হরতাল – অগ্রগতির সোপান

(সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক প্যাঁচাল – রাজনীতির জন্য নয়)

হরতালের পজিটিভ দিকগুলো নিয়ে আমরা কখনই চিন্তা করি না। কিন্তু এর অনেক ভাল দিক আছে। যা নিয়ে আমরা কমই চিন্তা করি। যেমন:

১। হরতাল পরিবেশকে দূষণ মুক্ত করে।
২। বায়ুমণ্ডলে ধূলিকণা হ্রাস করে। ফলে নির্মল বাতাসে নিশ্বাস নিতে পারা যায়।
৩। অনেক মানুষকে ঘরমুখো করে। ফলে মানুষ গৃহে অধিক সময় দিতে পারে।

বিস্তারিত»

শুভকামনা প্রার্থনাঃ

প্রিয় সিসিবির ভাইবোনেরা,

সেই ২০০৮ সাল থেকে যাত্রা শুরু সিসিবির,সাথে সাথে সিভিল সার্ভিসের সুদীর্ঘ নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও আমার পদচারণা শুরু।পরীক্ষার সুবিশাল প্রস্তুতি,প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে বিসিএস পরীক্ষা দেয়ার সিদ্ধান্ত,বিসিএস পরীক্ষা দেবার জন্যে এক সেমিস্টারে রেকর্ডসংখ্যক সাতটি কোর্স নিয়ে হাবুডুবু খাওয়া,প্রিলিমিনারি পরীক্ষা খারাপ হবার পর মন-খারাপ করা,১০০ তে ৪৬ দশমিক ৫ সঠিক করে কোঁকাতে কোঁকাতে টিকে যাবার পর আহসান ভাইয়ের দেয়া সাহস এবং রিটেনে পাস করে অবশেষে ভাইভার দরজা পার হবার পর চা-ওয়ালা রকিবের অভিনন্দনবার্তা এই সব কিছু নিয়ে আমার সঙ্গে অনুপ্রেরণা হিসেবে ছিল সিসিবি।প্রায় তিন বছরের সুদীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রহর কাটিয়ে অবশেষে আগামীকাল সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে যোগদান করতে যাচ্ছি।

বিস্তারিত»

প্রলাপ-৩

ভোরের প্রতীক্ষায়
শুধু একেলা
থাকো প’ড়ে
হা চোখে,
আড়াআড়ি দুহাত
সারারাত
বালিশের এপাশে

স্বপ্নে কারা যায় আসে,
জানবে বলে
ঘুমোবার বেলা
একবার কেবল
সংগে নিতে
জানালে অনুনয়

মুচকি হেসে
ও শুধু বলেছিলো,
না রে
সে তো হবার নয়
কেউ বুঝি চশমা পরে
ঘুমোবার সময়!

উৎসর্গঃজিতু।যে সন্দেহ করেছিলো আমার চশমায় নির্ঘাত কোন প্রবলেম আছে।

বিস্তারিত»

ফান্ড রেইজিং : শ্রাবণী সমাদ্দার

সম্ভবত সবাই খবরটা দেখেছেনঃ

খবরঃ প্রথম আলো

এখন আমাদের এগিয়ে আসাটাই বাকিঃ

পে পাল লিংকঃ এখানে ডোনেট করুন

সবার সহযোগিতা কামনা করছি।

বিস্তারিত»

সন্ধ্যা

ফিরছে পাখিরা তাদের আপন নীড়ে
সন্ধ্যা আসছে নেমে নদীর তীরে।
ক্লান্তিতে নুয়েছে সব গাছের পাতা
রঙ্গিন বসুধা মেলেছে গোধুলির খাতা।
আধো আলো আধো কালো আর আধো ছায়া
নদীর স্রোতে জেগেছে এক অপরূপ মায়া।
নীলাকাশ ছেয়ে গেছে আগুনের লালে
সেউতি জ্বলছে যেন ঢেউয়ের জলে।
নিশাচরেরা উঠছে জেগে পাতার ফাঁকে
পালের নৌকা ভিড়ছে তটিনীর বাঁকে।

সন্ধ্যাটা যেন এক  স্বপ্নীল আভাস
তীরেতে বইছে হিমেল ফাগুনের বাতাস।

বিস্তারিত»

স্বপ্ন-১

অনেক দিন ধরেই ইচ্ছা ছিল কিছু লেখার, এখন তো আর খাতা কলম নিয়ে বসার সময় হয়না। তার চেয়েও বড় কথা এখন কার যুগে আবার খাতা কলম নিয়ে বসার যুগ না, আধুনিক যুগ। এখন সবাই কম্পিউটার এর সামনে ব্লগে লিখে; শুনেছি বড় বড় লেখকরাও নাকি এখন আর আগের মত সুন্দর খাতা, সুগন্ধি কলম নিয়ে লিখতে বসে না। তারা এখন তাদের  ল্যাপটপ- এর সামনে বসে টাইপ করে,

বিস্তারিত»

হাড়কাঁপানো শীতে/ আমরা পারি ওদের দিকে / হাত বাড়িয়ে দিতে-২

বহু বহু বহুউউউউউ দিন পরে সবাইকে স্বাগতম। এত্তদিন পর এসেই সবার কাছে একটা জিনিস চাইতে আসছি। 😀 সিসিবির ট্র্যাডিশন অনুযায়ী আমরা এবারও একটু মানুষের আশেপাশে যেতে চাচ্ছিলাম। শীত যদিও এখনো পরেনি, তাও গতবারের মত আমরা আর দেরী না করে এখন থেকেই কাজ শুরু করে দিতে চাই। জিতু আপার বাসায় আমরা সবাই এক হচ্ছি জিটুপির জিটুজিতে। এখন আমরা যদি এই জিটুজিকে একটা কন্সট্রাকটিভ জিটুজিতে কনভার্ট করে ফেলতে পারি,

বিস্তারিত»

অনেকদিন কিছু লিখি না…

বিগত কয়েক মাস (মাস ছয়েকের বেশী হবে মনে হয়) ধরেই ক্যাডেট কলেজ ব্লগের সাথে দেখা সাক্ষাত প্রায় নাই বললেই চলে। সাক্ষাত না হবার অন্যতম কারন নিজের জীবনযাত্রায় ব্যাপক আকারের পরিবর্তন। ছয় মাস আগেও বলতে পারতাম, নামঃ মোকাব্বির সরকার, বেকার। কিন্তু গত ছয় মাস আগে বেকারত্ব আমাকে কাঁচকলা দেখিয়ে পালিয়ে গেল। সেই সাথে পালিয়ে গেল দৈনন্দিন জীবন ধারনের জন্য বরাদ্দ ২৪টি ঘন্টা থেকে ৮/৯টি মূল্যবান অলস ঘন্টা।

বিস্তারিত»

বিশ্বাসের ভাইরাসঃ বিজ্ঞান ও ধর্ম (১/২)

১.

ধরা যাক, আমার থাকার রুমটি একটি চারতলা বাড়ির তিন তলায়। একরুমে বন্দি হয়ে জীবনের পুরো সময় আমরা কাটিয়ে দিতে পারিনা, ইহলৌকিক কাজের জন্য সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রত্যেকেরই নেমে আসতে হয় মাটিতে। মাটিতে নেমে আসার কাজটি আমরা কিভাবে করি?

জানালা দিয়ে সরাসরি লাফিয়ে পড়ে?

নাকি, সিড়ি বেয়ে?

অবশ্যই সিড়ি বেয়ে। কিন্তু সিড়ি বেয়ে কেন নামি? নিউটনের মাথাতে আপেল পড়ারও বহুকাল আগে আমাদের পূর্বপুরুষরা উপর থেকে মাটিতে সরাসরি লাফিয়ে পড়ে পা ভেঙ্গে সবাইকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন,

বিস্তারিত»

এই যে দেখো,এই যে শোনো ঝড়োশ্বাসী বুকের কষ্ট

এই যে দেখো,এই যে শোনো ঝড়োশ্বাসী বুকের কষ্ট
গর্ভবতী মাঠের ফসল
ঘূর্ণিমায়া পৃথুল নারী
মন উচাটন হীরের টুকরো কালিমাময় সুখের কষ্ট!

এই যে দেখো,এই যে শোনো রাত্রি জাগা পুরুষ মানুষ
অন্ন-ক্ষুধা তীব্র মারী
আলোর বন্যা আ’ল সমতল
মানুষ নিজেই মারছে মানুষ,ছড়ায় আগুন,রক্ত ফানুশ!

এই যে দেখো,এই যে শোনো কেমন কেমন হচ্ছে লড়াই
এক পাশে তার ঢাল তলোয়ার
কামান বারুদ সবই আছে
অন্য পাশে নিঃস্ব মানুষ লড়ছে কোনো অস্ত্র ছাড়াই!

বিস্তারিত»

প্রেম নয়

চাকুরী জীবনের শুরুর দিকে বেশ কয়েকটা দিন আমার কেটেছে শিলছড়ি নামের একটা প্রত্যন্ত ক্যাম্পে। শিলছড়ির আকাশ ছোয়া পাহাড়,বহুরুপী পাহাড়ী ছড়া ,একদল সহজ সরল মানুষ, একটা ছোট্ট বাজার তাতে দিনমান নাপ্পির গন্ধ, দেবযানী, কৈশল্য আর রঙহীন গোধূলিতে করতালের শব্দে মাতাল চিয়ানজলের সুর—এইটুকু নিয়েই আমার পাহাড় বিলাস।সেইদিনগুলি বড্ড অন্য রকম ছিলো। মনের ভেতর তখন ফেলে আসা সমতলে লাজুক কিশোরীর আধো আধো প্রেম, খাতার ভেতর লম্বা চিঠির দীর্ঘ শব্দমালা,

বিস্তারিত»

ব্যক্তিগত রেসিপি-৫

খোলা মাঠ।বিস্তৃত সবুজের দিকে চোখ মেলে রয়েছি দুজনে।একটা বিশাল বুদ্বুদ কোত্থেকে যেন ভেসে এসে হেলেদুলে লাফিয়ে লাফিয়ে সামনে দিয়ে পালিয়ে গেলো, গায়ে তার পিছলে যাচ্ছিলো রঙধনু।একছুটে একটা কাঠবিড়ালী এসে পৃ-কে মুখ ভেংচে গেলো।দূরে কোথাও মন উদাস করা সুরে বাঁশি বাজছে।
‘এ জায়গাটার নাম কী পৃ?’
‘জানিনা সোনা, আগে কখনো এসেছি এখানে?’

নিশ্চয়ই এসেছিলে
কোন একদিন
আমারি হাত ধরে,
বুনোপথের ঠিক এই প্রান্তে।

বিস্তারিত»

শব্দহীন সময়

নীলাদ্রির আজ মন ভাল নেই। সুদূরে শূন্য আকাশের গায়ে জমে থাকা ছিন্ন ভিন্ন মেঘের গায়ে জমাট ধূলিকণা আর সেইসাথে ছড়ান শূন্যতার রেণু। নীলাদ্রির আজ মন ভাল নেই সেই শূন্যতার রেণুতেই। ফেলে আসা সময়ের নিবিড় আবেশ একটুখানি কষ্টের তীর হয়ে গেঁথে আছে মনের গহীন কোণে, যেখানে শব্দময় অতীত কেবলই গুমড়ে মরে আজকের ভয়াল নৈশব্দের কাছে।

আজ সেই ফেলে আসা সময়ের ঝুম বৃষ্টি, ভেজা মাঠ,

বিস্তারিত»

মাসরুফের মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক পোষ্ট থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নির্মাণের পদ্ধতি নিয়ে আমার ভাবনা

অনুজপ্রতীম মাসরুফের “অস্ত্র থেকে অক্ষর” লেখাটি সাম্প্রতিক সময়ে সিসিবি’র অন্যতম আলোচিত এবং প্রশংসিত একটি পোষ্ট। এর প্রতি আমাদের বেশিরভাগেরই মনোযোগও ছিল বেশ, কারণ এটি পোষ্ট করার আগে আরেকটি পোষ্টে লেখক জানিয়ে দিয়েছিল এর মূল প্রতিপাদ্য যা’ ছিল একজন এক্স-ক্যাডেট মুক্তিযোদ্ধা মেজর কামরুল ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎকার এবং তা’ থেকে প্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কিছু অজানা তথ্য। যথারীতি পোষ্ট আসল এবং সকলেই ব্যাপক প্রসংশায় ভাসিয়েও দিলাম পোষ্ট এবং পোষ্টদাতাকে।

বিস্তারিত»

ডায়লগ সংকলনঃ মেডিকেল কলেজ ভার্সন

(ডিসক্লেইমারঃ আপনি মেডিকেল লাইনের না হলে পোষ্টটি একটু কম উপভোগ্য হবে, এই জন্য ক্ষমাপ্রার্থী)
আমেরিকার মেডিকেল কলেজগুলোর স্টুডেন্টরা ৩য় বছর থেকে হাস্পাতালে কাজ করা শুরু করে, যাকে বলে ক্লিনিকাল রোটেশন। ক্লিনিকাল রোটেশনের সময় তাদের রুগী দেখার পাশাপাশি মেডিকেল চার্টে রুগীদের স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্যবলীগুলোও লিপিবদ্ধ করতে হয়। নতুন এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক মেডিকেল স্টুডেন্টই প্রথম প্রথম কিছুটা হিমসিম খায়, যার ফলস্বরূপ মেডিকেল চার্টে তাদের এন্ট্রিগুলো একটু হাস্যকর রূপ নেয়…তারই কিছু উদাহরন এইখানে উপস্থাপন করলাম…

বিস্তারিত»