৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ৩য় পর্ব

প্রতিটি পর্ব লেখে মন্তব্য দেখে কিছু কিছু জিনিস পরিস্কার করে বলে দিতে হচ্ছে। লেখাগুলো এত ছোট হওয়ার কারণ হচ্ছে সময়। দেশে থাকলে হয়ত বড় করে লেখা যেত কিন্তু দেশের বাইরে থেকে জব করে, ক্লাস করে বড় করে লেখা সম্ভব হয়ে ওঠে না। সবার অবগতির জন্য আমি অত্যন্ত দুঃখিত।

এখনও সাতদিনের কাহিনীতে আটকে আছি। আরও ২-৩ পর্ব হয়ত এই সাতদিনের কাহিনী শেষ হয়ে যাবে।

বিস্তারিত»

একাদশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব – ২

আজ আর সকালে যাওয়া হল না। ১ টার আগে তো যেতেই হতো, জাক দেমি-র সিনেমা দেখার জন্য। যে সময়ে রওনা দিয়েছিলাম তাতে জাম আরেকটু জেঁকে বসলেই মুভির অর্ধেকটা মিস হয়ে যেতো। তেমন কিছু হয় নি, ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই পৌঁছে গেলাম শাহবাগ, মুভির প্রথম ৩ মিনিট মিস করলাম। আজ অবশ্য একা ছিলাম না, গিয়ে দেখি আন্দালিব ভাই ও লিংকন অলরেডি এসে পড়েছে, আমি আর তাওসিফ মিলে হল ৪ জন।

বিস্তারিত»

একটি আদর্শ মন্দ দিন

দিনের শুরু দুইভাবে হতে পারে। সকালে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে অথবা রাত বারোটার পর থেকে। যেহেতু খারাপ দিনের সূচনার পিছনে আগের রাতের বিষয়টা জড়িত, তাই এখানে নতুন দিন বলতে রাত বারোটার পর বুঝাবো।

এশার নামাযের পর পরই কাছের কোন এক মসজিদ বা মাজার থেকে ওয়াজ মাহফিল শুরু হলো। শুরু হলো তো হলো, শেষ হওয়ার নাম নেই। অবশেষে রাত বারোটার দিকে ওয়াজ শেষ হলো। এবার ঘুমানো যাবে ভেবে বিছানায় গেলাম।

বিস্তারিত»

অন্ধকারে বসে

জানো এষা আজ
আমার এখানে বড় বেশী অন্ধকার
আদিম কিছু মানুষ বুকে জিঘাংসা নিয়ে
রক্তচক্ষ বেড়ায় ঘুরে হিংস্রমতন!

জানো এষা এই
আমরা যেন ফিরে যেতেছি আদিম যুগের ষাট প্রহরায়
কেন যেন এই পিছে ফিরে চলা অন্ধ আমরা
চক্রমশ চলেছি অতীতের কোন বরফের দেশে!

বিস্তারিত»

৬ বছর বা ২২০৩ দিন- ২য় পর্ব

২য় পর্ব শুরুর আগে কিছু বলে নিতে চাই। ২২০৩ দিন হেডিং দিয়েছি বলে এইটা ভাবা যাবে না যে ২২০৩টা পর্ব হবে। যে স্মৃতিগুলো সবার সাথে শেয়ার করা যাবে সেগুলো পর্বে পর্বে লিখতে চাই। আর সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছি আমি ২৬তম ব্যাচ(২০০০-২০০৬)।

১ম রাতে ডিনারের পর আমাদের সবাইকে বোধহয় ৩২১ নং রুমে ডাকা হয়েছিল। সেখানে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছিল ২১তম ব্যাচ। আমাদের সবাইকে বলা হল হিন্দী গান “রুকি রুকি”

বিস্তারিত»

অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (আমাদের প্রতিবেশী)

সিলিকন ভ্যালি আক্ষরিক অর্থেই একটা কসমোপলিটান এলাকা। পৃথিবীর নানা দেশ থেকে আসা পেশাজীবিদের ভিড়ে সাদারা এখানে সংখ্যালঘু। অধিবাসীদের মধ্যে সংখ্যার দিক দিয়ে সবচেয়ে বেশি ভারতীয় আর চায়নীজরা। আঞ্চলিক রাজনীতির মতো এখানেও চায়নীজ আর ভারতীয়দের মধ্যে একটা অদৃশ্য বিভাজন রেখা খেয়াল করা যায়। এই সেদিন দেখলাম একটা গ্রোসারী শপের লাইনে দাড়ানো নিয়ে এক চাইনীজ আর ভারতীয় মহিলার মধ্যে একটু দ্বন্ধ বেঁধে গেল। ব্যাপারটা সচরাচর দেখা যায় না।

বিস্তারিত»

একাদশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব – ১

বাংলাদেশে চলচ্চিত্র সংস্কৃতি সম্ভবত দুই ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। অবশ্য এখন ভাগ হয়েছে বলাটা ঠিক হবে না। স্বাধীন দেশে ১৯৮০-র দশকের শুরুতেই এটা হয়েছে। এক সময় দেশের সবাই প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে সিনেমা দেখতো। নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্ত কেউ বাদ ছিল না। কিন্তু, অন্য অনেক দেশের মতো এদেশেও যখন মধ্যবিত্ত সমাজের প্রভাব বাড়তে শুরু করে তখন এটার সাথে তাল মিলিয়ে একটি চলচ্চিত্র সংস্কৃতি বেড়ে উঠতে পারে নি।

বিস্তারিত»

মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের বীর যোদ্ধারা

[লেখাটির একটি ভূমিকা প্রয়োজন। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ইদানিংকালের পড়াশুনায় আমি ঢাকার ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্য বদিউল আলমের চরিত্রে আকৃষ্ট হই। একাধিক বই ও সাক্ষাৎকারে তার অবদানের কথা জেনে ফকক’র প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসাবে গর্ব বোধ করি। বদি ভাইকে নিয়ে একটা লেখার তাড়নাও অনুভব করছিলাম গত এক বছর ধরে। এবার ডিসেম্বরে ফৌজদারহাটের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবে একটা “মেমোয়ার” সম্পাদনার দায়িত্ব আকষ্মিকভাবেই কাঁধে চাপে। অফিসের কাজের চাপে একটু চিন্তিতই ছিলাম এর ভবিষ্যত নিয়ে।

বিস্তারিত»

প্রেম যুদ্ধ সুখ-৪

কিশোরী জানে না আমি এক অন্ধ অবোধ বালক
আমার হাতে পতাকা ধরিয়ে একটি লোক
মিছিলে টানে যুদ্ধে টানে!
আমার প্রেমিকা যুদ্ধ বোঝে না,প্রেম চায় শুধু
বিপ্লবে নয়,কাব্যে জানে সে
শিল্পীর মন দ্রবীভূত হয়!
আমি তবু থাকি বড়ো নিশ্চুপ বুকে বিপ্লব
পতাকা নিয়ে,উজ্জ্বল রঙ প্লাকার্ড নিয়ে
মিছিলে দাঁড়াই!
আগুনের লাল মশাল জ্বেলে আধাঁরে দাঁড়াই
তখন বারুদে ঘন অবরোধে নিঃশ্বাস দায়
আমার প্রেমিকা যন্ত্রনা দেয় আরো!

বিস্তারিত»

ফ্যান্টাসি প্যাঁচাল

অনেকদিন ধরেই মনে হচ্ছিল একটা ব্লগ দরকার যেখানে ফ্যান্টাসি ফুটবল নিয়ে আড্ডা মারা যাবে। চলেন তাহলে, শুরু করি।

বাসার মডেম যামেলা করতেছে, তাই আমি টিম চেন্জ করতে পারি নাই :(( সবাই চোখ বন্ধ করে রুনিকে ক্যাপ্টেন রাখছে, আর আমার সেই তেভেজই রয়ে গেছে, যার খেলা এভারটনের সাথে গুডিসন পার্কে।

শনিবার ডে অফ নেই খেলা দেখার জন্য, কিন্তু আজকে অফিসে আসতে হল।

বিস্তারিত»

প্রসঙ্গ টিপাইমুখ বাঁধ: আমাদের পররাষ্ট্রনীতিতে ভারতের অবস্থাণ এবং সাধারণ মানুষের কর্তব্য……

বিপদটা হলো আমরা সোচ্চার হলাম অনেক দেরীতে……..

ঘটনা ঘটার পরে কথা-বার্তা শুরু করে তো সত্যিকারের কোন লাভ নাই…….ইতিমধ্যে এই বাঁধ নির্মাণ শুরু হয়ে গেছে (ভিত্তিপ্রস্তর করে ফেলেছে মনমোহন সিং)…….আমাদের কর্মকর্তাদের সেখানে গিয়ে চা খেয়ে আসার দাওয়াত-ও দিয়েছে ভারত!!!!

আমাদের কি মনে আছে International Tipaimukh Dam Conference 2005 Dhaka Bangladesh নামে একটা সম্মেলন হয়েছিল ২০০৫-এর ৩০-৩১ ডিসেম্বরে??? এবং যাতে দাওয়াত পেয়েও মেজর হাফিজ যোগ দেননি……..আবার মাল মুহিত,

বিস্তারিত»

সিসিবি গেট টুগেদারঃ কানাডা চ্যাপ্টার- ২

(ডিসক্লেইমারঃ নামকরণের কপিরাইট – তৌফিক ভাইয়ের পূর্ববর্তী ব্লগ)

অবশেষে অধীর আগ্রহে প্রায় চার মাসের কিঞ্চিত বেশি সময় অপেক্ষার পর, প্রবাসে সিসিবির দ্বিতীয় মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হলো। প্রথমবারের তুলনায় এবারে জনসমাগম বেশ চোখে পড়ার মতো ছিলো; প্রায় দ্বিগুণ। ছোট খাটো একটা বর্ণনা বরং আমার কলমেই (কী-বোর্ড বললে বেশি যুতসই হয়) পড়ুনঃ

ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে একটু তাড়াহুড়া করেই রেডি হতে হলো।

বিস্তারিত»

৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ১ম পর্ব

আমি (ক্যাডেট জুলফিকার, ক্যাডেট নং ১২৩৪, ওমর ফারুক হাউস রংপুর ক্যাডেট কলেজ) কলেজে আবেদনপত্র বা স্টেটমেন্ট লিখতে গেলে এইভাবেই শুরু করতাম। তাই ভাবলাম এখানে ওভাবেই শুরু করি। যাইহোক হেডিং দেখে বোঝা যায় আমি আমার ক্যাডেট জীবন সম্পর্কে লিখতে চাইছি। কিন্তু ৬ বছরের প্রতিটা দিনের স্মৃতি মনে রাখা আমার পক্ষে সম্ভব না তাই যেগুলো মনে আছে সেগুলো লেখার চেষ্টা করা যেতে পারে।

কলেজে ঢোকার প্রথম দিনের কথা আর সবার মত আমারও মনে আছে।

বিস্তারিত»

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকঃ পর্ব ৪

[দু’টি কথাঃ এই লেখাটি আমি খুব একটা গুছিয়ে বা ভেবেচিন্তে লিখতে শুরু করিনি। দীর্ঘ লেখা এবং সময় নিয়ে লেখার অনভ্যাসে কোনোকিছুতে অনেকদিন একনাগাড়ে মনোযোগ রাখা আমার জন্যে দুরূহ। এখন পর্যন্ত এই লেখার পর্বগুলো লেখার পেছনে আপনাদের সকলের উৎসাহই সব! আমি কেবল লিখছি, আসল গল্প আপনারাই, আসল উৎস! আপনাদের অশেষ ধন্যবাদ!]

পূর্ব প্রকাশের পর…

নিয়ন্তি,

আপনার “ইন্নালিল্লাহ” পড়ে তো আমারো হাসি পাইলো!

বিস্তারিত»

বাবাকে..

খুব ছোটোবেলায় আবছা আবছা ধোঁয়ায়
মনে পড়ে বলেছিলে-”শুনিস নি তুই
বলো বীর, চির উন্নত মম শির?
তবে খাঁড়া হয়ে দাঁড়া, বীরের মত।”
হইতোবা বুঝি নি তখন, হইতোবা বুঝেছি,
জানি না কোন মন্ত্রে অন্তর হয়েছিল দগ্ধ,
মনে পরে সেই তন্ত্রে হৃদয় হয়েছিল মুগ্ধ,
তারপর মনে মনে গড়েছিলাম এক সঙ্কল্প,
নোয়াব না মাথা, সইবো সব ব্যথা,
শত দুঃখেও জাগ্রত রবে এই কথা।

বিস্তারিত»