আমার একমাত্র ‘ভ্যালেন্টাইন’স ডে’….সন ২০০৬

বস ডেকে বলে দিলেন, কালকে একটু ব্রাহ্মণবাড়িয়া যাও তো……… ~x(

উফ!! এতো দেখি মহা মুশকিল, জানি তেমন কোন কাজের কাজ নাই, শুধু শুধু যাওয়া হবে……..কিন্তু তা তো আর বলা যায়না……তার উপর প্রথম চাকরি……তাই বললাম, স্যার ভ্যালেন্টাইন’স ডে তে ঢাকায় থাকা দরকার…….

তখনই চরম শুদ্ধভাষী বসের মুখে শুনলাম অমোঘ এক বাণী…. :no: …তোমার বউ যেদিন তোমার চাকরিকে তার সতিন মনে করবে, বুঝতে পারবে তুমি সফল!!!

বিস্তারিত»

ফেলে আসা দিনগুলো

কলেজে জুনিয়র আসার দিন সবার মন কমবেশি খুশি খুশি থাকে।ক্লাস এইটদের বলে দেয়া হয় সেভেনদের সেদিন কোনোরকম টেবিল রুলস না শিখাইতে।ডিনারে ক্লাস সেভেনদের নিয়ে আচ্ছামত মজা করা হয়।
আমি প্রথমদিন টেবিলে গিয়া দেখি আমাকে দেখে আমার টেবিলমেটরা ব্যাপক মজা পাচ্ছে।আমি যাই করি তাতেই তারা হাসে।তার উপর খাইতে দিসে আলুভর্তা।এইসব দেখে আমি ক্যাডেট কলেজের উপর মহা বিরক্ত হয়ে গেলাম।টেবিলমেট একজন(ক্লাস ইলেভেন) জিজ্ঞেস করল কলেজ কেমন লাগতেসে?আমি বললাম disgusting.সঙ্গে সঙ্গে হাসির মাত্রা আরো বেড়ে গেল।কোনমতে হাসি চেপে উনি আবার বলল খাচ্ছ না কেন?আমি বললাম আলুভর্তা খাই না।উনি বলল খাও খাও,

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ আউল ফাউল দিবস ও ফাও প্যাচাল

কিছুদিন আগে রাতে হঠাত মোবাইলে এস এম এস।
“ভাইয়া, কেমন আছেন? অনেকদিন সাড়া শব্দ পাই না। সব কিছু ভালো তো?”
পড়ার পর অনেকক্ষন কি চিন্তা করবো তাই খুজে পাচ্ছিলাম না। সিসিবি কি এক আজব মায়ার বাধনে আমাদের জড়িয়ে রেখেছে। তা না হলে সেই পিচকি চা ওয়ালাকে কখনো দেখি নাই, ও আমাকে দেখে নাই, সে হাজার হাজার মাইল দূরে থেকে আমাকে এই এস এম এস করে।

বিস্তারিত»

ভালোবাসার বন্ধুত্ব- শেষ পর্ব

ভালোবাসার বন্ধুত্ব- [১] [২] [৩] [৪] [৫] [৬] [৭] [৮] [৯] [১০] [১১] [১২] [১৩] [১৪] [১৫]

জানি পোষ্টের শিরোনাম দেখেই যারা আগের তারা ভাবছেন কি ব্যাপার এতোদিনে এই সিরিজ কোথা থেকে আসলো,

বিস্তারিত»

ভালোবাসি

(সেই অনেক দিন আগে, তখন মাস্ফ্যদা লুঙ্গি নিয়া এত দৌড়াদৌড়ি করতো না; সিসিবিতে একটা লেখা দিছিলাম। তারপর ফয়েজ ভাই, শওকত ভাই, চা ওয়ালা etc. etc দের জটিল জটিল লেখা পড়ে লিখতে সাহস হতো না। আজ একটা দুঃসাহস করে ফেললাম, যদি বদ হজম হয় হজমি খাওনের ডিউটি নিজের নিজের। )

চোখটা খুললেই এক ফালি আকাশ না হলে এক্ টুকরো অন্ধোকার দেখা যায়। ইদানিং অনেক চাঁদ দেখতে ইচ্ছে করে।এক ফালি না পুরো চাঁদ,

বিস্তারিত»

হায়রে পোলাপাইন…হায়রে প্রেম…হায়রে প্রেমিকা (ভ্যালেন্টাইন ডে -আবেগী ভার্সন)

( বন্ধুর মনে যখন ভাইরাস আক্রমন করল,ভালবাসা উথলাইয়া পড়িতে শুরু করল,তখন লেখা শুরু হলো)

টিক…টিক…টিক ঘড়ির কাটা ঘুরে চলেছে।চারপাশে সুনসান নীরবতা।আলতো করে বিছানায় গা এলিয়ে দেয় সুমন,অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে কিছুক্ষন ঘড়িটার দিকে।সময় কতটা দ্রুত কেটে যাচ্ছে।চোখটা বুজে আলতো করে।
আজ সারাদিন কাজ শেষে অনেক ক্লান্ত শরীর।কাজের ফাঁকে এক মুহূর্তের জন্যেও সোনামনির কথা ভুলতে পারেনি সে।এইতো মাত্র কয়েকটা দিন আগেও জীবনের মুহূর্তগুলো এতটা সুখের মনে হতোনা।খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে কাজে যাওয়া,দুপুরে আফিসে বসে একা একা লাঞ্চ করা,সারাদিনের কাজ শেষে ক্লান্ত শরীরে ঘরে ফেরা।তারপর রান্না করা,সাময়িক বিনোদন হিসেবে ইন্টেরনেট এ বসে বসে অনলাইন নাটক বা মুভি দেখা অথবা দেশে থাকা বন্ধুদের সাথে মাসেঞ্জার এ চ্যাট করে আড্ডা জমানো।প্রত্যেকটা দিন এভাবে কেটে যেত।জীবন যেন অনেকটা একঘেয়েমিতে ভরে যাচ্ছিলো।

বিস্তারিত»

বুড়া-বুড়ির প্রেমকাহিনী এবং আমি…………

‘মানুষ সামাজিক জীব। সে একা বাঁচতে পারে না। জীবনে চলার পথে বেঁচে থাকার জন্য মানুষের সংগীর প্রয়োজন। এভাবেই গঠিত হয় সমাজ……………….’ :-B
-তৃতীয় থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত প্রতিটা সমাজ বইতে এসব একই বাক্য পড়তে থাকলে কে আর একা বাঁচতে চায় বলুন? তখন সবাই বেমালুম ভুলে বসে থাকি, ‘আসবার কালে আসলাম একা, যাইবার কালেও যাইব একা…’

তবুও আমরা ভালোবাসি। যখন আমরা ভালোবাসি কাউকে,

বিস্তারিত»

ভালবাসা দিবস

ভালবাসা দিবসে প্রায় প্রতিবারই একটা ঘটনা মনে পড়ে যায়। আমরা তখন ক্লাস এইটে, এক্সটেম্পরের জন্য আমি আর পুষ্প দুইজন প্র্যাকটিস করছি, যে ভাল করবে সে যাবে (শেষ পর্যন্ত পুষ্প গেছিল কিন্তু:D) । আমাদের প্র্যাকটিস করান ক্লাস ইলেভেনের তামান্না আপা আর এমেল আপা। অসাধারণ পরিশ্রম করে এই দুজন মানুষ ধীরে ধীরে গড়ে তোলার চেষ্টা করেন এইটের দুজন নবিশকে।

বৈচিত্রময় টপিক নির্বাচন করে তার চেয়েও বৈচিত্রময় করে কিভাবে কাহিনী বানাতে হয়,

বিস্তারিত»

আসুন…একটি স্বপ্নকে বাচাই………

আরেফিন মেহেদী আবীর, বয়স মাত্র ২৪ বছর।বরিশাল ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হওয়ার পর মানুষের সেবা করার স্বপ্ন নিয়ে ভর্তি হয় আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল কলেজে। দেখতে দেখতে কেটে যাচ্ছিল সময়গুলো, কয়েকদিন পরেই এম বি বি এস পরীক্ষা। স্বপ্নপূরন হতে আর মাত্র কয়েকটা দিন……………
কিন্তু, উপরে যিনি সব দেখছেন, তার ইচ্ছাটা বোধহয় একটু অন্যরকম। আবীরকে এক কঠিন পরীক্ষায় ফেলে দিলেন, অসুস্থ হয়ে পরল আবীর। বিরল প্রজাতির এক ক্যান্সার,

বিস্তারিত»

মুন্না আপনিই এক নম্বর

‘আচ্ছা, ছোট ক্লাবগুলো, যেমন_ওয়ারী-আরামবাগ ওরা কত খেলোয়াড় তৈরি করে, অথচ আবাহনী-মোহামেডানের মতো ক্লাবগুলো সেভাবে খেলোয়াড় তৈরি করে না। ওরা তাদের কিনে নেয়। এটাকে আপনি কিভাবে দেখেন?’
‘তুমি কিভাবে দেখো?’
‘মানে আমি জানতে চাইছিলাম, ছোট ক্লাবগুলো খেলোয়াড় তৈরি করে আর বড় ক্লাবগুলো…’
‘ওয়ারী-আরামবাগ কি কারখানা যে ওখানে শুধু খেলোয়াড় তৈরি হবে!’
এরপর ঠিক কী প্রশ্ন করা যায় বুঝতে পারছিলাম না। সামলে তারপর আরো যে কয়েকটা প্রশ্ন করলাম,

বিস্তারিত»

আসবেন তিনি শেষ রাত্তিরে

১।

প্রথমেই শুরু করি একটা ঈশপের গল্প দিয়ে।

এক গরীব দম্পত্তির একটা ছেলে হলো। গরীব দম্পত্তি মাথায় ঘাম পায়ে ফেলে তাকে বড় করতে লাগল, গ্রামের স্কুলে পাঠাল যথাসময়ে। স্কুলে গিয়ে ছেলেটা তাক লাগিয়ে দিল সবাইকে, শিক্ষকরা ভাবেন এই ছেলেই এই অজপাড়াগাঁয়ের স্কুলটার নাম উদ্ধার করতে। অসম্ভব মেধাবী আর প্রতিশ্রুতিশীল সে। স্কুল পরিদর্শনে আসেন শিক্ষা অফিসার। তিনি ছেলেটাকে কঠিন সব প্রশ্ন করে সন্তুষ্ট হন উত্তরে,

বিস্তারিত»

ভ্যালেন্টাইন গিফট

এই ভালোবাসা দিবস সবসময় একটা ঝামেলায় ফালায়া দেয়। ঝামেলা টা আর কিছুনা, ঝামেলাটা হইল গিফট। কি গিফট কিনুম এই চিন্তায় মোটামুটি দুই সপ্তাহ মাথা খারাপ থাকে। গত বার তো শেষ পর্যন্ত কিছুই কিনতে পারিনাই। ১৪ ফেব্রুয়ারী তাকে বললাম, “আমার ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারে এমন কোনো কিছু খুঁজে পেলাম না, তাই কিনিনাই। আর তাতে কী, আমিই তো তোমার সবচেয়ে বড় গিফট, আমি তো হাজির।” তারপর একটা ক্যালানো হাসি।

বিস্তারিত»

আমার জীবনের ১০টি অজানা কথা – এর চেয়ে ফালতু পোস্ট আর হতে পারে না

আমার জীবনের ১০টি অজানা কথা - এর চেয়ে ফালতু পোস্ট আর হতে পারে নাএকটি কথা:
আমার ব্যক্তিগত ব্লগে একটি বিভাগ আছে, ফালতু পোষ্ট। সেখানে আমি ফালতু বিষয়গুলো নিয়ে ব্লগ প্রকাশ করে থাকি। এই ব্লগটি সেখানে প্রকাশিত হয়েছে। যেহেতু পোষ্টটিতে ক্যাডেট কলেজের কথা আছে, তাই এখানে প্রকাশ না করার লোভ সামলাতে পারলাম না।

  • আমার নাম জিন্নাত উল হাসান। ডাক নাম জনি। এটা এখন বিলুপ্ত প্রায়। আত্মীয়স্বজন ছাড়া এই নাম এখন কেউই জানে না।
বিস্তারিত»

সালসা, আমের আচার আর একজন শুভ্রদা

১।

শিকাগো ট্রিবিউনের স্পোর্টস কলামিস্ট রিক মরিসে কেমন ক্রীড়া সাহিত্যিক তা আমার জানা নাই। কারণ, উনার একটা কলামও আমি পড়ি নাই। কিন্তু লোকটা যে খুবই প্যাশনেট সেটা বুঝেছিলাম গত বছরের নভেম্বরে, একটা খবর পড়ে। শিকাগো বুলসের ফার্স্ট রাউন্ড ড্রাফট পিক, পাওয়ার ফরোয়ার্ড আর সেন্টার পজিশনের খেলোয়াড় জোয়াকিম নোয়াহ যে জিন্দেগিতেও একজন ভালো প্রোডাক্টিভ প্লেয়ার হইতে পারবেন না, সেইটা তিনি ২০০৭ ই বলে দিয়েছিলেন।

বিস্তারিত»