পোষ্টের নাম দেইখা ভয় পাবার কিছু নাই। ৩০০০তম পোষ্ট টা দেওয়ার জন্য সবাই চুপ চাপ খামি মাইরা বইসা রইছে। সুযোগ পাইলেই ছাইড়া দিবে, কিন্তু আমি তা হইতে দিতে পারি না। আমি সবাইরে জানাই দেওয়ার জন্যই এই পোষ্ট টা দিলাম। এখন দেখি যুদ্ধে কে ফার্স্ট হয়।
বেশি দিন আগের কথা না, আমাদের জামাই ম্যাশ ২০০০ তম পোষ্ট দিতে গিয়া বিরাট ধরা খাইছিল। পরে লাবলু ভাইয়ের হস্তখেপে বেচারা ম্যাশের ইজ্জত রক্ষা হইছে।
সিসিবির জন্মভূমি-আই ইউ টি এবং জংগিবাদ বিষয়ে সামান্য আলোচনা
(১)
বাইরের ছাত্রদের কথা জানিনা তবে ক্যাডেটদের কাছে আই ইউ টি বেশ জনপ্রীয় । এমনকি অনেক ক্যাডেটেরই প্রথম ইচ্ছা থাকে আই ইউ টি তে পড়ার । আমরা এটাকে দ্বিতীয় ক্যাডেট কলেজ মনে করি । কারণ এখানকার পরিবেশের সাথে
ক্যাডেট কলেজের অনেক মিল । পাশাপাশি ব্যক্তি স্বাধীনতায় কারো হস্তক্ষেপ না থাকায় কখনো একঘেয়েমীতা গ্রাস করার সুযোগ পায় না । এ কারণে একজন আই ইউ টিয়ান হিসেবে গর্বই করি ।
৩৪ বছরের পাপমোচন হলো আজ
ক্ষমার অযোগ্য একটি পাপের আজ বিচার হলো। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার ৫ আসামির আপিল খারিজ করে দিয়েছেন। বিচারপতি মো. তাফাজ্জাল ইসলামের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের বেঞ্চ আজ বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আসামিদের আপিলের এই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। এই রায় ঘোষণার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া ১২ আসামির ফাঁসির আদেশ বহাল থাকলো।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১২ আসামি হলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক রহমান,
বিস্তারিত»আকাশ বাড়ানোর গল্প
ক ভাই ফোন করেই দিলেন ঝাড়ি-“এই ব্যাটা তোর কলেজের ক্যাডেট আর তোর কোন খোঁজ নেই কেন? শোন,ফ ভাই কিছু টাকা পাঠিয়েছেন, আমার কাছে জমা আছে-নিয়ে যাস।”
ঝকক এর জাকিরের মা অসুস্থ্য হয়ে পড়ার পর আউয়াল “আকাশ বাড়িয়ে দাও” নামের এক লেখার মাধ্যমে উদাত্ত আহবান জানিয়েছে আমাদের সবাইকে যার যার সাধ্যমত সহায়তা করতে।ক্ষুদ্র,তুচ্ছাতিতুচ্ছ আমার পক্ষে খুব বেশি কিছু করা তো সম্ভব না তাই যেটুকু পারি সেটুকু নিয়েই অগ্রসর হচ্ছিলাম।এর মধ্যে ক ভাইয়ের ফোন।ক ভাইয়ের কথামত সন্ধ্যাবেলা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে ফ ভাইয়ের দেয়া টাকা সংগ্রহ করতেই তিনি বললেন-এই ব্যাটা এই নম্বরটা নে,এটা র ভাইয়ের নম্বর।উনি খুব ব্যস্ত,শিগগিরি ছুটিতে চলে যাবেন।আমাকে বলেছেন তোকে নম্বর দিয়ে উনার সাথে যোগাযোগ করতে বলতে।”
বিস্তারিত»বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় সামনে রেখে কিছু কথা…….
“শত বছরের শত সংগ্রাম শেষে, রবীন্দ্রনাথের মতো দৃপ্ত পায়ে হেঁটে অতঃপর কবি এসে জনতার মঞ্চে দাঁড়ালেন”
সকালে ঘুম থেকে উঠেই নির্মলেন্দু গুণের ‘স্বাধীনতা শব্দটি কি করে আমাদের হলো’ কবিতার অসাধারণ লাইনটা মাথায় কড়া নেড়ে যাচ্ছে ক্রমাগত………
কী বিপুল, কী বিশাল একজন ব্যক্তিত্ত্ব…….এমন একজন মানুষকে হত্যা করা যায় এমনই নিষ্ঠুরভাবে…….
আবার ভাবি শহীদ তাজউদ্দীনের সেই উক্তি, “(বাকশাল করে) আপনি নিজেকে সরানোর জন্য এক বুলেট ছাড়া আর কোন পথ রাখলেন না।”……কেন এত বৈপরিত্য দেখা দিল মাত্র সাড়ে তিন বছরেই???
বিস্তারিত»প্রার্থনা
প্রার্থনা তোমার জন্য …
হে নিঃসঙ্গ গ্রহচারী মানব মানবী;
প্রার্থনা নির্ঘুম চিন্তাগ্রস্তের জন্য,
কল্পবিলাসীর জন্য..
স্বপ্নালু, ঘুমকাতুরে কোন একজনের জন্য…
কালো ঘোড়ার আরোহী!!! শেষ পর্ব
১১।
ওদের দুজনকে ঘিরে সবাই গোল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। দুইজনের অস্ত্রই জমা আছে রবার্ট এর কাছে। নিয়ম করা হয়েছে কোন একজন আত্মসমর্পন করা না পর্যন্ত লড়াই চলবে। স্পর্শকাতর জায়গায় যেমন চোখ, বেল্টের নিচে আঘাত করা চলবে না। পুরো লড়াইয়ে রেফারির ভূমিকা পালন করবে রবার্ট।
মাইকের চেয়ে উইলিয়াম্স বিশ/পঁচিশ পাউন্ড বেশি হলেও উচ্চতার দিক দিয়ে পিছিয়ে আছে।
বিস্তারিত»শ্যুটিং
[সে অনেক অনেক আগের কথা…আরবের কোরাইশরা তখন খেজুর খেতো….সম্ভবত সেই আমলে শেষ ব্লগটা লিখেছিলাম…তাই লিখতে গিয়ে কোথা থেকে যেন একরাশ অস্বস্তি এসে ভর করছে….যাই হোক….]
ছেলেটা আমার ধরানো সিগারেটের দিকে অনেক্ষণ হা করে তাকিয়ে তারপর বলল- তুমিও বাংলা ফাইভ? বাহ পার্টনার পাওয়া গেলো একজন। ঢাকা বিশাববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদে আমি তখন খুব পাটে থাকি। সিনয়রদের সামনে সিগ্রেট খাই। সংসদের পক্ষে ফার্স্ট ইযারদের রুমে আসার দাওয়াত দেই।
বিস্তারিত»গল্প: দানব
ইকরাম মিয়া সিগারেট শেষ করে সশব্দে পাশের রাস্তায় থুতু ফেলল। গলার ভেতরটা শুকিয়ে আমসি। একটু পানি খাওয়ার জন্যে এদিক ওদিক তাকালো সে। মোড়ে চায়ের দোকানের পাশে বড় একটা ফিল্টারের গায়ে হেমন্তের নাতিশীতোষ্ণ রোদ প্রতিফলিত হচ্ছে। রোদের কারুকার্য দেখে সময় নষ্ট না করে সেদিকে হাটা দিল সে। ডিউটি শুরু হতে এখনও কিছুটা বাকী আছে। তাই কি করবে সে ঠিক বুঝে উঠতে পারছিল না। ময়লা ড্রেনের পাশে নাম না জানা পোকাগুলোর অবিরাম অত্যাচারী সঙ্গীতে কটকটে রোদের আবহাওয়া অসহনীয় লাগছে তার কাছে।
বিস্তারিত»ইনসাইড ‘ওপেন’
এই গল্পের নায়ক একটা ১৩ বছরের ছেলে।
বাবার ইচ্ছা ছেলেটা বড় হয়ে নামকরা টেনিস খেলোয়াড় হবে। সেজন্যে ওই বয়সেই তাকে নিয়ে গেলেন ফ্লোরিডায়, বিখ্যাত টেনিস কোচ নিক বোল্লেত্তেরি’র একাডেমীতে। সম্বল যে কয়টা ডলার ছিল তা দিয়ে শুধু দুইমাস সেই একাডেমীর খরচ যোগাতে পারবেন তিনি। এর বেশি সামর্থ্য তার ছিলো না! বোল্লেত্তেরি ছেলেটাকে ডেকে হাতে একটা র্যাকেট আর বল ধরিয়ে দিয়ে বললেন- মারো। দশ মিনিট নেটে র্যালি করলো ছেলেটা।
স্বপ্নে দেখা…………
নাম দেখে পড়তে শুরু করলে ভুল করবেন। কোনো উপন্যাস বা প্রবন্ধ না শুধুমাত্র ব্যক্তিগত এক্সপেরিয়ান্স লিখছি। বিস্বাস করা না করা পাঠকের নিজস্ব সম্পত্তি। কাল রাতে স্বপ্নে দেখলাম আমি কোন এক অচেনা গাড়িতে ভুল করে উঠে বসেছি। বাসের ভিতর ঘুটঘুটে অন্ধকার। এমনকি বাসের বাইরেও। আমি বুঝতে চেষ্টা করছি বাস কোথায় যাচ্ছে।কিন্তু বুঝতে পারছিনা। বার বার মনে হচ্ছে কোনো অজানা গন্তব্যের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আর আমি ভয়ে কাপছিঁ।
বিস্তারিত»স্মৃতির ঝাঁপি : ইতিহাসের কালো অধ্যায়-২
প্রথম পর্ব ।। দ্বিতীয় পর্ব ।। তৃতীয় পর্ব ।। চতৃর্থ পর্ব ।। পঞ্চম পর্ব।। ষষ্ঠ পর্ব ।। সপ্তম পর্ব
কিছু সেনা কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ক্ষোভের কারণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেছিল। বিশেষ করে খুনি চক্র এবং বঙ্গবন্ধুর বিরোধীরা এমন একটা প্রচার দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে এসেছে। মেজর শরিফুল হক ডালিমের স্ত্রীর সঙ্গে সে সময়ের রেডক্রসের চেয়ারম্যান গাজী গোলাম মোস্তফার অসদাচরণকে এ ক্ষেত্রে প্রমাণ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে ।
বিস্তারিত»বেতন-ভাতা নিয়া বড়দের গপসপ
বেতন বাড়াইছে সরকার। তবে তা কেবল সরকারি লোকজনদের জন্য। পত্রিকায় খবরটা পড়ে বসের কাছে হাজির হলো জুলমাত খোন্দকার।
-স্যার আমারও বেতন বাড়াইতে হইবে। আমার পেছনে কিন্তু তিনটা কোস্পানি লেগে আছে।
বস-রিয়েলি? তা কোম্পানিগুলো কে কে?
-স্যার, গ্যাস কোম্পানি, টেলিফোন কোম্পানি ও বিদ্যুৎ কোম্পানি। ~x(
গল্পটা খুব নিরস হয়ে গেল। তাইলে বরং একটা সরস গল্প বলি। বহু পুরোনো এবং খানিকটা অশ্লীল।
বিস্তারিত»সিঙ্গেল লাইন
১.
আচ্ছা মানুষ কি পিঁপড়ে? নাকি মানুষদের পিঁপড়ে হতে এখানে পাঠানো হয়? ব্যাপারটা ঠিক বুঝে ঊঠতে পারে না তাশফিন। এখানকার সবকিছুই কেমন পিঁপড়ে পিঁপড়ে! দল বেঁধে থাকা, খাওয়া, পড়া খেলা ঘুমানো এমনকি বাথরুম অবধি ! সবখানেই লাইন, সিঙ্গেল লাইন।
দুপুরের খাবারের জন্য ক্লাসরুম থেকে বেড়িয়ে খাবার ঘরের দিকে যাচ্ছিলো তাশফিনরা। মানে তাশফিন, নাঈম, মুকুল এমন অনেক, প্রায় শ’দুয়েক ক্ষুধার্ত মুখ। সারি সারি পিঁপড়ের মতো,
একঘেয়েমীতায়
মহাজাগতিক ইশারায়
মহাকাশে চলে গ্রহদের
অবিরাম প্রদক্ষিণ।
বাড়ন্ত বেলায় দেখি
প্রতিশ্রুতিময় সকাল,
ক্লান্ত দুপুর -অবসন্ন বিকেল,
একাকী সন্ধ্যা আর নির্জন রাত।