ভালোবাসার বন্ধুত্ব- [১] [২] [৩] [৪] [৫] [৬] [৭] [৮] [৯] [১০] [১১] [১২] [১৩] [১৪]
৬২।
পরের কয়েকদিন বেশ কয়েকবারই দেখা করলো নীল আর অনীতা। বেশ ঘুরাঘুরিও করলো।
-আচ্ছা তোর সাথে ওইদিন যে ছেলেটাকে দেখলাম,
১।
টানা নয়দিন পরে নেটে আসলাম। ন —য় — দি —-ন। কতকিছু ঘটে গেছে এই এতদিনে। বাংলাদেশের সংগে ভারতের নতুন নতুন চুক্তি হচ্ছে, জুলহাস সমুদ্র সীমানায় যুদ্ধ জাহাজ নিয়ে যুদ্ধের অপেক্ষা করছে, ফুটবলের ঈশ্বরের কথা ফুটবল আর শুনছে না, তামিমের এক ডিগবাজীতে তার দাম ৫ লাখ বেড়ে গেছে, দুই নেত্রী একই টেবিলে বসে ইফতার করছে, ওবামা বলছে ইংল্যান্ডের কিছু কিছু কাজ তার আর পছন্দ হচ্ছে না …………
দেহ যদি কালাই করব,
তবে তার বিনিময়?
কত কর্ম আর তার কত ধর্ম,
সবই ঝরাবে কত যে ঘর্ম।
চলবে জীবণ, গড়বে বাড়ি-গাড়ি
ধ্বংস হবে ক্ষন, ক্ষয় হবে নাড়ি।
ব্লগের আগের পোস্টগুলো পড়তেছিলাম…জিহাদের একটা পোস্ট পড়ে জাহিদ রেজার কথা খুব মনে পরে গেল………অনেক কিছু লেখা যায় ওকে নিয়ে…তাই ভাবলাম, প্রথম লেখাটা ওকে নিয়েই লিখি… দুইটা স্মৃতি এই মুহুর্তে মনে পরতেছে………দিলাম লিখে……
১;
জাহিদ তখন JP। তখন নিয়ম ছিল,JP-কে এক্সট্রা ড্রিল দেয়ার দরকার পরলে, ড্রেস রেস্ট্রিকসন দেয়া হত। কোনো একটা কারনে জাহিদের ৩ দিন ড্রেস রেস্ট্রিকসন চলতেছিল, ঘটনার দিন ছিল,৩য় দিন।সন্ধ্যা বেলা, ২টা কাঠাল পাড়া হল,জাহিদ ২টা কাঠাল দুই পাশে নিয়ে যেই হাউসে ঢুকতে যাবে,
ফার্স্ট টার্ম এন্ডের ছুটি শেষ হতে মাত্র ৮ দিন বাকী। এর মাঝে হঠাৎ করেই মাথায় ইউরোপ ট্যুরের ভূত চেপে বসলো। ভেবেছিলাম ভিসা পেতে অনেক ঝামেলা হবে কিন্তু তেমন কোন ঝামেলা হলো না। দুই মাসের স্যাঞ্জন ভিসা নিয়ে ফ্রান্স এম্বাসি থেকে সোজা রওনা হলাম ভিক্টোরিয়া বাস স্টেশনের দিকে। অনেকগুলো প্যাকেজ অপশনের মধ্য থেকে আমি আর তৌহিদ “লন্ডন-আমস্টারডাম-প্যারিস-লন্ডন” রুটের দুইটি ওপেন টিকিট কাটলাম। ঐদিনই রাত দশটায় ইউরো লাইনস এর বাসে উঠে পড়লাম।
বিস্তারিত»কয়েক দিন আগেও বেড়াতে দেশের বাইরে গেলে, সবাই ইন্ডিয়া যেত, বাড়ির কাছে, কম খরচে, কম সময়ে বাজেট ভ্রমনের জন্যে ইন্ডিয়াই ছিল ভরসা, এখন দিন বদলাইছে।
সবাই এখন মালেয়শিয়া যায়। এয়ার এশিয়ার বাজেট টিকেটের সুবিদা নিচ্ছে সবাই। ২ বছরে মালয়শিয়াকে যেমন দেখলাম তা নিয়ে এই ছবি ব্লগ।

[ইংরেজ কবি জন ক্লেয়ার জন্মগ্রহন করেন ১৭৯৩ সালে আর মৃত্যু ১৮৬৪।দরিদ্রতার কারণে পড়াশুনায় বেশীদূর এগুতে পারেন নি।মাত্র সাত বছর বয়সেই তাকে পশুপালনের মত কঠিন কাজে নামতে হয়!যদিও এটি কবিতা লেখার মত উপযোগী পরিবেশ তাকে দেয় নি,কিন্তু এ সময়ই তিনি পেয়ে যান আরেক ব্রিটিশ কবি জেমস থমসনের দ্যা সিজন আর এটাই তাকে ভবিষ্যতে কবি হতে সহায়তা করে!
বিস্তারিত»এটি একটি তরতাজা সত্যি ঘটনা, এবং এটি প্রকাশের উদ্দেশ্য কোনভাবে ই কাউকে হেয় করা নয়, বরং এর মাধ্যমে আত্মোপলব্ধির একটি প্রয়াস নেয়া। বাংলাদেশের সাথে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের প্রথম টেষ্ট ম্যাচ চলাকালীন সময়ের ঘটনা। ঘটনাটি সংক্ষেপে এরকমঃ
গতকাল ২১/০৭/০৯ তারিখে আমাদের অফিসে বোর্ড মিটিং চলছিলো। বিশেষ একটি কারনে আমার সেখানে উপস্থিত থাকতে হয়েছিলো। রসকষহীন এরুপ একটি সভায় উপস্থিত থাকতে পেরে আমি নিজেকে একজন নিরানন্দ ব্যক্তি হিসেবেই গন্য করছিলাম।
বিস্তারিত»
[১] [২-৩] [৪] [৫-৬][৭-৮]
নয়
পরের মাসেই হিয়া, লাবনী, হাসান এই তিনজন কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দিল। হাসান গাড়ি চালিয়ে নিয়ে গেল। ওরা উঠলো ওয়াপদার রেস্টুরেন্টে। হিয়ার বাবাই ঠিক করে দিলেন।
হাসানকে একাই রেখে সেদিন সন্ধ্যায় ওরা দুবান্ধবী সাগরতীরে ঘুরে বেড়ালো। একটা রেস্টুরেন্টে খেল এবং সেখানকার খোলা বারান্দায় সমুদ্রের শব্দ শুনতে শুনতে মাঝ রাত অব্দি গল্প করলো।
কোনদিনই লেখার অভ্যাস ছিলো না, লিখবো কোনদিন এমনটাও ভাবি নি । গত দু দশকে জীবিকার জন্য লিখতে হয় নি, কিন্তু জীবিকা টিকিয়ে রাখার জন্য কিছু কিছু লিখতে হয়েছে, যেগুলোর পাঠক/শ্রোতা রা উপস্থিত ছিলেন তাদের জীবিকা টিকিয়ে রাখার জন্য ।এর মধ্যে মাঝে মাঝে বিভিন্ন ফর্ম পুরন করতে হয়েছে, সেগুলো ও লেখা, কিন্তু এখন যে অর্থে লিখছি, সেই লেখা না নিশ্চয়ই ।
লেখালেখি, তা যদি কাউকে পড়তে দিতে হয়,
বিস্তারিত»এটি আমার চলমান জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার শব্দরুপ মাত্র।
সম্পুর্ন কর্মজীবন এর সিংহভাগে সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়ে, প্রথম মোড় যেদিন নিলাম, সেদিন অর্থ ও বানিজ্য বিষয়ক একটি উপ-দপ্তরের কাজ বুঝে নেবার দায়িত্ব পেলাম। আমাকে যারা নিজেদের প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ দিলেন, তারা ও ইতিপুর্বে আমার ই মতো একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। যদিও তারা কেউই পুর্বতন প্রতিষ্ঠানে ১০ বছরের বেশী ছিলেন না, সেখানে ঐ একই ধরনের প্রতিষ্ঠানে আমার অভিজ্ঞতা ১৮ বছরের ও বেশী।
বিস্তারিত»অভাগিনী,কী দিই তোরে দান?
আমার সকল গান-
অসাড় আজি জীর্ণ-অচল আমার কলতান!
ঢেউ তোলে না অবশ বুকে
সুখ ঢালে না কারুর দুঃখে
চুপটি করে যায় সয়ে তার সকল অপমান!
তোর লাগি সুর বেঁধেছিলাম গভীর মমতায়
কোন সে অসুর,আমার সেসব সুর কেড়েছে হায়
তোর পূজাতে জ্বেলেছিলাম গন্ধবিধূর ধূপ
চাঁদের হতে ধার করেছি শঙ্খশাদা রূপ!
তোর প্রতিমায় সে রূপ জুড়ে-
দেবার বেলায় হৃদয় পুড়ে-
তৈরি হলো বুকে আমার বিষের অতল কূপ!
ব্লগ বা ব্লগিং এবং এ ধরনের চেষ্টাতে সচেষ্ট থাকার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় যে বিষয়টা, সেটা হলো সমন্বয়। প্রাপ্ত সময়, মনোযোগ, মনন / শৈলী এবং সাহস – এ তিনটির কঠিন ও যুতসই সমন্বয়ের খুব দরকার। শিরোনাম দেখে মনে হওয়াটা স্বাভাবিক যে আমি নব্য ব্লগার। আসলেও বাস্তবতা সেরকম ই। সময় কি পার হয়ে গেলো? কে জানে? বলা কঠিন, যার সময়মতো হয় না, তার কখনো হয় না। কিন্তু পক্ষান্তরে এটাও সত্যি যে,
বিস্তারিত»একাডেমিক ব্যাপারে আমার স্মৃতি শক্তি খুব ই খারাপ। আমার এখনকার জীবন থেকে আমার ছেলেবেলা, ক্যাডেট কলেজ লাইফ এই দুটোকে আমি একেবারেই আলাদা করে দেখি। আমার এখনকার এই একঘেয়ে যান্ত্রিক,বিষাদদ্ময় জীবনের সাথে যখন সেই সময়কার জীবনের তুলনা করি তখন আমার মনে হয় আমার একবার জন্ম হয় নি ,আমি আগেও একবার জন্ম নিয়েছিলাম। ভীষন্রকম অতীত চারিতায় আমি মগ্ন হই। সেই অতীতচারিতা আমকে কোন বেদনা দেয় না,কেবলি মুগ্ধতা আরা মোহাবিষ্টতায় আমি আচ্ছন্ন হই সেই জীবনের কথা মনে করে।
বিস্তারিত»১।
প্রথম বিশ্বকাপ দেখার স্মৃতি ঘিরে আছে ম্যারাডোনাকে ঘিরে। প্রথম খেলাতেই ক্যামেরুনের শারিরীক ফুটবল দিল সব হতাশ করে। ২টা লাল কার্ড দেখেও ওমাম বিয়িক এর দুর্দান্ত এক হেডে ১-০ গোলে হারিয়ে দেয় আমার প্রিয় ম্যারাডোনা, ক্যানেজিয়ার, বুরুচাগার আর্জেন্টিনাকে। পরের খেলা আর দেখিনি কারণ ছোটবেলা থেকেই কেমন যেন মনে হত আমি যেটা দেখব আমার টিম সেটাতেই হারবে। রুমানিয়ার সাথে সেই খেলায় ১-১ ড্র করেছিল মনে হয় আর্জেন্টিনা।