হিস্টোলজির অ আ ক খ ( ত্বক)

বিজ্ঞান নিয়ে এটি আমার প্রথম লেখা। এনাটমি কিম্বা প্রাণরসায়ন নিয়ে হয়ত অনেকেই লিখছেন। তাই সেই দিকে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি হিস্টোলজি নিয়ে লিখব,এবং সিরিজ আকারে। এক একটি পর্বে এক একটি তন্ত্র অথবা অঙ্গ তুলে ধরার চেষ্টা করব।

প্রথমেই ত্বক/চামড়া/স্কিন নিয়ে লিখব।

ল্যাটিন পরিভাষায় চামড়াকে বলা হয় ডের্মিস। আর ইংরেজি পরিভাষায় স্কিন। স্কিন মানবদেহের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। চামড়াকে মানবদেহের সবথেকে বড় একক অঙ্গ বলা হয়।

বিস্তারিত»

যাচ্ছে জীবন – ৫

আজকে সিসিবি তে এসে অবাক হয়ে গেছি। একবার ভাবলাম যে কোন ঝামেলা হইছে নাহলে কিভাবে এত্তো জন পুরান ব্লগার এক সাথে লেখা দিয়েছে। দুই তিন বার ভালো করে দেখলাম তারিখ ঠিক আছে কিনা। যাইহোক সব ঠিকঠাক আছে। তার একটু পরে দেখি ফেসবুকে আমার ইনবক্স এ দাশুর চিঠি ‘একটা লেখা দেন সিসিবিতে’, তখন বুঝলাম এই কারবার।

সিসিবি প্রতিদিন আসা হয় কিন্তু মিড লাইফ ক্রাইসিস চলতেসে ইদানিং কালে,

বিস্তারিত»

ইসলাম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক ও মুসলিমবিশ্ব


বইয়ের প্রচ্ছদ দেখে খানিকটা ধান্ধায় পড়ে গেলাম আমি- ইসলামিক বইয়ের প্রচ্ছদ এত ‘কালারফুল’ কিম্বা এমন কাব্যিক কাব্যিক হয় নাকি? প্রচ্ছদ শিল্পী, চারু পিন্টুকে ইমেইলে তা জানালে ওনার মোবাইলে ফোন করতে বললেন আমাকে। চারু পিন্টু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিউট থেকে পাশ করেছেন অনেকদিন আগে। বইয়ের প্রচ্ছদ করছেন দীর্ঘদিন ধরে। কথায় কথায় জানালেন, অন্তত হাজার খানেকের ওপরে বইয়ের প্রচ্ছদ এঁকেছেন তিনি এ যাবৎকাল।

বিস্তারিত»

ফাকিবাজী ব্লগর ব্লগর + পাত্রি চাই

১। সাইটের পরিসংখ্যান অনেক দিন পর দেখে ভাল লাগছে। ম্যালা ভিজিটর আর পুরান সদস্যদের আনাগোনা। তবে সবচাইতে অবাক হইছি কাম্রুলরে দেইখা। আমি তো ভাবছিলাম তুমি আন্দামানে পাচার হয়া গেছ। বিয়া টিয়া করছ নাকি?

২। রকিব পোলাডা মনে হয় সবাইরে খোচাইতাছে লেখা দেওনের লাইগা। নইলে আমারে ফেসবুকে তো কেউ কোনদিন মেসেজ দেয় না।

৩। আব্বা আম্মা এসেছিলেন গত বছরের শেষে। এসেই আম্মার মর মর অবস্থা।

বিস্তারিত»

কই গেল?! কই গেল?! কই গেল?!

বহু হলো নাক ডাকা, সাথে “ধীরে চল্”
কই সব পলাতক ব্লগারের দল?

কই গেল জাস্ট ফ্রেন্ড মাস্ফূ দ্যা ঠোলা
কুড়িগ্রাম , চুয়াডাঙা, নাকি গেছে ভোলা?
কই গেল রায়হান আবীরের লেখা
কেন আর টিটো দা কে যায়নাকো দেখা।
কই গেল টুশকিটা ? মদীনা, না কাবা?
কই গেল আমাদের রুমকির বাবা?
কই গেল বাথরুমে টেনে আসা বিড়ি
কই গেল তাইফুর মাম্মার সিঁড়ি?

বিস্তারিত»

আবদারের ফলে…

নাহ, এই আজকাল কোথাও শান্তি নাই। অশান্তি আর অশান্তি। সব কিছু দিন দিন অসহ্য হয়ে যিইতাছে। অফিস, জ্যাম ছাড়া মিনে হয় জীবনে আর কিছু নাই।

কেমন লাগে যখন অফিস থেকে ৩ ঘন্টা জ্যাম পার হয়ে বাসায় এসে ফেসবুকে চা ওয়ালার আবদার দেখলে? পুরাই মামার বাড়ি টাইপের। “একটা ফয়েজীয় টাইপের হইলেও লেখা দেন”।

কেমন বিয়াদপ, ফয়েজ ভাইয়ের বাসায় নাহয় গ্যাস নাই, তাই বলে এইভাবে বলতে হবে?

বিস্তারিত»

নিবিড় নিশীথ

নিশীথ বানানটা কি ঠিক লিখলাম? দীর্ঘ ঈ-কার হবে? নাকি হ্রস্ব ই-কার? ভাবছি। ইদানিং বানান-ফোবিয়া হয়েছে। বাটে পড়ে কিছু লেখায় বানানশুদ্ধি করতে হয়েছে। ফলে লাভের চাইতে ক্ষতি হলো বেশি। যা বানান ঠিকঠাক জানতাম, শুদ্ধ করতে গিয়ে সেগুলো এখন ভুল জানি। ভুলভাল করে তারপর নিজেই নিজেকে অবোধ দেই, দার্শনিক হয়ে যাই। সক্রেটিস বলেছেন পৃথিবীতে ভুল শুদ্ধ কিছু নাই*। চালাইতে পারলে সবই ঠিক, চালাইতে না পারলে সবই ভুল।

বিস্তারিত»

চাকর…

রকিব্বা চা ওলা আমারে কয়, ভাইয়া আপনে আজকে কিছু একটা লিখেন।
আমি কইলাম, আমি তো তো লেখা ভুইলা গেছি। কীবোর্ড দিয়া আজকাল যা প্রসব করি সেইটা দেইখা নিজেরই হলুদ রঙয়ের আবর্জনা ছাড়া কিছু মনে হয় না।
হারামি তবু বলে, নাহ ভাইয়া আজকে কিছু লিখতে হবেই।

আমি বসে বসে ভাবি। আগে আমি মনের আনন্দে লিখতাম। এখন লিখি পয়সার জন্য। মনের আনন্দে যতদিন লিখছি ততদিন টাকা ছিল না,

বিস্তারিত»

আমার আকাশ

হঠাৎ একদিন মনে হল
অনেকদিন আকাশ দেখি না;
দেখি না মেঘের লুকোচুরি খেলা।
মেঘহীন আকাশের হলদে সূর্যের দিকে চেয়ে
অনেকদিন চোখ রাঙানো হয় না।

আজ আকাশ দেখলাম,
আমার বহু পরিচিত বন্ধুর দিকে যেন চোখ ফেরানো হল।
আকাশটা কেমন যেন
গোমড়া মুখে চেয়ে রইল আমার দিকে।
যেন বলছে, “বহুদিন মনে করনি যে আমায়”।

চকিতে চোখ নামিয়ে নিলাম,

বিস্তারিত»

আমাদের জহিরকে স্মরণ করে…

২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারির তের তারিখ।
হুট করে মরে গেলো আমাদের জহির।
হুট করে মানে, একদম হুট করেই। পুরো সুস্থ, বিশালদেহী টগবগে মানুষটা রাত দেড়টা দুটার দিকে হুট করেই চলে গেলো।
ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়েছি বেশ অনেক বছর। অনেকের সাথেই অনেক অনেক দিন পরপর দেখা সাক্ষাৎ হয়। কারো কারো সাথে হয়ই না একদম। কিন্তু একটা জিনিস জানি সবাই আছে বেঁচে বর্তে,

বিস্তারিত»

যাচ্ছেতাই

আজ আমার অনেক অবসর
দুরন্ত সকালটা থমকে গেছে আমার চিলেকোঠায়,
কার্ণিশে বসে থাকা চড়ুই দুটি
ব্যস্ত বুঝি রোদের সাথে সখ্যতায়।
বারবার যায় উড়ে
আকাশের ছায়ায় ঘুরেফিরে
আবার এসে বসে জানালার ধারে,
হঠাত্‍ আসে একটা ঘাসফড়িঙ
চড়ুই দুটিকে বখাটে ছেলের মত নাচিয়ে
কোথায় যেন ঘাপটি মারে।

সকালের এই স্নিগ্ধ ছবিটা ছিঁড়ে খুঁড়ে
হয়ে উঠতে ইচ্ছে করে বেপরোয়া
হাতড়ে বেড়াই নিয়ম ভাঙ্গার ছুতো
কাট্টি ওগো শাসন ঘুড়ি তোমার ওই সুতো,

বিস্তারিত»

পুরনো সে দিনের কথা ………. (সিসিবিচারণ)

লেখতে মনে চাইলো আনেকদিন পরে সিসিবিতে। স্মৃতিচারণ মূলক ব্লগ। সিসিবির প্রথমদিকের ব্লগ গুলো স্মৃতিচারণ মূলকই হতো। তবে আমি স্মৃতিচারণ করতে আসছি ক্যাডেট কলেজের না সিসিবির। মানে সিবিবিতে থাকা সাড়ে তিন বছর সময়ের স্মৃ্তিচারণ। সিসিবি আমার কাছে বিশেষ কিছু। সে ফিরিয়ে এনেছিল ক্যাডেট কলেজে কাটানো জীবনের সবচেয়ে সুন্দর দিনগুলোকে। সিসিবির পরিবার বেশ গেঁথে গিয়েছিলো। গিয়েছিলো বলছি কেন, কারণ হয়তো সিসিবিতে আসলে আগের মতো আর খুঁজে পাই না সেই দিন গুলোকে।

বিস্তারিত»

আমি খুব সুষ্ঠুভাবে মরে যাবো

দেখিস আমি একদিন খুব সুষ্ঠুভাবে মরে যাবো।

গানশট কিংবা কাঁটাতারে ঝুলে নয়-
আমি মরে যাবো খুব শান্তভাবে, নরম বালিশে
লাল-হলুদ-সবুজ সব সিগন্যাল বাতি মেনে।

মৃত্যুর ঠিক তেত্রিশ সেকেন্ডের মাথায়
নারীকন্ঠের বিলাপ, যদিও কণ্ঠ শুনিনি আগে
দ্রুত হাতে চটপট মৃত্যু সনদ
বানান ভুল হবেনা একটাও, দেখিস, কাঁপবেনা একটুও হাত
কাঁধে কাঁধে ঘুরে,
সুবোধ শিশুর মত চারকোণা (গোলাকার নয় !)-
সেকেন্ডহ্যান্ড এক গর্তে নেমে যাবো ফিটফাট।

বিস্তারিত»

প্রলাপ-৭

দোয়াতের ভেতরেই হায়
নিরুপায়
ডুবে থাকে
না লেখা সমূহ চিঠি

উদগ্রীব নিবের মন
নিবে গেলে
যথেচ্ছ হাসে
কাগজ, মনোহর খাম

বেপরোয়া দোয়াত
শেষে
নিঃশেষে
কাত হলে
টেবিলে গড়ায়
প্রণয়ের পরিণাম..

বিস্তারিত»

পথ নাটক সমূহ( একটি কঠিন রোমাঞ্চকর সিরিজ)

আমার ভ্রমণ সংক্রান্ত যাবতীয় যাত্রা অধিকাংশ সময়ই অশুভ। রাশিফলে ‘যাত্রা শুভ’ কথাটা আমার ক্ষেত্রে বাই ডিফল্ট অশুভ হয়।

২০০৭ সালের এক ঘটনা দিয়ে শুরু করা যাক।বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা চলছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা দুই মাস পিছিয়েছে। বাড়ি ফিরছি। কমলাপুর স্টেশন থেকে রাত পৌনে আটটার আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস। এই সময়ে খুব একটা ভিড় হয় না। আমার সংখ্যায় তিন জন। আমার সাথের দুই জন বন্ধু ইতিমধ্যে তাদের গতি করে ফেলেছে।

বিস্তারিত»