বুকের মধ্যে অনেক ফাটল

রাত বাড়তেই ক্রমশ আমি মানুষ হয়ে উঠি
লোভ-কাম-ক্রোধ-পাপচিন্তা বাড়িয়ে হাতের মুঠি
সব টেনে নেই বুকে
বুকের ভেতর লক্ষ ফাটল,তার কোনটায় ঢুকে
নষ্ট মাথার চিন্তাগুলি,খায় খুটে খায় মড়ার খুলি
সেই মৃত কি আমি?
আয়নাতে মুখ দেখতে গিয়েও থামি
ভরসন্ধ্যায় শ্মশানঘাটে বসে
এসব যত চিন্তা ভেবে ঘামি!

সুজাতাকে প্রেমের কথা বলে
নিয়ে গেছি বৈতরণী নদীর কাছে-হাত দিয়ে সেই জলে
পালিয়ে গেলাম মানুষ ছেড়ে অচেনা জঙ্গলে
সুজাতা কি একা সেদিন ফিরতে পেরেছিল?

বিস্তারিত»

একটি বৈজ্ঞানিক কবিতা

এখন চুলের সামনের দিকে অনেক খানি পেকে গেছে। তিন বছর আগে চুল পাকেনি। মাঝে মাঝে অনেক ভালবাসায় পুরনো লেখায় চোখ বুলাই। তিন বছর আগে মনেও জোয়ার ছিল। এক সময় মনে হত জীবন শুধুমাত্র খন্ডকালীন সময় ছাড়া কিছু নয়, যার দুটো মাত্রা আছে। দৈর্ঘ্য আর গভীরতা। –

দুই মাত্রায় ‘সময়’ শুয়ে আছে
‘দৈর্ঘ্য’ টুকু জীবন নিল
‘গভীরতা’ রইল পরে
তোমার চোখের কাছে।

বিস্তারিত»

শিমুলের ফেব্রুয়ারী

এই গল্পটা আমার মায়ের লেখা… যখন আমার মায়ের বয়স ঠিক আমার এখনকার সমান…তাই অনেকদিন পর খুঁজে পেয়ে মনে হোল, ব্লগে দিয়েই দেখিনা!

পড়ার টেবিলে মিছেই সময় নষ্ট হতে থাকে।পড়া আর হয়না শিমুলের।
কেন বার বার ফিরে আসে ঐ অলক্ষুণে ফেব্রুয়ারী?ভীষণ রাগ হয় তার নিজের উপরেই।ভাবে, যদি পারতাম ক্যালেন্ডার থেকে ঐ মাসটাকে একেবারে মুছে ফেলতে…নিজের উপরে রাগ ক্রমশঃ বেড়েই চলে তার। ধীরে ধীরে কঠিন হয়ে ওঠে ওর মুখ।

বিস্তারিত»

সপ্তম শ্রেণীর সাতকাহন

…প্রথমেই কিছু কথা বলে রাখি।এটা অনেকটা DISCLAIMER টাইপ ভেবে নিতে পারেন।
আমি কোন কালেই ভাল লেখক ছিলাম না।বক্তা হিসেবে আমার স্বমুল্যায়ন– কোন জায়গা থেকে লোক সরানোর জন্য,বা আনন্দময় পরিবেশে বেদনা আনয়নের জন্য বন্ধুমহলে আমি বিশেষ পারদর্শিতা দেখাতে সক্ষম।আর নিজেকে আমি ধৈর্যশীল শ্রোতাই মনে করি। কেননা, কারো মারণাস্ত্র জাতীয় সুবচন(পচানি) শুনেও আমি ‘৩৪ দন্ত !’ বিকশিত করতে পারি।তো,আমার বিশিষ্ট সুলেখক বন্ধুদের লেখা দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে ভাবলাম……জীবনের একটা গুরুত্তপুর্ণ অংশ লেখায় পরিণত করাটা মন্দ হবে না।এতে sharing ও হবে,time pass ও হবে,আবার বাংলা টাইপিং প্র্যাক্টিসও হবে(এক ঢিলে ‘দুই বা ততোধিক’

বিস্তারিত»

বিধ্বস্ত হাইতি – আমাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে

1

আরেকটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নেমে এসেছে আমাদের ওপর। ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হাইতির রাজধানী পোর্ট আউ প্রিন্স ও আশপাশের এলাকা। ধারণা করা হচ্ছে লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। মৃতের সংখ্যা ৫ লক্ষ পর্যন্তও হতে পারে, নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। ৩০ লক্ষাধিক মানুষ এখনও ডেঞ্জার জোনে দিনাতিপাত করছে।

এ জীবনে হাইতিকে কখনও হাসতে দেখি নি। অন্য সব অনুন্নত দেশগুলোর মতোই ঈশ্বরের (উন্নত দেশ) কৃপায় বেঁচে ছিল তারা।

বিস্তারিত»

খেরোখাতা – আমি আর আমার একলা আমি

ব্যস্ততার হাড়িটা দূরে সরিয়ে আজ বরং কিছু লিখি।

এরকম আগেও হত, বিশেষ করে যখন একা থাকতাম, সি এম এইচে বা কলেজের হাসপাতালে। আমার যখন চিকেন পক্সের গুটি বের হচ্ছে হচ্ছে অবস্থা, মাহমুদের তখন গুটি প্রায় শুকিয়ে গেছে, ছাড়া পাবে দুদিন পরেই। সি এম এইচের আইসোলেটেড ওয়ার্ডের ভয়ংকর সময়ের কথা ভেবেই কিনা, ও ওর কবিতা লেখার খাতাটা আমাকে দিয়ে দিল, অথবা আমিই জোর করে নিয়ে নিলাম,

বিস্তারিত»

ষোলো

অবসাদে নুয়ে পড়া বিষন্ন জীবন ,
একঘেয়ে ক্লান্তিতে অবিশ্রান্ত ছুটে চলা ,
পিঠে চাপিয়ে শত কোটি বোঝা ,
কোনো চতুস্পদ জন্তু যেন !
ষোলো কোটি মানুষের ষোলো কোটি রূপ ,
ষোলো আনা ভর্তি আত্মকেন্দ্রিকতা ,
কেউ কি আমি নেই, অন্তত এক জন ?

বিস্তারিত»

‘ফজা ফ্যাক্টরি’র সেই সোনালী দিনগুলি

সাইফুদ্দাহার শহীদ – ব্যাচ ৬

চার দিন পার হবার আগেই আমি মনস্থির করে ফেললাম যে এখানে আর আমি থাকতে পারবোনা। প্রতি রবিবার সন্ধ্যায় আমাদেরকে এক ঘন্টা সময় দেওয়া হতো চিঠি লেখার জন্যে। আমি আমার আব্বার কাছে সংক্ষিপ্ত একটা চিঠি লিখলাম – “আমাকে এসে নিয়ে যান, আমি আর এই জেলখানায় থাকতে পারবো না।”

আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিলো যে আমার চিঠি পেয়ে তখনি আমার আব্বা এসে আমাকে নিয়ে যাবেন।

বিস্তারিত»

বন্ধু তোমায় সালাম

৪ জানুয়ারী, ২০০৪ তারিখে রয়েল মিলিটারী একাডেমি, স্যান্ডহার্টস এ যোগদানের পর দুইটা সমস্যা আমাকে খুব বেশি কষ্ট দিয়েছে। একটি হল ঠান্ডা আর অপরটি ভাষা। যোগদানের প্রথম ২-৩ দিন সত্যিকার অর্থেই আমি কারো কোন কথাই বুঝতে পারিনি। আমার প্লাটুনের অন্যদের দেখাদেখি সব কাজ করে গিয়েছি না বুঝেই। প্রথম কয়েকদিনের কার্যক্রমের একটা বিরাট অংশ ছিল ইউনিফর্ম, বুট, অন্যান্য পোষাক, বার্গেইন, অন্যান্য সামগ্রী ও সরঞ্জামাদি ইস্যু করা। বিদেশি ক্যাডেট হিসাবে আমার জন্য ছিল অতিরিক্ত কিছু আইটেম যা অন্যদের ছিল না।

বিস্তারিত»

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকঃ পর্ব ৩

পূর্ব প্রকাশের পর…

ওয়াও রাইন! আপনার বর্ণনা এত্তো ভিভিড। আমি মনে হলো দেখলাম আমার সামনে, আপনাকে, মেয়েটাকে… বৃষ্টি!
কী সুন্দর সব।

অনেক আগে আমি একটা গল্প লেখা শুরু করেছিলাম। ঐখানে বৃষ্টিতে একজনের সাথে প্রথম দেখা হওয়ার বর্ণনা ছিলো। আপনার কথা শুনে মনে পড়ে গেলো। ঐটাও ছাতা বিষয়ক… দেখি মনে হয় পুরানো ডায়েরিতে আছে এখনও, আজকে বাসায় যাওয়ার পরে পাঠাবো আপনাকে।

বিস্তারিত»

শেষ ভোরে ভালোবাসা

কতশত বার ভালোবেসে তোমায় কিছু দেব বলে ভেবেছি,
নির্জন অরণ্য অথবা কোলাহলময় ব্যস্ততা,
নিদেনপক্ষে সমুদ্রের ঢেউ বা বিস্তৃত কালবেলা,
সেসব তোমার ভালো লাগে নি ।
আমার দেয়া সোনা রোদ আর লু হাওয়া,
পুড়িয়ে দিয়েছে তোমার সুখভেলা ।
আর তাই আজ শেষ ভোরে, দিচ্ছি তোমাই একটি ছোট্র তারা,
আমার মৃত্যুর পর ‌জ্বলে ওঠা ছোট্ট তারা।।

বিস্তারিত»

খুশকি – ৭

প্রিন্সিপাল এসেম্বলী!! (সিসিবি ভার্সন) পর্ব ৩ এর উদ্ধৃতাংশঃ

ব্লগে ‘৯২ এর ভাইদের আনাগোনা অন্যন্য অনেক ব্যাচের চেয়ে তুলনামূলক বেশি। বেশ কয়েকজন আছেন মোটামুটি চেষ্টা করেন রেগুলার থাকার জন্য। প্রথমেই আসলেন রহমান ভাই। পিকনিকে অল্পের জন্য আসতে না পারার যন্ত্রণা কিছুটা হলেও ভোলার জন্য এবার আগে থেকেই সব ম্যানেজ করে রেখেছিলেন। ব্যাপক মাঞ্জা মেরে, চুল ব্যাক ব্রাশ করে এসেছেন!
-রহমান ভাই,

বিস্তারিত»

ফাউ প্যাচাল-২

আমি ঘুরে ফিরে আবার ফাউ প্যাঁচাল পাড়তে আসলাম। কারণ আমার বখিল কাব্যচর্চায় ঘোর অমানিশা, কলম ছন্দ খুঁজতেছে আকুল হয়ে। তাই বলতে পারেন, এই প্যাঁচাল আমার কপিতা ক্ষেতে বেগুন ফলানো। তাছাড়াও অধিকাংশ ব্লগারই সিনিয়র যেনারা সমালোচনা কখনই করেন না, বরং উৎসাহ দ্যান। তাহলে আজকের গল্প শুরু করি………………
গল্প ৩-
এই গল্প আমার বেশ প্রিয় একজন স্যার কে নিয়ে। স্যার পড়াতেন বোটানি, ছিলেন বায়োলজি ডিপার্টমেন্টের হেড।

বিস্তারিত»

টাইমপাস নাম্বার – ৩

এই দুনিয়ায় কেউ কারো নয়
চলতে হবে একার
ক্যামনে সেটা বুঝবা মিয়া
নাই যদি হও বেকার?

বিস্তারিত»

ক্যাডেট কলেজ সিস্টেম অথরিটি ও ক্যাডেট বিষয়ক বিক্ষিপ্ত ভাবনা

[ক্যাডেট কলেজ সিস্টেম নিয়ে আজহার ও মাহবুবের পোস্টের প্রেক্ষিতে আর সেখানে রিলেটেড কিছু কমেন্ট প্রসঙ্গে কিছু কথা মাথায় এলো। এই ভাবনা গুলোতে অন্য দিক দিয়ে দেখার চেষ্টা করা হয়েছে। যে কোন জিনিস নিয়ে হৈ চৈ করার আগে বিষয়গুলোকে সুনির্দিষ্টভাবে দেখা দরকার।]

আমরা যখন ক্লাশ নাইনে ছিলাম আমাদের মাঝে খুব জনপ্রিয় একজন স্যার ছিলেন – মুশফিক স্যার। ক্যাডেট কলেজ নিয়ে অনেক স্থায়ী স্মৃতির মাঝে এই স্যারের স্মৃতি সদা অমলিন।

বিস্তারিত»