অভিনন্দন আমাদের ক্রিকেট দলকে আমাদেরকে আরেকটি জয় উপহার দেবার জন্য, মন খুলে সেলিব্রেট করার আরেকটি উপলক্ষ তৈরী করে দেবার জন্য।
বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের প্রথম জয় সেলিব্রেট করেছিলাম ১৯৯৭ এর আইসিসি ট্রফিতে। সে সময় পুরো দেশ এক হয়ে উদযাপন করেছিল সেই জয়। এরপর আরো অনেক জয় এসেছে। এক একটা জয় ছিল যেন বিশ্ব জয়ের সমান, সেভাবেই আমরা উদযাপন করতাম সেগুলোকে। শুধু আমরা দর্শকরা কেন,
আমরা যারা ইসলাম র্ধমের অনুসারী আছি দাজ্জালের আগমন র্নিঃসন্দেহে একটি তাৎর্পযপূর্ণ ঘটনা।কারন হযরত মুহাম্মদ (সা) বলেন “দাজ্জাল সারা পৃথিবীকে মিথ্যা আর ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে।নবীজি তার বিভিন্ন হাদীসে দাজ্জালের সম্পর্কে বিভিন্ন বর্ণনা দিয়েছেন।দাজ্জালের সর্ম্পকে আমাদের জানতে হলে, তার তাৎপর্য বুঝতে হলে আমাদের মানব জাতির ইতিহাস জানতে হবে।ইসলাম মতে আল্লাহতালা ইচ্ছা পোষণ করলেন দুনিয়াতে তার প্রতিনিধি পাঠাবেন ।এই কথা ফেরেশতাদের জানালে তারা বলল “আল্লাহ এরা তো দুনিয়াতে যাবার পর ফিতনা ফ্যাসাদে লিপ্ত হবে।”
একবার এক পথের কুকুর মাংস করিয়া চুরি,
ভাবিতে লাগিল, চুরির কাজেতে নাই তার কোন জুড়ি।
পথে যেতে যেতে সেতুর পাশেতে পানিতে দৃষ্টি পড়ে-
তার মত এক চোরা-মুখো মুখ জীব পানির ওপাড়ে।
সহসা ক্ষোভের গরম আগুন বয়ে গেল তার মাঝে-
তার মত আরো লোকও কি আছে চুরির এই চারু কাজে?
পেতে যদিবা সে পারত আরেক মাংস টুকরাখানি,
করে বা একটু রক্তারক্তি একটুকু হানাহানি।
ক্লাস নাইন এ আর্টস পাওয়ার পর আমার “বি” ফর্মে আসতে হয়। ক্লাস সেভেন, এইট এই ক্লাসগুলোতে হাউজ ফিলিংস, ফর্ম ফিলিংস এগুলো বেশি থাকার কারণে অন্য ফর্মের পোলাপান গুলারে কেমন কেমন লাগতো। ওই ফর্মে গিয়ে শুনলাম, আমার নাকী খবর আসে, হামিম আমার খবর করবে। টিজ করতে করতে মাইরা ফেলবে একদম ~x(
কিন্তু দেখা গেল ক্লাস প্রেপ টাইম এই সময় গুলাতে “এ” ফর্মে যত না কথা বলতাম,বদমাসি করতাম “বি”
আজকাল আমার মন কেমন করা অসুখ হয়েছে
অসুখ তো সুখ,যখন তখন
বুক চিড়ে বের হয়ে আসে সুদীর্ঘশ্বাস
যখন তখন মনে পড়ে বাল্যস্মৃতি
অতীত থকে কষ্ট এনে বুকের উপর পারদ জমাই
পারদের মতো অস্থির তুমি,বুকে খেলা করা তোমারই মুখ
ইচ্ছে করে যখন তখন তোমার চোখে ওষ্ঠ ছোঁয়াই
কষ্ট হয়;যে কারণে বুকের ভেতর খাঁ খাঁ,ফাঁকা-তাই বুঝি না
দূরে থেকে তোমায় কেমন অচেনা লাগে,চিনতে পারি না
মাঝে মাঝে কেমন একটা স্বপ্ন দেখি,হ্যালুসিনেশনঃ
হঠাৎ হঠাৎ মনে হয় যে তুমি আমার উঠোনে দাঁড়ানো
আমার দিকে চেয়ে তুমি হাসছো,দেখছো-সেই যে তুমি
আমি জানি তা মিথ্যে,তবুও দেখার সময় ভুল বুঝে যাই
সত্যি যদি তুমি একবার এসে আমার জানালায় দাঁড়াও
বিশ্বাস করো,আমার সেদিন অশ্রু হবে না,কান্না হবে না
আমি কেবল তোমার অমন আকুল করা হাসিটা নিয়ে
খুব মায়াময় রূপোর ফ্রেমে বাঁধিয়ে আমি বুকে রাখবো
তোমার ঠোঁটের হাসিটা আমি আঙুল দিয়ে টেনে আনবো
হা হা হাসি,খাঁ খাঁ শূণ্য
তুমি আমার মৃত্যু অতীত জানোনা নারী,কেমন ব্যথা
বিষন্ন বিষ,নীল করে দেয় আমার সর্বশরীর জুড়ে
চোখে আমি ঝাপসা দেখি,তুমি আমার সুদীর্ঘশ্বাস!
বাড়ী থেকে বেড়িয়ে জোরে একটা দৌড় দিয়েও বাসটা ধরতে পারলোনা ইমরোজ। আরো ৫০ গজ বাকী থাকতেই বুঝলো লাল-সাদা রঙের ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ লেখা গড়ীটা তার গতি পেয়ে গেছে। থেমে গেলো ইমরোজ । তাকিয়ে দেখলো দুটো গেটেই সবাই বাদুড়ের মত ঝুলছে। বাসটা ধরতে পারলেও তাতে উঠতে পারতো বলে মনে হয়না। ইমরোজ বাস ধরতে না পারলেও ঠেলা-ঠেলি করে, দাঙ্গা করে উঠতে তার ভালো লাগেনা। সবাইকে ধাক্কা দিয়ে উঠে যাবার মত শক্তি তার আছে।
প্রশ্নটা করে উনি বেশ খানিকটা সময় একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন আমার দিকে, কেমন একটা কৌতুকমাখা নাকি ব্যঙ্গাত্মক এবং প্রশ্নবোধক দৃষ্টিতে, ঠিক বুঝে উঠতে না পারার আগেই স্বতস্ফূর্তভাবেই জবাবটা বেরিয়ে এল মুখ দিয়ে, “যদি আমি রাজি হই?”, ফিক করে হেসে ফেললেন উনি। আর মূহুর্তের মধ্যেই বদলে ফেললেন মুখে ধরে রাখা কোমলতার ছাপটা, আমি কি বুঝতে পারছি, উনার উত্তরটা ঠিক কি আসছে এক্ষুণি??…
হাজার মানুষ- সেই মানুষের হাজার রকম শখ
কেউ হতে চায় প্রকৌশলী কেউ বা চিকিৎসক।
আমার কেবল একটা চাওয়া- মানুষ হতে চাই
মানুষ হওয়ার জন্যে আমি মানুষ খুঁজে যাই।
মানুষ হয়ে জন্ম নিলেই যায় না মানুষ হওয়া
মানুষ হয়েও তাই এ আমার নিঃস্ব হয়ে রওয়া।
মানুষ হয়ে জন্ম তো হয় মানুষ হওয়ার তরে
মানুষ হওয়ার স্বপ্ন কবে জাগবে ঘরে ঘরে?
ইন্টারনেট ব্যবহার করেন অথচ মজিলা ফায়ারফক্স -এর নাম শুনেনি এমন মানুষ সারা দুনিয়ায় নাই, আর এইটা নিয়া কোনো সন্দেহও নাই। ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, গুগল ক্রোম, অপেরা-এগুলা সবই ইউজ করেছি কিন্তু ক্যান যেন মজিলা-র প্রেম ছাড়তেই পারি নাই। আর এই মজিলা-ফায়ারফক্স ইউজাররা প্রায় সবাই-ই আমরা অ্যাডঅন ইনস্টল করতে অভ্যস্ত। কাজের সুবিধার জন্য আমরা বিভিন্ন সময় অনেক অনেক অ্যাডঅন ইনস্টল করি। কিন্তু ফায়ারফক্সেই কিন্তু এর কনফিগারেশন পরিবর্তন করার অপশন রয়েছে।
পাঠ্য বই ছাড়া শুধু নুপুরদা আর জিতু আপুর লেখা কিছু কবিতা – ব্যাস……এই আমার কবিতা পাঠের ইতিবৃত্ত । তাই কিছু লিখতে গেলে খুব ভয় হয়……ছন্দ, অন্তমিল, মাত্রা……কত কী সব আছে যেগুলো কোনদিন ভেবেও দেখিনি । আবার ভাবি……এটা তো আমার ব্লগ । আমাদের ব্লগ । এখানেই যদি মনের কথা না বলি…তাহলে আর জায়গা কোথায় ??????? তাই কিছু মনে হতেই আবার কী-বোর্ডে হাত রাখলাম
সিরাজগঞ্জের শাহাজাদপুরের নাম কে কে শুনেছেন? নিশ্চয়ই অনেকেই জেনে থাকবেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাচারি বাড়ির কল্যানে। জীবনে একবার মাত্র গিয়েছি শাহাজাদপুরে। কাচারি বাড়ির ছবি এখনো চোখে লেগে আছে, কবিগুরুর ব্যবহার করা আসবাব, তাঁর হাতে লেখা চিঠি, কবিতা, আরাম কেদারা, পালকি এসব রয়েছে। কাচারি বাড়ির সাথে লাগোয়া শাহজাদপুর বাজার। সেখানে বাহারি সব লুঙ্গি আর গামছা। হয়তো হাঁট বার ছিল সেদিন, অনেক মানুষ গিজগিজ করছিল। আর কাছেই মিল্কভিটার ফ্যাক্টরি দেখতে গিয়েছিলাম।
আকাশে মেঘের ঘনঘটা, প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য বৃষ্টির অদম্য ইচ্ছা। মেঘের গর্জন শুনেই কিনা সেদিন মনে মনে ঠিক করেছিলাম আজকে বৃষ্টি হলে বেশ করে ভিজে গোসল করব। আমার এই ইচ্ছা নাকি প্রকৃতির কারণেই সেদিন ঝুম করে বৃষ্টি হয়েছিল সেদিন বোধহয়।
আমি তখন একাদশ শ্রেণীর ক্যাডেট। সদ্য ৭ দিনের শিক্ষাসফর শেষ করে ফিরেছি কলেজের গন্ডিময় যান্ত্রিক জীবনযাত্রায়। মনের মধ্যে তখনও উড়ুউড়ু ভাব। এর মধ্যে সেদিনের ঝুমঝুম বৃষ্টি যেন আমার মনের চাঞ্চল্যতা আরও বাড়িয়ে দিল।