বরাবরের মত ঈদের দিনে সিসিবির ইঞ্জিনটা চালু রাখার দায়িত্ব এবারও মাস্ফূর কাঁধেই বর্তালো।১ ডিসেম্বর নতুন ক্যারিয়ার শুরু করার আগে এটাই শেষ “স্বাধীন” ঈদ,তাই সবাইকে অনেক অনেক ঈদের শুভেচ্ছা।আমার গোলামী(থুক্কু চাকুরি) জীবন শুরু হবার পর প্রতি ঈদে সিসিবির ইঞ্জিন চালু রাখার দায়িত্ব কে নেবে এই চিন্তায় আমি অতীব চিন্তিত-কাজেই ভলান্টিয়ারের নাম আশা করছি।জেনারেল আইজেনহাওয়ার বলেছেন- “নাথিং ইজ স্ট্রঙ্গার দ্যান দা হার্ট অফ এ ভলান্টিয়ার” ইত্যাদি ইত্যাদি…
বিস্তারিত»আমার ঈদ এবার যেভাবে কাটবে!!!!!!!
প্রথমবারের মত ঈদ করছি বাসা থেকে দূরে কোন এক দূর্গে। আমরা নিজেরাই যার প্রতিরক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি প্রতিদিন। আজ বি এম এ তে বসে সত্যিই মনে হচ্ছে দেশ রক্ষার মহান ব্রতটা কী যে কঠিন। কী যে খারাপ লাগছে।।। মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে এ কি ছেলেমানুষি; আবার মনে হচ্ছে এটাই স্বাভাবিক। কেন যেন মেনে নিতে খুব কষ্ট হচ্ছে। প্রথমবারের জন্য বলে হয়তো। তবুও জানি না কাল ঈদের দিন কেমন লাগবে।
বিস্তারিত»রবি ঠাকুর থেকে সরাসরি হাসান মামা- দায়ী ক্যাডেট কলেজ
প্রথমেই জানিয়ে দেই নাইলে পরে প্রেস্টিজ থাকবে না… এইটা আমার জীবনে প্রথম বাংলায় কম্পুটারে বড় কিছু লিখা এবং আমি মোটামূটি মাশফির কাছে থেকে ট্রেনিং নিয়েছি… থ্যাঙ্কু দোস্ত কাম মামা।
আমি গত ২ দিন ধরে সিসিবির ব্লগগুলো অনবরত পড়তেছি আর চিন্তা করতেছি আমি কেন কিছুই লিখতে পারি না… আমি কি গাধা?? পরে চিন্তা করলাম…গাধা হইলেও আমি এক্স ক্যাডেট….. সুতরাং সব কিছুই চেষ্টা করা দায়িত্ব- কর্তব্যের মধ্যে পড়ে…সুতরাং লিখার চেষ্টা।
বিস্তারিত»…।ক্লাসমেটের পাশবিকতা এবং আমার ভাবনা…।।
ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে যখন মেডিকেল কলেজ এ ভর্তি হই, অনেক আশা ছিল, ভাবতাম মেডিকেল কলেজও মনে হয় ক্যাডেট কলেজের মতই হবে…..আমার ক্যাডেট কলেজ খুব ভাল লাগত……স্টাফদের কাজকর্মের জন্য না বরং আড্ডা এবং দুস্টামির জন্য…সকাল থেকে শুরু করে সারাদিনই আমরা দুস্টামি করতাম…এই একসাথে থাকার কারনে আমাদের বন্ধুত্বও হয় সেই রকম…একটা ক্যাডেট এর সাথে আরেকটা ক্যাডেট এর যে কি বন্ধুত্ব তা বাহিরের একটা মানু্য কখনই বুঝতে পারবে না বা ব্যাপারটা ফিল করতে পারবে না…আমরা ক্যাডেটরা একে অপরের জানের বন্ধু ……..।নিজে মরব তবে বন্ধুকে বাচাব…।আমাদের মানসিকতা এরকমই ছিল ……তো এইটা স্বাভাবিক যে আমি আমার মেডিকেল কলেজেও এরকম টাইপের বন্ধু খুজব…যারা আমার সাথে আমার বিপদ আপদে থাকবে বা আমার পিছে আমার ক্ষতি করবে না…..এবং পাইও নাই এটা বলা ঠিক হবে না…এরকম অনেক বন্ধু পেয়েছি যাদের অপর আমি নির্ভর করতে পারব….যারা আমাকে বিপদে আপদে সাহায্য করবে..কিন্তু এইখানে আসার পর বুজলাম যে আসলে সবার সাথে বন্ধুত্ব করা যায় না…এই ব্যাপারটা আমি মেনেই নিয়েছিলাম……বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে নিজের বন্ধুদের নিয়ে ভালই ছিলাম নিজের রাজ্যে…।
বিস্তারিত»এ জার্নি বাই বাস-১
নীচের এই কাহিনী পুরাটাই ব্লগারের নিকট অতীত জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার সন্নিবেশ । ফলে এই ব্লগের সাথে সংশ্লিষ্ট না এমন কারও জীবনের কোন ঘটনার সাথে মিলে যেতেই পারে । তবুও এজন্য ব্লগার দায়ী নয় । এজন্য বড়জোর তার সৌ/দুর্ভাগ্যকে দায়ী করা যেতে পারে
সন্ধ্যা ৬টা
দুরুদুরু বুকে বাস কাউন্টারে আমার পদার্পণ । আল্লাহই জানে কি আছে কপালে……
-ভাই বগুড়ার কোনো সিট হবে ?
চুমু-সংক্রান্ত
১।
পুরনো বইয়ের ভাঁজ থেকে
টুপ করে কখন
ঝরে গিয়ে
পিঠে ডানা
জুড়ে নিয়ে
অসমাপ্ত চুমুর
সেই লুকনো বুদ্বুদটি
তোমার ঠোঁটের
উদ্দেশে
শেষে
একাই
উড়াল দিলে
২।
কাজ কি সখী শতকথায়,
তারচে’ এসো
মেতে উঠি
চারটি ঠোঁটের কথকতায়…
রহমত আলির সাথে পাঁচ মিনিট
প্রায় অন্ধকার কক্ষ। আলো বলতে শুধু জানালা থেকে আসা বিকেলের রোদ। বিছানায় দেখা যাচ্ছে একজন নব্যবৃদ্ধিপ্রাপ্ত মেদবিশিষ্ট চল্লিশোর্ধ পুরুষকে। তার শরীর থেকে নেমে আসা ঘাম মৃদু আলোতেও দেখতে কষ্ট হয় না, মাথার উপরে ফ্যান সর্বশক্তি নিয়ে ঘুরছে। একই সাথে তার হাতে একটা পাখাও দেখা যাচ্ছে, সম্ভবত তিনি ফ্যানের পরিচর্যায় সন্তুষ্ট নন। পরনের পাঞ্জাবিটা ঘামে পুরোপুরি ভেজা, অন্যহাতে লুঙ্গি ধরে আছেন। মাথায় টুপি আছে এখনো। খাটের উপর বসে আছেন তিনি,
বিস্তারিত»মাইর দেনেওয়ালারা
পৃথিবীতে দুই রকমের মানুষ আছে, মাইর খানেওয়ালা আর মাইর দেনেওয়ালা। সময়ে সময়ে মাইর খানেওয়ালারা মাইর দেনেওয়ালাতে পরিণত হন, মাইর দেনেওয়ালারা মাইর খানেওয়ালাতে। যেমন, আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতা রোটেট করে বিরোধী দলে যায়, তারা হয়ে যায় মাইর খানেওয়ালা। আবার ক্ষমতায় আসলে তারাই মাইর দেনেওয়ালা। সবই আল্লাহ পাকের ইচ্ছা…
তবে পুলিশদের কোন রোটেশান নাই। তাদের কপালে সীল মেরে লিখে দেওয়া হয়েছে, তারা সবসময়ই মাইর দেনেওয়ালা।
বিস্তারিত»জন্ম নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গ
দেশের সরকার তো সেই আদ্দিকাল থেকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পুরা ই ব্যাস্ত। আজ এই পরিকল্পনা তো কাল ওই কর্মসূচি।কিন্তু বিধিবাম সব ক্ষেত্রে ই ব্যাপার টা হয়ে যাচ্ছে “বাঘের মত গর্জন করে ব্যাঙের মত লাফ”। অবশ্য অস্বীকার করব না যে আমাদের দেশের জন্ম নিয়ন্ত্রণ অনেকটা ই করা গেছে, যদি ও জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ব্যাপার টা এখন ও মারাত্মক হুমকি হয়েই রয়ে গেছে।
আমার প্রশ্ন হচ্ছে “জনসংখ্যা বাড়লে সমস্যা টা কি?”
জানি যারা পড়ছেন তাদের কেউ কেউ already প্রস্তুত হয়ে গেছেন আমার এই কথাটার যথোপযুক্ত উত্তর দেওয়ার জন্য।
বিস্তারিত»১৫ কোটি মানুষ থেকে কি ১১ টা ফুটবলারও বের করা যায় না?
আমাদের দেশের জনসংখ্যা যে ঠিক কত তা আমি বলতে পারব না ।তবে ১৫ কোটির নিচে হবার কথা না। কিন্তু মজার ব্যাপারটা হল এই ১৫ কোটি মানুষ থেকে আমরা ১১ জন এমন লোক বের করতে পারি না যারা ভাল ফুটবল খেলে!!!! আজীব!!! অপর দিকে কুয়েত যার জনসংখ্যা ২০ লাখ এর মত … সেই পিচ্চি একটা দেশও বিশ্বকাপ খেলে ফেলেছে। কাতার তো সামনের বিশ্বকাপ হোস্ট করারও ট্রাই করতেছে।
বিস্তারিত»রকিব হাসান থেকে সৈয়দ আবুল মকসুদ

তিন গোয়েন্দা যখন পড়া শুরু করলাম তখন আমি হয়ত ফোরে পড়ি।সারাদিন মাথা গুঁজে রহস্যের সমাধান পড়তাম আর কিশোর পাশাকে হিরো বানিয়ে ফ্যান্টাসিতে ভাসতাম।তিন গোয়েন্দা পড়ার আগে আমি তেমন একটা গল্পের বই পড়তাম না।ছোটবেলায় আমার সমসাময়িক সবাই যখন সারাদিন কার্টুন দেখে কিংবা কমিক পড়ে ফিক ফিক করে হাসে,আমি সেই সময়ে ব্যস্ত খেলাধুলা নিয়ে।অনেক ছোট থেকেই আমার ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা মারাত্মক।আমি আর আমার চেয়ে ৪ বছরের বড় চাচাতো ভাইটি বাড়ির উঠানকে মাঠ বানিয়ে প্রতিদিন সবাইকে যন্ত্রনা দিতাম।আরেকটু বড় হলে আমরা উঠানের পাশাপাশি বড় মাঠেও খেলা শুরু করলাম।আমার খেলার সাথী ছিল আমার বড় ভাইয়ের বন্ধুরা,আমি আমার বয়সী বন্ধুদের সাথে ক্রিকেট খেলা শুরু যখন আমার ভাইয়ের বন্ধুরা ক্রিকেট ছেড়ে ফুচকা খাওয়া কিংবা চায়ের দোকানে আড্ডা দেয়ার মাঝেই বেশি মজা খুজে পেল।আসলে আমার বয়সি ছেলেরা তখন বরফ-পানি বিংবা ছোয়াছোয়ি খেলা থেকে অবসর নিয়ে মাত্র ক্রিকেট ময়দানে নাম লিখিয়েছে।অবশ্য তাদের সাথে বেশিদিন খেলার সৌভাগ্য আমার হয়নি।ক্লাস ফোরে থাকতে আমি ঢাকায় চলে আসি আর বিদায় জানিয়ে আসি বাল্যবন্ধুদের।
জাগ্রত যখন
স্বাপ্নিক আমি এক
অস্থির সময়স্রোতে বিদ্যমান
স্বপ্নযাত্রার অংশ কোনো।
আশা আর আশংকার সন্ধিস্থলে
ঘুরপাক খায় যাদের ভাবনা,
তেমন কোনো শ্রমিক মৌমাছির চেহারায়
অদৃশ্য জালে বুনা সুখানুভবের
অপেক্ষা আর অস্থিরতায়
মার্সিডিস, বিএমডব্লিও কিংবা পোর্শে হাঁকানো
পঙ্গু একদল দীনহীনের কোরাসের মত।
একজন সরোস ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ।
বারাক ওবামার নাম আমরা সবাই জানি কিন্তু তার সৃস্টিকর্তাদের একজন জর্জ সরোসের নাম আমরা অনেকেই জানিনা। তিনি একজন বিনিয়োগকারী, বিনিয়োগ গবেষক, অর্থনীতিবিদ, জনহিতৈষী। তার জন্ম ১৯৩০ সালে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে, তিনি তার শৈশবে নাজি বাহিনীর হাতে আটক হন এবং পরবর্তি সময়ে সভিয়েত কমিনিজ্যমের দ্বারা অত্যাচারিত হন। তিনি একজন ইহুদী। এবং অন্যান্য আট দশটা ইহুদীদের মত তিনিও ফ্যাসিস্ট ও কমিনিজ্যম বিরোধি। তিনি উদারনৈতিকবাদে বিশ্বাসী।
এবার আসি আসল কথায় ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক মন্দার জন্য ২ জন দায়ী ব্যাক্তির একজন তিনি।
বিস্তারিত»আমি তো এখন এক্স-ক্যাডেট
কলেজ থেকে বিদায় নিয়েছি তা ও ১ বছরের বেশি হয়ে গেল। যতটা শূন্যতার কথা ভেবেছিলাম কলেজ থেকে আসার সময়,আসলে ততটা বোধ করিনি বাস্তবে;সে শুধু বেশির ভাগ পোলাপানের ঢাকা কেন্দ্রিকতা আর ফেসবুকের কারনে। এইচ এস সি র পর আসলে সবার ই মোটামুটি দৌড়ের উপর থাকতে হয়। এই ৪০০ মিটারের গতিতে ৩০০০ মিটার দেয়ার সময় পুরনো স্মৃতি গুলো যে কষ্ট,হতাশা বা দীর্ঘঃশ্বাস জাগায় নি তা নয়। বিভিন্ন কাগজপত্র (সারটিফিকেট) আনতে ২ বার কলেজ এ যাওয়া লাগলে ও দুই বার ই ক্যাডেট দের ভ্যাকেশন ছিল।
বিস্তারিত»দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘোরা হয়নি হয়নি করেও একদম কম জায়গায় যাইনি। সেদিন বসে বসে চিন্তা করছিলাম কয়টা জেলা আমার দেখা হয়েছে। সর্বশেষ ভ্রমণটা ছিল ঢাকা থেকে প্রায় ২.৫ ঘন্টার দূরত্বে মানিকগঞ্জের ঝিটাকা নামক থানায়। ঝিটাকায় ফারুকের বাসায় ঘুরতে যেয়ে ‘ফ্রি’ হিসেবে পদ্মা দর্শনটা বেশ উপভোগ্যই ছিল বটে। তবে সবচেয়ে উপভোগ্য ছিল চরের বাচ্চাদের সাথে ফুটবল ম্যাচটা!
মানিকগঞ্জে যাওয়ার প্রায় মাস ছয়েক আগে ঘুরে এসেছিলাম পাহাড়ের জেলা বান্দরবান থেকে।
বিস্তারিত»