৮ নভেম্বর ২০০১: ঠিক ৮ বছর আগে যেভাবে শুরু হয়েছিলো . . .

৮ নভেম্বর ২০০১ জীবনে ভীষণ আনন্দময় একটা দিন প্রেরণা’র জীবনে। রুমি নামের একটা ছেলে সেল ফোনের নম্বরটা দিয়ে বললো, ‘কোন অপরিচিত মেয়েকে আমি নম্বরটা দেই না। তবে আপনার কাছ থেকে একটা কল আশা করবো।’

Rumi-and-Rona
কোন কথাটা বেশি প্রযোজ্য- ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ নাকি ‘হিডেন’?

এরপর প্রতিদিনের কথা বলা, মাঝে মাঝে দেখা করা থেকে আজ দীর্ঘ ৮ বছর পর তারা এত কাছের মানুষ যে,

বিস্তারিত»

অতঃপর একটা চিঠি

(সিসিবিতে খুব লেখা দিতে ইচ্ছে করছিলো। অনেকদিন ধরে নতুন লেখা হয়ে উঠেনি। পুরাতন একটা গল্প দিচ্ছি। সিসিবির সাথে পরিচয় হওয়ার আগে অন্য একটা ব্লগে লেখাটা দিয়েছিলাম।)

এখন প্রতিদিন ঘুম ভাঙ্গার পর একটা কথাই মাথায় আসে – আজকেই কি সেই চিঠিটা আসবে। একটা একফুট বাই দেড়ফুটের বাদামী রংয়ের খামে প্রাপকের জায়গায় থাকবে আমার আর প্রেরকের জায়গায় হাসানের নাম। ভেতরে থাকবে সব কেজো কথার হিসেব নিকেষ যা আমার কাছে জল্লাদের ফাঁসির দড়ির শেষ টান কিম্বা আসামীর কাঠগড়ায় দাড়িয়ে বিচারকের মুখে নিজের মৃত্যুদন্ড শোনবার মতো।

বিস্তারিত»

দিনলিপি – ৪: বমনার্ত সময়ে প্রেম আকড়ে মহাসমুদ্র পথে টিকে থাকা

বাসে করে যাচ্ছিলাম। অচল জনপদ সাঁই সাঁই করে জানালা ছুয়ে পেছনে পরে যায়, আর অস্তগামী অগ্নিকুন্ডটা তার যৌবন অতিক্রান্ত ঠোটপালিশ দেখিয়ে আদায় করতে চায় যেন সামান্য কিছু আকর্ষণ। ডিভানের নরম প্রেক্ষাপট নয়, বলধা গার্ডেনের কাঁটাবসনো ঝোপের পেছনে সামান্য স্থায়িত্বের কিছু অনুভুতিশূন্য শিশ্ন হলেই চলে যাবে তার। এ পৃথিবী হতে উঠেই গেছে ভালোবাসার স্পর্শ, শিঁড়দাড়ায় চুমু কিংবা স্তনের বোঁটায় ফোটা ফুলে অর্ঘ্য ঢালা, কেবল ডটেড কন্ডমে পর্দা করা নপুংসক শিশ্নই যথেষ্ঠ ঐ অস্তগামী সূর্যটার।

বিস্তারিত»

সাপ্তাহিক ১৭

শেষ পর্যন্ত শেষ হচ্ছে চট্টগ্রাম অধ্যায়( অন্তত এবারের মত)। আগামীকাল চূড়ান্ত পরীক্ষা, বৃহঃস্পতিবার আশা করি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করবো। সেদিক থেকে বলা যায় এটাই হালিশহর (চট্টগ্রাম) থেকে লেখা শেষ সাপ্তাহিক।

তিনদিনের কক্সবাজার সফর শেষে ফিরেছি গতকাল।পানিতে দাপাদাপি, বীচ মার্কেট, বার্মিজ মার্কেট ঘোরাঘুরি, হালকা কেনাকাটা, আড্ডাবাজি এ সব মিলিয়ে দূর্দান্ত সময় কাটিয়েছি।

কক্সবাজারে যাবার অফিসিয়াল কারন ছিল আবহাওয়া কেন্দ্র এবং নতুন রাডার স্টেশন ভ্রমন।

বিস্তারিত»

আজ ৭ নভেম্বর: তাদের জন্য . . .

3-of-them
২৫শে ফেব্রুয়ারি ২০০৮: ক্যাপ্টেন তানভীর, কর্নেল আফতাব, এবং মেজর আজিজ

they-3
২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০০৮: মেজর আজিজ, ক্যাপ্টেন তানভীর, এবং কর্নেল আফতাব

exclusive-3
২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০০৮: কর্নেল আফতাব, মেজর আজিজ, এবং ক্যাপ্টেন তানভীর

with-soldiers-10-Dec-2007
এদেরই কেউ কেউ . . . ? নাকি সবাই . . . ?

Sipahi-Abu-Salekh-Runner
ক্যাপ্টেন তানভীরের বড় ছেলে ইফাজের সাথে সিপাহী আবু সালেখ।

বিস্তারিত»

জনৈক বেরসিকের বিটিভি ম্যাগাজিন দর্শন

আমাদের বাসায় টিভির আগমন ঘটেছিল আমার সৌজন্যে। সেসময় টিভি সবিশেষ ছিলো না। তাই টিভি দেখতে আমাকে নিয়ে যাওয়া হতো পাশের বাসায়। তৎকালীন নেসলে কোন এক বিজ্ঞাপনের বালক মডেলের সাথে গলা মিলিয়ে “হুমমম” না বলতে পারলে নাকি আমার প্রতিক্রিয়া হতো তীব্র। তার সাথে যোগ হলো সন্ধ্যা আট টায় আমার পিতার সাহেব বিবি গোলাম (এরশাদের আমলে সংবাদকে নাকি এই নামে বলা হতো) অনুষ্ঠানটি দর্শনের আগ্রহ। টিভি আসার পরে যা হোল আমাদের সব রিলেটিভ মিলে বেশ একটা ঘরোয়া পরিবেশে টিভি দেখা হতো।

বিস্তারিত»

লাইভ ফ্রম কলেজ-৩

প্রিটেস্ট পরীক্ষা শেষ হলো…বিদায়ের দিন ক্রমশ এগিয়ে আসছে!এই শেষ মুহুর্তে এসে একটু মন খারাপ হয়!তবু সিনিয়র ক্লাস…,সেই আনন্দে সুখে থাকি!ভ্যাকেশনের ১৫ দিনের মত বাকি!দিন গুলো খুব উত্তেজনায় কাটছে!১০ তারিখ থেকে ICCBVM শুরু হতে যাচ্ছে!আমরা হোস্ট!চ্যাম্পি্যন্স লীগের খেলাগুলো মিস করতে ইচ্ছে হয় না!আজ যেমন ডিভিডি দেখব,স্পেশাল ডিনার…এসব আনন্দের তুলনাই হয় না!
সবাই ধীরে চিন্তিত হয়ে পড়ছি।ক্যারিয়ার নিয়ে।কলেজ থেকে বের হয় কী করব…এসব চিন্তা হয়।সোসাইটি ক্লাসে বসে ব্লগ লিখছি!আর খুব মিস করছি সিসিবি কে!সবাই ভাল থাকবেন!

বিস্তারিত»

নতুন বোতলে পুরান মদ আর জামায়াত

রাজনীতি মানেই কৌশল, ক্ষমতায় আরোহণের পথ কে সুপ্রশস্ত করতে নতুন নতুন নেওয়া কিছু কৌশল। কিন্তু কেন জানি কিছু কিছু কৌশল আর রাজনীতি নামক শব্দের ঘেরে আটকে রাখতে মন চায় না। এরা বরং ঘৃণার উদ্রেক করে, মনটা কে তিতা করে দেয়। এরকম একটা সংবাদ গতকাল দেখার পর থেকে মনটা তিতা হয়ে আছে। সেই সংবাদে নিজামী বলছে- “মুক্তিযুদ্ধে যাঁরা শহীদ হয়েছেন, তাঁদের জান্নাতবাসী করার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করছি এবং মুক্তিযোদ্ধাগণের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।”

বিস্তারিত»

বিক্ষিপ্ত ভাবনা

০.
অনেকদিন ধরে লিখবো লিখবো করে লেখা হচ্ছে না। কাজের পরিমান ও চাপ দুটোই মনে হয় দিন দিন বেড়েই চলেছে। কোন কিছুই যেন ঠিক প্লান করে করতে পারছি না। যেখানেই প্লান করছি সেখানেই ঘাপলা হচ্ছে। মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে আমার উপর শনি ভর করেছে। কিন্তু এই শনি কাটানোর কোন পাথর খুঁজে পাচ্ছি না।

১.
আগামীকাল ক্যাডেট কলেজ ক্লাবে জেসিসি’র বিরাট গেট টুগেদার হবে এবং ঠিক পরের দিনই আমার ইয়ের মানে আপনাদের হবু ভাবির জন্মদিন।

বিস্তারিত»

কবিতা-সিরিজঃ সে

অনেকদিন হয় আমি দীর্ঘ লেখা লিখি না, অনেক গভীর রাত জাগি না একা একা। অনেকের মনের সুখ আমাকে এখনও দোলায়, আমি নিজেকে পুরোপুরি আলাদা করে ছিঁড়ে বেরিয়ে একা একা হতে পারি না। এইসব অনভ্যাস আমাকে জংধরা ধাতব বানিয়েছে, আমি সেই মরফোসিস দেখেও নীরব ছিলাম। নীরবতা হিরন্ময় শুনেছি। চুপ থাকাই ভালো, কারণ সবাই বদলে যাবেই। বদলানোর পরের দিন ঘুম ভেঙে সবাই একটা নতুন পৃথিবী তৈরি করবে।

বিস্তারিত»

আমি একজন কলেজ অধিনায়ক!

১৯৯৫ সালে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজকে ধন্য করে আমি আমার ক্যাডেট জীবন শুরু করেছিলাম। ২০০০ সালে আমি সম্পূর্ণ বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় কলেজ প্রিফেক্ট হই… B-) বাকিটুকু ইতিহাস!! কলেজের ইতিহাসের সেরা কলেজ প্রিফেক্ট হিসেবে আমাকে সবাই আখ্যায়িত করলেও আমি একা এর ক্রেডিট নিই না…আমার সাফল্য আমি সবার সাথে শেয়ার করে নিয়েছি… O:-)

যাই হোক, শুধু কলেজকে ধন্য করে আমি আমার অগ্রযাত্রা থেমে রাখতে চাই না। সেজন্যই আজ আমি এই সিসিবিতে যোগদান করলাম।

বিস্তারিত»

ঝড়ো রাতের ভালোবাসা

MoonlightLady

এমন ঝড়ো বরষার রাতে
তুমি যদি থাকো সাথে,

মাথা রেখে তোমার বুকে
কি যেন এক অজানা সুখে,

মিশে যাবো তোমার মাঝে
সময় হারাবো সন্ধ্যা সাঁঝে

বিস্তারিত»

ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল

(১)
কলেজ থেকে বের হবার পর কোচিং করার জন্য ঢাকায় এলাম । একটা ফ্লাট ভাড়া করে আটজন থাকি । সবাই ক্যাডেট । ক্যাডেটরা একসাথে থাকলে যা হয় । রাতভরা আড্ডা , তাস পেটানো , সারা সকাল ঘুম । পড়াশোনা লাটে উঠল । সপ্তাহে তিনদিন লোকাল বাসে ঝুলে ঝুলে কোচিং এ যাই । এই যাওয়া আসাতেই শেষ । বই আর খুলে দেখা হয় না ।

বিস্তারিত»

আনন্দাশ্রু এবং…

আমার পিচ্চি বোনটা আমার চেয়ে ঠিক ৭ বছরের ছোট।পৃথিবীর সবচাইতে বড় যন্ত্রনা যে ছোট বোন নামক প্রানী এ নিয়ে মনে হয় “ভুক্তভোগী” কেউ দ্বিমত করবেননা-আমার বোনটাও এর ব্যতিক্রম না।তার বদ্ধমূল ধারণা আমি যেহেতু ক্যাডেট কলেজে ছয় বছর বাড়ির বাইরে ছিলাম তাই আব্বু-আম্মুর উপর আমার চাইতে তার দাবী বেশি।এই দাবী খালি আব্বু-আম্মুর উপর না আমাদের ব্যবহার্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সব জিনিসের উপরেই।টিভির রিমোট থেকে শুরু করে কম্পিউটার-সব কিছুতে তার নিয়ন্ত্রন নেয়া চাই।তবে দুষ্টামি করলেও পিচ্চি কিভাবে কিভাবে জানি পড়াশোনায় বরাবরই খুব ভাল ছিল।ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ে খুব ভাল রেজাল্টও করেছিল ও লেভেল আর এ লেভেলে।কিন্তু এ লেভেলের পরেই বাঁধল বিপত্তিটা-আব্বু আম্মু ঠিক করলেন যে বাকি সব ইংলিশ মিডিয়ামের ছাত্রছাত্রীদের মত দেশের বাইরে না পাঠিয়ে তাঁরা ওকে দেশের ভাল প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরীক্ষা দেওয়াবেন।কি মুশকিল!!যে সিলেবাস আগে কখনো পড়েনি সেই সিলেবাস নিয়ে বসতে হল ওকে-শুরু হল রাত দিন পড়াশোনা।আমি তখন বিসিএস নিয়ে ব্যস্ত-সারারাত পড়ি,মুভি দেখি আর একটু পর পর “ভাইয়া স্থানাঙ্ক মানে কি?জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া কি,স্থিতি আর গতি কি”

বিস্তারিত»

ইচ্ছে

নীচের রাস্তাটায় মানুষের চলাচল কমে গেছে । হাসপাতালের উপর ছয়তলা থেকে নীচে তাকালে শীতের রাতের হালকা কুয়াশার ভিতর দিয়ে চলে যাওয়া দু’একটা মানুষ কে দলছুট পিঁপড়ার মত মনে হয়, যেন নিজের সারির খোঁজে হন্তদন্ত হয়ে ছুটে চলা মানুষ। ছোটকালে লম্বা সারিতে ব্যস্ত ভংগীতে ছুটে চলা পিঁপড়াদের সারি থেকে দু’একটা পিঁপড়া কে সরিয়ে দিলে সারি হারান পিঁপড়া গুলো যেমন পাগলের মত এদিক ওদিক ছুটাছুটি করত সারির খোঁজে নিজেকে কেন জানি আজ সেই রকম সারি হারান পিঁপড়াদের দলে মনে হয়।

বিস্তারিত»