বাজেট, সাদা-কালো টাকা আর মামলার গল্প

১.
১৯৯৬, সাল অনেক দিন পর আবার ক্ষমতায় আওয়ামি লীগ, হাসিনা আপা মন্ত্রী খুজছেন। প্রায় সব মন্ত্রনালয়ের লোক পাওয়া গেছে, বাকি শুধু অর্থমন্ত্রী । তো ইন্টারভিউ বোর্ড বসল, তোফায়েল, আমু, রাজ্জাক আর আপা নিজে। একেক জন আসে, আপা খালি একটা প্রশ্ন জিগায় … ” কনতো মিয়া, ৪ যোগ ৪ কত ? ” সবাই বলে, আপা, এইডা তো সবাই জানে, ৮। আপা মন খারাপ করে বলেন –

বিস্তারিত»

উন্নয়নের গল্পঃ নিও-লিবারেলদের আজাইর‌্যা প্যাচাল বনাম বাস্তবতা

ডিস্ক্লেইমারঃ ১। অনেকদিনের ইচ্ছে ছিলো সিসিবি’তে উন্নয়ন-বিষয়ক একটা লেখা দেওয়ার। নানা ঝামেলায় তা আর হয়ে উঠছিলো না। আর ক’দিন ধরে এটা লিখতে গিয়ে বিশাল ঝামেলায় পড়েছি কি লিখবো আর কি বাদ দিবো তা’ই নিয়ে। ফলে অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনেক বড় হয়ে গেল লেখাটা। তাই আপাতঃত তিন পর্বে এটা সিসিবি’তে পোষ্ট করবো।

২। এই লেখা বোঝার জন্য এন্টেনা আবশ্যক। 😀

বর্তমানে উন্নয়ন বিষয়ক প্রায় সকল আলোচনায় ‘সুশাসন’কে উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে ধরে নেওয়া হয়।

বিস্তারিত»

স্বপ্নপূরণ……….অতঃপর কেম্নে কি??!!

আজকে একটা দিন গেল বটে। অসম্ভব রকমের গরমের মধ্যে অফিসের কাজে জীপে (নন-এসি অবশ্যই) দু’শ কিলোমিটার পাড়ি দেয়া খুব একটা আরামের কিছু না। তবে যাত্রা শুরু করার পর নিজের অজান্তেই একা একা মিটমিট হাসতে লাগলাম। আমার যাত্রাপথে ঝিনাইদহ পড়বে। ১৫ টা মিনিট সময় কি পাওয়া যাবে না? অবশ্যই যাবে। যেই ভাবা সেই কাজ। সহযাত্রীদের বিশ্রামের সুযোগ দিয়ে প্রবেশ করলাম সেই গেট দিয়ে যেটা পার হলে আজ ২০ বছর পরেও মনে হয় এখনও ক্যাডেট আছি।

বিস্তারিত»

ফারজানার জন্য কনসার্ট

ক্যাডেট ফারজানার জীবন বাঁচাতে সাহায্য করুন
আপডেটঃ
আগামী ২৫শে জুন সন্ধ্যা সাতটায় এমেক (AMEC-Association of Mymensingh Ex-Cadets)’র উদ্যোগে মারণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজের মেধাবী ছাত্রী ক্যাডেট ফারজানার জন্য কনসার্টের আয়োজন করা হয়েছে। একদফা চিকিৎসা শেষ করে ফারজানা বাংলাদেশে আসলেও তার আরো কয়েকবার কেমো দেয়া বাকি রয়েছে, এবং সেজন্যে এখনো বেশ কিছু টাকার প্রয়োজন। সেই চিন্তা থেকে এমেক এই কনসার্টের আয়োজন করেছে ক্যাডেট কলেজ ক্লাবে।

বিস্তারিত»

এই লেখাটা পাক মন পেয়ার আর দাদা ভক্তদের জন্য

০।
কাইয়ূম ভাই আর কামরুল ভাইয়ের খোঁচা খেয়ে ঠিক করেছিলাম, যতদিন না এই সিসিবিতে একটা গল্প লিখে প্রথমে পোস্ট করতে পারছি ততদিন আর সিসিবিতে কোন লেখা দিব না। কিন্তু আমার এই কথা শুনে হয়ত সাত আসমান উপর থেকে একজন হাসছিলেন আর বলছিলেন- রোসো বাছা, এইবার একটু মজা দেখ। তাই গতকাল রাতে আর দিনে কয়েকটা ধমুন্ধার কান্ড ঘটে গেল। সারাদিন জার্নি শেষে ক্লান্ত আমি নেটে বসেই দেখি ফেসবুকে শুরু হয়ে গেছে যুদ্ধ,

বিস্তারিত»

দি অ্যাক্সিডেন্টাল ওটার – শেষ পর্ব

আব্বাস কিয়ারোস্তামির সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন Bert Cardullo:
১ম পর্ব | ২য় পর্ব | ৩য় পর্ব | ৪র্থ পর্ব

সিনেমার ভবিষ্যৎ কি একই সাথে সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশের উন্নয়নের উপর নির্ভর করে না?

আমার মনে হয় না। মাঝেমাঝে তো মনে হয়, আমার দেশে যখন সামাজিক পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ ছিল তখনই শিল্প সবচেয়ে বেশী এগিয়েছে।

বিস্তারিত»

বাবা,কতদিন…কতদিন দেখিনা তোমায়…

“বাবা কতদিন…কতদিন দেখিনা তোমায়…
কেউ বলেনা তোমার মত কোথায় খোকা ওরে বুকে আয়।
বাবা কতরাত…কতরাত দেখিনা তোমায়…
কেউ বলেনা মানিক কোথায় আমার ওরে বুকে আয়……”

আজ ২১শে জুন ,যদি ভুল না করি আজ ‘বাবা দিবস’। বিদেশ বিভূঁইয়ে বসে আজকাল দেশের সব ‘বিশেষ দিবস’ এর হিসাব অতোটা রাখা হয়ে উঠেনা। মাঝে মাঝে পত্রিকার পাতায় দৃষ্টিগোচর হলে সেটা নিয়ে কম বেশি ভাবা হয়।

বিস্তারিত»

আমি গরীব, কারন আমি অ নে ক গরীব…!!!

তাইফুর ভাইএর পোষ্টে কামরুল ভাই কমেন্ট করেছেন “আপনার আর জুনার উপর মেজাজ বহুত খারাপ আছে।” ভাবটা এমন আমি যেন আমি ইচ্ছে করে এখানে অনিয়মিত হয়েছি…আমি জানি, এখন যদি আমি আমার দুঃখের কথা বলা শুরু করি তাহলে এখানকার কোমলমতি বড় ও ছোট ভাই-বোনেরা কাঁদতে কাঁদতে পা ব্যাথা করে ফেলবেন…

কত বছর পর অনলাইনে আসলাম ঠিক করে বলা মুশকিল…যতদূর মনে পড়ে, শেষবার যখন অনলাইন ছিলাম তখন বৃটিশ সরকার উপমহাদেশ থেকে যাব যাব করতেছে…ন্‌ না…মনে পড়ছে…তখনো ব্লগের অনেকে ফেসবুকে ষ্ট্যাটাস দিত ‘ইটস কম্লিকেটেড’

বিস্তারিত»

দি অ্যাক্সিডেন্টাল ওটার – ৪

আব্বাস কিয়ারোস্তামির সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন Bert Cardullo:
১ম পর্ব | ২য় পর্ব | ৩য় পর্ব

কবিতা ও চলচ্চিত্রের মধ্যে একটি পার্থক্য হচ্ছে: মানুষ মনে করে এক বা দুইবার দেখেই যেকোন সিনেমা বোঝা সম্ভব, কিন্তু কবিতার প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি অন্যরকম। আমরা সাধারণত একই কবিতা অসংখ্য বার পড়ি। মানুষ যেহেতু একই সিনেমা বারবার দেখতে অভ্যস্ত না, সেহেতু কাব্যিক চলচ্চিত্র দিয়ে দর্শকদের মন জয় করা কি কোনদিন সম্ভব হবে?

বিস্তারিত»

লাল তিল

বুদ্ধদেব গুহের কোজাগর বইটা পড়ার পর থেকে আমার মনের ভিতর একটা ফ্যান্টাসী কাজ করতো। আমার খুব ইচ্ছা বনের মধ্যে কোনো এক কোজাগরী পূর্নিমার রাতে, নদীর পাড়ে পাথরের উপর আমি কারো সাথে প্রেম করবো যার বুকে একটা লাল তিল থাকবে। কোন এক রাজকন্যার সাথে আমার জীবনের সবচেয়ে রোমান্টিক মুহুর্তটার ব্যাকগ্রাউন্ড হিসাবে এটাই কল্পনা করতাম। অবশেষে ৪/৫ বছর আগে আমি লাল তিলওয়ালা এক কন্যা খুঁজে পেয়েছিলাম। যদিও জীবনে খুব বেশী নারীর বুক দেখা হয়নি কিন্তু হঠাৎ করেই আমি ছিলাম আমি এমন একজনের সাথে যার বুকের মাঝখানে একটা লাল তিল আছে,

বিস্তারিত»

দন্ডিতের সাথে, দন্ডদাতা কাঁদে যবে সমান আঘাতে …

অনেক দিন ধরে “ব্লগ লিখি, ব্লগ লিখি” করেও ব্লগ লিখা হচ্ছে না। সময়ের অভাব, টপিকের অভাব এবং সর্বোপরি “কোয়ান্টিটি নয় কোয়ালিটি”র চক্করে ঘুরপাক খেতে খেতে, কি-বোর্ড আর আঙ্গুলের শত্রুতা চিরস্থায়ী হওয়ার আগেই তাই উপস্থিতি জানান দেয়া টাইপ পোষ্ট … বিয়াপওক তাড়াহুড়ায় লিখা … তাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টি দিয়ে পড়ার জন্য অনুরোধ করতেই পারি।

“দন্ডিতের সাথে, দন্ডদাতা কাঁদে যবে সমান আঘাতে,
শ্রেষ্ঠ সে বিচার”।

বিস্তারিত»

সেবা প্রকাশনী

ফয়েজ (৮৭-৯৩) খেরোখাতা – ছোট্ট বেলার নায়কেরা, চমৎকার লেখাটি পড়লাম।
শেষ লাইনটি ছিলঃ আহা সেবা প্রকাশনী, তোমার ঋণ কি কোনদিন শোধ করতে পারবো বলে মনে হয়?
পরে কমেন্টে এসেছেঃ সেবারে নিয়া আরও পোষ্ট আসা দরকার।

আমি এ ব্যাপারে একমত। নেশার মতো ছিল সেবার বইগুলো। আমাদের সময়ে, স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে, রোমাঞ্চপন্যাস তেমন ছিল না। হিরো বলতে রানার মত ছিল না কেউ। সেবা প্রকাশনীর প্রবল প্রভাবে,

বিস্তারিত»

একটা গোপন কথা ছিল বলবার

মায়ের কাছে শোনা; আমার জন্ম নাকি এক ঝড়ের রাতে, কালবৈশাখী ঝড়। মুষুলধারে বৃষ্টি আর ঝড়ো হাওয়ার তান্ডব উপেক্ষা করে তুমি বাইরে বসেছিলে, নানাবাড়ির বারান্দায়, চওড়া বেঞ্চিটির উপর। ভেতর বাড়ি থেকে আমার গগনবিদারী কান্না শোনবার জন্য তোমার অধীর উৎকন্ঠা। আমি নাকি পৃথিবীর আলোয় এসে ছোট্ট চোখ দুটো পিটপিট করে কিছু খুজছিলাম, বোধহয় তোমাকেই। আমায় দুহাতে জড়িয়ে তুমি প্রাণভরে দেখছিলে, আর আমি, পরম মমতার ছোয়া পেয়ে যেন নিজের অস্তিত্বের মর্মার্থ উপলব্ধি করে নিচ্ছিলাম।

বিস্তারিত»

মোর্শেদ- আমাদের ৫০ নম্বর

ক্যাডেট জীবনে যাদের ব্যাচে কোন আউট হওয়ার ঘটনা বা কোন ক্যাডেট চলে যাওয়ার ঘটনা নেই তারা খুব ভাগ্যবান্‌। আমাদের ব্যাচের ৫০ জন ক্যাডেটের মধ্যে ৪৭ জন কলেজ থেকে শেষ দিন একসাথে বের হয়েছিলাম। আমাদের ৩ জন বন্ধু আমাদের সাথে ছিল না। ক্লাস ৮ এ মোর্শেদ কলেজ ছেড়ে চলে যায়, কারণ সিনিয়রদের কিছু ব্যবহার ও সহ্য করতে পারে নি। পরবর্তিতে আমাদের আরও দুইজন বন্ধু মুরাদ এবং রহমান ক্লাস ৯ এ কলেজ আউট হয়ে গিয়েছিল।

বিস্তারিত»

আমার ফুটবলপ্রীতি

ফুটবল খেলাটার সাথে আমার কেন জানি খুব একটা প্রেম নেই =(( । ছোটবেলা থেকেই স্বাস্থ্য অন্যদের তুলনায় কিছুটা ভাল হবার কারণে মা-খালারা আমাকে গাব্দু-গুব্দু (মতান্তরে ৩০ ব্যাচের শাহীন ভাইয়ের ভাষায়হোঁদল কুৎকুৎ) বলে ডাকতেন। সেই আমি আমার এই দেহ নিয়ে তড়িৎগতিতে মাঠ দাপিয়ে বেড়াব এমনটি ভাবার কোন কারণ নেই। তবে চট্টগ্রামের ষোল শহরে বন গবেষণা কেন্দ্রে আব্বুর যখন পোস্টিং ছিল তখন পাহাড়ের উপরে পাড়ার অন্যান্য বাচ্চাকাচ্চাদের সাথে ফুটবল খেলার সময় গোলকীপারের পোস্টটা আমার জন্য বাধা ছিল।

বিস্তারিত»