বুয়েটের হলের খাওয়াদাওয়ার মান সেইরকম। প্রতিদিন একই রকম অখাদ্য। মাঝে মাঝে কনফিউজড হয়ে যাই,ভাত খাচ্ছি না ঘাস খাচ্ছি। কোন টেস্ট পাই না। অবশ্য শুনসি ঢাকা ভার্সিটির খাওয়াদাওয়ার মান আরো খারাপ। তো সপ্তাহে একদিন আমরা এই অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচার জন্য বাইরে খাইতে যাই। জেনারেলি চাঙ্খারপুলের নান্না মিয়াই আমাদের ভরসা। মাঝেমাঝে স্টার বা নীরবেও যাওয়া হয়।
এই ঘটনা এই টার্মের ফোর্থ বা ফিফথ উইকের। বুধবার রাতে আমি বাইরে খাইতে যাব।
এরেই বলে ‘টেক কেয়ার’ !!!
এয়ারফোর্সে চান্স পাওয়ার পর থেকেই মনের ভিতর জানি কেমন কেমন লাগা শুরু হইল,সেই সময় আবার ‘ভীর-জারা’ মুক্তি পেল।মোনতাসিমদের বাসায় প্রায়ই যেতাম(মোনতাসিম ও চান্স পেয়েছিল,বুদ্ধিমান দেখে জয়েন করে নাই)।আমি আর মোনতাসিম ‘ভীর-জারা’র গানগুলি দেখতে দেখতে ভাবতাম আমরা আই এস এস বি কোয়ালিফাইড(হোয়াট এ সুপার কোয়ালিটি!!), এই বুঝি মেয়েরা প্রোপজ করা শুরু করল…একজন আরেকজনরে বলতামঃ
দোস্ত,তোর কি বিরক্ত লাগবে না,এত মেয়ে সামলাইতে?কয়টাকে রিফিউজ করব?
আরে আমরা কি সবাইকে বেল দিব নাকি?একজন/দুইজন থাকবে কনস্ট্যান্ট,বাকিদেরকে :just: ঘুরাবো!
পাঠকের ডায়েরীঃ লারা
কিছু কিছু বই আছে কেন জানি পড়া হয় না। পড়া হয় না মানে হয়ত বইটা কাছেই আছে কিংবা চাইলেই পড়ার সুযোগ পাওয়া যায় তবুও কেন জানি আর পড়া হয় না। কলেজে টেস্ট বা প্রিটেস্ট কোন একটা পরীক্ষার আগে ফর্মে আমার পাশে বসে বসে ইরফান একটা বই পড়ে, উলটে পালটে আবার পড়ে এবং পড়া শেষে প্রত্যেকবার বলে- রাশেদ বইটা পড়িস কিন্তু। কিন্তু আমার আর পড়া হয় না।
বিস্তারিত»আমি লোভী নই…তবুও আজকাল

আমি লোভী নই: তবুও আজকাল মাঝে মধ্যেই
লোভ আসে সুচতুর জোয়ারের মতন
বুকের মধ্যে দীর্ঘ বছরের জমানো লোভেরা বেড়ে উঠে
বিকেলে বৃক্ষের ছায়ার মতো দীর্ঘতর হয় জ্যামিতিক হারে।
আজকাল খুব ইচ্ছে করে কৈশোরের যুক্তিহীনতায়
ফিরে গিয়ে চোখে রাখি রঙিন চশমা
ঠোঁটে মৃদ্যু গুঁজে দেই সাদা সিগারেট
তারপর উদ্ধত ভঙ্গিতে হেটে যেতে আঙুলে চিরুণী চালাই চুলে।
৭ জানুয়ারি,২০০৫
১.
বুধবার দিনটা আমাদের রুটিন খুবই পেইনফুল। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ক্লাস। ক্লাস থেকে বের হবার পর আর কিছু করার এনার্জি থাকে না। এমনি ঘুমাই,বা মুভি দেখি,বা গেম খেলি। আজকে কিছুই করতে ইচ্ছা হচ্ছিল না। বসে বসে কার্ড গেম খেলসিলাম। এমন সময় হঠাৎ করে স্ক্রিনের ডানের কোনায় টাইম & ডেটে চোখ গেল। ৬ জানুয়ারি,ডেটটা কেন জানি অনেক পরিচিত লাগসিল। তারপর মনে পড়ল,
আমার পরিচয়
প্রথমবার দেখেই আমি পাগল হয়ে গিয়েছিলাম। আমার ওকে অনেক সুন্দর মনে হতো। কেমন ঠোট বাঁকা করে কথা বলত। মাই গড সহ্য করাটা অসম্ভব ছিল। আর কেমন যেন পাত্তা দিত কম কম। আমি এত দেশে ঘুরলাম, সিনিয়ার, ক্লাস-মেট কাউকে সেরকম এ্যাফেয়ার করার জন্য পছন্দ হয় নাই। হঠাৎ ওর জন্য অস্থির হয়ে গেলাম। ও যতই বুঝতো আমি ইমোশনাল হচিছ ততই বেশী আমাকে ঘুরাতো। একবার দেখা করার জন্য ফোর্স করে ক্যাম্প থেকে বের করলাম।
বিস্তারিত»আচার ২৯: ক্রিসমাস
আমার ইউনিভার্সিটির ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট এডভাইজিং অফিস ক্রিসমাস উপলক্ষ্যে একটা প্রোগ্রাম আয়োজন করে প্রতিবছর। প্রোগ্রামটা বেশ মজার। ক্রিসমাসের ছুটি শুরু হওয়ার আগে প্রত্যেক ফ্যাকাল্টিতে তারা নোটিশ পাঠায় ফ্যাকাল্টি মেম্বার আর স্টাফদের কাছে। খোঁজ করে কারা তাদের ফ্যামিলির ক্রিসমাস ডিনারে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের অতিথি হিসাবে পেতে চায়। আর ইমেইল করে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের, কারা ক্রিসমাসের ডিনারে যেতে চায়। উভয়পক্ষের তালিকা পেলে তারা দৈবচয়নের মাধ্যমে আগ্রহী ফ্যামিলিগুলোতে এক, দুই বা তিনজন ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট পাঠানোর ব্যবস্থা করে।
বিস্তারিত»প্রিন্সিপাল এসেম্বলী!! (সিসিবি ভার্সন) পর্ব ৩
৫।
-জুনায়েদ, তোর কাছে ম্যাচ বা লাইটার আছে? পকেটের শেষ সিগারেটটা ধরাবো…
পাভেল ভাই (‘৯৩) এর কথা শুনে থমকে গেলাম। আমার জানা মতে উনি তো সিগারেট খেতেন না। কবে থেকে শুরু করলেন?? যাই হোক, কথা না বাড়িয়ে পকেট থেকে ম্যাচ বের করে দিলাম। উনি বুক পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে অস্ফুট স্বরে গালি দিয়ে উঠলেন,
বিস্তারিত»ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডসঃ ওয়ান্স আপ’ন এ টাইম, ইন নাৎজি অকুপাইড ফ্রান্স
[ব্লগ লেখা এক মারাত্মক নেশা। ঘাড় থেকে নামিয়ে রেখেছি আশ্বাসে নিশ্চিন্ত হয়ে বসলেই টের পাই কোন ফাঁকে সে আবারও ঘাড়ে চড়ে বসেছে এবং দুই হাঁটু দিয়ে কানের ওপরে চাপ দিচ্ছে! একটা ব্লগ না লেখাতক এই অদৃশ্য ব্যথাটি সরছে না!]
Inglourious Basterds নামটার মধ্যে প্রথমেই যেটা খেয়াল করলাম সেটা হলো নামের বানান ভুল। ভাবলাম টাইপো, তারপরে ভাবলাম টারান্টিনো কি ভুল শিখেছেন নাকি (যদিও চিন্তাটা শিশুতোষ ভীষণ),
বিস্তারিত»ঈশ্বর, সমাজ ও ব্যক্তি নিয়ে আমার ভাবনা
১
সমাজবিজ্ঞানে ধর্মের আলোচনা শুরু করেছেন এমিল ডুর্খেইম (Emile Durkheim) তার Elementary Forms of Religiuos Life গ্রন্থে। এখানে তিনি দাবী করেন যে, সমাজই ঈশ্বর (God of a community is the community itself)।
ডুর্খেইম তার স্বভাবসিদ্ধ বিনির্মাণ (Deconstructive) ধারায় শুরু করেছেন কোনটা ধর্ম নয় তা’ দিয়ে। তিনি বলেন, ধর্ম কোন অতিমানবীয় বা রহস্যময় কোন জিনিস নয়। ধর্ম দেবদেবী বা অন্যকোন স্বত্ত্বায় বিশ্বাসও নয়।
বিস্তারিত»টানাপোড়েন
দ্বিধায় আছি, দ্বন্দে আছি
অজানা সুর ছন্দে আছি
আছি অবাক মোহে মায়ায়
কিংবা শীতল গাছের ছায়ায়
জগৎ জুড়ে আগুন জ্বলে
তবুও হৃদয় সিক্ত জলে
অবাক দ্বন্দ!পাইনা ভাষা
কোনটা আমার মনের আশা?
এ ট্রিপ টু রিমেমবার-৪
এ ট্রিপ টু রিমেমবার- [১] [২] [৩]
নেপাল থেকে ফিরার সময় তানভীররে বলতেছিলাম আমি আমার ধারা বজায় রেখে কয়েকটা ফটোব্লগ দিয়া দিমু নে আর তুই তো অনেকদিন লেখোস না, তাই তুই একটা ভ্রমন ব্লগ দিয়া দিস।
ফিরার পরেই আমি আমার কথা রেখেছিলাম। তানভীর ও লেখা দিলো। কিন্তু জিনিয়াসের মাথা থেকে আরেক জিনিয়াস আইডিয়া বের হলো। আসলে ফাকিবাজির ধান্দা আর কি।
একুশের পাঠশালায় একজন বৃষ্টি … …
১.
সে অনেক কাল আগের কথা। আজ অনেক দিন পরে যৌবনের সেই টকটকে দিনগুলোর কথা মনে পড়ছে। ইস্ , কী দূর্দান্ত ছিল সেই দিনগুলো!!!
আমরা ৬/৭ জন বন্ধু ছিলাম একে অন্যের জানের জান। আর আজ? কে কোথায় আছে, কে জানে! “বৃষ্টি”র জন্যে আজও খুব খারাপ লাগে; না জানি, কেমন আছে বেচারী! রাতুলকে ভালবাসতো ও, খুব ভাল ছেলে ছিল রাতুল। যেমনি চেহারা ,
ফিরে পাওয়া শৈশব পাহাড় আর সিসিবির ভালোবাসা
এই দিনগুলোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম অনেকদিন ধরেই। ২০০৮ সালে হতে হতেও হলো না। ফলে বিদেশ থেকে আসা বেশ কয়েকজন বন্ধু ফেরত গেল। কিন্তু দেশে যারা আছি বা থাকি, বেঁচে থাকলে ঠেকায় কে? ফৌজদারহাটের পূণর্মিলনী, তাও আবার সুবর্ণজয়ন্তীতে। ৫১ বছর বয়সী একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আমরাও বেরিয়েছি ২৯ বছর হয়ে গেল। কি একটা অদ্ভূত টান! বারবার ফিরে গেলেও আবার যাওয়ার আকাঙ্খা এতোটুকু কমে না। এ কেমন ভালোবাসা?
বিস্তারিত»বিজ্ঞাপণ
বিজ্ঞাপণ! বিজ্ঞাপণ! বিজ্ঞাপণ!
আচ্ছা বড় ভাই ও বোনেরা, ছোট ভাই ও বোনেরা কেউ কি আমার জন্য একটা উপযুক্ত পাত্র খুজে দিবেন? যার হাইট হবে পাচ ফিট এগারো। মাথার চুলগুলা হবে সিল্কি। গায়ের রং শ্যামলা। তাকে অবশ্যই অবশ্যই কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজের ১২তম ব্যাচ হতে হবে। তাকে ভাল এ্যাথলেট হতে হবে। বাংলাদেশ আর্মিতে যার চাকরীর বয়স ১০ বছর হবে। আমিসহ আমার ছেলেদের সমস্ত অন্যায় আবদার যে রাখবে।