বিশেষ নাগরিক সুবিধা ও এন.আর.বি. এ্যাপ্লিক্যান্ট্‌স্‌

[ভূমিকাঃ আগের পাঠানো বিডিআর বিদ্রোহের ছড়াটা যদিও সম্প্রতিই লেখা, কিন্তু ঘটনাটা প্রায় বছর খানেকের পুরোনো। তাই বোনাস হিসেবে এই ছড়াটাও ব্লগে পাঠাচ্ছি]

[ব্যাকগ্রাউন্ডঃ রেমিটেন্স প্রেরণকারী প্রবাসী বাংলাদেশীদের যারা ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছরে ন্যুনতম ৫,০০০ মার্কিন ডলার বা সমপরিমান বৈদেশিক মুদ্রা বৈধভাবে বাংলাদেশে প্রেরণ করেছিলেন, ২০০৯ সালে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাদেরকে বিশেষ নাগরিক সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে আগ্রহী প্রবাসীদের কাছ থেকে আবেদনপত্র আহবান করা হয় ২০০৮-এর জুন মাসে।

বিস্তারিত»

বিডিআর বিদ্রোহ ও রাজনীতির কচড়া

[মুখবন্ধঃ ছড়াটা লেখা শুরু করেছিলাম বিডিআর বিদ্রোহের মর্মান্তিক ঘটনার কিছুদিন পরপরই, যদিও সেসময় পুরোটা শেষ করা হয়নি। যে কোনো কারনেই হোক, সেসময় ই-ফোরামগুলোতে প্রকাশের জন্যে ছড়াটা কেন জানি পাঠানো হয়নি। সম্প্রতি কম্পিউটারে আমার পুরোনো লেখার ফোল্ডারগুলো ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে হঠাৎ করেই ছড়াটা খুঁজে পেয়ে মনে হলো ই-ফোরামগুলোয় প্রকাশের জন্যে ছড়াটা পাঠানো উচিত, যদিও ঘটনাটা ইতিমধ্যেই অনেক পুরোনো হয়ে গেছে। আরেকটা কথা, আমার এ ছড়াটা কোনো রাজনৈতিক মোটিভেশন থেকে রচিত নয়।

বিস্তারিত»

সিসিবি তে যোগ দেয়ার শানে-নজুল

আমি সিসিবির নবীনতম সদস্যেদর একজন।ক্যাডেট কলেজে পড়ার সময় সিসিবির কথা অনেক শুনেছি, কিন্তু ইন্টারনেট নামক বস্তুটির সাখে খুব একটা সখ্যতা না থাকায় কখনোই যোগদান করা হয়ে উঠেনি।আমার সিসিবি তে যোগ দেয়ার কারনটা একটু অন্যরকম।
সেদিন বাসায় ফোন করতেই আমার সাহিত্যপ্রবন বাবা হঠাত করে বলে বসলেন যে, তাদের সমিতির ম্যাগাজিনে আমাকে অবশ্যই একটা লেখা জমা দিতে হবে। আমার বাবার বন্ধুদের নাকি ধারনা, প্রত্যেক ক্যাডেটই সাহিত্য স্বত্তার অধিকারী।এই কথা শোনার পর নিজের ক্যাডেট ভাবমুর্তি বজায় রাখতে আমি জবাব দিলাম,

বিস্তারিত»

স্বদেশের উন্নয়ন নিয়ে আমার ভাবনাঃ শেষকথার শুরু

[পূর্বকথনঃ এই ব্লগটা লিখেছিলাম গত আগষ্ট মাসে আমেরিকা থেকে দেশে আসার পর প্রথম রাতে। এতোদিন উন্নয়ন চিন্তা মাথায় ছিলো না। তাই এটার কথা ভুলে গেছিলাম। গত পরশু+কাল “হতে যাচ্ছে শ্বশ্বুরবাড়ি”তে যাওয়া এবং আসার পথে সু-দী-র্ঘ ট্রাফিক জ্যামে বসে থাকার সময় হঠাৎ করে আবার সেই চিন্তাগুলো মাথায় উঁকি দেওয়া শুরু করেছিল। তারই ফলশ্রুতিতে এই ব্লগটার কথা মনে পড়লো।]

-এখন রাত ৩টা বেজে পাঁচ মিনিট।

বিস্তারিত»

মূষিক-কথন

(আমার বন্ধু লুজ আমাদের সব গোপন খবর সিসিবিতে ফাঁস করে দিচ্ছে। এইটা ফাঁস করার আগেই লিখে ফেলাই… )
আমাদের ব্যাচের কলেজ গেমস প্রিফেক্ট ছিল জকি। তার মত পিকুলিয়ার এবং গাইন্ধা সিজিপি মনে হয় না কোন কালে কোন কলেজে ছিল। তার বেডের তলে একটা বালতি ছিল। তার মধ্যে সে তার যাবতীয় ময়লা ও গাইন্ধা কাপড় রাখত(ইনক্লুডিং আন্ডি’স)।এবং প্রতি টার্মে সর্বোচ্চ ১ বার সে অইগুলা ধুতে দিত।

বিস্তারিত»

“যে কিলাইয়া কাঁঠাল পাকাইয়াছিলো…………”

ছ’ফুট।
তাহারে নিয়া কিভাবে লেখা শুরু করিতে পারি? ক্লাস টুয়েলভে পড়িবার কালে তাহার হাইট ছ’ফুটে গিয়া থামিয়াছিল। এবং ক্লাস সেভেনে যখন তারে প্রথম দেখি, হাইট ছিলো চাইর ফুট আট ইঞ্চি। তাহার মুখ ছিলো এই এক্টুখানি আর কান দু’খানা ছিলো বেশ বড়; দুষ্টলোকেরা তাই তাহার চেহারার সাথে লেমুরজাতীয় কোনো প্রাণীর সাদৃশ্য পাইত। সে তাহার ছ’বছরের সংক্ষিপ্ত কলেজ জীবনে জন্ম দিয়াছিলো অগণিত কিংবদন্তীর। সে কলেজ আউট হইয়াও দিন দশেক পরে ফিরিয়া আসিয়াছিলো আমাদের কাছে বীরের বেশে।

বিস্তারিত»

স্ট্যাটিকাব্য

ইদানিং চিন্তা ও ভাবনা অস্থির ইদুর হয়ে উঠেছে। কুটকুট করে নিউরন কাটছে, বুনছে না কিছুই। মাকু হারানো তাঁতির মতোই দশা। মাঝে মাঝে উটকো কিছু লাইন, কিছু শব্দ বুদবুদের মত ভেসে ওঠে। সেগুলো ছড়িয়ে পড়ার আগে, ফুলে ফেঁপে বড়ো হয়ে ওঠার আগেই পারিপার্শ্বিকতার বায়ুচাপ ফটাশ করে ফাটিয়ে দেয়। শব্দ ও পরিবেশ দূষণের ভয়ে সেগুলো খোমাখাতায় জমা হয়। সেখান থেকে আজকের জ্বরকাতর বিকেলে সেঁচে আনলাম কতক বিচ্ছিন্ন লাইন।

বিস্তারিত»

আমার এ কারাবাস

[ভূমিকাঃ সত্যিকারের কারাবাসও কারাবাস আবার জীবনকে কারাগারের সাথে তুলনা করলে, এক একটা দিনকে টেনেটুনে পার করে নিয়ে যাওয়াও একধরনের কারাবাস। যৌবনের হাতপা ছড়ানো, মুক্ত পাখীর মত (সাহিত্যের ভাষায়- মুক্ত বিহঙ্গের মত) মুক্ত দিনগুলোয় মনের গহিনে কাউকে নিয়ে সুখের নীড় বাঁধার আজীবনের স্বপ্ন যদিও প্রত্যেকেরই থাকে, কিন্তু সেই রঙিন স্বপ্ন যে পরিনতিতে ‘সংসার’ নামক সাদা-কালো এক দুঃস্বপ্নে গিয়ে শেষ হয়, সে কল্পনা বোধহয় খুব কম জনই সেসময় করে।

বিস্তারিত»

শানে নূযুল: বিফলে মূল্য ফেরত!!

অনেকের মনেই প্রশ্ন আসিতে পারে, “বিফলে মূল্য ফেরত” জাতীয় বিজ্ঞাপনসমূহের সূচনা এই বংগদেশে কিরূপে হইলো। ইহার সঠিক সূচনা সম্পর্কিত দলিল যে কোনো ইতিহাস বেত্তা দিতে পারিবেন না, ইহা আমি হলফ করিয়া বলিতে পারি।কিন্তু আমার জনক তা জানেন বলিয়া জোর গলায় দাবী করেন।

জনক বলিয়া কথা। পারিবারিক কোন্দল এড়াইতে আমি সেই গপ্পো গিলিয়া যাইতে পারি। কিন্তু আপনারা গিলিবেন, না নেহায়েত মস্করা বলিয়া হাসিয়া উড়াইয়া দিবেন ইহা সম্পূর্ণরূপ আপনাদিগের উপরেই ছাড়িয়া দিলাম।

বিস্তারিত»

ভ্যালেন্টাইনের কবিতা

ক্লাসের সময় চুপটি করে
তোমার দিকে তাকাই
ছাদে তুমি হাঁটতে গেলে
মোড়ের টোঙে চা খাই

না পেয়ে ওই হাতটি হাতে
গাছটা ধরে ঝাকাই,

বিস্তারিত»

প্রসববেদনা

প্রথমবার যখন তোমাকে নিজের মধ্যে পূর্ণরূপে অনুভব করলাম তখন কি অপূর্ব পুলকে আমোহিত হয়েছিল আমার মন তা বলে বুঝাতে পারবনা কখনো, মনে হতে লাগলো এ আমি কি পেলাম। নিজের মাঝে নিজেকে আবার আবিষ্কার করলাম আমি, অন্য এক নতুন রূপে।
তোমার কথা ভাবতাম আমি নিস্তব্ধ নিথর রাতে বসে, যেখানে ঘড়ির শব্দই ছিল আমার একাকিত্বের সংগী আর অবশ্যই তুমি, তোমার ভাবনা, হাটতে, উঠতে, বসতে আমি অনুভব করতে লাগলাম তোমার অস্তিত্বকে।

বিস্তারিত»

হায়রে পোলাপাইন…হায়রে প্রেম…হায়রে প্রেমিকা

২০০৪ এর ঘটনা…জিয়া উদ্যান এর এক কোনায়..এক ঠোঙ্গা বাদাম খেতে খেতে…

মেয়েঃ শোনো !!
ছেলেঃ বল ।
—(বিরতি)
—(বিরতি)
ছেলেঃ কই কিছু শুনছি না তো?
মেয়েঃ শুনবে কী করে? কিছু বলছি নাতো ।
-বলছ না কেন?
-কেন বলব?
– মানে তুমিই ত’ বললে!
-আমি কী বললাম ? কখন?

বিস্তারিত»

একটা শিক্ষামূলক পোস্ট

১.
রাজার ছেলে ও ধোপার ছেলে একসাথে লেখাপড়া করে। বড় হয়ে রাজার ছেলে রাজা হলো, আর ধোপার ছেলে ধোপা। ধোপা প্রতিদিন কাকডাকা ভোরে গাধার পিঠে কাপড় নিয়ে রাজপ্রসাদে যায়, কেউ দেখার আগেই ফিরে আসে।
একদিন রাজা যাবে শিকারে। প্রধানমন্ত্রী জ্যোতিষীকে দিয়ে দিন গননা করে ভাল একটা তারিখ বের করলেন। খুব ভোরে রওয়ানা দিয়েছেন রাজা। সামনেই পড়ে গেল ধোপা। মন্ত্রীরা হায় হায় করে উঠলেন,

বিস্তারিত»

পাইরেসী ও আমরা

পাইরেসী ও আমরা
পাইরেসী বলতেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে ৫০ টাকার উইন্ডোজ সিডি। এর কারণ বেশ কিছু ফোরামে লিনাক্স এবং উইন্ডোজ এর যুদ্ধ। আর এই যুদ্ধে সবচেয়ে আলোচিত হয় যে জিনিসটি সেটা হল পাইরেসী। আসলে কি পাইরেসী বলতে শুধু সফটওয়্যার পাইরেসীকেই বুঝি? পাইরেসী কি অন্য জিনিসে হয় না? হয়ত আমার বোঝার ভুল থাকতে পারে। আমি আগেই বলে নেই আমার জ্ঞান খুবই কম। নবিস শিক্ষার্থী।

বিস্তারিত»