বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশক (i.e. ২০১০) -এর প্রথম বছরে সাড়ম্বরে নামলাম বইশিকারে (বউ নেই তাতে কী, বই তো শিকার করা যায়)! সেই তালে পড়ে এবারে জীবনের সবচেয়ে বেশি বার বইমেলায় গিয়েছি। সুযোগ পেলেই সকালে, দুপুরে বা বিকেলে একবার করে ঢুঁ মেরেছি বাংলা একাডেমির সবুজ ঘাসের মাঠটিতে। ঘুরতে ঘুরতে বিস্তর বইও কেনা হয়ে গেছে। আড্ডাবাজির ফাঁকে ফাঁকে উৎসাহ আর কৌতূহলী করে তুলতে পারলেই বইগুলো সানন্দে আমার পকেটে আসতো,
বিস্তারিত»লাইভ ফ্রম কলেজঃএক্সকারশন টু বইমেলা
অনেকদিন পর ব্লগে!
বহু কাঠখড় পুড়িয়ে আমাদের এইবার এক্সকারশনের ভেন্যু ঠিক করা হল বইমেলা!বরাবরের মত এবারও সিলেটে হওয়ার কথা ছিল!শেষ পর্যন্ত বহু অনুনয় বিনয় করে এবার বইমেলাতে প্লেস ঠিক করা হল!কুমিল্লা থেকে সিলেট যেতে আসতে ৭-৮ ঘন্টা লেগে যায়!তার ওপর খালি চা-বাগানে কী সোন্দর্য খুজে পায় কে জানে!
এর চেয়ে বইমেলাই ভালো!বই কেনার জন্য পকেটমানি থেকে টাকা দেয়া হলো,বই মেলাতে যাওয়ার আগে মিউজিয়াম!আইডিয়াটা বসসসস!!!!
গিফটের প্যাকেটে কার নাম লিখবো ?
( এই লিখাটা আমি গত ২০০৯ এর মে মাসে দিতে চেয়েছিলাম।কিন্তু মাগার অভ্র সংক্রান্ত জটিলতার কারনে এবং আইভোরী কোস্টে থাকায় দেয়া সম্ভব হয় নাই।তাই মাত্র ৮/৯ টি মাস অপেক্ষা করে দেশে এসে সেট হয়ে লিখাটা শেষ করলাম।মে মাসে আবার দেয়ার ইচ্ছা থাকলেও কোনভাবেই আর নিজেকে অপেক্ষায় রাখতে পারলাম না,দিয়ে দিলাম।যা হউক,সি সি বি তে এইটাই আমার প্রথম লিখা((আগের ছবি ব্লগটা বাদ দিলে;লিখা ব্লগ আর কি))।দেশ ও জনগনের কাছে দোয়া প্রার্থী ।
বিস্তারিত»আলোচনা পোস্ট: পাহাড়ে কি ঘটছে এবং কি করা যায়
পাহাড়ে নৃশংস ঘটনা বেড়েই চলেছে। এই উদ্দেশ্যেই আলোচনা করতে চাই।
কারন নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ খুবই দুর্লভ। বিচ্ছিন্নতাবাদী নিষ্ঠুরতা যেমন আছে তেমনি শোনা যায় সামরিক বাহিনী কতৃক বিভিন্ন নির্মমতার কথাও। সুতরাং আবেগকে পাশে রেখে এই সমস্যার একটি মানবিক সমাধান প্রয়োজন। কারন ব্যক্তিগত অবস্থান থেকে আমি মানবতার চেয়ে বড় অন্যকিছুকেই মানতে রাজী নই।
যাই হোক আলোচনা শুরু করছি বদরুদ্দীন উমরের একটি কথা দিয়ে এবং কিছু স্বাধীনতা পরবর্তী ঘটনা দিয়ে
প্রথমত জাতীয়তাবাদ যদিও সমজাতন্ত্রের সাথে সাংঘর্ষিক তাও কেন দুটোকেই একইসাথে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল তা ঐ সময়ের তাত্বিকরাই বলতে পারবেন।
বিস্তারিত»ফিরিয়ে নাও জলের প্লাবন
সাদা ওড়নাটা উড়ছে একটু ঠান্ডা, একটু গতিময়, কিন্তু মিষ্টি একটা বাতাসে। দিনের বেলা কিন্তু আলো নেই, আকাশ আঁধার। মেঘ জমছে। বাতাসে বুঝি এজন্যই এমন মিষ্টি গন্ধ। বৃষ্টির আগ দিয়ে যেমনটা পাওয়া যায়।
শীত শীত লাগছে কেন? তুষার-রঙা পোষাক কি এর কারণ? অবশ্য এটা অসহ্য ঠান্ডা নয়, অনেকটা মন ভাল করে দেবার মত। মেয়েটার মন ভাল হচ্ছে না। বিষন্ন লাগছে। আকাশের রং টা আসলেই বোধহয় মরা-মরা।
বিস্তারিত»একটি জন্মদিন…এবং কিছু প্রেম কিংবা পাগলামি…
পূর্বকথন: ব্লগে দ্বিতীয় লেখা লিখতে যাচ্ছি।আসলে অনেক দিন থেকেই লেখা শুরুর ইচ্ছা থাকলেও সদস্য হওয়ার জটিলতা,আমার অজ্ঞতা,আলসেমি আর একটু ভীতির কারণে দেরী হয়ে গেল।ব্লগে ঢুকলাম কোনো রকম অনুশীলন ছাড়াই।দর্শক হিসেবে বসে থাকতে থাকতে মনে হলো মাঠে নেমে পড়ি।ব্লগ লেখার ইচ্ছার পেছনের কারণ,আমার মাথা ও মনে ঘুরপাক খাওয়া কিছু কাহিনী ও প্যাচাল বাইরে নিয়ে আসা-তো এসব আনাড়ি দের কে দিয়ে ওপেনিং করা সম্ভব নয় বলে অনেক দিন আগে লেখা একমাত্র সভ্য কবিতা বা গান[অন্যের সামনে প্রকাশযোগ্য]কে ফেসবুক নোটস থেকে কপি পেস্ট করে কোনমতে বাংলায় রূপান্তর করে পোস্ট করে দিলাম।ওপেনিং দেখে কিছুটা আশার সঞ্চার হলো তাই এবার অন্যদের ও পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলাম।
বিস্তারিত»লোভ
মানুষ আসলে খুব বিচিত্র ধরনের প্রাণী,অনেকই আছে যারা কষ্ট পেতে ভালবাসে।আমি তাদেরই দলের একজন।মাঝে মাঝে নিজেকে প্রশ্ন করি আমার কষ্টের কি কারণ উত্তর একটাই আমি নিজে।কারণ আমি নিজেকে কষ্ট দিতে ভালবাসি।আমার আশে-পাশের মানুষ গুলো হাজারো কষ্টের মধ্যে কি অবলীল ভাবে সুখী থাকে।আমার মাঝে মাঝে মনে হয় আসলেই সুখী থাকে না ভান করে।ভান করলেও ওরা ওটা নিয়েই সুখী।আমার মত না।
আমি আসলে সব সুখ থেকে আমাকে দূরে সরিয়ে রেখেছি।সফল মানুষ বলতে যা বোঝায় তার শর্ত গুলো আমি পূরণ করেছি বহু আগেই।তবুও আমি সুখী না তাহলে কি আমি লোভী সত্যি বলছি আমি তাও না।
একুশ আমার একুশ
একুশ আমার বিজয় বেদীতে আরক্ত কিংশুক
একুশ আমার রোদন রূপসী বাংলার শ্যামা মুখ
একুশ আমার শোকের পোষাকে পিকাসোর কবুতর
একুশ আমার একান্ত ভিটে সূর্যদিঘল ঘর।
একুশ আমার কিশোর ক্রান্তি একুশে পদার্পণ
একুশ আমার বেলা অবেলায় দখিনের বাতায়ন
একুশ আমার জ্যোৎস্না প্লাবনে মাতাল হাওয়ার রাত
একুশ আমার তিলোত্তমার কাঁকন হারানো হাত।
একুশ আমার রুদ্র কন্ঠে চৌচির চিৎকার
একুশ আমার বাউল বাহুতে বিদ্রোহী হাতিয়ার
একুশ আমার শাণিত সাহস যুদ্ধে যাবার গান
একুশ আমার রুদ্ধ দুয়ারে মুক্তির কলতান।
শান্তাপুর বইয়ের মোড়ক উন্মোচন…
হায় হায় বড্ড দেরী হয়ে গেছে, নেট জনিত সনস্যার কারণে আমি মাত্র খবরটা পেলাম, আজ বিকাল সাড়ে চারটায় শান্তাপুর বইয়ের মোড়ক উন্মোচন। বই প্রকাশিত হচ্ছে সাকী পাবলিশিং ক্লাব থেকে, নামঃ কিন্নরকন্ঠী নদী, আমি অবশ্য আর কিছুই জানিনা…
আমি এক্ষুনি দৌড় দিচ্ছি, আশা করি বাকীরাও আসবেন…
বিস্তারিত»যোগাযোগ
জানালার কাচের ওপর আমি ডান হাত রেখে বসে আছি। আমার পাশে একটা কালো কাচ। কাচের তাপমাত্রা খুব কম। হাতের আঙুলে ঠাণ্ডা লাগছে। বাইরে শিশির পড়ছে। কে বলেছিলো কাচ আসলে তাপ কুপরিবাহী? তাহলে আমার শীত লাগছে কেন! আমি হাত সরিয়ে নেয়ার কথা ভাবলেও সরাই না। আঙুলের ডগা কেমন অবশ হয়ে আসতে থাকে। হঠাৎ কী হলো, আরেকটা হাত এসে কালো কাচটার ওপাশে ঠিক আবার হাতের মধ্যে এসে পড়লো।
বিস্তারিত»প্রিফেক্টশীপ নিয়ে প্রহসন
ডিস্ক্লেইমারঃ
টাইটেল দেখে ভাববেন না,ক্ষোভ বা হতাশা থেকে এটা লেখা।আমাদের মিলেনিয়াম ব্যাচটা কলেজে এমন একটা সময় পার করেছে,যে সময়ের মধ্যে কলেজটা অনেক পরিবর্তন-বিবর্তন এবং ট্রেডিশন-নিষিদ্ধকরণ এর মধ্যে দিয়ে গেছে।আমরা দেখেছি,ক্যাডেটদের বিপদে স্যার-ম্যাডামদের আন্তরিক সহমর্মিতা,আবার একই লোকদের দেখেছি…নতুন প্রিন্সিপালের আমলে পুরাই ক্যাডেটদের বিপক্ষে কথা বলতে!…..
প্রিফেক্টশীপ ব্যাপারটা ক্যাডেট কলেজের একটা বিশেষ আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য।যে কোন প্রতিযোগিতামূলক মনোভাবসম্পন্ন ক্যাডেটই কলেজ জীবনের শুরু থেকে এই বিশেষ ক্ষণটার অপেক্ষায় থাকে।নিজের প্রতিভা ও ব্যক্তিত্ত্বের উপর যার আস্থা আছে,সে মোটামুটি কলেজের প্রভূত প্রতিযোগিতাতে কৃতিত্ব লাভ করেই।প্রিফেক্টশীপ একই সাথে তার প্রতিভা,ব্যক্তিত্ব,নেতৃত্ববোধ ইত্যাদির পুরস্কারস্বরূপ।….
বিশ্বাস করো সত্যি বলছি….
যখন তুমি আমার ছিলেনা,
রমনা পার্কের শ্যাওলা ধরে যাওয়া পুরনো বেঞ্চিটা তখনো ওখানেই ছিল।
মর্নিং ওয়াকে কিংবা এলোমেলো হাটার সময় যখন বেঞ্চিটার পাশে দিয়ে হেটে যেতাম,
প্রতিবারই পাশে দাড়িয়ে থাকা বকুল গাছটিকে ছুঁয়ে গিয়েছি আমি।
সত্যি বলছি, বিশ্বাস করো একটুও মিথ্যা নয়-
বুড়ো হয়ে যাওয়া ঐ বকুল গাছটির সুঘ্রান আর কখনো এতটা আবেগ্লাপ্লুত করেনি আমায়।
যখন তুমি আমার ছিলেনা,
বিস্তারিত»কিন্নরকণ্ঠী নদী
আবার ফেব্রুয়ারী – একুশ তারিখ, পঁচিশ তারিখ এক একটা দিন আসবে আর আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাস ভারী হতে শুরু করবে। এই তারিখগুলো আমাকে নিজের জীবনের সেই সময়গুলোর কথা মনে করিয়ে দেয়।
সময়টা ১৯৯৯ সালের দিককার। হঠাৎ নোটিশে দেশে গিয়ে আবার আমেরিকায় ফিরে আসা। তখন ভগ্নপ্রায় আমার প্রতিনিয়ত জীবনমুখী হবার প্রাণান্ত চেষ্ঠায় নিত্য সহযোগী ছিল বই আর আধ্যাত্মিকতা। দুটোই বেশ সাহায্য করছিলো। সে সময়ে পড়া একটা বই এখনও মাঝে মাঝে উলটে পালটে দেখি।
বিস্তারিত»চিকেন ফ্রাই-১
:frontroll: :frontroll: :frontroll: :frontroll: :frontroll: :frontroll: :frontroll: :frontroll: :frontroll: :frontroll:
সিলেটের রাফির কাছে শুনেছিলাম, ব্লগে প্রথম লিখতে হলে আগে দশটা ফ্রন্ট রোল দিতে হয়। আজ্ঞা শিরোধার্য। আমার ব্লগে খুব বেশি ঢোকা হয় না। হালকা পাতলা দুই-একটা পড়া হয়। পড়তে তো জটিল লাগেই। সেদিন আমাদের আছিব ভাইয়ের কক্ষভোজন পড়ে মনে হল আমিও এরকম একটা কিছু লিখে ফেলি।
আমরা তখন ক্লাস XII-এ। রাতে কারেন্ট গেলে অনেক জেগে থাকা হয়।
২৫ ফেব্রুয়ারি : আগুনের পরশমনি ছোঁয়াবো প্রাণে
একটা বছর পেরিয়ে গেল। সেই দুঃসহ দিনটি আবার ফিরে আসছে। একটি সুশৃঙ্খল বাহিনীর নৃশংসতা আর বর্বরতার জঘন্যতম রূপ দেখেছিলাম আমরা। আর সেই অপরাধ হয়েছিল বিদ্রোহের নামে! এর নাম বিদ্রোহ! আমরা জেনে এসেছি, বিদ্রোহীরা শ্রদ্ধার মানুষ হন, অমিত সাহস নিয়ে তারা প্রচলিত ব্যবস্থা পাল্টে দিতে লড়াই করেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ান। পাহাড়সম উচ্চতার এই মানুষগুলোকে নিয়ে আমরা গর্ববোধ করি।
বিস্তারিত»