সোনামণি আফরার চিকিৎসার জন্য সাহায্য প্রয়োজন

হাসিখুশি ছোট্ট মেয়ে আফরা। বয়স কতই বা হলো; মাত্র চার। ওর বয়সী শিশুরা যখন চারদিকে ছোটাছুটি করে মাতিয়ে রাখে, সে বয়সেই তাকে বড় রকমের অপারেশন টেবিলের দারস্থ হতে হয়েছে। হেসে খেলে কাটাবার প্রহরগুলো এখন শুধুই সুস্থ্য হয়ে উঠবার আকুতিতে বাঁধা।
আফরা
মাত্র দুবছর বয়সেই প্রথমবারের মতো জানা যায়, আফরার কিডনীতে বাসা বেঁধেছে ক্যান্সার (উইল্ম’স টিউমার বা নেফ্রোব্লাস্টোমা)| প্রকৃতপক্ষে, এরোগ মূলত শিশুদের মাঝেই সচরাচর দেখা যায়।

বিস্তারিত»

আবারও রঙ (হাউস কালার?)

ক্যাডেট কলেজ ব্লগে লগ-ইন’এর প্রথম দিনে আমার লেখা প্রথম ব্লগটা ছিল এবারের বই-মেলায় প্রকাশিত আমার প্রথম বই “আমেরিকার গল্পঃ রঙ দিয়ে যায় চেনা” সম্পর্কে পরিচিতমূলক একটা লেখা। লেখাটার ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে এফসিসি’র প্রাক্তন ক্যাডেট, সানাউল্লাহ ভাই জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমার বইয়ের প্রচ্ছদে শোভা পাওয়া চারটা রঙ কোনো কারনে ফৌজদারহাটের চারটা ‘হাউস কালার’এর কাছাকাছি নয়ত?

আমি জানতামনা ফৌজদারহাটে চারটা হাউস আছে। আমার ধারনা ছিল বাংলাদেশের সবগুলো ক্যাডেট কলেজেই বোধহয় তিনটে করে হাউস এবং রঙও সম্ভবত তিনটেই- সবুজ,

বিস্তারিত»

অসংলগ্ন ভাবনাচিন্তা ……… প্রেম পর্ব

ইচ্ছে ছিলো ১৩ তারিখ রাতে বা ১৪ তারিখ এই লেখাটা দেবো, কিন্তু ১৩/১৪ দুদিনই ছুটি থাকায় এটা আর শেষ করা হয়নি।

বসন্তকালে অনেক জায়গাতেই দেখা যায় লোকজন হাঁচি-কাশিতে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। বাতাসে ভেসে চলা ফুলের পরাগে এলার্জিজনিত কারনেই নাকি এমনটা হয়। আমাদের বসন্তকালটা একেবারে দুরন্তরুপে এসেছিলো আমাদের ক্লাশ টেনের প্রথম টার্মের দিকে। ছেলেপেলে ক্লাশ নাইনের শেষদিক থেকে ছুটিতে বিভিন্ন কোচিং সেন্টারে লেখাপড়া করার সময় অনেকে অনেকের সাথে পরিচিত হয়েছে।

বিস্তারিত»

প্রিয়তমা

তানভীরের ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখে জানতে পারলাম কাল ছিল কবি জীবনানন্দ দাশের জন্মদিন। অনেকের মত আমারো প্রিয় কবি তিনি। কবিতা খুব কমই পড়ি, সবচেয়ে বেশি যার কবিতা পড়েছি তিনি জীবনান্দ দাশ। প্রিয় কবির জন্মদিন উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করে এই অ-কবির কবিতাটি সাহস করে ব্লগে দিলাম। যে জীবন দোয়েলের ফড়িংয়ের, সে জীবনে এত ভয় পাওয়ার কি আছে?

তুমি আমার মনের কোনে
একটি মাত্র তারা
তোমার কথা ভেবে আমি
সদাই আত্মহারা।

বিস্তারিত»

একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত

[আমার লেখা প্রথম গল্প ।]

আজ সকালের নাস্তাটা বেশ জম্পেশ ছিল – ব্রেড টোস্ট, বাটার, জেলী, ওমলেট, কলা আর অরেঞ্জ জুস । কিন্তু মায়ের শত পীড়াপীড়ি আর জিহবার আগা পর্যন্ত জল চলে আসা সত্ত্বেও টোস্টে দুটো কামড় বসিয়েই ১০০ মিটার স্প্রিন্ট দিয়ে বাড়ি থেকে বের হলাম । কেননা আমাদের গাড়ি দুটোর একটা আজ গ্যারেজে, অন্যটাতে আমার ছোট বোন গেছে ইউনিভার্সিটিতে । আমাকে এক্ষুণি এবং এক্ষুণি একটা ট্যাক্সি ক্যাব বা সিএনজি ম্যানেজ করতে হবে –

বিস্তারিত»

আজকের বিশেষ ক্রিকেট বুলেটিন!

সেই আইসিসি ট্রফি জেতার পর থেকেই আমাদের দেশে ক্রিকেটের যে জোয়ার শুরু হয় তার পর থেকে আমরা সবাই মোটামোটি এক একজন বিশিষ্ঠ ক্রিকেট বোদ্ধা হয়ে উঠেছি। আমি নিজেও এর ব্যতিক্রম নই। যদিও ক্রিকেটের প্রতি আমার আকর্ষন কখনোই ফুটবলকে অতিক্রম করতে পারেনি। আর একটা পর্যায়ে এসে বাংলাদেশের খেলা বাদে (আর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সাপোর্ট দেয়া ছাড়া) ক্রিকেটের প্রতি তেমন একটা আকর্ষন বোধ করি না। তবে খোঁজ খবর সবগুলোরই রাখা হয়,

বিস্তারিত»

৬ ফাল্গুনঃ শুভ জন্মদিন কবি

এই সব ভালো লাগে

(এই সব ভালো লাগে) : জানালার ফাঁক দিয়ে ভোরের সোনালি রোদ এসে
আমারে ঘুমাতে দেখে বিছানায়, — আমার কাতর চোখ, আমার বিমর্ষ ম্লান চুল –
এই নিয়ে খেলা করে: জানে সে যে বহুদিন আগে আমি করেছি কি ভুল
পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমাহীন গাঢ় এক রূপসীর মুখ ভালোবেসে,
পউষের শেষ রাতে আজো আমি দেখি চেয়ে আবার সে আমাদের দেশে
ফিরে এল;

বিস্তারিত»

মাননীয় মাথামণ্ডলী সমীপেষু

বরাবর
মাননীয় মাথামণ্ডলী,
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ,

জনাব,
সবিনয়ে বিনীত নিবেদন এই যে আমি আপনাদের দ্বারা পরিচালিত এই বঙ্গদেশের একজন অতি নগন্য নাগরিক। যদিও আমি নিতান্তই নগন্য, তথাপি আজ আমি আপনাদের কর্মকলাপ সম্পর্কে কিছু কমেন্টস করার দুঃসাহস দেখাচ্ছি।
বিরোধীদল সংসদে ফেরার পর, আমরা আশা করেছিলাম(এবং প্রতিবারেই যে আশা করে থাকি) যে আপনারা,সরকারি এবং বিরোধীদল,পূর্বের বিভেদ কলহ ভুলে জাতির বৃহত্তর স্বার্থে বর্তমান সমস্যাগুলো সমাধানে সচেষ্ট হবেন।

বিস্তারিত»

কেউ কি শুনতে পাচ্ছো?

হে পৃথিবী,
তুমি কি কখনো আমার কান্নার শব্দ শুনতে পাও না ?
যখন আমার মত শত গরিবের শীর্ণক্লিষ্ট দেহের উপর
বয়ে যায় ক্ষুধা, দারিদ্র্য আর বঞ্চনার স্টিম রোলার।
নির্বাক আমি অসহায় চোখে শুধুই তাকিয়ে থাকি-
তোমার ঐ নিষ্ঠুর বিস্তৃত মুখের দিকে।

হে পৃথিবী,
তোমার বুক বুঝি আলোড়িত হয় উচ্ছাসে,
যখন আমারই বয়সী হৃষ্টপুষ্ট পুস্পিত শিশুরা-
কলরবে মুখরিত করে তোলে তোমার আঙ্গিনা।

বিস্তারিত»

জীবিকা-২

টুকটাক ছবি আকি।
সবাই দেখেন এইটা কেমন হইছে।
অভয় দিলে আগাইতে চাই।

বিস্তারিত»

ডায়লগ De MGCC

প্রাচীনকালে পর্যটকেরা যখন রাজ্যের রাজার সাথে প্রথম সাক্ষাত্‍ করতেন,সঙ্গে থাকতো নানা উপঢৌকন।সিসিবি’র সাথে গত এক বছর ধরে আমার দিনে কমসে কম তিনবার সাক্ষাত্‍ হলেও পর্যটকের মর্যাদা লাভ করেছি(সদস্যপদ) দুদিন আগে।লেখক হিসেবে কোন মানের মধ্যে না পড়লেও পৃথিবীর সব ব্লগের শাহেনশাহ্ সিসিবিকে(আমার জানামতে, এবং আমি জানি বাংলাদেশের সব ক্যাডেটের জানামতে) উপেক্ষা করার সাহস আমার নেই,তাই হুজুরকে সামান্য নাজরানা…
১.এক সিনিয়র আপা যিনি পানিশমেন্ট দেওয়ার জন্য বিখ্যাত ছিলেন;

বিস্তারিত»

ইহাকে কি কবিতা বলা যায়……???

আজ হটাৎ বৃষ্টিতে ভেজা একটা অভিমানী গান …
হিমেল হাওয়ার হু-হু সুরের মাতাল-বেতাল টান….
এই পিচঢালা রাজপথে যান্ত্রিকতার আলোর ছটা….
বৃষ্টি-স্নাত সদ্য-ফোটা সন্ধ্যা বেলার একটি ঘন্টা …
………………দিলাম-তোমায়……………………

এই ব্যস্ত ঢাকার ব্যস্ততা আর মানুষ-বাহন জট…..
বৃষ্টি শেষে হটাৎ পাওয়া এক চিলতে মিষ্টি রোদ……
নীলাকাশের বুকে উড়ন্ত কয়েক টুকরো সাদা মেঘ …..
তোমার-তরে ছুটন্ত পাগল মন-ঘোড়ার দুরন্ত বেগ …

বিস্তারিত»

মেজর আজিজুল হাকীম স্যারকে মনে পড়ে

বিডি আর বিদ্রোহের কথা আমরা ভুলে গেছি। ভুলে যাওয়াটা সহজ, সুবিধা জনক। সরকারও তাই চেয়েছিলো। আমরা ব্লগারাও এখন দৈনন্দিন জীবন, ভালোবাসা দিবস, আস্তিকতা-নাস্তিকতা বা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে ব্লগ লিখতে ব্যস্ত।

আমি হিসাব করে দেখলাম, সাহসী বাঙ্গালীরা প্রায় সব ৭১ রেই মারা গেছেন। আমরা যারা নতুন প্রজন্মের মানুষ, বেশিরভাগের বাবা-মাই মুক্তিযুদ্ধের সময় পালিয়ে বেরিয়েছেন। আমরা কাপুরুষের সণ্তান।তাই আমরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে জানিনা।

আমরা পালিয়ে বেরাতে বা ভুলে যেতে ভলোবাসি।

বিস্তারিত»

লুলুর ভালবাসা…

আমাদের এক বন্ধু, নাম বলবনা সবাই চিনবেন। আমরা তাকে লুলু বলেই ডকতাম। তার প্রেমের কাহিনী বলব ভেবেই লেখা শুরু করলাম।

সে কবে থেকে প্রেম করে তা আমরা সঠিক জানি না। তবে আমরা ক্লাস ১২ এ থাকতে HSC পরীক্ষার আগে হঠাৎ একবার সে খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিল। বুঝতে পারলাম, প্রেম এ সংশয়… খবর পেয়ে আমাদের ভিপি স্যার জাইদুল হক আসলেন ডাইনিং হাল এ লুলুর খবর নিতে।

বিস্তারিত»

ভালবাসা

ঢাকার টিভিতে দেখছিলাম ভালবাসা দিবসের আয়োজন। আজকাল ছেলে মেয়েরা কতটা খোলামেলা ভাবে একে অপরের সাথে মেলামেশা করে। ভালই লাগলো। কিছুটা হিংসাও হলো। আমাদের সময়ে এসব কিছু অত সহজে সম্ভব ছিলো না। তবে যখন প্রাপ্তি কিছু সহজলভ্য হয়ে যায়, তখন তার মূল্যও হয়তো কিছুটা কমে যায়। একই ভাবে, আমাদের সময়ে সহজলভ্যতা কম হবার কারনে, সামান্য প্রাপ্তিও অনেক বড় হয়ে দেখা দিত। তেমনি এক সামান্য ঘটনা অনেকদিন ধরে আমার জীবনে অসামান্য বলে মনে হয়েছিলো।

বিস্তারিত»