More ডায়ালগ from MGCC

ঘটনা গুলোর কথা মনে হতেই নিজের অজান্তেই হেসে উঠি…গুছিয়ে লিখতে গেলে একসাথে সব মনে পরেনা।জিনাতের লেখা পরার পর আজ যতগুলো মনে আসলো লিখে যাই…
#১-হাউজ প্রিফেক্টের অনুমতি ছাড়া একবার ভুল করে আমাদের কে যেন অন্য হাউজে গেছে এবং কপাল দোষে ধরা পড়েছে।তো ভয়ংকর এক ঝাড়ি মারতে গিয়ে আপার প্রথম ডায়লগ,
”without permission ছাড়া হাউজ change করো কোন সাহসে?”

#২-ক্লাস নাইন,1st প্রেপ।চোখের পাতা টেনেও খুলে রাখা যাচ্ছেনা…মন আর চোখের জ্বালা মেটাতে গেলাম বাথরুমে।গিয়ে দেখি সামিয়া আর জিনিয়া সেখানে।৩জন ৩জন কে পেয়ে যেন আকাশের চাঁদ হাতে পেয়েছি।মনের সুখে গল্প করতে করতে কখন যে চিৎকার করা শুরু করাছি খেয়াল নেই(বলে রাখি,ততদিনে অঘটন ঘটনে আমাদের ৩ রত্নের ইম্প্রেশন বেশ High..),হঠাৎ বাইরে থেকে আমাদের সবচেয়ে ভয়ংকর স্বরের ম্যাডামের চিৎকার,”বাথরুমে কারা বেরিয়ে আসো!”

বিস্তারিত»

সিসিবিতে আমার ৫০ তম পোস্ট : একটি জন্মদিন বিষয়ক পোস্ট

আমি নিজে ক্রিকেট খেলা খুব পছন্দ করি। আর সেখানে সবচেয়ে প্রিয় (!!!) ব্যাটসম্যানটির নাম জাভেদ ওমর বেলিম। যার নামেই আমি ভয়াবহ ভাবে আৎকে উঠি। তার নিরীহদর্শন চেহারা নিয়ে মাথে দাঁতে দাঁত চেপে সে সংগ্রাম করে আর আমরা হই বিরক্ত। এমন কুৎসিত স্লো ব্যাটিং কেমনে সম্ভব। যা হোক বদনাম করার জন্য এই পোস্ট না বরং সিসিবিতে আমার জাভেদীয় স্লো ফিফটির ঘোষণা দিতে এত ভূমিকা করা। এহসান ভাইয়ের ঝাড়ির কথা মনে রাইখা পোস্ট যাতে যথেষ্ট “আজাইরা”

বিস্তারিত»

(প্রায়) দেশপ্রেমিক

(এই কবিতাটা দেশের এক বিশেষ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে লেখা, তবে হয়তো এখনো প্রাসঙ্গিক; কে জানে!)

আমি দেশপ্রেমিক নই
তবু খালিপায়ে ফুল দিয়ে আসি গিয়ে শহীদ মিনারে
আমি দেশপ্রেমিক নই
তবু ষোলই ডিসেম্বরে করি বিজয়ের উল্লাস
আমি দেশপ্রেমিক নই
তবু ছাব্বিশে মার্চ এলে পরে গাই স্বাধীনতার গান
সত্যিই আমি দেশপ্রেমিক নই
দেশের জন্য আবেগ ব্যাপারটা টের পাইনা আমি
তবু লিখে যাই স্বাধীনতার কবিতা
আবেগহীন –

বিস্তারিত»

ডায়লগ De MGCC রিলোডেড

সাবধান…হুশিয়ার…খাবার্দার… (ইয়ে মাশরুফ ভাইয়া, এখানে দ এর পর বা’ নাই কিন্তুক)
ব্লগাধিরাজ,শাহেনশাহ্ সিসিবি তাঁহার সাম্রাজ্যে আগত এক পর্যটকের নামে ভয়াবহ সমন জারি করিয়াছেন… ঐ পর্যটক দিনকতক আগে বাদশাহের সহিত সাক্ষাত্‍ করিয়া তাহার নাজরানা পেশ করিয়া গিয়াছিল।রাজপ্রাসাদের সদস্যগণ মহাউত্‍সাহে সেই নাজরানা গলাধঃকরণ করিলেও বর্তমানে সকলেই (শাহেনশাহ নিজেও) ভয়াবহ বদহজমের সমস্যায় ভুগিতেছেন।রাজ্যশ্রেষ্ঠ হেকিমের দাওয়াই,যদি পর্যটক অবিলম্বে ততোধিক অখাদ্য নাজরানা পেশ করে,তাহা হৈলে সকলেই আরোগ্য লাভ করিতে পারিবেন।

বিস্তারিত»

আমি আর তুমি…(রাজা আর রাণী)

পূর্ব-কথন:ইহা একটি নব-দাম্পত্যের গান।এখানে নব-দম্পতিদের কিছু অনুভূতি কপি-পেস্ট করা হয়েছে।যাদের এখনো সেই বিশেষ সময়টিতে পৌছাবার সৌভাগ্য(কিংবা দুর্ভাগ্য)হয়নি,তারা চোখ বন্ধ করে কল্পনা করে নিতে পারেন। আর যারা সেই সময়টি পার করে এসেছেন তারা একটু কষ্ট করে স্মৃতিচারণ করে(জাবর কেটে)নিবেন।ধন্যবাদ।

মেঘ-জল বৃষ্টিতে
কিছু অনা-সৃষ্টিতে
কাক-ভেজা চেহারায়
চোখা-চোখি আয়নায়
চলে যাই অতীতে
সাদা-কালো স্মৃতিতে
কোনো চেনা ঠিকানায়
আবার এক হয়ে যাই……..দু-জনায়।

বিস্তারিত»

আঁতেল সমাচার-১

[ইহা একটি বিরক্তি উদ্রেককারী অস্থায়ী গোছের লিখা,কারো মনে গভীর রেখাপাত করিবার জন্য রচিত নহে। বরং ইহা মানসিক পরিবেশ দূষনকারী। তাই এই জগতে কিংবা ভীনগ্রহের কোন জীবের সাথে কোন যোগসূত্র পাওয়া গেলে এই সস্তা লেখক তার দায়ভার বহন করিবেনা। একইসাথে এই লিখা কারো চিন্তাজগতে ক্রিমির সংক্রমণ ঘটাইলে ও লেখক ক্রিমিনাশক ঔষধ সরবরাহে বাধ্য থাকিবেনা।]

ছোটবেলা থেকেই আমার আঁতেল হবার খুব শখ।কিন্তু আঁতেল হওয়া তো আর মুখের কথা নয়।

বিস্তারিত»

ছেলেবেটি কামতাজ হাসান (৯৪-০০)

চোখের সামনে দিয়া মানুষজন বিখ্যাত হইয়া যায়। তারা ব্লগ লেখে, সেগুলা শুধু প্রচুর হিটই না, ষোল- সতেরটা পাঁচ ভোট পায়, শ খানেক মন্তব্য পায়। আমরা চাইয়া চাইয়া তাগো বিখ্যাত হওয়া দেখি। তবে মনরে বুঝ দেই, পাবলিকরে গিলানোর সিস্টেম আছে, সে গিলানোর সিস্টেমের টেকনিক জানে, তাই এই অবস্থা। একদিন আমিও শিখুম, পাবলিকরে ব্লগ গিলামু, নিজে কমেন্ট আর হিট গিলমু।

কিন্তু এইসব ছাড়িয়ে যখন তাদের লেখা চুরি যায়,

বিস্তারিত»

পেরিয়ে গেল একটি বছর…..

ফেব্রুয়ারি শেষ হয়…….দুঃসহ একটা মাস। মার্চ আসে, অনেকে হাফ ছেড়ে বাঁচে….কিছু কিছু মানুষের কষ্ট বাড়ে……যাদের কাছে এই মাসটাও অনেক যন্ত্রনার…….ভাই হারানোর, বন্ধু হারানোর আর একটি মাস…….

গত বছর এই দিনে সবাই যখন শোকে মুহ্য….ঠিক তখন আরেকটি খবর আমার চারপাশ অন্ধকার করে দেয়। ৩ রা মার্চ এই দিনটি তে যখন ক্যাডেট কলেজ ব্লগের পক্ষ থেকে “আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রানে” এর মাধ্যমে পিলখানার সামনে সবাই শহীদ সেনা অফিসারদের সম্মানে দাঁড়িয়ে ঠিক সে সময় আরও একজন এক্স ক্যাডেট এবং সেনা অফিসারকে হারানোর কথা আমাদের শুনতে হয়…..

বিস্তারিত»

দুষ্মন্তপুরান (পিজি-১৩)

রাজা দুষ্মন্ত বড়ই চিন্তিত। বিগত দু’দিন যাবৎ শকুন্তলাকে দেখা গিয়াছে মোবাইলে কোন এক অজ্ঞাত ব্যক্তির সাথে ফাইট দিতে। সে ঘন ঘন ছোট বার্তাও পাঠাইতে থাকে। আবার ফিরতি বার্তা পড়িয়া মুচকি মুচকি হাসে। তাহাকে ওই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির কথা সুধাইলে সে বলে, তুমার তাতে কি? ইয়েতে চুল্কাচ্ছে?বেটা বুড়া ভাম! আজকাল রিক্সাওলারা পর্যন্ত মোবাইল ইউস করতেসে। আর তুমি একটা আখাইত্তা,নিজের একটা মোবাইল কেনারও মুরোদ নাই,আবার নাম দিসে রাজা,হেঁহ।

বিস্তারিত»

জিতবে বাংলাদেশ ?

২৫ বলে ৩২ দরকার ইংল্যান্ডের। বাংলাদেশের দরকার ২ উইকেট।
কী মনে হয়? আইজকা কী ধরাইয়া দেয়া যাবে ইংল্যান্ডরে ?

বিস্তারিত»

ডায়েরীর পাতা থেকে উদ্ধার করা জঞ্জাল – ৮

২৯ অক্টোবর, ২০০৩ সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট
বেশ লম্বা একটা ঘুম দিয়ে উঠে বিরক্ত লাগছে। এতক্ষণ ঘুমাবার দরকার ছিল না তারপরেও ঘুমিয়ে ফেলেছি। প্রায় ৩ ঘন্টার মত। হঠাৎ একটা কৌতুক মনে পরে যেতেই হেসে উঠলাম আপন মনেই। মঞ্জুর (১৯৩১) আমার দিকে অবাক হয়ে তাকাল; ডায়েরী লেখার মাঝে শব্দ করে হেসে উঠা নিঃসন্দেহে কিঞ্চিত হলেও প্রশ্নবিদ্ধ আচরণ।

যাই হোক কৌতুকটা লিখে রাখি না হলে পরে ভুলে যাব।

বিস্তারিত»

ভালবাসার শব্দ

একটা কবিতা লিখব বলে
কলম ধরেছি
গড়াই পাড়ের এক দামাল
ছেলের কথা বলব বলে
রাত জ়েগে আছি
ছেলেটি পান্থজনের
প্রানান্তর মিছিলের সর্বাগ্রে ছিল
যে মিছিলে প্রান দিয়েছিল
সোহরাব মাস্টারের ছোট্ট মেয়েটি
অস্ফুট নিঃশ্বাসে বাবা’কে, মা’কে ডেকেছিল
শস্যের রঙে, ঢেঁকির শব্দে
তাকে আগলে রাখতে।

একটা পদ্দ্য লিখব বলে
পথে নেমেছি
একদল ক্ষুধার্থ শিশুর কথা
জানাব বলে শব্দ খুঁজছি
যে শব্দগুলো তার মা’কে
অবধারিত প্রান্তর থেকে ফিরিয়ে
এনে চোখের জল মুছে দেবে
কাজল পরিয়ে দিয়ে
ভালবাসাহীন কামাদ্দীপ্তের
থাবা থমকে দেবে
মা’কে শৃংখলমুক্ত করে
ভেজা চুল এলিয়ে
উনুনের গন্ধে
উঠোনে রোদ পোয়াতে দেখতে চাইবে।

বিস্তারিত»

বিচার চাই!!বিচার চাই!!!

শ্রদ্ধেয় প্রিন্সিপ্যাল এবং এ্যডুর কাছে বিচার,
বিশ্বস্ত সূত্রে খবর,আমাদের টুশকি সম্রাট গতকাল “বাবা” হয়েছেন।আর তার সংগে বোনাস হিসেবে গতকালের রস + আলো তে সম্রাটের একাধিক টুশকি দেশবাসীর সামনে প্রদর্শিত হয়েছে।এই ২ উপলক্ষ্য মিলিয়ে আমরা যদি একটা পার্টি চাই খুব কি অন্যায় হবে?কিন্তু কোন আওয়াজ নাই বসের।
তাইলে কি ব্যান টা চাইয়াই ফালামু???

বিস্তারিত»

তার পরঃ

ছেলেঃ
সময়টা পড়ন্ত বিকেল। ব্যাকগ্রাউণ্ডে গান বাজছে,”সারাদিন তোমায় ভেবে, হোলনা আমার কোনো কাজ,……।”

কি যে করা যায় , বিকালে সবাই যায় কই??? সব শালাদের এতো ব্যস্ততা…টিউশনি…।
একটা সাইটই ওপেন হয়ে, কনট্যাক্টসে একটাই নাম, ৬২ টা নাম এর মাঝে কেবল একটাই নাম, আচ্ছা এ কি করে সারাদিন ?……

গানটাতো ভালো, এটা স্ট্যাটাস দেয়া যাক , বাহ নতুন একটা স্ট্যাটাস পাওয়া গেলো ।

বিস্তারিত»

……….ব্যতিক্রমী বিদায়ী ভাষণ……..

[গল্পটা স্থান-কাল-পাত্রভেদে কাল্পনিক।এটা নিছকই ব্লগারের কল্পনাপ্রসূত।তবে এর প্রেক্ষাপট বাস্তবিক হলেও হতে পারে।কোন ব্যক্তিবিশেষের সাথে বিষয়বস্তু বা বর্ণনার বিন্দুমাত্র মিল থাকলে তা অনভিপ্রেত কাকতাল মাত্র।এর জন্য ব্লগার দায়ী নন]

*************************

বেলা প্রায় দুপুর ১২টা।৫ম সেমিস্টারের ক্লাসও দেখতে দেখতে শেষ হয়ে গেল।সময় যে কিভাবে কাটে টেরই পাওয়া যায় না।ক্লাস শেষে অ্যাটেন্ডেন্স নিয়ে স্যার বেরিয়ে গেলেন।সবাই যার যার মত ব্যাগ গুছিয়ে বিদায় নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে,মনটা সবারই ফুরফুরে।কারণ,আরো একটা সেমিস্টার শেষ + কয়েকদিনের বিরতি + বিশ্রামের সুযোগ…ইত্যাদি…।কিন্তু একটা ছেলে স্যারের পিছনে পিছনে গিয়ে,

বিস্তারিত»