কৃতজ্ঞতা

কিছুদিন আগে আমাদের জুলহাস ভাইয়ের আত্মীয় লেঃ কমান্ডার জসিম ভাইয়ের ভাবীর রক্তের প্রয়োজন হয়েছিলো।সে সময়ে নিজ ভাবীকে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রেখে তিনি আমাদের প্রতি হাত বাড়িয়েছিলেন। মিনিট পাঁচেক আগে তিনি ফোন করে আমাকে জানালেন যে রোগী এখন মোটামুটি সুস্থ,বাসায় নিয়ে আসা হয়েছে।আক্ষরিক অর্থেই বালতি বালতি রক্তের প্রয়োজনে ২৯ জনকে রক্ত সরবরাহ করতে হয়েছে-যার অর্ধেকের বেশি নাকি আমাদের সিসিবি ব্লগের সূত্রে এসেছে।আমার সাহায্যের আবেদনটিতে মাত্র ছয়টি কমেন্ট পড়লেও আমার বিশ্বাস ছিল সিসিবি খালি হাতে ফেরাবেনা ভাইয়াকে।আমার বিশ্বাস ভুল ছিলোনা।

বিস্তারিত»

আহ!

সিসিবিতে শেষ পোষ্ট দিয়েছিলাম প্রায় দুই মাস আগে, জুনা ভাইয়ের হিসাবে ৯ সপ্তাহ । মাঝে এ কয়দিন পোষ্ট দেয়া তো দূরের কথা নিয়মিত কমেন্ট করার ও সুযোগ হয়নি। এ সময়ের ভিতরে নতুন একটা বছর চলে এসেছে, হাঁড় কাপানো শীতকাল পার হয়েছে(যার প্রায় পুরোটাই জঙ্গলে তাঁবুর মধ্যে কাটাতে হয়েছে), বাংলাদেশের ক্রিকেট টিমের এক সিরিজ শেষ হয়ে আরেক সিরিজ শুরু হয়েছে, আইসিএল এর কেউ কেউ দলে ফিরেছে( এটা নিয়ে আমিনের সাথে জমাইতেও পারলাম না,

বিস্তারিত»

বইমেলা….

প্রথম যে বইমেলার কথা মনে পরছে, সেটা তে আমি আসলে যাই নি। আমি তখন ক্লাশ টু তে পড়ি। আমার মামা আর খালা বইমেলা থেকে ফিরলেন ইমদাদুল হক মিলন এর প্রিয়দর্শিণী ও হুমায়ুন আহমেদ এর নি নিয়ে।প্রিয়দর্শিনীর প্রচ্ছদ টা সেইরকম ছিলো। গোলাপ হাতে এক সুন্দরী নারীর হাত! তবে প্রথম কয়েকদিন ছোটদের সেই বই দেখারও আকসেস ছিলো না। তখন আমার পঠিত বইয়ের তালিকায় ছিলো শুধু সেবার ২ টাকার বই সিনডারেলা।

বিস্তারিত»

টুকরো গপপো

শুরুর আগেঃ
ব্লগে আছি প্রায় ৬ মাস হবে, কোনোদিন লিখতে বসা হয়ে উঠে না, নানাবিধ কারনেই। কারনের ফিরিস্তি দিতে গেলে অবশ্য আমার অলসতা কেই সর্বাগ্রে স্থান দিতে হবে। কিছুদিন থেকেই জুলফিকারের কাছ থেকে বেশ মজার সব ঘটনার বিবরণ পাওয়া যাচ্ছে। মানুষ হিসেবে আমি খুবই নস্টালজিক প্রকৃতির, জুলুর এসব পোস্ট পরে আরো বেশি হয়ে যাচ্ছি।আমার লিখার ভাণ্ডার খুব অল্প আমি কখনই কোনো কবিতা বা গল্প ম্যাগাজিন বা দেয়ালিকাতেও লেখা ছাপাতে পারিনাই।

বিস্তারিত»

আমেরিকার গল্পঃ রঙ দিয়ে যায় চেনা

বইয়ের প্রচ্ছদ ও ব্যাক ফ্ল্যাপআমেরিকার গল্পঃ রঙ দিয়ে যায় চেনা

আব্দুর রহমান আবিদ

“আমার ঘোল্‌ সবচেয়ে ভাল”- বাজারের তাবৎ ঘোল্‌ বিক্রেতার প্রত্যেকের দাবী যদিও সন্দেহাতীতভাবে তাই, কিন্তু বাস্তবে সবার ঘোলই কি আর খেতে অত সুস্বাদু? তবে পাড়ার ভোজনরসিক গোপাল কিম্বা আচারী পন্ডিত মশাই যদি বাজারের কারো ঘোল্‌ চেখে তা ভাল বলেন, তাহলে ঐ ঘোল্‌ যে খানিকটা ভাল হওয়ার কথা, তা বোধহয় আশা করা যায়- হোকনা ঐ ঘোল্‌ বিক্রেতা বাজারে নতুন নাকি পুরাতন।

বিস্তারিত»

ছোটবেলা,বড়বেলা আর ছেলেবেলা

১৯৮৫ ডিসেম্বরের ২১ ডিসেম্বরের রাত ২৩টা ৪০ মিনিটে আমার মায়ের সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে লন্ডন টাউনের এক হাসপাতালে আমার বোন পুর্ণতা ও আমি ভূমিষ্ট হই। সাত মাস বয়সে যখন আমরা পৃথিবীতে আসি তখন আমাদের চোখটাও ঠিক মত ফুটেনি। আমার ডান পায়ের সাথে আপির বাম হাতের চামড়া জোড়া লাগানো ছিল। ২মাস পরে আমাদের আলাদা করা হল। আমার মা প্রথম দুই বছর আমাদের নিয়ে অনেক কষ্ট করেছেন। তার পর আরো ছয় মা পর আমার আব্বু আপিকে আমার দাদার কাছে নিয়ে চলে আসেন আর আমার মম আমাকে নিয়ে দারজিলিং চলে আসেন।

বিস্তারিত»

সপ্তম শ্রেণীর সাতকাহন-পর্ব ২>>শিক্ষানবিশি কুচকাওয়াজ

ডিসক্লেইমার
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-কে আপনারা যতই মহিমান্বিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মনে করুন না কেন,বুয়েটবাসীরা একে অত্যন্ত সম্মান ও ভাব-গাম্ভীর্যের সাথে ”Bangladesh University of Extreme Torture” বলে সম্বোধন করে থাকে।গেল সপ্তাহে আমার ৩য় বর্ষ ১ম সেমিস্টারের ক্লাশ সমাপ্ত হল।৩টা কুইজ,১টা সি.টি(Class Torture),৪টা গিগা সাইজ ল্যাব রিপোর্ট সাবমিশন মিলিয়ে ”মানবীয় সিপিইউ” এর টাস্ক ম্যানেজারের উপর দিয়ে ”হারিকেন ক্যাটরিনা” বয়ে গেল।কুইজের প্রশ্ন হাতে পেয়ে মনে হল,আমি স্থির,আর বাকিসব আমার চারপাশে পর্যাবৃত্ত গতিতে ঘূর্ণায়মান!

বিস্তারিত»

ফাউ প্যাঁচাল-০৩

আমি নাকি এর আগের লেখাগুলায় চাপা মারছি আর ছোট ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করছি,এই ধরনের কথা বলায় হপ্তাখানেক আগে আমি বাপ্পী (মাহবুব ০০-০৬, BCC)-রে মাইখানেক দাবড়াইছি আর মিনিটদশেক পিটাইছি। যদিও তারে পিটানো নিয়ে আমার কোনোই আক্ষেপ নাই তারপরও বলতেই হয়, আমরা কমবয়েসী এক্স-ক্যাডেটরা একসাথে হইলে যেসব বিষয় নিয়ে গ্যাঁজাই সেইগুলা একই ভাষায় কখনও পোস্ট করলে বিরাট বিপত্তি আছে;সিসিবি নাস্তানাবুদ হয়া যাবে। তাই কিছু নিরীহ ছোটখাট ঘটনারে এক্টুখানি fabrication সহ লিখি…………….এবং এখন থেকে ফাউ প্যাঁচাল সাধু ভাষায়……

বিস্তারিত»

একাকিত্ব

আমার পিচ্চি দুইটা বিচ্ছু হচ্ছে দিনে দিনে। একটাফোটাও নিজের জন্য টাইম পাইনা। প্রায় ২০/২২ দিন ব্লগের সাথে কোন কথা বলার সুযোগ পাই নাই। এক দিকে অবশ্য কয়েকজনের পেইন ছিল না কয়েকদিন, আমার দুঃখের পেচাল শুনতে শুনতে যারা অস্হির তাদের জন্য দুঃখজনক হলেও সত্য যে আমি আবারো হাজির। জানেন, আমার বড় ছেলের মোটেও পড়াশুনা করতে মন চায়না আর ছোটটা প্রতিদিন স্কুলে পড়ার জন্য কাঁদে। ইফাজের ক্লাসে ক্লাস করে আর আমি বসে বসে ওদের বাবাকে মিস করি।

বিস্তারিত»

গৃহবদল

দূরে কোথাও একটা রাত জাগা পাখি অবিরাম ডেকে চলেছে। আজ বোধহয় আকাশে চাঁদের পসরা নেই। কেমন শুনশান চারপাশ, ঐ লেজঝোলা পাখিটা ছাড়া বোধহয় বাইরে আর কেউই নেই।

নতুন জায়গায় বরাবরই ঘুমুতে অসুবিধে হয় জাহানারার। সেবার যখন চাঁটগাঁ যাওয়া হলো বড় ছেলেটার জন্য মেয়ে দেখতে, হোটেল ঘরের ঐ নরম বিছানাতেও ঘুম হয়নি। সহসা ঘর বদলে আজো সেই পুরানো বাতিকটাই চেপে বসেছে।

হঠাৎ করে নাতিটার কথা মনে পড়ে গেলো।

বিস্তারিত»

তারেক ভাই এবং তার কাঠের সেনাপতি

কাঠের সেনাপতি
বই মেলা আসলেই ক্যাম্পাসে একটা অন্য রকম সুবাস পাওয়া যায়, বইয়ের সুবাস। এই সময়ে শামসুন্নাহার হলের কোণায় বা লাইব্রেরীর সামনে আড্ডা গুলোর থেকেও বেশী টানে মেলা। অবশ্য টানারই কথা, বালিকা আর বই দর্শনের এমন সুযোগ আর কোথায় পাওয়া যাবে বলেন। তবে অনেক সময় এই দর্শনটাই সার হয় কারণ বালিকারা যেমন আমাদের পাত্তা দেয় না তেমন সব বই এই গরীব মেধাবী ছাত্রদের পক্ষে কিনা সম্ভব হয় না।

বিস্তারিত»

মেলায় মোস্তফা মামুন ভাইয়ের বই

অন্যদের কথা জানিনা কিন্তু আমার প্রিয় লেখকের তালিকায় মামুন ভাইয়ের নাম আছে। মোস্তফা মামুন। ক্যাডেটদের নিয়ে লেখেন, ক্যাডেট কলেজের গল্প লিখেন শুধু এসব কারণে নয়। তাঁর কিশোর উপন্যাসগুলো আমি মুগ্ধ হয়ে পড়ি। যেমন পড়ি রম্য রচনা বা খেলা নিয়ে লেখাগুলো। ক্যাডেট নম্বর ৫৯৫, কলেজ ক্যাপ্টেন , দ্বিতীয় প্রিয় মানুষ, রিমি আজ চলে যাবে বা বামহাতি বাবলুর মতো বই গুলো যারা পড়েছেন তারা নিশ্চয়ই আমার সাথে দ্বিমত করবেন না।

বিস্তারিত»

‘এফ পি’

কলেজে একটা ‘এফ পি’ ছিল।সোহরাওয়ার্দি হাউসের সামনের রাস্তায় সাদা কালি দিয়ে লেখা ছিল।ঐ টা ছিল আসলে ফিনিশিং পয়েন্ট,অর্থাৎ ক্রস কান্ট্রি বা ইডি খেলে দৌড়ে এসে ঐ খানে ফিনিশিং হত।ক্লাস ৭ থেকে ‘এফ পি’ দেখে আসছি,কিন্তু ‘এফ পি’র সংজ্ঞা বদলে গেল ক্লাস ৮ এর মাঝামাঝি সময়ে।কারন হল ক্লাস ৮ এ আমরা দেখলাম কলেজে একজন ভূগোলের নতুন ম্যাডাম আসলেন,নাম ফরিদা পারভিন।

ফরিদা পারভিন ম্যাডাম সম্পর্কে আমার সিনিওররা অনেক কিছুই আমার চেয়ে অনেক অনেক বেশী বলতে পারবেন ।

বিস্তারিত»

শুভ জন্মদিন মাঝি ভাই

পদ্মা নদীর মাঝি তো সবাই পড়েছেন। রাশুকে মনে পড়ে; আরে হ্যাঁ, পীতম মাঝির ভাতিজা রাশু। ঐযে কুবিরের মেয়ে গোপীর প্রেমে পড়েছিলো যেই জেলেটা, ওটার কথাই তো বলছি। কুবির তো পদ্মা পাড়ি দিয়ে ময়নাদ্বীপে পাড়ি জমিয়েছিল; কিন্তু এই ব্যাটা কুকীর্তিবাজ রাশু মিয়ার খবর কি কেউ জানেন নাকী? আমি বরং গরম গরম খবর দেই।

কুবির চলে যাবার পর, গোপীর কাছে তেমন পাত্তা না পেয়ে মনের দুঃখে রাশু পাড়ি জমায় গোমতী নদীর পাড়ে।

বিস্তারিত»

এলোমেলো-৬: সিনেমা পারাদিসো

কোন এক সুন্দর সকালে মোকা (মোকাদ্দেস,ককর, ‘৯৪-‘০০) আমার হাতে একটা ডিভিডি ধরিয়ে দিয়ে বলল, “মুভিটা দেখ, তোর ভালো লাগবে”। তখন হলে থাকি, মুক্ত-স্বাধীন জীবন। ঘুরাঘুরি, আনন্দ, গান শোনা আর মুভি দেখার জীবন। ও হ্যাঁ, মাঝে মধ্যে একটু-আধটু পড়াশোনার জীবনও। আমরা একই হলে থাকতাম, রুম ছিল কাছাকাছি। যা বলছিলাম…মোকা সাধারণত “হাই থট”-এর মুভি দেখে, আমাদের মত ম্যাঙ্গো পাবলিকের এন্টেনার উপর দিয়ে চলে যায় এসব ছবি। খুব বোরিং সময় যাচ্ছে আর হাতের কাছে নতুন কোন মুভি নাই- এই ধরণের পরিস্থিতিতে সাধারণত মোকার কাছ থেকে ছবি নেয়া ছাড়া আর কোন বিকল্প থাকত না।

বিস্তারিত»