“যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়/ যে ছিল হৃদয়ের আঙিনায়/ সে হারালো কোখায় কোন দূর অজানায়/ সেই চেনামুখ কতোদিন দেখিনি……….” মিলনায়তন জুড়ে তখন পিনপতন নিস্তব্ধতা। বিষ্মিত শ শ মানুষ মুগ্ধ হয়ে তের বছর বয়সি এক বালকের কণ্ঠে বিরহ-বিষাদের প্রিয় গানটি শুনছে! আমাদের এই বালকটির নাম মাহবুবুল হক শিলার।
ডিস্ক্লেইমারঃ সাগরে পড়ে থাকায় সবসময় সিসিবিতে আসা হয় না।তবে, যখন সিসিবিকে ঝিমিয়ে পড়তে দেখি…নিজের কাছেই খারাপ লাগে :no: । আগের রেকর্ড বলে, আমি লেখা দিলেই ব্লগ সচল হয়…মনে হয় এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না!! ;;;
অঃটঃ ইদানিং ব্লগে একটা নতুন চল শুরু হয়েছে…সবাই অণুকাব্যের ভুল অর্থ করে। সেকারণেই, অর্থসহ-ই দিয়ে দিলাম!!! (ওরে, মুই কি হনু রে!! :awesome: )
যে নারীটি আমার ছিলো,আজ কেন সে অন্য কারো?
আমার নারী অন্য কারো!
যে বিকেলে প্রাচীন ব্যথা আঘাত হানে মর্মমূলে
আজ কেন সে ভীষণ গাঢ়?
নিশিথ রাতে একলা পাখি হঠাৎ ডাকে তারস্বরে
আজ কেন তার ঘুম ভেঙে যায়?
যার রুমালে সুবাস ছিলো বকুলফুলের দোলনচাঁপার
যার সে রুমাল,আজ সে কোথায়?
এই বছরে কেনই বা আর একটি বারও চাঁদ উঠেনি?
সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় আমার বাস ছাড়বে। দীর্ঘদিন পর ছুটি যাচ্ছি, ৬ দিন এর ছুটি শেষে রংপুর আর ফেরত আসা হবে না। সিলেট যাচ্ছি ৪ মাসের কোর্স এ। গোছগাছ সব মোটামুটি শেষ পর্যায় শুধু হতচ্ছাড়া পিসি টা বাদে। ৮/৯ দিন আগে একটা ইংরেজী সিরিয়াল ডাউনলোড দিয়ে রেখেছি। এখন এক্কেবারে জায়গামত এসে ব্রেক দিয়েছে ব্যাটা। ৯৭ % এ এসে তিনি ৫/৬ কেবিপিএস গতিতে নামছেন। এদিকে সময় ও নেই।
আমার বাবাটা আর দশজন মানুষের মতোই, তবে রাগটা একটু বেশি। এই মানুষটার সাথে অন্য কারো পার্থক্য নিয়ে চিন্তা করতে গেলে সবার আগে আমার মনে আসে তার বাচ্চা বাচ্চা স্বভাবের কথা। সবসময় উৎসুক দৃষ্টি নিয়ে চারিদিকে ঘুরে বেড়ানো, সুযোগ পেলেই আমার মা কিংবা তার মাকে খোঁচানো ( দাদী যখন বেঁচে ছিলেন ), কখনো আমার সাথে লুকোচুরি খেলা, কখনো বা বাসার বিড়ালটাকে ভেংচানো!
সফটওয়্যারটির মাধ্যমে প্রথমবারের মত আপনি পাচ্ছেন মুঠোফোন থেকে আপনার প্রাণের ভাষা বাংলায় ফেসবুকের স্ট্যাটাস আপডেটের সুযোগ। তাছাড়া সফটওয়্যারটি আপনার হাতের মুঠোয় এনে দিচ্ছে প্রথমবারের মত মোবাইলে বাংলা ফোনেটিক পদ্ধতিতে লেখার সুবিধা।
ছোটবোন ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে হাসপাতালে থাকায় আজ একটি বিশেষ দিনে নতুন পোস্ট দেবার ইচ্ছে থাকলেও পারিনি,তবে এর বদলে একটি ব্যক্তিগত পত্র বিনা অনুমতিতে(পত্রটি আমার লেখা হলেও প্রাপকের অনুমতি নিইনি) তুলে দিচ্ছিঃ
তাহসিন মাসরুফ হোসেন মাসফি April 19 at 5:36pm
মইনুল ভাই,
অনেক দিন ধরেই আপনাকে লিখবো লিখবো ভাবছিলাম-নানান ব্যস্ততায় লেখা হয়নি।আমি জানি আমার এই ইমেইল পড়ে আপনি বিরক্ত হতে পারেন-তারপরেও লিখছি।
প্রেম
তোমার জন্য এক কথাতেই দিব সাগর পাড়ি
আনব তুলে তলা থেকে মাছ দুখানা ভারী
বলতে পারো তোমার জন্য করতে পারি সব
যখন তখন মরতে পারি, হতে পারি শব ।।
——————————–
ছবি
মিষ্টি হাসি বাঁকা ঠোঁটে
তপ্ত চোখে চেয়ে থাকে
মধুর তাহার অম্লবদন
রংবেরঙের স্বপ্ন আঁকে ।।
————————–
রাত
কেউ বসে বাজায় গিটার স্বপ্নসুরে
কেউ আবার ভারী নাকে তুমুল আওয়াজ তুলে
আমার মত হয়ত কেউ লিখছে ছড়া কম্পুটারে
জীবনটাকে মাপছে হয়ত রাত নিশীতের মনিটরে ।।
আমার বাসার কাছে একটা বইয়ের দোকান ছিল – নাম ‘পেইজ ওয়ান’। বেশ বড় বইয়ের দোকান। মাঝে মাঝে সেখানে লেখকরা এসে সভা করতেন এবং বইয়ের সাক্ষরতা অনুষ্টানে যোগ দিতেন। একদিন শুনলাম হিলারী ক্লিন্টন তার নতুন বই “Living History” -এর বিক্রী বাড়াতে আমাদের শহরে আসছেন এবং এই বইয়ের দোকানে বসে বিক্রীত বইতে স্বাক্ষর করবেন। যদিও ৩০ ডলার দিয়ে একটা বই কেনা আমার কাছে একটু বেশী লাগছিল, তবু ঠিক করলাম এই সুযোগটা হাত ছাড়া করবো না।
এহসান ভাইয়ের কল্যাণে ব্লগের সবাই এখন মোটামুটি ফ্যান্টাসি ফুটবল ব্যাপারটার সাথে পরিচিত। অনেকেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ওয়েবসাইটে ফ্যান্টাসি টিম সাজিয়ে ফেলেছেন। জনপ্রিয় স্পোর্টস চ্যানেল ইএসপিএন স্টারস্পোর্টস ও তাদের ওয়েবসাইটে এমন একটি প্রতিযোগিতা আয়োজন করে থাকে, যেটিতে ইতোমধ্যে বেশ কিছু বাংলাদেশী তাদের ক্ষুরধার ফুটবল মস্তিষ্কের প্রমাণ দিয়েছেন 😛
বন্য’র এই লেখাটি যেদিন পড়েছিলাম সেদিন অকারনেই মন বিষন্ন হয়ে গিয়েছিল। আজ এতগুলো বছর পার করে এসে আবারও অকারনেই বিষন্ন হয়ে আছে মন। হতচ্ছাড়া মন, নিজের কথাই নিজে শুনতে চায় না। কলেজ জীবন শেষ করে সবাই সেই কবেই বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছি।
( শানে নুযুল: আমার রুম মেট বড় ভাই দেশে গিয়েছেন বিয়ে করতে। আজকে উনি ফেসবুকে মেসেজ দিয়ে জানালেন আগামী ৮ ই আগষ্ট তার বিয়ে, ইনশাল্লাহ। উনার মেসেজ এর একটা রিপ্লাই দিছিলাম। ভাবলাম সেইটাই শেয়ার করি। এইটা সিসিবি তে আমার ২ নম্বর পোষ্ট। আশা করি কেউ বিরক্ত হবেন না…. ;;; বিয়ে করেই নতুন বউ ছেড়ে উনি চলে আসবেন কয়েকদিন পর… :(( বেচারা। )
এক জন নতুন জামাই (বোকা) দেশ ছাড়ার আগে যা করেন:
১.
মাঝে মাঝে রাতে আমার ঘুম আসে না। শুয়ে পড়ার পর অনেক অনেক সময় ধরে ভেড়ার পাল গুনি, দেশে আসার দিন গুনি, হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মুখের সংখ্যা গুনি কিন্তু ঘুম আসে না। মন খারাপ হয়ে থাকে প্রচন্ড নাকি মন খারাপের জন্যই ঘুম আসে না তা বুঝতে পারি না। খুব মজার কিছু পুরনো দিনের কথা ভেবে চোখের কোনায় পানি নেমে আসে আর আমি ঘড়িতে সময় দেখি।
সবাই বড় বেশি দ্রুত ছুটে যায় সামনে।