সে আমার নয়, ছিলো কি কখনো?
প্রেম এক বহমান নদী, বাঁকে বাঁকে যার
অসংখ্য পুরুষ – নারীর জন্য
আসংখ্য নারী – পুরুষের জন্য।
বাঁক থেকে বাঁকে তারা ছুটে ছুটে যায়।
পুরুষ ছুঁয়ে যায় কত নারী,
নারী স্পর্শ নেয় কত পুরুষের!
গতকাল ইতিহাস আজ, আগামী রহস্যে ভরা
কিন্তু বর্তমান আমার আশীর্বাদ।
তুমি আজ অন্যের বাহুডোরে,
কিন্তু জেনে রাখো,
ছোটবেলার ঈদ কিংবা বড় বেলার কম্পু দিন
“আজ ঈদ, মদীনার ঘরে ঘরে আনন্দ”- কোন একটা ছোট ক্লাসের বাংলা বইয়ের এই লাইনটা সম্ভবত আমাদের অনেকের ছোটবেলার ঈদের সবচেয়ে উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন। ঈদের আগের সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার জন্য ব্যস্ততা, সকাল বেলা গোসল শেষে নামায আর তারপর বাড়ি বাড়ি ঘুরে ঘুরে সালাম আর সেই সাথে সালামীর ভাগ। আর কোরবাণী ঈদের সময় পশু নিয়ে আমারা ছোটদের ছোটাছুটি মাঝেমাঝে বড়দের ব্যস্ততাকেও ছাড়িয়ে যেত নিশ্চিত। এত এত ব্যস্ততার মাঝে তখন বুঝতে পারিনি কিন্তু এখন নিশ্চিত কলোনী কিংবা গ্রামের বাড়িতে করা সেইসব ছোটবেলার ঈদ স্মৃতির দৌড়ে এগিয়ে থাকবে বহুদূর।
বিস্তারিত»বন্ধু, চিনে নিও
তোমা-আমায় বন্ধুত্ব জমছে দারুন ভালো
তোমার হাসি আমার প্রানে ছড়ায় রঙিন আলো
যখন তুমি সঙ্গে থাকো, দারুন হাসাহাসি
অযুত নিযুত কোথা মোদের,কত্তো রাশি রাশি
তোমার আমার দুষ্টুমি তে দুলছে চারিপাশ
সূর্য প্রথম শুকায় যেমন শিশির ভেজা ঘাস
গল্পে দুজন মেতে উঠি, যখন আসি কাছে
একটুখানি, সারাদিনের ব্যস্ততার ই মাঝে।
ঈদ মোবারক…
বরাবরের মতই এই মাস্ফ্যুর ঘাড়েই দায়িত্ব পড়ছে ঈদের দিনেও সিসিবির ইঞ্জিনটা চালু রাখার।গরু এইমাত্র কোরবানি দিয়া আসলাম-ভাই বোন যারা যেইখানে আছেন সবাইকে ঈদ মোবারক…ঈদের দিনে যারা সিসিবিতে ঢুঁ মারবেন কষ্ট কইরা একটু পদচিহ্ন রাইখা যান এইখানে…
বিস্তারিত»গরুর কথা
কলেজ থেকে বের হলাম প্রায় দেড় বছর হয়ে গেল…। কলেজ থেকে বের হবার আগে ক্লাসমেটরা কলেজ থেকে বের হওয়ার পর কি আমরা কলেজ কে মনে রাখবো কিনা বা কতদিন মনে থাকবে এই নিয়া অনেক কথা হতো। যেমন অনেকে বলতো কলেজ থেকে বের হবার ২/১ মাস পরই সব খতম। আমরা সব ভুলে যাবো।
আজকে ১.৫ বছর হয়ে গেল, কেউ ভুলতে পারেনাই বরং আরো বেশি করে কাহিনী মনে পড়ে।
ঈদ কুরবানী নিয়ে বিরক্ত জনৈক ব্যাক্তির দিনলিপি : (উৎসর্গ ঈদ উৎসবে গরু ছাগলের সাথে কুরবানী হওয়া সকল দ্বিপদী মানব মানবীদের)
[ঈদ চলে আসল উৎসবের আমেজ নিয়ে। ছোট বেলায় যখন ঈদ উৎসব নিয়ে রচনা লিখতাম ঈদের আনন্দে মোহবিষ্ট হয়ে গিয়ে যা করি আর যা করতে চাই সব কিছুকে চালিয়ে খাতার মাঝে এক জগত তৈরি করে ফেলতাম। নিজের রচনা নিজেই পড়তে পড়তে অদ্ভুত ভার্চুয়াল সুখে মেতে উঠতাম। সময়ের আবর্তনে এখন যখন একটু দেখি চারপাশে বাস্তবতার আঘাতে সেই আনন্দ হারিয়ে যেতে চায়। কুরবানীর ঈদকে অনেকে বলে বড় ঈদ।
বিস্তারিত»দিনলিপি : উৎসবের মাঝে আমিত্বের আত্নত্যাগ স্বরণে
উৎসব উৎসব ভাবে চারদিক ছেয়ে গেছে আর বাই প্রোডাক্ট হিসেবে আছে গোবরের গন্ধ। গরু ছাগল উট ইত্যাদি ইত্যাদি। সকালে ছোটভাই এর সাথে একটা গবেষণা করলাম। কুরবানী করা যায় এইসব প্রাণীর ক্রাইটেরিয়া কি? মুরগী বা গাধাকে কেন বাদ দেয়া হবে ইত্যাদি।
উৎসবের প্রয়োজন মানব জীবনে কতটুকু সেটা আমি জানি না। সেটা ভ্যালেন্টাইনস ডেতে হুড তোলা রিকশায় লিপস্টিক দিয়ে রাঙ্গানো ঠোট চোষা বা ভরপেটে প্রাণীজ আমিষ খাওয়ার উপলক্ষ তৈরী করে দেয়া নাকি কোন সমাজতাত্বিক কারন আছে পৃথিবীজুড়ে উৎসবের দিনক্ষণ করার জন্যে।
বিস্তারিত»খুচরো কথা-২
১।
জানালার ধারে বসে আঁধফালি চাঁদটা দেখছি খানিকক্ষণ। রুমের সাথে সাথে রাস্তার বাতিগুলোও নিভে গেছে; সম্ভবত বৈদ্যুতিক গোলযোগ; একটু অবাক হবার মতোই বৈকি। উত্তর আমেরিকার এসব দেশগুলোতে লোডশেডিং প্রায় নেই বললেই চলে, অন্তত আমার ক্ষুদ্র প্রবাস জীবনে এমনটি এই প্রথম। ভালোই লাগছে, ঘুঁটঘুটে অন্ধকারের মাঝে বসে মেঘের আড়ালে চাঁদের লুকোচুরি খেলা; এভাবে যে অনেকটা কাল চাঁদের নরম আলোয় গা ভেঁজ়েনি। ফুড়ুৎ করেই মনটা আবার উড়াল দেয় পেছন পানে।
সাপ্তাহিক ১৮
গত সাপ্তাহিকে সবার দোয়া চেয়েছিলাম যাতে পরবর্তী পর্ব ছুটিতে বসে লিখতে পারি। এর মাঝে ছুটিতে শেষ করেও ফেলেছি, কিন্তু লেখা হয়নি। ছুটিতে বিভিন্ন মহল থেকে আমার প্রতি অভিযোগ তোলা হয়েছে আমি নাকি তাদের থেকে ব্লগকেই বেশি সময় দেই। এ অভিযোগ থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে ছুটির মধ্যে রাতে অল্প কিছু সময়ের জন্য ঢুঁ মারা ছাড়া ল্যাপটপ চালুই করি নাই বলা যায়। ছুটি শেষ করেই আবার অফিসের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি।
বিস্তারিত»দৃষ্টিনন্দন দৃষ্টি
আব্বার হঠাৎ করেই চোখে ছানি পড়লো। ৫৫ বছর বয়সে বার্ধক্য ভর করেনি। এখনো আব্বা অনেক কর্মঠ এবং সার্ভিসে আছেন। কোন অসুখও নেই এবং এমন হয়নি যে কোন অপারেশন বা সিরিয়াস সিকনেসের কারনে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। ছানি আরো বেশি বয়সে হয় সাধারণত। কিন্ত আব্বার হঠাৎ করেই এবছর প্রব্লেম ধরা পড়লো এবং খুব দ্রুত ছানি ম্যাচিউরড হয়ে গেল। সামান্য দূরত্বেও মানুষ আইডেন্টিফাই করতে সমস্যা হয়। অনেকেই হয়ত ভাবে দেখেও কথা বললোনা তাই একটু বিব্রতকর বটে।
বিস্তারিত»শুধু তোকে নিয়ে লেখা
তুই আর আমি,
যত বাঁদরামী
চিরকাল দুজন একসাথে,
যা হবে হোক
তোর আমার ঝোঁক
দুষ্টামী হাত রেখে হাতে।
হাতছানি
যতদূর এই চোখ চলে যায় নীল ,নীল শুধু নীল
দিগন্ত জুড়ে উড়ে চলে যেন এক ঝাঁক গাংচিল
শতযুগ ধরে পথে পথে মোরা করেছি অণ্বেষণ
শপথ নিয়েছি,সাগরের খোঁজ করে যাব আমরণ
আজকে যখন শুনতে পেয়েছি সমুদ্র দিল ডাক
না হয় সবাই ভুলবো বারণ বন্ধণ ছিঁড়ে যাক
আমার দু’চোখ উপড়ে ফেলে অন্ধ করে দিও
আমার দু’চোখ উপড়ে ফেলে অন্ধ করে দিও
হৃদয়টাকে হিঁচড়ে টেনে শূণ্য করে দিও
বোধের ঘরে নষ্ট ঘুণে
পুড়িয়ে দিও নীল আগুনে
জ্বালিয়ে দিও অস্থি-মজ্জা যেটুক থাকে বাকি
পারলে দিও নির্বাসনে একলা যেন থাকি!
কেউ যেন না পায় এ আমার নীরব প্রেমের জল
কেউ যেন না হয় আর অমন হঠাৎ বিহবল
তোমার প্রেমের অনন্তলোক
আমার আকাশ নিবদ্ধ হোক
কেবল যেন তোমায় আমি দেবী বলে মানি,
৩৬ দিনের দেশ- ০১
ইয়ে, যেহেতু সবাই ভুলে গেসে সামিয়া হোসেন কে ছিল, তাই আগের ব্লগটার লিঙ্ক দিয়ে দিলাম।
৩৬ দিনের দেশ
যশোর রোড ধরে আগাতে আগাতে আগাতে আগাতে একসময় আমরা কলিকাতায় পৌছে গেলাম। কলিকাতা, …আমার অঞ্জনের চোখ দিয়ে দেখা কলিকাতা। আপনি যদি কখনো অঞ্জনের ‘নিয়ে যা’ গানটা না শুনে না থাকেন, তবে অতি অবশ্যই শুনে ফেলবেন।
তিনশ বছরের পুরনো শহর এই কলকাতা।
বিস্তারিত»আমরা কি পারব ?
( আমার পিতার বাইপাস অপারেশন গত ০৩ অক্টোবর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে তা জুনায়েদ এর লেখা থেকে আপনারা অনেকেই জ়ানেন। আপনাদের দোয়া তে এবং আল্লাহর রহমতে তিনি সুস্থ আছেন। আপনাদের সকলকে আমার পিতার সুস্থতা কামনার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আমি ভাবলাম, আমার অনুভূতি/ উপলব্ধি আমার আপনজন এর সাথে শেয়ার করব। তাই এ লেখার চেষ্টা । ভুলত্রুটি মার্জনা করবেন।)
আমার বাবাকে যখন অপারেশন এর জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে,
বিস্তারিত»