ভিডিও গেম এখনও শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছুতে পারেনি মেনে নিলে সিনেমাই পৃথিবীর আধুনিকতম শিল্প। পাঠ্যপুস্তকে যা আছে তা থেকে মনে হয় এর ইতিহাসটা ১০০ বছর বা খুব বেশি হলে ১৫০ বছরের। কিন্তু আমি এক প্রাগৈতিহাসিক অনুপ্রেরণায় বা কিছু হারানো স্বপ্নের তাগিদে ইতিহাসটাকে কয়েক সহস্রাব্দ পিছিয়ে দেব, যদি ৩২ সহস্রাব্দকে আপনাদের মাত্র কয়েক সহস্রাব্দ মনে হয়। এই নিয়মে সিনেমার ইতিহাসটা শুরু হবে তুষার যুগের এক মানব গোষ্ঠীকে দিয়ে যারা ফ্রান্সের শোভে (Chauvet) গুহার আশপাশে বসবাস করতো আজ থেকে অন্ততপক্ষে ৩২,০০০ বছর পূর্বে।
বিস্তারিত»দূর্নীতি?? অন্যেরা করে,আমরা সাধু!
দূর্নীতি নিয়ে বোধহয় দূর্নীতিপরায়ন দেশগুলোতেই বেশী শোরগোল লেগে থেকে। প্রায় প্রতিদিন আমাদের মিডিয়া সবিস্তারে দুদক ( দূর্নীতি দমন কমিশন)-এর বিভিন্ন কর্মকান্ড বর্ননা করে। কিন্তু প্রশ্ন হল যতখানি শোরগোল হয় তার ডামাডোলে আসলেই কতখানি কাজ হয়? আদৌ কী এর কোন প্রভাব সমাজে তৈরী হচ্ছে? আমার মনে হয় সামান্য কিছু প্রভাব অবশ্যই পড়ছে, তবে নিশ্চয়ই তা যথেষ্ট নয়। আবার ভাবতে গিয়ে মনে হল হবেই বা কী করে??
বিস্তারিত»দোজোর মেলায়
আবাস আমাদের কোত দিভোয়ার (Côte D’Ivoire) পশ্চিমের শহর মাঁ (Man) এর অদূরে। সাধের আফ্রিকা জীবন শুরু করার কিছুদিনের মাঝেই সু্যোগ আসল আফ্রিকার আদি এক শিকারী জাতি, দোজো(Dozo)দের সম্মেলনে অংশ নেয়ার। সম্মেলনস্থল এই দেশের উত্তর-পশ্চিমের এক গ্রাম সেগুয়েলো (Séguélo) তে। যাত্রা শুরু করলাম ৫ই ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষা মিশনের দুজন পদস্থ কর্মকর্তা, জনাবিশেক সৈনিক আর স্থানীয় দোভাষী আপুলিনাকে সঙ্গে করে। এমনিতে আফ্রিকার আবাস জীবন সূচনালগ্ন, নূতন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার সংগ্রাম,
বিস্তারিত»মা, মা, আমি ফার্স্ট ক্লাস সেকেন্ড হয়েছি! :D

ছোটবেলায় সিনেমায় দেখেছিলাম নায়ক জসিম দৌড়ে দৌড়ে এসে হুমড়ি খেয়ে পড়ে বলছে, মা, মা, দেখো,আমি ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েছি!
জীবনের প্রায় মাঝবরাবর এসে, আমি একসময়ের রবিউল থেকে শরীর-স্বাস্থ্যে মাশাল্লাহ জসিমে এসে দাঁড়িয়েছি। এই ‘সুবিশাল’ প্রাপ্তি উদযাপনেরই সম্ভবত একটা সুযোগ করে দিলো রকমারি ডট কম। তাদের কল্যাণে আমি জসিমের মতই আপ্রাণ দৌড়ে এসে হুমড়ি খেয়ে পড়ে বলতে পারছি, জনগণ দেখো দেখো, আমি সেকেন্ড হয়েছি।
বিস্তারিত»দিন যায় কথা থাকে…
প্রসঙ্গক্রমে কিছু কাল্পনিক ঘটনার অনুপ্রবেশ ঘটানো হয়েছে।কারও কারও বাস্তব জীবনের সাথে মিলে গেলেও যেতে পারে।তবে সে ক্ষেত্রে লেখক দায়ী থাকবে না 😉
সবই আছে,সবাই আছে।কাঁধের উপর পাঁচ দাগ আছে।আছে পিছনে হাত বা পকেটে হাত দিয়ে রাস্তার মাঝখান দিয়ে হেটে যাবার রাজকীয় ক্ষমতা।এত সব ক্ষমতা আর পাঁচ দাগের ভারে ডান কাঁধটা কবে যেন একটু বাঁকা হয়ে গেছে খেয়াল করার সুযোগই হয়নি।ক্লাস ইলেভেন কলেজের ক্যাডার।মন যা চায় মোটামুটি সবই হাতের নাগালে পাওয়া যায়।খাকী পোশাক গায়ে জড়াবার প্রথম দিন থেকে এই দিনগুলোর জন্য অপেক্ষা।এখন সবই হাতের নাগালে।এতসব কিছুর মাঝেও বুকের মধ্যে কোথায় যেন একটা শূন্যতা কাজ করে।কিছু যেন একটা মিসিং।শুধু আমার একার না মোটামুটি সবারই এক অবস্থা।
বিস্তারিত»মনে পড়ে ওপারের জীবন…
আজ অনেক দিন…দিন বললে ভুল হবে,অনেক মাস পর সিসিবি তে লিখছি। লেখাটা নিতান্তই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে,নিজের ব্যাচ, নিজের কলেজের কিছু নিজের মানুষকে উৎসর্গ করছি!
লেখা হয়না কতদিন!!জীবনের ব্যাস্ততার মাঝে ভুলেই গেছি ফেলে আসা আরেক জীবন আমার! কিন্তু বাস্তবে…ভোলা হয়নি, ভলা যায়নি, যাবেও না সেই দিন গুলো!
কলেজে বসে শেষদিনগুলোতে লেখা কিছু বিক্ষিপ্ত আবেগের আবোল তাবোল আর ডায়েরির বাকি পাতা গুলোতে নিজের মানুষদের উত্তপ্ত মন্তব্যের ঢল- এইতো সম্বল আমার!
দুর্বল-সঙ্গীত
কি লিখবো?
উত্তাল হৃদয় ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ
কার তরে লিখবো? কে আছে মন দিয়ে শুনবে?
কে আছে আফ্রিকায় কাতরানো-
সেই শিশুটির মুখে তুলে দিবে এতটুকু খাবার,
ওষুধ আর
এতটুকু বস্ত্র?
কিংবা কার মনোযোগে আরশীনগরবাসী
অজ্ঞাত অসহায় অভুক্ত সেই প্রতিবেশী।
আমিই কি আছি?
নিজের অধিকার নিয়েই তো তটস্থ,
অস্থির আমি-
যোগাতে অন্ন,বস্ত্র,বাসস্থান, ভালোবাসা-
লুটেরা, দুর্বৃত্ত আর প্রতারকের ভিড়ে
হয়তো নিজেও তাদের একজন,
নীলপরী,তুই হারিয়ে যাবি আমি কি জানতাম?
নদীর ধারে সন্ধ্যা বেলা-ধূ ধূ বালির চর
চোখের কোণে বাষ্প জমে হঠাৎ বুক মোচড়
প্রিয় নারী হারিয়ে গেছে কোন সে আধাঁর মাঝে
সেই বেদনা নূপূর হয়ে কার পায়ে যে বাজে
তাকেই খুঁজি সমস্ত দিন-সকাল রাত দুপুর
কোথায় যে নীল শঙ্খ বাজে,কোথায় অচিনপুর
অন্ধকারে গন্ধরাজের উপর করা শাখা
সেই ছবিটা ঠিক এখনও যত্ন করে রাখা
শ্যাওলা পড়া প্রাচীন ইটের সেই দেয়ালের কাছে
নির্বাচিত দুঃখগুলো ঠিক তেমনই আছে
সবই আছে আগের মতন,নেই তুমি কেবল
সেই ব্যথাতে সকাল দুপুর বুকের মধ্যে জল
চির চেনা মেখলা হাসি,মধুর অভিমানে-
ঠোঁট ফোলানো;ভালোবাসা কোথায় যে কে জানে
চোখের মধ্যে বিঁধে আছে খোঁপার জবাফুল
কপাল বেয়ে ছড়িয়ে থাকা অবাধ্য তোর চুল-
সরিয়ে দেবার নাম করে হায় ছুঁয়ে দেবার ছল
এখন সেসব প্রাচীন অতীত-অতন্দ্র অঞ্চল।
মেধার মূল্যায়ন বিষয়ক কৌতুক
মেধার মূল্যায়ন বিষয়ক কৌতুক
১। আলীশান গাড়ী থেকে নামল ছাত্র, “স্যার আপনি ফুটপাত দিয়ে হেটে যাচ্ছেন? আসুন আসুন স্যার, আমার সাথে আসুন, আপনাকে পৌছে দিয়ে আসি।” ছাত্রের এহেন আলীশান অবস্থা দেখে, শিক্ষক তো মহা খুশী। ছাত্ররা জীবনে প্রতিষ্ঠিত হলে সেখানেই তো শিক্ষকের সাফল্য। উৎফুল্ল মনে শিক্ষক প্রশ্ন করলেন, “তুমি কি ঐ ব্যাচের যেখানে সবাই স্ট্যান্ড করেছিল?” ছাত্রের উত্তর, ” আরে না স্যার, আমি তার পরের ব্যাচের যেখানে সবাই ফেল করেছিল।
বিস্তারিত»