বৃষ্টি এখনো হয়, আমি ভিজতে থাকি একা একা,
বৃষ্টির কান্নায় মিশে যায় আমার চোখের জল,
তোমার গুনগুন গানের সুরেলা আওয়াজ আমাকে
এখনো তাড়িয়ে বেড়ায়, খুব কি প্রয়োজন ছিল
দু’জনের দুই ভিন্ন পথ? – নাকি প্রয়োজন ছিল
দুই ভিন্ন পথে যাওয়ার?
সাপ্তাহিক ২.১
ফয়েজ ভাইয়ের সেই যুগান্তকারী পোস্টের মাহাত্ম এত দিনে বুঝতে পারলাম, কি যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে… টাইপ ঘটনা, আমার অবস্থাও এখন পুরোপুরি এক। মন্তব্যের মত পোস্টেও কপি পেস্টের প্রচলন থাকলে আমি শুধু ঐ পোস্টটাই কপিপেস্ট করেই বিদায় নিতাম,
বিস্তারিত»একটা ক্যাডেট বিষয়ক ডকুমেন্টারি (পুরাই এমেচার কাজ): আগে কেউ দেখছেন??
মনটা খুব খারাপ।কিছু করার খুজে পাচ্ছিলাম না।পড়াশোনা কিচ্ছু হচ্ছে না।এদিকে ২২ তারিখ ISSB.সারাদিন ব্যস্ত থাকি,কোচিং করি,রুমে আসি আর ঘুমাই।সময়গুলোও বিরক্তিকর হয়ে গেছে।একমাত্র শান্তি পাই ফার্মগেটে ডিফেন্স গাইডের সামনে দাড়ালে।কোন চিপা থেকে যে ক্যাডট বের হয় বোঝা মুশকিল।তারপর চলে ধুমাইয়া আড্ডা।কোন কাহিনী যে কোথায় গিয়ে গড়ায়…!আজকে অনেক দিন পর ইউটিউব করতে গিয়ে একটা ভিডিও’র কথা মনে পড়লো।কাজটা দিয়েছিলেন আমাদের এডজুটেন্ট স্যার।২ দিনের মাঝে একটা ডকুমেন্টারি বানায়া দিতে হবে।সাব্জেক্ট ক্যাডেট লাইফ।নতুন ক্যাডেটদের প্যারেন্টস দের দেখানো হবে।ভাল ক্যামেরা কিচ্ছু নাই,তার উপর পরপর ২ দিন ই ফ্রীডে।তাও কোন ভাবে কাজটা শেষ করসিলাম।
বিস্তারিত»নিঃশব্দ অনুভূতি
ত্রপাদের বাসাটা ছিলো ঠিক আমাদের গলির শেষ মাথা থেকে দ্বিতীয়টা। তখন আমার বয়স ছিলো তেরো কি চৌদ্দ যখন ওরা এইখানে প্রথম এসেছিলো। আমি বেশ ঘরকুনো ছিলাম তখন। বাসা থেকে বিশেষ একটা বের হতাম না। সেবার শীতে শ্বাসকষ্টটা বেশ ভালোভাবেই ভোগাচ্ছিলো। আম্মু তাই স্কুলে যেতে দিচ্ছিলেন না। আমারও বিশেষ একটা সমস্যা হচ্ছিলো না ঐ ঘরকুনো অভ্যাসটটার জন্য। সকালটা জানালার পাশে রোদে বসে বাসার নীচ দিয়ে ডাকতে ডাকতে যাওয়া ফেরিওয়ালাদের দেখেই কাটতো।
বিস্তারিত»আষাঢ়েঃ একটি দৃশ্যভিত্তিক গল্প
আষাঢ় মাস চলে গেলে নাকি আষাঢ়ে গল্প জমে ভালো। আমিও তাই বলি, দিনক্ষণ মেনে গল্প বলতে বসলে কি চলে? আমরা কতো ব্যস্ত মানুষ, সেলিব্রেটি, এটা দেখতে হবে না! আমাদের সারাদিন কতো কাজ থাকে, আমরা ঘুরি ফিরি খাই দাই, দুপুরে ঘুমাই ভাতঘুম থেকে উঠে সন্ধ্যার খবর দেখি আর সন্ধ্যাতারা খুঁজে চোখ ট্যারা করি (ঢাকা শহরে তারা দেখা যায় না, এমন ধোঁয়া আর ধুলা!)। সেই ট্যারা চোখে কি জানি আবোল তাবোল দেখি আর ভাবি যা দেখতেছি সবই ঠিক,
বিস্তারিত»এক ডজন অনুকাব্য (পুরা)
হাত নিশপিশ করছিলো লেখার জন্য। কিন্তু গত কিছুদিন ঝড় গেছে মোটামুটি। হ, কক্সবাজার গেছিলাম। ব্যাপক ঝড় বৃষ্টি ছিলো। ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত। ফিরে এসে আজ একটু ফ্রী হলাম। তাই এটাকে কামব্যাক পোস্ট বলা যেতে পারে(এক চাপাবাজি আর কয়বার করা যায়, তয় মুসলমানের এক কথা)। কয়েকটা গল্প ভেবে রেখেছি(এটাও একটা গল্প)। আগামী কিছুদিনে লিখে ফেলব আশা করি। আপাতত অনুকাব্য…আগে দেখেছি অনুকাব্যের সবাই খালি ভুল অর্থ চিন্তা করে তাই এবার বোঝার সুবিধার্থে সঠিক ও নির্ভুল অর্থ সহ 😕 ।
বিস্তারিত»শিরোনামহীন ব্লগর ব্লগর
১। গত এক বছরে এই নিয়ে দুইবার বাসা বদল করছি। গত বছরের অক্টবরে একবার করলাম। মেয়ে যেহেতু নভেম্বরে হবে তাই এক বেডরুমের বাসা ছেড়ে দুই রুমের বাসায় উঠলাম। কিন্তু নতুন বাসা নেবার সময় চিন্তাভাবনা না করেই ডুপ্লেক্স স্টাইলের দোতলা বাসা নিয়ে খেলাম ধরা। গত এক বছর ধরে সিড়ি বেয়ে উঠতে নামতে বিরক্তি ধরে গেছে। কানে ধরছি, আর দোতলা বাসা না। পিচ্চিও ইদানিং চান্স পেলেই সিড়ি বেয়ে দোতলা উঠে যায়।
বিস্তারিত»শিশু বিকাশের স্বাভাবিক পর্যায়সমূহঃ
” The infant is a growing action system.” -(Gesell)
মাতৃগর্ভে ভ্রূনের আগমনের সাথে সাথেই যে প্রতি সেকেন্ডে সেকেন্ডে মানবসন্তানের বৃদ্ধি ঘটে সে ব্যাপারে আমরা সবাই কমবেশী জানি। তাই এতো বিজ্ঞ আলোচনায় আমরা না যাই। প্রাকজন্ম বৃদ্ধির ব্যাপারে আমাদের ডাক্তার আপা এবং ভাইয়েরা ভালো লেকচার দিতে পারবেন, আমি জন্মপরবর্তী বৃদ্ধি বা বিকাশ নিয়ে কিছু তথ্য দিচ্ছি। যারা বর্তমানে ১-৫ বছরের সন্তানের মাতা-পিতা বা ভবিষ্যতে হতে ইচ্ছাপোষন করছেন তাদের জন্য এই পোষ্টটি বিশেষভাবে প্রয়জন হবে বলে আমার ধারনা।
বিস্তারিত»ব্রেকফাস্ট
“খোকন, নাস্তা খেয়ে যাও, পরাটা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে” – মা ডাকলেন নীচের রান্নাঘর থেকে।
আমি তখনো দো’তালায় আমার ঘরে শুয়ে। ঘড়িতে দেখলাম সকাল প্রায় ৯ টা বাজে। কলেজের বন্ধে বাড়ীতে এসেছি। সকালে উঠে পিটি করার ঝামেলা নেই। তবু অভ্যাস মতো সকালেই ঘুম ভেঙ্গেছে। ভাল লাগছিল – কিছু না করে বিছানায় শুয়ে শুয়ে গতকাল বিকেলে সিনেমা হলে দেখা নাম না জানা সেই মেয়েটার কথা ভাবতে।
বিস্তারিত»স্মৃতির ডাটাবেইজ
আমার শৈশবের সবচেয়ে পুরনো স্মৃতি কোনটা ? স্মৃতির ডাটাবেইজ-এর প্রথম এন্ট্রি …
বাসা বদল হচ্ছে, শিলা আপাদের বাসার সামনে একটা রিক্সা থামল, রিক্সা থেকে নামার সময় দুধ ভর্তি জগ উপুড় হয়ে পড়ে গেল, ছলকে পড়া দুধ গড়াচ্ছে …
হ্যালো বাজান
মাও মাও, ক্যামন আছ
ভাল আছি বাবা
আচ্ছা মা, আমরা শিলাপা’দের বাসায় আসলাম কত সালে ??
তাতো মনে নাই বাবা …
বেকার
হাঁটছি আমি একলা পথে
এবড়োথেবড়ো রাস্তা জুড়ে
মানুষভর্তি এই শহরে
রোদমাখা এই ভরদুপুরে
সূর্যটার আজ কি যে হল
মানছে না তো কোন বারণ
ইচ্ছেমত জ্বলছে শুধু
জ্বালাচ্ছে-ও ইচ্ছে মতন
শুভ জন্মদিন প্রিয় মাজহার ভাই
আমার খোমাখাতা আজকাল বড্ড অসহ্য হয়ে উঠেছে। আমি না থাকলে এই পান্ডুলিপি কে লিখে যাবে? তা নিয়ে ভাবছিনা, বরং আমাকে জ্বালায় বন্ধুতালিকার একজন একজন করে চলে যাওয়া। এ এমনই এক যাত্রা, না ফেরার দেশে যাত্রা। কি এমন বয়স, এভাবে না বলে চলে যাওয়া প্রিয় মানুষগুলো তাই বড্ড জ্বালাতন করছে। কদিন পর পরই খোমাখাতা জানান দিচ্ছে এরা নিষ্ক্রিয়, এদের আবার জাগাও। কে বলে মাজহার ভাই জেগে নেই,
বিস্তারিত»আলো অন্ধকারে যাই…

…We all carry these things inside that no one else can see.
They hold us down like anchors, they drown us out at sea…
না হয় আমি তুচ্ছ আর তুমি গুরুত্বপূর্ণ, তা বলে কি আমার হৃদয় নেই? হৃদয় কোথায় থাকে তা তো তুমিও জানো না। যদি বলো আমার হৃদয় নেই, তাহলে তোমারও হৃদয় নেই। তোমার কেবল একটা হৃৎপিণ্ড আছে যা খালি ধুকপুক ধুকপুক করে রক্ত পাম্প করছে;
বিস্তারিত»খুকি ও পরী
চুপ ক’রে চাঁদ দূর গগনে
মহাসাগরের ক্রন্দন শোনে,
আর আমি শুনি নূপুরের নিক্কন ধ্বনি
যারিই ছন্দে দুলছে এ অবনী।
মা-গো তুমি কি সেই পরীটি-
রোজ রাতে যে নেচে নেচে যায়?
তুমি কি মা সেই পরীটি-
আদর করে যে আমায় ঘুম পাড়ায়?
মা-গো তুমি কি সেই মানসী-
যার হাসি আমার ভুবনে আলো ছড়ায়?
তুমি কি মা সেই মানবী-
আমার কষ্টে যে নীল হয় বেদনায়?
ঢাকা শহরে সিএনজিতে সুলভে চলাচলের কিছু পদ্ধতি
বাংলা ব্যাকরণে আমি যে মহা ওস্তাদ ছিলাম তেমন দাবি করবো না কিংবা সেই জিনিসটার প্রতি আমি যে খুব দুর্বল তেমন দাবি করাটাও অমূলক হবে। তারপরেও ব্যাকরণে পড়া একটা টার্ম আমার কানে বেশ বাজে। সেটা হলো রূঢ়ি কিংবা রূঢ় শব্দ। সেটা যতটা না ব্যাকরণ কিংবা ভাষার প্রতি দরদ বোধে তারচেয়ে ঢের বেশি এক বড় ভাইয়ের দেয়া উদাহরণে। কারণ তিনি হঠাৎ করেই আমাকে এই জাতীয় লেটেস্ট শব্দটি জানতে চান।
বিস্তারিত»