সিসিবি বড়ই নিস্তরংগ। সহজে কেউ পোস্ট দেয় না। পোস্ট দিলেও সিসিবিয়ানরা কমেন্ট করে না। আমিও এই দোষে দুষ্ট। তারপরও মনের ভেতর প্রশ্ন জাগলে সিসিবি ছাড়া আমার আর কোথাও জিজ্ঞেস করার জায়গা নেই যেখানে নানা মতের উত্তর পাওয়া যাবে। প্রশ্নটা আবার দেশ নিয়ে। গত কয়েকদিন ধরে মাথার মধ্যে খালি ঘুরছে তো ঘুরছেই। সাহস করে জিজ্ঞেসই করে ফেলিঃ
গত ১৬ই ফেব্রুয়ারিতে OCAS (Old cadet Association of Sylhet) এর পিকনিক ছিল মানিকগঞ্জের কইট্যাতে। স্পটের নাম Proshika HRDC Trust complex। ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি থাকায় এই পিকনিক মিস করার কোন কারণই ছিল না। পিকনিকের কিছু মুহুর্ত নিয়ে এই ছবি ব্লগিং।
সকালের নাস্তার বিরতি ছিল জাতীয় স্মৃতিসৌধে।
বাস স্টার্ট নিচ্ছিল না। ড্রাইভার জানালো বাস ঠেলতে হবে।
সম্প্রতি বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি বড় বড় অনুষ্ঠান হয়ে গেল যেখানে বাইরের দেশের নামকরা শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেছেন। শাহরুখ খান, রাণী মুখোপাধ্যায় প্রমূখ একটি নাচের অনুষ্ঠান করলেন, তারপর বিশ্বকাপ উদ্বোধনীতে গান পরিবেশন করে গেলেন সনু নিগাম, শংকর এহসান লয় এবং ব্রায়ান এ্যাডামস এর মত গুনী শিল্পীগণ, আর সবশেষে গতকাল আবার আরেকটি নাচগানের অনুষ্ঠানে একটি শ্রীলংকার ব্যান্ড, ভারতীয় ব্যান্ড মেট্রো (প্রীতম), আনুশকা, ক্যাটরিনা, অক্ষয় এবং সালমান।
গ্রীক দার্শনিক হেরাক্লিটাস বলেছিলেন, “একই নদীতে দু’বার অবগাহন করা যায়না”। একই জাতীয় চিন্তা ভাবনার প্রতিফলন পাওয়া যায় আমাদের অঞ্চলের একটি গ্রন্থে।
যা হয়েছে তা ভালোই হয়েছে,
যা হচ্ছে তা ভালোই হচ্ছে,
যা হবে তা ভালোই হবে।
তোমার কি হারিয়েছে – যে তুমি কাঁদছো?
তুমি কি নিয়ে এসেছিলে – যা তুমি হারিয়েছ?
তুমি কি সৃষ্টি করেছ – যা নষ্ট হয়ে গেছে?
আমি, পাবন।
সিরিয়াসনেস শব্দটা আমার অভিধানে মোটামুটি অনুপস্থিত ছিল, আছে এবং থাকবে এই ব্যাপারে সবাই ৯০% এর বেশী নিশ্চিত।
তা হঠাৎ আজকের এই “EMOTIONAL ATTYACHAR” এর রহস্য কি ?
Wall Paper বা সোজা বাংলায় দেয়াল পত্রিকা।
আমার জন্মদিন ২০ফেব্রুয়ারি এবং [আমার কোন পাপের ফল আল্লাহ জানেন] দেয়াল পত্রিকা প্রতিযোগিতা চিরকাল ২১ফেব্রুয়ারি।
আমি “ক্রিয়েটিভ রাইটার” না এবং কপাল পুড়ল ওইখানেই !
১.
বছর ঘুরে আবারও সেই ভয়ংকর দিনটা এসেছে।
যে দিনটা আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছিল আমাদের বাবা, ভাই, বন্ধু-এমন আরো অনেক প্রিয়জন।
প্রিয়জন হারানোর বেদনা বুকের মধ্যে বয়ে নিয়ে যাবো সারা জীবন। শোকটাকে শক্তি বানিয়ে দাবি জানিয়ে যাবো নৃশংস ওই হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচারের।
যতদিন না সুষ্ঠু বিচার পাচ্ছি ঠিক ততদিন।
আমার অনার্স প্রায় শেষ এখন কি করব এই চিন্তায় ঘুম আসেনা।চাকরি চেষ্টা করলে হতনা তা না কিন্তু আমার ইচ্ছা দেশের বাইরে যেয়ে পড়াশোনা করা।কিন্তু কিভা্বে কি করব আসলেই জানা নেই ঠিক সেই সময়ে ইরাসমাস বৃত্তির্ খবরটা আমাকে একটা জিনিষ ভাবিয়ে তুলল তা হল আমাদের অনেকেই বিদেশে বৃত্তি নিয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছি বা দেশে বসে বিভিন্ন বৃত্তির জন্য চেষ্টা করছি আমরা যদি আমাদের অভিজ্ঞতা গুলো সবার সাথে ভাগ করে নেই তাহলে অনেকের উপকার হবে বলে আমার মনে হয়।
কলেজে কয়েকটা বিষয় ছিল- ইতিহাস, পৌরনীতি, ভূগোল যেগুলো বিজ্ঞান মানবিক বিভাজনের পর বিজ্ঞানের ছাত্রদের তেমন একটা পড়তে হয়নি। সংগত কারণেই এই বিষয়গুলো শেষ পড়েছি সেই ১৯৯৭ সালের দিকে। কিন্তু এখনো মনে পড়ে ইসহাক আলী স্যার এর পৌরনীতি বা হেদায়েতুন নবী স্যারের ইতিহাস পড়ানো। ইসহাক আলী স্যারকে নিয়ে আমার ফ্ল্যাশব্যাকে কিছু শেয়ার করেছিলাম পরে হয়ত আরো কিছু শেয়ার করবো কিন্ত আজ ইতিহাস নিয়েই বলতে চাই।
বিখ্যাত শিল্পী রফিকুন্নবীর(রনবী)ভাই হওয়ার কারণে হেদায়েতুন নবী স্যারকে হেনবী বলতাম আমরা।
বাজারে ভাংতি টাকার সমস্যা অনেক দিন যাবত। যতদূর মনে পরে, কমপক্ষে বছর দশেক হবে। এখন সমস্যাটি হয়েছে প্রকট। গতকাল এই ভাংতি টাকার অভাবে আমার ছোট ছেলেটি যেমন, তেমনি আমিও মনে খুব কষ্ট পেয়েছি। গতকাল ছিল মহান একুশে। ছেলেটিকে নিয়ে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানিয়ে, গেলাম বই মেলায়। এর আগেও দু’দিন গিয়েছি। বই যা কেনার ইতিমধ্যেই কিনে ফেলেছি। ছোট ছেলেটির চোখ এবার ছিল খেলনার দোকানগুলোতে। তার আবদার মত খেলনা কিনে দিয়েছি।
১
আমরা যারা বিভিন্ন ব্লগের সাথে জড়িয়ে গেছি তারা বোধহয় কমবেশি সবাই বই পড়তে ভালবাসি। নইলে তো ইউটিউব, ফেসবুক আর ভিডিও গেইমেই বাঁধা থাকতাম। দেশে এখন বই মেলা হচ্ছে। রমরম ঝমঝম। দূরে বসেও তার ঝংকার শুনতে পারছি। বেশ বুঝতে পারছি ঢাকা শহরে ফেব্রুয়ারী এখন বেশ উতসবের মাস। বাংগালিদের জন্য এই মাসটা বেশ ঘটনাবহুল। ফাগুন রাংগানো সুখ আছে। আবার একুশের কালো ব্যাচে ঢাকা দুঃখও আছে।
বিশ্বকাপ, তাই সাবেক ক্রিকেটাররা নাওয়া খাওয়া বাদ দিয়ে কাছা খুলে লিখছেন। স্বর্গে বসে ক্রিকেটের অমর বুড়ো ডব্লিউ জি গ্রেসও দেখছেন ক্রিকেট আর প্ল্যানচেটে লিখছেন কলাম-
আমি বারবার করে বলেছিলাম টস জিতে ব্যাটিং করো, ব্যাটিং করো এবং ব্যাটিং করো। কারণ ক্রিকেটটা হচ্ছে ব্যাটসম্যানের খেলা। আর ভারতীয় দল তো ব্যাটসম্যানে বোঝাই। সাকিব আল হাসানকে যতটুকু দেখেছি তাতে মনে হচ্ছিলো তার ঘটে বুদ্ধি আছে। কিন্তু শনিবার দুপুরে মিরপুরে তার সিদ্ধান্ত আমাকে কিছুটা অবাকই করেছে।