কেউ যদি প্রশ্ন করে, ফেসবুকের সবচেয়ে মজার টপিক্স বা ফিচার কোনটা? কে কী উত্তর দেবেন জানি না। আমার নিজের উত্তর হবে- একেকজনের বাহারি সব স্ট্যাটাস। কোনোটা মজার, কোনোটা দুঃখের, কোনোটা রাগ কিংবা অভিমানে ভরা, মানে ফেসবুকের অন্য আর সব ফিচারের মধ্যে এর মত বৈচিত্র্য আর কোনোটায় আছে কিনা সন্দেহ। কিছু স্ট্যাটাস তো বোঝাই যায় না সে আসলে কী বলতে চাইতেছে? আবার কোনোটা খোলাখুলি বোঝাই যায় সেই জনাব লোক দেখানো কিংবা ভাব মারার জন্য লিখেছেন ওইটা।
সাপ্তাহিক ২.৪
সিসিবির সাথে পরিচয়ের দুই বছর হয়ে গিয়েছে। নির্দিস্ট দিন তারিখ যদিও মনে নেই, এদিকে সদস্য ডিরেক্টরির আপগ্রেডেশন চলতে থাকায় সদস্য হবার দিন তারিখ ও খুঁজে পাচ্ছি না, তাই ঘটা করে দুই বছর পূর্তি উদযাপন করা হলো না। তবে গত ২-৩ সপ্তাহ যে ব্যস্ততার মধ্যে ছিলাম তাতে হয়ত সুযোগ ও হতো না। আজ অনেকদিন পরে একটু সময় পেয়ে নিজের ব্লগ স্টোর রুমে একটু ঢুঁ মারছিলাম। সেখানে খেয়াল করলাম বিগত ২৩ মাসে মাত্র ৩ মাস বাদে প্রতি মাসে আমার একটা হলেও পোস্ট আছে,
বিস্তারিত»প্রার্থনা-১
আমায় আর কেউ না দেখুক,জানি তুমি দেখছো ঠিকই
আমার বুকের রক্তফেনা তুমি জানো অলৌকিকই
যে ঘুড়িটার সুতো ছিঁড়ে উড়ে গেল মুক্ত হাওয়ায়
কী প্রবল তৃপ্তি জানো,ঘুড়িটা ফের ফেরত পাওয়ায়!
শিউলী বোঁটা ঘসে হলুদ রং করেছি আমার দেয়াল
এ কেবল তুমিই জানো,আড়াল থেকে রাখছো খেয়াল!
অনেক ভেবে দেখলাম আমি এই যে জীবন চারিপাশে
সেগুলো সব নষ্ট হলে কীই বা এমন যায় বা আসে
তাই এবার ঠিক করেছি অসৎ যত নষ্ট ঘুণে
সরিয়ে তাকে পালিয়ে যাবো অনেক দূরের নির্বাসনে
হে দয়াময় ক্ষমা করো ভুল যা ছিল পাপ অপরাধ
আমায় তুমি মুক্তি দিও;পারিনা আর এই অপবাদ
সইতে ভীষণ কষ্ট জানো,এই হৃদয়ের পাপের গ্লানি
তুমিই কেবল মুছতে পারো-আমি কেবল তোমায় জানি!
কলেজ হাসপাতাল (স্মৃতিচারণমূলক অথবা গীবত নির্ভর পোস্ট)
হাসপাতাল জায়গাটা সাধারণভাবে কারোরই খুব পছন্দের জায়গা হবার কথা নয়। মৃত্যুর গন্ধে আচ্ছন্ন মৃত্যুপথযাত্রীদের পাঞ্জা লড়বার জায়গা কারি বা পছন্দ হয়। কিন্তু জগতের অনেক বিষয়ের মত এ জায়গাতেও ক্যাডেট কলেজগুলো অনন্য। হাসপাতাল জায়গাটা ক্যাডেটদের কাছে খুব বেশি অপ্রিয় হবার কারন নেই। বরং ডজার ক্যাডেটদের কাছে তা বেহেশততুল্য। রবিবাবুর ছেলেবেলার মত ক্যাডেটদের শরীর বেয়াড়া রকম ভালো হয়। তারপরেও থেমে থাকে না হাসপাতাল নামক জায়গায় গমন এবং ক্লাশ প্রেপ কিংবা পিটি ফাঁকি মারার সুযোগ নেয়া কিংবা দল ধরে বান্দ্রামি করবার বেহেশতি সুযোগ।
বিস্তারিত»লোডশেডিং
তুমি চাইলেও ভুলতে পারোনা তাকে ।
বারবার তার নিখাঁদ সৌন্দর্য নিয়ে
হাজির হয় সে নিজস্ব ভঙ্গিমায়,
আবির্ভাবের বৈচিত্র নিয়ে–
তোমার সামনে ।
তোমাকে মুক্ত করে দেয় কিছুক্ষণ এই যান্ত্রিক জীবন থেকে ।
অফিসের প্রচন্ড ব্যস্ততার মাঝে বারবার
তোমাকে এনে দেয় কিছুটা দম নেবার ক্লান্ত অবসর ।
কম্পিউটার মনিটরে শেয়ার বাজারের উত্থান-পতন,
সেই সাথে তোমার অসংখ্য ফোনকল –
৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ১১তম পর্ব
আজকের বিষয়ও আগের পোষ্টের মত ভুত বা ভয় দেখানো নিয়ে। তবে এই কাহিনীটা আগেরটার মত নয়, একটু ভিন্ন। তবে জানা যাক কি সেই ভিন্ন কাহিনী।
এই কাহিনীটাও ঘটেছিল সেই ৩১১ নং রুমে। আর রুমের বাসিন্দারাও ছিলাম আমরা চারজনই(এই সিরিজের আগের পোষ্টে দেখুন, জানতে চাইলে)। তবে এবার কাকে গিনিপিগ বানানোর আয়োজন করা হয়েছিল তা এই মুহূর্তে আমার মনে পড়ছে না। তবে মাঠে আরো কিছু নতুন খেলোয়াড় আমদানি করা হয়েছিল।
বিস্তারিত»দ্যা গ্রেটেস্ট , মাই ওন স্টোরি
সর্বকালের সেরা মুষ্টিযোদ্ধার আত্মজীবনী ‘দ্য গ্রেটেস্ট – মাই ওন স্টোরি’ । মোহাম্মদ আলীর জবানীতে লিখেছেন রিচার্ড ডারহাম।
‘কালের কন্ঠ’তে ধারাবাহিক ভাবে অনুবাদ করছি আমি। ভালো হচ্ছে নাকি খারাপ, সেই প্রতিক্রিয়া জানার জন্যে সিসিবিতে দেয়ার লোভটাও সামলানো গেল না! আজ দিচ্ছি ধারাবাহিকের পরের কিছু পর্ব।
(অনেক দিন ফাঁকিবাজি করলাম। লম্বা সময় ধরে এই ধারাবাহিকটার অনেক পর্ব সিসিবিতে দিচ্ছিনা। কাইয়ুম ভাইকে একটা কমেন্টে বলসিলাম সামনে অনেক পর্ব আসতেসে,
একা পাখি>>> শিরোনামযুক্ত [ফেসবুক ভার্সন]
[বোরিং হয়ে যাওয়া ফেসবুকের তরে অসহায় এক পাখির করুণ শোকের অকরুণ আকুতি নিয়ে এবার ব্যান্ড “শিরোনামযুক্ত”-এর ব্যানারে কুখ্যাত (ফ্লপার) বঙ্গানুবিদ ইফতেখার নাঈম এর প্রযোজনায় নির্মিত।
বিঃদ্রঃ মূল গানটি ( একা পাখি ) না শুনে থাকলে এই পোস্ট পড়া নিষেধ]
মিতু
“ওয়াও !!!!! তোমার পিচ্চিটা কিন্তু খুবই কিউট হইছে । কি নাম রাখলা মামনির ??????”
” হুম…আর বইলোনা । সে যত দিন যাচ্ছে , ততই বেশী দুষ্ট হচ্ছে । আর নামের কি আর অভাব আছে ????? ওর বাবা, দাদী, চাচা, ফুফু …সবাই চায় তার দেয়া নামটাই যাতে ফাইনাল করা হয় । আর আমার ইচ্ছা ওর নাম রাখি সুরভী । কিন্তু ওর বাবার আবার এই নাম একদমই পছন্দ না ।
বিস্তারিত»ব্যক্তিগত অপেক্ষাঃ শুভ বিবাহবার্ষিকী
“যেদিন গেলেন পিতা, দেখলাম মা’কে–
জননী আমার নির্দ্বিধায় শান্ত তাঁকে
নিলেন প্রবল টেনে বুকে, রাখলেন
মুখে মুখ ; যেন প্রিয় ব’লে ডাকবেন
বাসরের স্বরে । এখনো আমার কাছে
সেই দৃশ্য সবচেয়ে গাঢ় হ’য়ে আছে !”
(কোন দৃশ্য সবচেয়ে গাঢ় হ’য়ে আছে ?-শামসুর রাহমান)
নাহ, আমি সেই দৃশ্যপটে ছিলাম না।
আব্বা যেদিন গেলেন,
বিস্তারিত»বিনিয়োগকারীরা সাবধান (মাইক্রোপুষ্ট)
১। আমি দূর্বল মৌলভিত্তির হওয়া সত্ত্বেও ইদানিং অতিমূল্যায়িত হয়ে পড়েছি। আমার নেট এ্যাসেট ভ্যালু খুবই নগন্য। পিই খুব বেশি এবং সেই তুলনায় ইপিএস অতি+অন্ত কম। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আপনাদের মার্জিন লোন পাবার সম্ভাবনাও তাই ক্ষীণ। বিনিয়োগের পূর্বে তাই অবশ্যই দেখে নিবেন এই অতিমূল্যায়ন কতটুকু যৌক্তিক এবং এর পিছনে কোন গ্যাম্বলার বড় ভাই, দোস্ত বা ছুড ভাইয়ের হাত আছে কিনা।
২। খুব কাছের অল্প কিছু মানুষের ভালবাসা পেয়ে বেড়ে ওঠা কেউ যদি বুড়া বয়সে হঠাৎ অনেকগুলো মানুষের ভালবাসা ফ্রি তে পাওয়া শুরু করে তার অবস্থা কেমন হয় ??
বিস্তারিত»৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ১০ম পর্ব
সালাম সকল বড় ও ছোট ভাইদের। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আছি মোটামুটি(কথার কথা, আসলে জটিল)।আমাদের এই ব্লগটিতে আমি মোটেই নিয়মিত নই। তার প্রধান কারণ আমার প্রবাসে বসবাস। প্রবাসে চাইলেই যখন-তখন যা ইচ্ছা করা যায় না। যাইহোক মূলকথা হচ্ছে আমি দেশের ছেলে দেশে ফিরে এসেছি। আমার খুব ইচ্ছা এবার ব্লগটিতে নিয়মিত লেখা চালিয়ে যাওয়া। এ ব্যাপারে আপনাদের সকলের সহযোগিতা আমার একান্ত কাম্য(পুরানো কাসুন্দি)।
আমি আমার ক্যাডেট স্মৃতি ছাড়া অন্য স্মৃতি রোমান্থন করতে চাই না(আপাতত)।
বিস্তারিত»মানবতার গান
আমরা মানুষ মানুষের তরে বিলিয়ে যাব যে প্রাণ
হৃদয়ে হৃদয়ে শত প্রাণে আজ উঠুক বেজে এ গান।
আমরা মানুষ মানুষের ব্যথা ঘোচাতে যদি না পারি
শুনেও না শুনি শত মানুষের বিপন্ন আহাজারি
বৃথা হবে এই মানব জীবণ- অপূর্ণ রবে প্রাণ
হৃদয়ে হৃদয়ে শত প্রাণে আজ উঠুক বেজে এ গান।
শত হৃদয়ের দুঃখ বেদনা নিজের হৃদয়ে ধরে
চলে যাব এই পৃথিবীটা ছেড়ে সকলের অগোচরে
মানুষের কাছে নেক আমলের চাই নাকো প্রতিদান
হৃদয়ে হৃদয়ে শত প্রাণে আজ উঠুক বেজে এ গান।
ফেক আইডি সনাক্তকরণের সহীহ্ তরিকা
F ফর Facebook হলেও একটা সময় নিশ্চয়ই সবাই পার করে এসেছেন কিংবা এখনো করছেন যখন F ফর Fakebook মানতে বাধ্য হয়েছেন আপনি নিজেও। Fake ID-র খপ্পরে পড়েন নি, বা এই টার্ম সম্পর্কে একদমই জানেনই না, এমন লোককে ফেসবুক নামের এই সামাজিক ওয়েবসাইটে গুগলায়িত খোঁজ চালিয়েও পাওয়া যাবেনা শিওর। আজকাল ফেক একাউন্ট দিন দিন এতই বেড়ে যাচ্ছে যে মাঝে মাঝে অরজিনাল মানুষরেও ফেক ফেক লাগে।
ব্যক্তিগত রেসিপি – ২
সেই ভোরবেলা থেকে ঝমঝম করে বৃষ্টি ঝরেই চলেছে। মন খারাপ করে সারাদিন বসে থাকবো সে উপায় নেই। সকাল সকাল এত্তেলা, অফিস চলো। ছুটির দিনে অফিস। বসের পিণ্ডি চটকাতে চটকাতে একেকটা রেড লাইট পেরিয়ে চলেছি হঠাৎ হুডতোলা পর্দাঘেরা রিকশায় একটি যুগলকে দেখলাম অপলক দৃষ্টিতে পরষ্পর চেয়ে আছে তো আছেই, আশপাশের বৃষ্টি কাদাজল অ্যাম্বুলেন্স ট্রাফিক পুলিশ ঝাপসা সিগন্যাল বাতি গলগল বয়ে চলা ড্রেন ছলছল ঢাকা শহর, কিছুই যেন আর ওদের বিব্রত করতে পারছেনা।মনটা ভীষণ অন্যমনা হয়ে গেলো।
বিস্তারিত»