আজ প্রায় ৩ বছর হতে চলল।
ছেড়ে এসেছি আমার প্রিয় প্রাঙ্গন। ভুল বললাম, আমাদের প্রিয় প্রাঙ্গন।
কেমন আছে আমার প্রিয় কলেজ? জাহাঙ্গীর শিক্ষা ভবনের সামনের গোল চত্বরটা কি এখনো খালি পরে আছে? কলেজ কর্তৃপক্ষ কি ওখানে লাগানোর মতো কিছু এখনো জোগাড় করতে পারেনি? এখনো কি দ্বাদশ শ্রেণীর ক্যাডেটরা মাগরিবের নামাজের পরে একজনকে ফোয়ারাটার ভিতরে চুবুনি খাওয়ায়?
কত স্মৃতিবিজরিত আমাদের এই প্রাঙ্গন। অনেক কথা বলার ছিলো কিন্তু আবারো সেই পুরনো পরিবেশে ফিরে আমার কথাগুলো প্রকাশের পথ খুঁজে পাচ্ছে না।
১.
ক্যাডেট কলেজ জীবন শেষ করে যখন ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হলাম, তখন যেন অথৈ সাগরে পড়ার মতো অবস্থা হলো। এক পাড়ায় ছিলাম বলে চিনতাম কেবল রতনকে। রতন সিলেট ক্যাডেট কলেজের, কলেজ নাম কাফি (আবদুল্লাহ আল কাফি)। রতন তখন ছাত্র ইউনিয়নের প্রথম সারির নেতা হতে যাচ্ছে, তাকে পাওয়াই যায় না। পরিচয় হলো মোমিনের সাথে। মোমিন ফৌজদারহাটের। আর ছিল তানিম (ওমর), ফৌজদারহাটের। আমরা এই চার জন ছিলাম অর্থনীতি বিভাগের ক্যাডেট।
আজ থেকে ৩৫ বছর আগে ৫৬টি বালক এক অজানা ভয় আর আনন্দের অদ্ভূত অনুভূতি নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে ঢুকেছিল। তারপর তারা ৬টি বছর একসঙ্গে সুখে-দুঃখে, ভালোবাসা-যন্ত্রণায় কাটিয়েছে। তারা অতিক্রম করেছে সাগর আর পাহাড়ের কোলে এক অনিন্দ্য সুন্দর সবুজ প্রান্তরে অসাধারণ সব সময়। সময়ের টানে আজ তারা ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বে। কিন্তু ওই সময়ে তাদের মধ্যে যে অবিচ্ছেদ্য বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছিল, তা আজো উষ্ণতার চাদর একইরকমভাবে ওদের মুড়ে রেখেছে।
কিছুক্ষন আগে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের প্রথম সপ্তাহ শেষ হইলো। সেই সঙ্গে শেষ হইলো আমাদের সিসিবি ফ্যান্টাসী লীগের প্রথম সপ্তাহের যাবতীয় হিসাব নিকাশ।
প্রথমদিন থেইকাই মেজাজ ব্যাপক খারাপ। অনেক হিসাব-নিকাশ কইরা খেলা শুরু হবার আগের দিন দ্রগবারে বাদ দিয়া এনেল্কা আর ল্যাম্পার্ড দুইটারে টিমে নিছিলাম। কিন্তু হারামি দুইটা প্রথমদিনই আমারে ডুবাইয়া দিছে, গোলের নাম গন্ধ নাই, কোনমতে ৯০মিনিট খেইলাই খালাস। ওইদিকে যারে বাদ দিছিলাম সেই দ্রগবা প্রথমদিন দুই গোল কইরা ব্যাপক পয়েন্ট দিলো লুকজনরে,
ক্রিস কভেন্ট্রি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপরাজিত ১৯৪ রান করে একদিনের ম্যাচের সর্বোচ্চ ব্যাক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডবুকে সহবস্থান করছেন পাকিস্তানের সাঈদ আনোয়ারের সাথে। কিন্তু্ তামিমের সেঞ্চুরিতে শেষ হাসি বাংলাদেশের ।দীর্ঘ এক যুগ পর আবারো আলোচনায় সাঈদ আনোয়ারের ১৯৪,সেই ধারাবাহিকতাতেই থাকছে একদিনের ম্যাচের সর্বোচ্চ পাঁচটি ব্যাক্তিগত ইনিংসের কথা।
১. চার্লস কভেন্ট্রি- ১৯৪* (১৫৬বল, ১৬x৪,৭x৬)- ২৬ বছর বয়সী চার্লস কেভিন কভেন্ট্রি’র ১৪ ম্যাচের ওডিআই ক্যারিয়ারের সেঞ্চুরি ছিলো না একটিও!
এই ব্লগের নীলপদ্ম আমার খুব প্রিয় একজন বড়ভাই।আমার মতই খুলনায় বাড়ি এই মানুষটিকে আমি খুবই ভালা পাই।আর নরকবাস ১,২ পড়ার পর লেখক হিসেবে উনার বলিষ্ঠতা সম্পর্কে মোটামুটি আমরা সবাই নিঃসন্দেহ।কিন্তু সমস্যা হইল উনার এত্ত ভাল লেখার ফলে আমরা যারা পাতি ব্লগার তারা অতীব হিংসায় হিংসিত হয়ে কিভাবে উনাকে একটু “বাটে” ফেলা যায় সেই সুযোগ খুঁজছিলাম।”বান্দা যা চায় আল্লাহ তাকে তা দেন” এই অমোঘ বানী প্রমান করতে সেই সুযোগ মিলেও গেল।নিচের সংবাদটা দেখুনঃ
পুলিশ সপ্তাহ-২০০৮ উপলক্ষ্যে ২০০৭ সালে পুলিশ ও র্যাবের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে আইন-শৃংখলা রক্ষার বিভিন্ন বিভাগে প্রতিযোগীতায় সাফল্যের পুরস্কার বিতরণ এবং ২০০৭ সালে ব্যক্তিগত প্রশংসনীয় ভালো কাজের স্বীকৃতী স্বরুপ বাংলাদেশের পুলিশের আইজিপি পুলিশ ও ৠাবের ৬৮ জন সদস্যকে আইজিপির এক্সম্পেলারী গুড ব্যাজ প্রদান করেন
আইজিপির এক্সম্পেলারী গুড ব্যাজ প্রাপ্ত ১৭ জন র্যাব সদস্যরা হলেনঃ
খটখট-খটাখট, কী-বোর্ডে আঙ্গুল চলছে বারবার। চারিদিকে আর কোন শব্দ নেই, আর কেউ নেই। সব ঘুম,
জেগে আছি শুধু আমি। লেখাটা আজকেই শেষ করতে হবে। কিন্তু সামনে এগোচ্ছে না কিছুই। যতই কী-বোর্ডে ঝড় তুলছি ততই বেকস্পেসে চাপ পরছে। কালকেই ম্যাগজিনের জন্য গল্প জমা দেবার শেষ তারিখ। বুঝে উঠতে পারছি না কিছুই কারণ রাত শেষ হতে বেশী বাকী নেই কিন্তু গল্পের এখনো অনেক বাকী।
(লেখাটা মন্তব্যে দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু অনেক বড় হয়ে যাওয়ায় পোস্ট আকারে দিলাম-আশা করি সবাই নিজগুনে ক্ষমা করে দেবেন)
প্রিয় সেলিনা আপু এবং অন্যান্য ভাইবোনেরা,
আজ প্রায় আধা ঘন্টা ম্যাডামের সাথে কথা হল।সেলিনা আপুর কথা বলতেই সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলেন-“সেলিনা আমার অসম্ভব প্রিয় একজন ক্যাডেট”। আমার সাথে উনার শেষ দেখা ক্লাস টেনে থাকতে,এর পর তিনি বদলি হয়ে চলে যান।অবাক ব্যাপার কি জানেন?আমি আমার নাম বলা মাত্র তিনি আমার পুরো পরিবারের কথা গড়্গড় করে বলে দিলেন-আমরা যে তখন চট্টগ্রামে থাকতাম,বাবা বন বিভাগে চাকরি করতেন-আমার এক চাচাতো বোন মগকক তে পড়তেন…সবকিছু,সবকিছু।সেই সাথে আদনানের কথাও বললেন-ও যে গানটা গেয়ে আইসিসিতে মেডেল পেয়েছিল সেটা যে উনার পছন্দ করা এ কথাটি খুব গর্বের সাথে উল্লেখ করলেন।আমি জিজ্ঞাসা করলাম-ম্যাডাম,কিভাবে মনে রেখেন এতকিছু?উনি হেসে বললেন-কখনো শুনেছ যে মায়েরা তার সন্তানদের কথা ভুলে যায়?
মানুষটাকে কাছ থেকে দেখেছিলাম দু’তিনবার। আকাশের মতো এমন বিশাল এক মানুষ। এমন সিংহহৃদয় মানুষ, আমাদের জাতির জীবনে একজনই এসেছিলেন। কিছুটা নিজের ক্যারিশমা, কিছুটা সাহস আর বাকিটা সময়- তাকে করে তুলেছিল এই জনপদের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতায়। মানুষকে ভীষণ বিশ্বাস করতেন তিনি। হয়তো রবীন্দ্রনাথের মতোই মনে করতেন, ‘মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ।’
এই বাঁশিওয়ালা আমাদের নিয়ে গিয়েছিলেন মুক্তি সংগ্রামে, বাঙালি জাতির মুক্তির যুদ্ধে।
৭.
টেবিলটা খালি পরে আছে, সাথে চেয়ারটাও। মানুষটা নেই। সকাল থেকে ফোনগুলো সৌরভ-ই
ধরছে। বিরক্তিকর কাজ। বারকয়েক তার ইচ্ছে হয়েছে ফোনটা ছুড়ে ফেলে দিতে কিংবা তার ছিঁড়ে
ফেলতে। দীঘি এত ধৈর্য্য কোথায় পায় বুঝে না সৌরভ। দীঘি আজ আসেনি, ফোন করেছিল অসুস্থ । সেদিনও কত চটপটে ছিল, এক রাতের মধ্যেই কি এমন হয়ে গেল!
এই কবিতাটা পড়ার আগে আমি এটার আবৃত্তি শুনেছিলাম, শিমুল মুস্তাফার কন্ঠে। এখনো মনে আছে, একবার শুনেই স্তব্ধ হয়ে বসেছিলাম কিছুক্ষণ। প্রচন্ড অপরাধবোধ আর লজ্জায় আমার নিজেকে খুব ছোট মনে হচ্ছিলো। খুঁজে বের করে কবিতাটা পড়ার সাহস হচ্ছিলো না। কিন্তু তারপরও পড়েছি, নিজেকে ধিক্কার দেবার জন্যে বইটা কিনে এনে কবিতাটা খুঁজে বের করে পড়েছি। একবার, বারবার।