোগ ছিল কিনা!দেখে ইমোশনাল হয়ে গিয়ে টাঙ্গালাম একদিন।কিন্তু ক্যাডেট কলেজেই এইটের পর আর টাঙ্গাইনি।

বিস্তারিত»

ঘরে ফেরা

এক সময় কেন যেন মনে হচ্ছিল আমি আর দেশে ফিরে যেতে পারবো না। এই অনুভূতি ছিল আমার সবচেয়ে ভয়াভহ। তবে একদিনে মনে হবার তেমন কোন ব্যাপার না এটা… তৈরি হয়েছে অনেক দিন ধরে। তখন আমার দেশ ছাড়ার আড়াই বছর চলছে। আমি অনেক বন্ধু আর সিনিয়র ভাইদের যেতে দেখি, বিদায় দেই কিন্তু আমার আর যাওয়া হয় না। প্রথম বছর কিছুই মনে হোত না.. কিন্তু সময় পার হলে ইউনিভার্সিটি শুরু হয়।

বিস্তারিত»

ব্যথা

অন্ধকার আস্তাকুড়ে আমায় ফেলে রেখে
তুমি চলে গেছো
স্মৃতিগুলো বিস্মৃতির কাঁটা হয়ে
আমার হৃদয়ে ব্যথা দিচ্ছে
অন্ধকার যে আমার পছন্দ না, তুমি জানতে;
তবুও আমায় ভুতুড়ে অন্ধকারে রেখে গেছো।
তোমার হাসি আজও কানে বাজে নুপুরের তালে;
আজো তোমার স্নিগ্ধ চুলের গন্ধে আমার চারদিক সুরভিত;
একটি ঘর্মাক্ত সন্ধ্যায় তোমার নাকের উপর জমা শিশিরগুলো
আজো আমায় জানান দেয় একটি সুন্দর দিনের সমাপ্তি;

বিস্তারিত»

গুডলাক বাংলাদেশ!!! গুডলাক!!!

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাতে কোন রকম ঢাক-ঢোলের মাতম ছাড়াই শুরু হয়ে গেল মাত্র ছয় বছরের মধ্যে ৪র্থ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ বরাবরের মত এবারও ‘ডেথ গ্রুপ’এর সদস্য। কিছুদিন আগেই বাংলাদেশেও বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছিলো। আমাদের দেশের মত এত ক্রিকেট পাগল মনে হয় শ্রীলংকানরা নয়। নইলে এই যুগে আলোর ঝলকানি, নাচ-গান অনুষ্ঠান ছাড়া বিশ্বকাপ শুরু হবার কথা না। যাই হোক, বাংলাদেশ দলকে শুভকামনা জানানোর জন্যই এই লেখা। জন্মের পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনদিন ক্রিকেট থেকে পাওয়া কোন উপলক্ষ ছাড়া পুরো বাংলাদেশীদের এক সাথে আনন্দ করতে দেখিনি।

বিস্তারিত»

আশার এক্রসটিক

[এক্রসটিকঃ এই ধরনের কবিতা বাংলায় প্রথম লিখেন কবি মাইকেল মধুসুদন দত্ত।প্রথম বার লিখেছিলেন তার এক বন্ধুর নাম নিয়ে।নামটা ছিল খুব সম্ভবত গৌর মোহন দাশ।সে যাই হোক-এই কবিতা পড়ার নিয়ম হল- প্রতিটি লাইনের প্রথম অক্ষর একে একে পড়ে যাওয়া।তারপর বাকি কবিতা পড়া।আরেকটা কথা-এই ধরনের কবিতায় প্রথম অক্ষরের বানান ভুল করা যেতে পারে!(কারন টা পড়লেই বুঝবেন)। ধন্যবাদ।]

আকাশে জমা মেঘ গুলো কাঁদে,
মিশে যায় দিগন্তে।

বিস্তারিত»