ক্লাস টেনে থাকতে কলেজে ফিজিক্স এর এক স্যার আসলেন রংপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে। তিনি ক্লাস নিলে পুরা কলেজ থেকে সে আওয়াজ শোনা যাবে এমন অবস্থা। তার একটা নাম হয়ে গেল অমায়িক স্যার। মানে যার কথা বলতে মাইক লাগেনা।
ক্লাস ইলেভেন এ থাকতে আসলেন আরেক স্যার, ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ থেকে। ইনিও ফিজিক্স এর। তিনি ক্লাস নেয়া শুরুর পর প্রথম স্যার ক্লাসে এসে হেসে বলতে লাগলেন –
একটি জন্মদিন সংক্রান্ত পোস্ট
বিখ্যাত লোকের সংগে কোন কিছু মিলে যাওয়ার অনেক মজা। আমার এক ভাইয়া, চেহারা একদম অনিল কাপুরের মত, অনিল কাপুর তখন আবার বম্বের হিট নায়ক, মাধুরীর সংগে তার হট হট হিট হিট সব ছবি বেরুচ্ছে, আমরা গোগ্রাসে গিলছি। এক দো তিন, চার পাচ ছয় সাত ……… নাম্বার কাউন্টিং এর গানটা দেদারছে বাজছে হোটেল-রেস্তোরায়, মাধূরী পোস্টার দেদারছে সাটা পড়ছে আমাদের মত উঠতি যুবকের রুমের দরজার উলটো দিকে।
বিস্তারিত»নিরর্থকাব্য
সকালে যখন আবছা ময়লাটে নীল পর্দার পেছনে রোদের হাট বসে,
একটা তুমুল সিনেমা শুরু হয় তখন এই ঘরে
তেমন একটা আলো এসে পৌঁছায় না।
নীল নীল আবছা ঘুম জমে থাকে এখানে।
আর আমি পাশ ফিরে শুয়ে উল্টে যাই, পাল্টে যাই একটু, মাত্র এক অথবা দুই ইঞ্চি।
তারপরে জানালায় নিবিড় হয়ে মিশে থাকা
সবুজ পাতার ডাল নড়ে ওঠে, কেঁপে ওঠে এবং আমিও ঘুমের ঘোরে কেঁপে উঠি।
কল স্ক্রিনিং!!
আত্মীয়তার সম্পর্ক থাকা স্বত্ত্বেও আমরা ছিলাম বন্ধুর মতন। না! বন্ধু না, তার চেয়েও বেশি। নিজেদের মাঝে সব কিছু শেয়ার করতাম। ক্লাস, পরীক্ষা, বন্ধুদের সাথে ঝগড়া বা আড্ডা, পছন্দ-অপছন্দ…সব কিছু। এমনকি, একে অন্যের বন্ধুদের নিকনেম পর্যন্ত জানতাম। আমার জন্য সবচেয়ে কষ্টকর ছিল যখন কোন মুভি দেখে তার গল্প বলত। কারন, ‘ওর’ স্বভাব ছিল এক্কেবারে খুঁটি-নাটি সব শোনানো। হয়ত অনেকেই হাসবেন, তবুও বলি- এমনকি, মুভির গানের অংশে গান গেয়েও শোনাতো!!
বিস্তারিত»টুকিটাকি ছন্দ, হবে কি পছন্দ ?
১.
ও পাড়ার নিতিশ এ
করে দুর্নীতি সে
পুছেনাকো কারো কথা
কারো ভয়-ভীতি সে
কিছুদিন থেমে শুরু
করে যথারীতি সে।
২.
দিলাম তোমায় মন দেহ
করছো তবু সন্দেহ ?
৩.
যার উপদেশে ভেসে গেল এই দেশটা
নাম তার হলো সরকারি উপদেষ্টা