*
বিস্তারিত»কি জানি, হবে হয়তো….
একটা কুড়েঘর। সামনে দু’তিন হাত চাল দেয়া বারান্দা মতন। খুটি বেয়ে উঠে যাওয়া অচেনা লতায় ছোট একটা লাল রং এর পোকার অলস হেটে যাওয়া। ঝিরঝিরে বৃষ্টি । একটু ছাট এসে গায়ে পড়ল কি ? কি জানি, হবে হয়তো।
প্রান্তর জুড়ে সবুজ ফসল। একে তো বৃষ্টি ভেজা তার উপর আবার মৃদু বাতাসে দুলছে। ছুয়ে দেখবো নাকি একটু ? ফসল মাঠের সীমানায় জলপাই সবুজ বন ।
অগাস্ট ১২, ২০১০
ক্ষিলখেত নামটা শুনতেই কেমন ক্ষ্যাত ক্ষ্যাত লাগে। সেই তুলনায় নিকুঞ্জ নামটা বেশ সুন্দর। মনে হয় কত গোছানো আর পরিপাটি। কিন্তু প্রথম যেদিন নিকুঞ্জ দেখার সৌভাগ্য হলো সব গোছানো আর পরিপাটি ভাবনা চিন্তা দুই নাম্বার রোড থেকে দশ নাম্বারে আসতে আসতেই গায়েব হয়ে গেল। দশ নাম্বারে তখন জনি’রা থাকতো, এখনো থাকে। আমার এলাকার ফ্রেন্ড। ওর সাথেই দেখা করতে প্রথম আসা এই এলাকাটাতে। মোড়ের চায়ের দোকানে বসে চা খেতে রাস্তার এখানে ওখানে জমে থাকা ময়লা পানি দেখে ঘেন্নায় কেমন গা গুলিয়ে আসছিল।
বিস্তারিত»আরও কয়েকটি অণূকাব্য (কি যে হচ্ছে… কে জানে!)
১। চেহারা সাদামাটা…
জামাটা ডোরাকাটা…
কথায় ঠোঁটকাটা…
কিন্তু…
ভালবাসায় সেরাটা!!
অর্থঃ তরমুজের উপরের রঙ কোন সমস্যা নয়…ভিতরটা লাল হলেই হলো।
২। ছেলেটি স্যুটপড়া…সাথে টাই,
মেয়েটি জিন্স-টপ্স… হিল হাই।
মেয়েটি অস্থির…চঞ্চল,
ছেলেটি বোকাসোকা…দূর্বল।
মেয়েটি উদ্দম…বন্য,
নয় যে একটুতে ধন্য।
ছেলেটি বোঝেনি মেয়ের মতিগতি…
বিচ্ছেদ-ই এ ভালবাসার পরিণতি।
অর্থঃ ক্যাডেটরা সব সময়েই পাথরায় না!!!!!!!
বিস্তারিত»ভৌত রসায়ন !!!
১
টানা কয়েক দিন গেল প্রখর রৌদ্রের দাপট
চারদিক ছিল দমবন্ধ করা ভ্যাপসা গুমোট।
চৌচির ক্ষেত,শুকনা জলাশয় আর শুষ্ক ঠোঁট
সারি বাধা প্রার্থনারত তৃষিত আত্মার জোট।
মেঘে মেঘে চলে দলাদলি মান অভিমানে
তৃষ্ণার্ত প্রকৃতি প্রতীক্ষারত আকাশপানে!
২
বৃষ্টির ছাঁট এসে লাগছিল হাতে-মুখে
প্রকৃতি এলোমেলো দারুন বাতাসে।
ছাতাখানি ধরে রাখাটাই বুঝি দায়
হাত উঁচু করে আছি আপ্রাণ চেষ্ঠায় ।
টুকরো কথন
১.
ব্লগ লিখতে বসলাম। ব্লগের সদস্য হবার পর থেকেই আকাশদা আর পিন্টুসের কাছ থেকে ব্লগ লেখার তাগাদা পাচ্ছিলাম, কিন্তু ব্লগ আমার মাথায় আসলেও কি-বোর্ডে কিছুতেই আসতে চাচ্ছিল না। আজ পণ করেই বসেছি পিসি-র সামনে, ব্লগ আমি আজ লিখেই ছাড়ব। কিন্তু কি লিখি! অনেক জল্পনা-কল্পনার শেষে তাই ঠিক করলাম- একটা ছবি ব্লগ দেই। ব্লগটা আকাশদা এবং পিন্টুসকে যৌথভাবে উৎসর্গ করছি 🙂
২.
দিহানাপ্পি অনেকদিন হল তেমন সরব উপস্থিতি দেখাচ্ছে না ব্লগে।
শিরোনামহীন কথোপকথন – দুই
– হ্যালু, ক্যা ফুন করছেন?
– হ্যালো, সিরাজ ভাই আমি নাসিমা, ঢাকা থেইকা …
– কিরে নাসিমা? আসোস কেমন? তর ফুন না পাইয়া আমি এইদিকে চিন্তায় পইড়া গেচিলাম।
– বালা আছি। আফনের খবর কি হেইডা কন?
– আমি তো সবসময় ভালাই থাক্কি। তয়, দুকানের কামডা ছাইড়া দিসি।
– হায়! হায়!
বিস্তারিত»বিদ্রোহী [Lyrics] – তৌফিক ও ফয়সাল রদ্দি
বিদ্রোহী /BIDROHI (রাজত্ব /RaJoTTo)- Official Music Video by Towfique & Faisal Roddy) [Ektaar Music Presents]
সারা শরীর তার ঘামে ভেজা সাঝে সে ফেরে ঘরে,
ঋনী তুমি , আমি, আমরা শীত ও তাপ ঘরে,
শূণ্য গোলা তার ফলেনি ফসল তবু মুক্ত হাসি ঝরে,
যান্ত্রিক যাতাকলে পিষ্ট তুমি-আমি হাসি না ভয়ে।
তবু জীবনের ঈশারায় শুধু হেতে যাই-
হাসিহীন জীবনে আধারে হারাই,
সকালের প্রথম রৌদ্র……
সহস্রাব্দের প্রথম সকালে
তুমি এসে ছুঁয়ে দিয়ে গেলে আমাকে আদ্যপান্ত
আছড়ে পড়লে আমার উদল বুকে-গলায়-মুখে
জড়িয়ে নিলে কোমল ছোঁয়ায় উষ্ণ আচল তলে
শেষ রাতে জড়িয়ে ধরা বিছানায় আমি ক্লান্ত
তোমার উত্তাপে খানিকটা বিরক্ত
এই ধ্বংসস্তুপে বর্ষার আকাশের তীব্র রৌদ্রে
ধর্ষিত রমনীর মতোই বিপর্যস্ত সবাই
পূব জানালা থেকে খানিকটা দূরে দেখি প্রতিদিন
পানির ট্যাংকির শরীর বেয়ে ওঠা সবুজ শ্যাওলা
বেচেঁ থাকে তোমার উত্তাপে।
আমাদের নতুন কোচেরা
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড দুইজন নতুন কোচকে চাকরি দিয়েছে বিশ্বকাপে ভালো খেলার জন্য, কিন্তু সত্যি কথা বলতে, এই দুই কোচের নিয়োগ আমার মাথার উপর দিয়ে গেছে।
আরেকটু ভেঙ্গে বলতে গেলে বলি, এটা বিসিবির একটা ব্যাকওয়ার্ড স্টেপ।
ফিল্ডিং কোচ নাকি জুলিয়েন ফাউন্টেন, যিনি আগে বেসবল প্লেয়ার আর কোচ ছিলেন। বেসবলের প্লেয়ারের ক্রিকেট কোচ হওয়া নিয়ে আমার আপত্তি নাই, আপত্তি আছে উনার প্রোফাইল নিয়ে।
বিস্তারিত»মাফিয়া শাসন
আকাশে কালো মেঘ দেখে
চিৎকার করে উঠল আদম মালিক
-“বৃষ্টি হবে, বৃষ্টি হবে”
তিনশত বিঘা জমি পড়ে আছে রাস্তার ধারে
মঙ্গায় খেয়ে গেছে ধান
টানাটানি পড়েছে চারজনের সংসার
‘অমানবিক’!
আমার ঘরে কিছু স্পর্শকাতর মানুষ বাস করে। তারা সামাজিক জীবঃ একা একা চলতে পারে না। থমকে যায়, দু’পা এগোয়, তারপরে থামে আর হোঁচট খায়।
আমার ঘরে কিছু অনুভূতিপ্রবণ মানুষ বাস করে। তারা সাংস্কৃতিক জীবঃ প্রাগৈতিহাসিক সংস্কৃতি ধরে রেখেছে। তারা সংস্কৃতি খায়। মাখে। ঘুমায়। চোষে। আমের আঁটির মতো সংস্কৃতির গায়ে কমলা কমলা মাংস কামড়ায়।
আমার ঘরে কিছু বাঙালি-চেতনায় গাঢ় মানুষ বাস করে।
বিস্তারিত»কালো মেয়ের জন্য ১৩ টি কালো গোলাপ
শোন কালো মেয়ে
তুলেছ ঝড় আমার মনে
কেন চলে যাও হেয়ালী চেয়ে
দুষ্টুমি হাসি লুকিয়ে।
যাও-না তুমি, যাচ্ছ চলে
আবার কেন মুখ ফেরালে
……”যন্ত্র মেয়ের মতোই যান্ত্রিক”..
উত্তাল প্রেমের ঢেউগুলো আমার হৃদস্পন্দন থামিয়ে গেছে
মন ভেসে গেছে অকাল প্লাবনে
কাজ নেই আর ভালোবেসে, সুর তুলি ভাটিয়ালী গানে
মরম সাধন খুঁজে ফিরি বেদনার বেশে
শ্যামা মেয়েও হয়ে গেছে যান্ত্রিক
এই যান্ত্রিক নগরে।
অপু’র তিথি

[এই গল্পের কাহিনী পুরোপুরি কাল্পনিক নয়, কাজেই বাস্তবের কারও সাথে মিলে যাইতেই পারে। খেপে গিয়া আমারে গাইলায়েন না। আমার কিচ্ছু করার নাই] 😛 ;;;
অপুরা নতুন বাসায় উঠেছে খুব বেশিদিন হয়নি। নতুন জায়গা, নতুন বাসা, কাল থেকে নতুন স্কুল-সব মিলিয়ে যার-পর-নাই এক্সসাইটেড অপু। মূলতঃ অপুর বাবা খন্দকার সাহেবের কারণেই সেই টাঙ্গাঈল থেকে ট্রান্সফার হয়ে মানিকগঞ্জ আসা অপুদের। খন্দকার সাহেব বিরাট নীতিবান লোক।
বিস্তারিত»