গ্রহনের কালে দাড়িয়ে আমরা মোহগ্রস্ত হই। আলোকের খোঁজ করে বেড়ানো আমাদের চোখ ক্লান্ত হয় আলোকহীন ঘুটঘুটে অন্ধকারে। সেই সময়ে হায়েনার গর্জন অথবা শূকরের ঘোৎ ঘোৎ শব্দে আমাদের কান বিদীর্ণ হয়। ঘুটঘুটে অন্ধকারেও আলোক সন্ধানী আমাদের চোখে শূকর গুলো ধরা পড়ে। তাদের ঘোৎ ঘোৎ তীব্রতর হয়। অথচ কী আজব! সেই ঘোৎ ঘোতানির মাঝেও অন্ধরা মায়া খুঁজে পায়। অন্ধজনেরা সত্যের খোঁজ করে শূকরের সাথে। তাদের নর্দমাস্নাত নোংরা শরীরের সাথে গা লাগিয়ে অন্ধরা আলিঙ্গন করে।
বিস্তারিত»গিটারিস্ট
হোয়ের হেভ অল দা ফ্লাওয়ারস্ গন ?
মেয়েটির নাম ধরা যাক লিজা। আমার দেখা রমণীদের মধ্যে একজন অনন্য অসাধারন ব্যত্তিত্ব।বয়স ত্রিশের কোঠায়, ছিপছিপে একহারা গঠন।জিন্স- টি শার্টে আরো অল্প বয়সি মনে হয়। জন্ম, বেড়ে উঠা দুটোই প্রাশ্চাত্যে হলেও বাঙালি বাবা মার কল্যানে পুরোপুরি বাঙালি। আমাকে ওর বাবার দিকের একমাত্র জীবিত আত্মীয়, -কাজিন হিসাবে ওর সমাজে, সকলের কাছে পরিচয় করিয়ে দিতে গর্ব বোধ করে।
এই পরিচয় দানের পেছনের ইতিহাসটা বেশ মজার।
বিস্তারিত»ধারাপাত
গল্পের পুরনো বাড়ির মত
ভেবেছিলাম দরজা খুললেই দেখব জমাট বাঁধা অন্ধকার,
তেলাপোকা আর মাকড়সার বসতি
মেঝেতে বিছানো ধুলোর চাদর।
কেন এমন ভেবেছিলাম কে জানে!
সুখের পসরা সাজাতে এই শহরের বুকে
অনেক খুঁজে পেয়েছি একটি ভাড়ার বাসা,
হাঁড়িকুঁড়ি বাক্সপ্যাটরা নিয়ে সিড়ি ভেঙ্গে ক্লান্ত ভীষণ
উঠেই দেখি হাট করে খোলা দরজা,
আর পুবের জানালা দিয়ে রোদের উঁকিঝুঁকি
ঘরময় ছড়ানো আটপৌরে জীবনের শতেক টুকরো
একদম কোণার ঘরের দেয়াল জুড়ে এক শিশুর আঁকিবুকি।
শিরোনামহীন লেখা
লেখালেখি জিনিসটা সবাইকে দিয়ে হয় না। আমার ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি প্রযোজ্য। তবুও আজ লিখতে বসলাম।
ফেসবুক এ গতকাল বসেই প্রথমেই একটা খবর চোখে পড়ল , “প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত , ফ্লাইং কর্মকর্তা নিহত”।
খবরটা পড়েই মনের মধ্যে কেমন জানো একটা ব্যাথা অনুভব করলাম। এভাবে আর কত গুলো জীবন ঝরে যাবে? আর কতগুলো মৃত্যুর পর জেগে উঠবে সবাই এবং খুজে বের করবে সব অজানা রহস্য গুলো……
বিস্তারিত»দয়ালু জমিদার আর বাঁশের গল্প
দয়ালু জমিদার আর বাঁশের গল্প
এক গাঁয়ে এক জমিদার ছিল। জমিদার বলতেই যেই পাষাণ অত্যাচারি একটি লোকের অবয়ব ভেসে ওঠে আমাদের মনে, ঠিক সেরকমটি তিনি ছিলেন না। আর দশজন জমিদারের চাইতে একটু ভিন্ন প্রকৃতির। তিনি ছিলেন দয়ালু। একবার দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা গেল। সারা দেশে হাহাকার, খাওয়া নাই-দাওয়া নাই, ক্ষুধা-তৃষ্নায় মানুষ কাতর। এসময় এই দয়ালু জমিদার খাঁজনা আদায়ের চিন্তা বাদ দিয়ে, সকলকে অন্ততপক্ষে দিনে একবার খাবার দেবার ব্যবস্থা করলেন।
বিস্তারিত»ক্যাডেট কলেজ ও বৃষ্টি
আজকে নিয়ে দু’দিন হয়ে গেল আকাশ মেঘে ঢাকা আর বৃষ্টির। এই কালো হয়ে থাকা আকাশ দেখে কলেজের কথা মনে হচ্ছে বেশ। আজকে কলেজে থাকলে হয়তো শেডের নিচে শুধু fall in হয়ে পার পেয়ে যাওয়া যেত। তারপর breakfast-র আগ পর্যন্ত আবার চাদরমুড়ি দিয়ে ঘুম। কিন্তু বিকালে আবার ম্যারাথন প্রেপটা থাকতো বটে। ডর্মের লাস্ট প্লেসটা কেউ বুকিং দিয়ে ফেলছিস্ নাকি boys?? 😛 উফফফ্…দুপুরে লাঞ্চে আজকে নিশ্চই খিচুড়ি আর গরুর মাংস (ইলিশ মাছ কখনোই আমার খুব একটা পছন্দ ছিল না)!
বিস্তারিত»খোলা চিঠি
তোমার খুব অবাক লাগবে
আমার কথাগুলো শুনে
কিন্তু ঠিক অস্বীকার করতে পারবে না।
তুমি খুব ভিত হও
কেন তোমার মুখের কথা
এতো বেশি বেশি শুনতে চাই
পাছে সব কথা এক দিনে ই শেষ হয়ে যায়।
কিন্তু তুমি জানো না
তোমার প্রতি কথার ভিতর
আমি নতুন করে আবিষ্কার করি
আমার স্বপ্নগুলোকে
আমার ভেতরকার আমি কে।
মুঠোফোনের কবিতা- ২৫ ও ২৬
২৫
ফুল জড়ালে চুলে,
মন পোড়ালে ভুলে।
দিন কাটাবার ছলে-
জীবন জুড়ে এলে।
বলো সখি ,কোন সে পথে
আমায় ফেলে গেলে-
সব হারাবার কালে?
২৬
ঘর বেধেছি সুখের বাসায়
পথ ভুলেছি পথের আশায়
পর করেছি আপন সকল,
হঠাৎ কোন ভাষায়।
দিন কেটেছে দুখের ঘোরে
মন রয়েছে একলা পড়ে,
রাত ফুটেছে ভোরের শেষে;
৭১ এর জেনোসাইড (নিক্সন-কিসিঞ্জার)
বটমলেস বাকেট অর্থাৎ তলাবিহীন ঝুড়ি খ্যাত হেনরি কিসিঞ্জারের সেই বিখ্যাত উক্তি কম বেশি আমরা সবাই শুনেছি।
আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিদেশী বন্ধুদের কথা(তালিকা দেবার প্রয়োজন বোধ করছি না) আমরা সব সময় হৃদয়ে রাখবো। কিন্তু একজন বিদেশী যুদ্ধাপরাধীর কথা না বলে আর পারছি না, মানবতা পায়ে ঠেলার মতো উপমা শুনেছি,হেনরি কিসিঞ্জারের কথা জেনে উদাহরণ জানার বিলাসিতাও হয়েছে।
ব্যবচ্ছেদ করলে একটা সহজ সমীকরণে আসা যায় খুব সহজে।
বিস্তারিত»শুধু দেশাত্মবোধ নিয়ে আমরা আর কতদূর এগোবো?
“সময়”। আমদের বাংলাদেশীদের জন্যে ব্যাপারটা এমন বড় কোন ফ্যাক্টর নয়। এটা সকলেরই জানা। আর্মি, উর্দি ওয়ালারা অবশ্য এটা নিয়ে বেশ বাড়াবাড়ি করে , কিন্তু আমরা যারা civilian অথবা claiming to be civilian, তারা মোটেও এটা নিয়ে এতটা বাড়াবাড়ি পছন্দ করিনা।
সময়টাকে আমরা আইনেস্টাইনের মত ধ্রুব না ধরে মোটামুটি একটা দিকনির্দেশনা হিসাবে দেখি।উধাহরন দিলে ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে।
যেমন, বিয়ের দাওয়াত রাত্রি ৮ টায় লিখা থাকলে ধরে নিতে হব,
বিস্তারিত»শিরোনাম দেওয়ার কিছু পেলাম না
প্রথম আলো খুলে ই সকালে দেখলাম “সাকা চৌধুরীর বিচার শুরু; একাত্তরে গণহত্যা, নির্যাতন, লুটপাত করেছেন সাকা “ শীর্ষক খবর। পুরো হেডলাইনে। ভালো কথা। আমি পুরোপুরি একাত্তরে মানবতা বিরধী কর্মকাণ্ডের বিচার চাই। পুরোপুরি পক্ষে। নিউজ টা দেখে বেশিরভাগ মানুষের ই খুশি হওয়ার কথা। আমি এখন একটু বর্তমানে আসি। নিচে আমি বর্তমানে ঘটেচলা ঘটনার একটি তুলে ধরছি। আপনারা ই মিলিয়ে দেখুন যে বর্তমানের ঘটনার অপরাধ ও ওই সাকার একাত্তরের অপরাধে কি মিল পান কি না।
বিস্তারিত»মুঠোফোনের কবিতা – ২৩ ও ২৪
২৩
বৃষ্টি আমায় ডেকেছিল;বিষাদ পার্বণে,
সবটুকু তার লুকিয়ে রেখে;নয়ন গহনে।
পুড়িয়েছিল স্বপ্ন যত;নীরব প্রত্যাখ্যানে,
আজো পোড়ায় বৃষ্টি আমায়;
স্মৃতির দহনে।।
২৪
বিজনে বসিয়া; ভাবি আনমনে,
উতলা হাওয়ায়; শুধাই জনে জনে,
আমারে কী হায় রাখিবে স্মরণে?
জনম গেল তাহার বিহনে,
জুড়াইবে কী এ জ্বালা একক মরণে?
না কী পোড়াইবে জনম জনমে!
আমাদের বাবা
ছিঁচকাঁদুনে বলতে যা বোঝায় আমি হুবহু ওইরকম। মাঝে মাঝে আমি নিজের উপর ই মহা বিরক্ত। ছোটবেলায় নাকি কাঁদতে কাঁদতে হেঁচকি উঠে একবার মরতে বসেছিলাম দম আটকে। সেই থেকে আমার বাপ মা হাজার অপরাধ করলেও আমাকে একটু প্রয়োজনের বেশি ই ছাড় দিত। ফলাফল হচ্ছে এখনকার একগুঁয়ে আমি । বাড়িতে লাটসাহেবের মত আরামের জীবন ছেড়ে ক্যাডেট কলেজে যাওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা আমার ছিলনা। তাও যখন আমাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে কলেজে পাঠাইল,
বিস্তারিত»আরশী নগরের পড়শী
আমি নিয়মিত ভারতীয় ক্যাডবেরি খাই, আর আমার ঐ যে, ওকেও কিনে দেই। আমি ভারতীয় টাইটানের ফাস্টট্র্যাকের ঘড়িও পড়ি, সুন্দরী মেয়েরা যাতে আমার দিকে ছুটে ছুটে আসে সে আশায় আমি ভারতীয় বডি স্প্রেও ব্যবহার করি। কিন্তু আমার সমস্যা অন্যখানে।
আমাদের বাড়ির পাশের আরশী নগরের পড়শী রাষ্ট্র অখাদ্য স্বাদহীন চাল, ডাল, পিয়াজ, রশুন, সুস্বাদু ফেন্সিডিল আর বর্ডারের বিএসেফ এর গুলি ছাড়াও আরো কিছু সংকৃতি পাঠাচ্ছে।
বিস্তারিত»