ইন্টারনেট এডিকশন নিয়ে আজকাল সবাই বেশ চিন্তিত। নেশাগ্রস্থের মত ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে আমাদের শারীরিক, মানষিক, ব্যক্তিগত, সামাজিক ইত্যাদি ইত্যাদি বিভিন্নক্ষেত্রে যে বিরূপ প্রভাব পড়ছে তা নিয়ে বিস্তর গবেষনা চলছে। এর থেকে মুক্তির পথ খুঁজতেও কিছু মানুষ ব্যস্ত। এসকল গবেষনার অগ্রগতি সম্পর্কে আমি নিজে অবশ্য খুব বেশি ওয়াকিবহাল না। তবে নিজেই মনে হয় এক্ষেত্রে দারুন এক অগ্রগতি অর্জন করে ফেলেছি। ইন্টারনেট এডিকশনকে ইন্টারনেটফোবিয়ায় পরিণত করতে আমার খুঁজে পাওয়া এই পদ্ধতি এখন পর্যন্ত ১০০% সফল।
বিস্তারিত»বিদায় বন্ধু ! বিদায়…
সময়টা ঠিক বিকাল নয়, আবার সন্ধ্যাও নয়,
শেষ বিকেলের রোদ প্রায় ম্রিয়মাণ
চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে –
বারান্দায় বসে আবীরের রঙ দেখছি,
সন্ধ্যা নামছে ধীরলয়ে।
বিস্তর মনোনিবেশে আগামীদিনের কর্মব্যস্ততা –
একটু সাজিয়ে নেবার চেষ্টা ; হঠাৎই ছেদ পড়ল তাতে।
হ্যালো ! অপর প্রান্তে বন্ধুর উদ্বেগাক্রান্ত গলা,
কথাগুলো কেমন যেন জড়িয়ে আসছিলো।
বিস্তারিত»আমের দেশে
অনেক দিন শহর থেকে দূরে কোথাও যাওয়া হয়না। নাগরিক জীবনের ছোট ছোট ক্লান্তি গুলো যখন বিশালতায় রূপ নিয়েছে তখন ই হঠাত্ করে রাজশাহী যাওয়ার একটা দাওয়াত এল। উদ্যোগটা ফেরদৌস ভাইয়ের। ফেসবুকে “ম্যাংগো অ্যটাক” নামে একটা ইভেন্ট খুলে পরিচিতদের দাওয়াত পাঠালেন। অনেক দ্বিধা দ্বন্দ আর সংশয়কে কাটিয়ে রাজশাহী যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেললাম। দ্বিধা দ্বন্দ এই অর্থে যে দক্ষিন বঙ্গের বাসিন্দা এই আমার এর আগে কখনো উত্তর বঙ্গে যাওয়া হয়নি।
মানবতা তথাকথিত
“আবুল” ও WELL COME TO BANGLADESH
“আবুল” ও WELL COME TO BANGLADESH
[ আমার কলেজের বড় ভাই শওকত হোসেন মাসুম; যার প্রতিটি লেখার আমি মুগ্ধ পাঠক।আমার হাউজের স্নেহসিক্ত আহসান, রাজীব এদেরও নিয়মিত পদচারণা এই ব্লগে। ওদের বিভিন্ন লেখা পড়ে নিজেরও একটু লিখতে ইচ্ছা হল, বলতে পারেন সাহস করলাম।
তারই ধারাবাহিকতাই এই রম্য ভ্রমণ কাহিনী লিখেছিলাম বেশ কিছু দিন পূর্বে। জীবনের প্রথম লেখা “কে কেমন বলবে” এমন এক ভয় আর জড়তা নিয়ে ছিলাম…
তিন দশক পর সফল হলেন জিয়াউর রহমান
গত শতকের আশির দশকে নেওয়া জিয়াউর রহমানের ‘কর্মসূচি’র সাফল্য দাবি করতে পারি এখন আমরা! পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসী : বাঙালি অনুপাত এখন প্রায় ৫০ : ৫০! তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে দুটিতে এখন আমরা বাঙালিরা সংখ্যায় পাহাড়িদের চাইতে বেশি! আমরা বাঙালি শাসকগোষ্ঠি এখন ‘নাকে তেল দিয়ে ঘুমাতে পারি’ এই ভেবে যে পার্বত্য চট্টগ্রাম আর স্বাধীন হতে পারবে না! পাহাড়িরা বড়জোর আগামী দশকে প্রকৃতভাবেই নিজভূমে পরবাসী হবে!
যারা জানেন অথবা জানেন না তাদের সবার জন্যই বলি,
বিস্তারিত»টিউশনি পর্ব – ১
ছোটবেলায় আমরা যখন প্রাইভেট টিউটর কে জ্বালায়ে মাছভাজা করে ছেড়ে দিতাম,তখন ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করিনাই যে এক মাঘে শীত যায়না। এই মহা মুসিবত যে আমার ঘাড়েও চাপবে তা বুঝলে আমার টীচারদের জ্বালাতন করার তোড়জোড় একটু কমায়ে দিতাম। আমি তখন ক্লাস টু তে। । বাড়ির মানুষজনের শাসন আর চোখ রাঙ্গানি থোড়াই কেয়ার করতাম দেখে আমার মা ঠিক করল আমারে টিউটর দেবে। আমার মা অফিসে চলে গেলে আমি নিজেকে রাজা বাদশাহ গোত্রীয় ভাবা শুরু করতাম।
বিস্তারিত»দ্য ব্রিজ অন দ্য রিভার পদ্মা
কিছু করার নাই। মানিক বন্দোপাধ্যায় সেই কবে পদ্মা নদীর মাঝি লিখেছিলেন। উপন্যাসের নায়ক বা ভিলেন যাই বলেন, তার নাম হোসেন মিয়া। সেই থেকে পদ্মা নদী নিয়ে সব গল্পের নায়কের নামই হোসেন মিয়া। তবে খানিকটা আধুনিকতা দিতে এই গল্পের নায়ক হোসেনের নামের শেষে মিয়া না লিখে নামের শুরুতেই সৈয়দ লেখা যেতে পারে।
আমাদের এই হোসেন মিয়া আবার রাজনীতি করেন। তার এলাকা পদ্মা নদী থেকে একটু দূরে।
নূপুর কাব্য – ২
(এইনামে একটা সিরিজ কিন্তু চলে ভাইসাব আর বোনসাব, ভুইলেন না মোট্টেও)
১।
কিছু কাজ তো ফেলে রাখা যায় । কিবা এমন জরুরী সেসব ?
এমন কিছু ছিল না শহরের সবকিছু,
মাঝখান দিয়ে একটুখানি রাস্তা, দুধারে দোকানপাট
শহরের শেষ মাথায় স্কুল।
পথ শেষের লালবাড়িটিতে আমরা ক্যালকুলাসের জটিল সব সমাধান করতাম ।
তুই জমিয়ে রাখতি অংক,
অনাকাঙ্খিত পরিচয়
বাসে ভীড় চমৎকার,
তার মধ্যে আবার-
যাত্রী নেওয়ায় ব্যস্ত কন্ডাক্টর,
সিট অবশ্য পেয়েছি একটা,
আর পাশে বসা মহিলাটাকে দেখছে আমার উৎসাহী চোখটা,
চেনা চেনা লাগে,
মনে হচ্ছে দেখেছি অনেকবার আগে-
কোথাও,
মনে পড়ছে না নামটাও ।
“ওহে টিকিটটা-”, আনমনে দিলাম তা,
“ওহে”- বলে কলেজের এক বন্ধুও ডাকত সবাইকে,
বিস্তারিত»মুসলমানিত্ব
বাঙালি মুসলমানের মন যে এখনো আদিম অবস্থায়, তা বাঙালি হওয়ার জন্যও নয় এবং মুসলমান হওয়ার জন্যও নয়। সুদীর্ঘকালব্যাপী একটি ঐতিহাসিক পদ্ধতির দরুন তার মনের ওপর একটি গাঢ় মায়াজাল বিস্তৃত রয়েছে, সজ্ঞানে তার বাইরে সে আসতে পারে না। তাই এক পা যদি এগিয়ে আসে, তিন পা পিছিয়ে যেতে হয়। মানসিক ভীতিই এই সমাজকে চালিয়ে থাকে।
(বাঙালি মুসলমানের মন/আহমদ ছফা)
–
–
–
জনৈক ক্যাডেট কথা…
শোন শোন ভাইসব, শোন দিয়া মন,
জনৈক ক্যাডেট কথা শোন সর্বজন,
সকালে উঠিয়া সে যে মনে মনে কয়-
সারাদিন যেন সে গা বাঁচিয়েই রয়,
আরে – প্যারেড গ্রাউণ্ডে যখন ড্রেস চেকিং হয়,
শেভ-পালিশ নাই বলে পেছনে লুকায়,
প্যারেড ব্রেডের মত গজবের শেষে,
ফর্মক্লাসে এসে সে ঘুমায় নিমেষে ।
বিস্তারিত»
কক্সবাজারের ‘হান্ডি’ রেস্টুরেন্ট
(আমার কিছু ভ্রমন আর ফুডপোস্ট অন্য ব্লগে দিয়েছিলাম। এখানে আবার দিলাম সিসিবির জন্য)
জুনের শেষে বউ-বাচ্চাদের নিয়ে বেড়াতে গিয়েছি কক্সবাজার। তখন প্রচন্ড বৃষ্টি আর ঝড় চলছে। অফসিজনে কক্সবাজারের অন্যরকম মজা হলেও তখনকার টানা বৃষ্টি ভোগালোও বেশ। লাবনী বিচ দিয়ে ঝিনুক মার্কেটে সন্ধ্যার পর এসে আটকে রইলাম দীর্ঘ সময়। ইচ্ছা ছিলো সি-ক্রাউন হোটেলের রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাবো। এর আগে অনেকবার ওখানে খেয়েছি আর ওখানকার খাওয়াটা মনে আছে খুব।
বিস্তারিত»ক্যাডেট পরিবার এর সাথে যুক্ত হলেন বাংলাদেশের বিখ্যাত একজন ক্রিকেটার
আজ ফেসবুকে বসেই দেখি আমার একজন প্রিয় ক্রিকেটার এবং বাংলাদেশের অন্যতম সেরা স্পিনার রাজ্জাক এর বিয়ে । খুব খুশিও লাগলো । কিন্তু তারপরে এক্সক্যাডেটদের একটা ফেসবুক গ্রুপ Ex Cadets Forum এ যেয়ে দেখি রাজ্জাক এর সাথে যার বিয়ে হয়েছে তিনি আমাদেরই একজন ।উনি হচ্ছেনIshrat Jahan Aony আপা । উনি MGCC এবং উনার কলেজের অবস্থানকাল ০১-০৭।
খবরটা শুনে খুব খুশি হলাম । আমাদের ক্যাডেট পরিবারের সাথে একজন বিখ্যাত ক্রিকেটার যুক্ত হলেন ।এখন রাজ্জাক শুধু আমার প্রিয় ক্রিকেটারই নন ,এখন থেকে আমার দুলাভাইও বটে 😀
খবরটা জানার পর পরই ঐ আপাকে ফ্রেন্ডশীপ রিকুয়েস্ট পাঠালাম ।
বিস্তারিত»মনের চোখে
প্লাস্টিকের মলাটে বাঁধানো একটি খাতা । যদিও যত্নের কোন অভাব হয়নি তবু খাতাটির ধরণ-ধারণ দেখলে বোঝা যায় এর বয়স অনেক ।প্রায় ৩১-৩২ বছর তো হবেই । মনে মনে হিসেব করে আফসানা আহমেদ। তার ১৩-১৪ বছর বয়স থেকে এটি তার সঙ্গী।আফসানার এক মামা থাকতেন লন্ডনে। প্রায়ই ভিউকার্ড পাঠাতেন তিনি । ইংল্যান্ডের দর্শনীয় সব জায়গার ছবিঅলা সুন্দর সুন্দর ভিউকার্ড। এই খাতার পাতায় পাতায় সেগুলো আঠা দিয়ে সেঁটে রাখতে রাখতে হয়ে গেল একটা স্ক্র্যাপবুক ।
বিস্তারিত»