গত কিছুদিন আগে হয়ে গেলো মালয়েশিয়াতে সিসিবি সমাবেশ ২০১০।
২ দিনের সমাবেশে হাজির ছিলেন
আমাদের সবার প্রিয় মইনূল ভাই(ককক,৯২-৯৮),ফররুখ ভাই (মকক,৯২-৯৮),মিশেল (সকক,৯৪-০০),মুক্তাদির (ককক,৯৪-০০),মেহেদী (বকক,৯৫-০১) এবং লেখক।
তার কিছু ছবি দেয়া হলো ।
ফেব্রুয়ারী চলে গেল
জীবন বদলে যাচ্ছে ধীরে ধীরে।
মাঝে মাঝেই পুরোনো লোকের সংগে, বন্ধুদের সংগে দেখা হয়ে যায়। পুরনো আনন্দে মেতে উঠি। এইতো কিছুদিন আগে আজাদ আর রকিবুল এলো চিটাগাং, রকিবুল আবার আহ্লাদী ভাবে আবদার করে ফেললো, “দোস্ত লইট্টা মাছ খাব” আর আমিও পুরোনো স্বরে বলে ফেললাম, “হালার পুত, পাছায় লাত্থি মাইরা সিদ্ধ কইরা ওই গোস্ত তোরে রাইন্ধা খাওয়ামু। লইট্টা খাইতে চায়?“ রাতে আড্ডা, কে বলবে আমরা পয়ত্রিশ পেরুনো মানুষ।
বিস্তারিত»বক্ররেখায় প্রস্থান
“উফ, একটুর জন্য ম্যচটা হাতছাড়া হয়ে গেল”-বলছিল রাসেলের টিমমেট তারেক। তারেকের দিকে এক পলক তাকিয়েও দৃষ্টি সরিয়ে নিল রাসেল। মনটা তার একটু বেশীই খারাপ। এই টুর্নামেন্টের জন্য তার ২ টা পরীক্ষা মিস হয়ে গেছে। তার উপর এই টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ স্কোরারও সে, তারপরও ফাইনালে তার জন্যই কিনা দল হেরে গেল! শেষ ৫ সেকেণ্ডে ফ্রি-শুট পেয়েও স্কোর করতে না পারায় তারা হেরে গেছে ৭৮-৭৭ পয়েন্টে।
‘খুব একা একা লাগছে,
জীবিত বা মৃত ব্যক্তির সাথে কোনো মিল নাই কিন্তু
১.
আলফ্রেড হিচকক মশাই জীবনে একটাই কমেডি বানাইছিলেন। ১৯৪১ সালে মুক্তি পায় মি. অ্যান্ড মিসেস স্মিথ। কঠিন ভালবাসা দুই জনের মধ্যে। একদিন তারা আবিস্কার করলো তিন বছর আগে তারা যে বিবাহ করেছিলেন, সেইটা বিধিমত হয় নাই। নতুন কইরা যখন বিবাহের কথা উঠলো, বাইকা বসলো মিসেস স্মিথ। সে নাকি কোনো অবস্থাতেই এই ছেলেরে আরেকবার বিয়া করবো না।
সিনেমাটা দেইখা একটু ভাবিত হইলাম। মনে মনে চিন্তা করলাম,
আইনজীবি সনদ পরীক্ষা, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১০ – অভিজ্ঞতা
গত ২৬ ফেব্রুয়ারী ছিল আমার আইনজ়ীবি হবার পরীক্ষার প্রথম ধাপ, মানে লিখিত পরীক্ষা। (যারা এখন জানেন না তাদের জ্ঞ্যাতার্থে আবার বলছি, আমি কিন্তু সোজা বাংলায়……উকিল হতে যাচ্ছি…মানে ধর আর :duel: আর কেউ আছেন ভাই? একটু জানান দিয়েন)
তো যা বলছিলাম, পরীক্ষার প্রস্তুতি, কলেজ থেকে পাওয়া বাজে অভ্যাস মত, এক মাস আগে শুরু না করে শুরু করলাম এক সপ্তাহ আগে। পড়তে বসে বুঝতে পারলাম,
বিস্তারিত»সিসিবি/ক্যাডেট সমাবেশঃ অটোয়া চ্যাপ্টার
মাঝে মাঝেই সিসিবিবাসীদের নানান আড্ডা-গেট টুগেদারের বর্ণনা আর ছবি ব্লগ দেখে বড় কষ্টে দিনাতিপাত করি আমরা অভাগা প্রবাসীরা। এর উপর আবার কলেজের বন্ধুরা দেখি ফেসবুকের গলি-ঘুপছি ভরিয়ে ফেলে সমাবেশ আর ভ্রমণের ছবি দিয়ে। চিক্কুর দিয়া কাঁদতে ইচ্ছা করলেও নিজেকে সান্ত্বনা দেই এই বলে, “বাছা তোর নাম্বারও আসবে একদিন।” নিজে যদিও তিন-তিনটে গেট-টুগেদারের প্রত্যক্ষ-স্বাক্ষী ছিলাম; কিন্তু জনবল কম থাকায় জনগণ কেমন যেন মিচকা হাসি দিছে ঐগুলা দেখে।
বিস্তারিত»

