= বাংলাদেশের ইতিহাসে সংযোজিত হল আরো একটি বেদনাদায়ক, মর্মান্তিক ও লজ্জাস্কর অধ্যায়।
= স্নেহাস্পদ মশিউর, রহমান শফিক সহ আরো অনেক সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তাদের এই মর্মান্তিক হত্যাকান্ডে অত্যন্ত মর্মাহত।
= বিডিআর সপ্তাহ উদ্যাপনের সময় ইন্টেলিজেন্সের ব্যর্থতা আর কুচক্রীমহলের ষড়যন্ত্রে প্রাণ দিতে হল দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর তথা বাংলাদেশের সোনার সন্তানদের।
= এই অপূরণীয় ক্ষতি আমাদের দেশের জন্য বড় বেশি ভারী।
= এই মূহুর্তে বাংলাদেশের বেশিরভাগ বিডিআর সেক্টরগুলো নেতৃত্ববিহীন অবস্থায়।
পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ ও নিখোঁজদের তালিকা
বিঃদ্রঃ এই তালিকার অসংগতিগুলো দূর করে শীঘ্রই নতুন তালিকা প্রকাশ করা হবে।
শহীদ
সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা
১. মেঃজেঃ শাকিল আহমেদ (বিডিআর এর ডিরেক্টর জেনারেল)
– ব্রিঃজেঃ এম এ বারী (বিডিআর এর ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল)
– কর্নেল আখতার হোসেন (আরসিসি, ১২/৬৬১/কাসিম হাউস)
– কর্নেল আনিসুজ্জামান
– কর্নেল আফতাবুল ইসলাম (আরসিসি, ৭৭-৮৩, ১৪/৭৮৮) [বাড়ি ফেরা হলো না কর্নেল আফতাবের]
–
“এখনই নয়। আপাততঃ প্রহর গুনছি…”
(লেখাটি শুধুমাত্র সিসিবি’র সদস্যদের জন্য। এর মাঝেও কেউ যদি আহত হোন; ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টি প্রত্যাশা করি। আমার মাথার ঠিক নাই।)
বিস্তারিত»আর কতো সূর্যসন্তানদের হারাবো আমরা?
শ্রীলংকায় গৃহযুদ্ধ চলছে, তামিল গেরিলা ও সরকারী বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে হতাহতের খবর দৈনিক কাগজ ও টিভি মিডিয়াতে আসছে। তামিল গেরিলারা যারা স্বাধীন স্বায়ত্ব শাসনের জন্য প্রাণ দিচ্ছে তাদের ও হয়তো মৃত্যকালে একটা পরিতৃপ্তি থাকে, যে তারা একটা আদর্শের জন্য প্রাণ দিচ্ছে। আর যে শ্রীলংকান সেনাটির বুক ঝাঁঝরা হয়ে যাচ্ছে বুলেটে তারও আত্মার পরিতৃপ্তি থাকে যে দেশের অখন্ডতা রক্ষার জন্য সে নিজের জীবনের মায়া তুচ্ছ করে এগিয়ে এসেছে।
বিস্তারিত»আমার কিছু প্রশ্ন ছিলো
“সিসিবি-র সবার প্রতি…সকল এক্স ক্যাডেটদের কাছে আমার কয়েকটা প্রশ্ন আছে।
প্রশ্ন-১
সানাউল্লাহ ভাই, কিংবা অন্য যে কোন ভাইয়েরা…
আমাদের মাঝে থেকে…(আমরা যারা ডিফেন্স-এ আছি)…আমরা যদি সবাই এখন চাকুরী ছেড়ে চলে আসি…, যদি আর মাথা নীচু করে…বুকের সাহসটুকু মুছে ফেলে চাকুরী করতে রাজী না থাকি…জাতির কাছে নিজেদের সত্যিকারের অবস্থান দেখে (আমরা সব চোর…বাটপার…অশিক্ষিত/অল্পশিক্ষিত…অ-দেশপ্রেমিক…অহংকারী…অসৌজন্যমূলক আচরণকারী…সুবিধাভোগী…তালিকার বাকীসব মনে নেই) এই বা** চাকুরীকে লাত্থি মেরে চলে আসি……
আর কাদবো না।কেনো কাদবো, কার জন্য???
অনেক হইছে, আর না। অনেক কেদেছি। গত তিন দিন ধরে একটা একটা করে লেখা পড়ি, একটা লাইন পড়ি আর চোখ ভিজে আসে। আর কতো?
আমরা নাকি গনতান্ত্রিক দেশ। গনতন্ত্রে নাকি বেশির ভাগ মানুষ যা চায়, তাই করা উচিত। তাহলে তো বর্তমানে বিডিআর এর পক্ষ নেয়া উচিত। কারন দেশের সবাই ওদের দলে। তাহলে কেনো আমি আমার ভাইদের জন্য কাদবো? আর না।
কেনো তাহলে গত তিন দিন ধরে ভোর ৬/৭ টা পরযন্ত ব্লগ এ বসে থাকবো মাজহার ভাই কিংবা সামিয়া এর বাবার একটি ভালো খবর এর আশায়।
বিস্তারিত»দেশপ্রেমিকের লেখা
[এই লেখাটি কেবলমাত্র প্রচন্ড নিরাবেগ, স্থিরবুদ্ধি এবং চিন্তাশীল দেশপ্রেমীদের জন্যে…কাজেই, পিলখানায় নিহত/নিখোঁজ কতিপয় “অসাধু/দুর্নীতিবাজ” আর্মি কিংবা এই ঘটনায় বিন্দুমাত্র মন খারাপ করা পাবলিকরা এটা পড়ার প্রয়োজন নেই!!!!!!]
কেস-১
আমার মতে আমরা যাঁরা বুদ্ধিজীবি… আমরা যাঁরা রাজনীতিবিদ…আমরা যাঁরা ব্যবসায়ী…এবং অন্যরা… আমরা-ই শুধুমাত্র সত্যিকারের দেশপ্রেমী।
আর দেশপ্রেমী হলো বাংলাদেশের সীমানা পাহারা দেয়া বিডিআর জওয়ানেরা। তাঁদের লাল, নীল, বেগুনী, সবুজ, হলুদ সালাম।
আর,
“তোমাদের জন্য তোমাদের ভাইরা কাঁদছে…তোমরা শান্তিতে ঘুমাও”
(নামকরণ কৃতজ্ঞতাঃ সাইফ)
ঢাকা শহরের পিলখানা থেকে কয়েক হাজার মাইল দূরে বসে একজন ক্যাডেট তার সেইসব ভাইয়ের জন্য কাঁদছে, যাদের সাথে তার কোনদিন চোখের দেখা হয় নাই, সুযোগ হয় নাই অনলাইনেও কথা বলার; তবুও তারা তার আত্মারই অবিচ্ছেদ্য একটা অংশ…
আসলে আমরা এভাবেই বড় হয়েছি…মাজহার ভাইয়ের নাম গতকালের আগে কখনো শুনি নাই, কিন্তু আমাদের রহমান ভাই তো তার সাথেই ‘স্বপ্ন দিয়ে তৈরী,
বিস্তারিত»একটি ব্যক্তিগত নোটিশ…ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন প্লিজ
নন ক্যাডেট ভাই,প্লিজ আপনাদের কারো ব্যক্তিগত ভাবে ভাল লেগেছে শুনে ধন্যবাদ,কিন্তু আপনি যদি অন্য কোন ব্লগে এই পোস্ট দিয়ে থাকেন…দয়া করে সরিয়ে নেন,পাশাপাশি সব ক্যাডেট ভাইদের বলছি,প্লিজ কেউ অন্য কোন ব্লগে এই লেখটা দেয়ার দরকার নেই,আমি কারো সহানুভুতির জন্য কিংবা অন্য কোন কারনে এই লেখা লিখি নাই,আমরা সবাই যেহেতু ক্যাডেট তাই একের সাথে অন্যের কষ্ট ভাগাভাগির জন্য লিখি……নিজেকে লেখক হিসেবে জাহির করারা জন্য নয়……কেউ ভুল বুঝবেন না প্লিজ……………………আমাদের কি বেচে থাকা উচিত?……কার জন্য কিসের জন্য?
বিস্তারিত»বিডিআর বিদ্রোহঃ সর্বশেষ সংবাদ
দৈনিক ডেইলি স্টার পত্রিকার সর্বেশেষ সংবাদ হচ্ছে বিডিআর ডিজির বাসভবনে দুজন বয়স্ক পুরুষ এবং মহিলার ডেডবডি পাওয়া গেছে। তাদেরকে সনাক্ত করা যায়নি তবে ধারণা করা হচ্ছে তারা লেঃকঃ দেলোয়ার হোসেন (অবঃ) এবং তার স্ত্রী লাভলী বেগম। উনারা চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসে ডিজির বাসায় উঠেছিলেন। লিঙ্ক এখানে
সামিয়াপুর আব্বুর খবর এখনো পাওয়া যায়নি। বিপুল সেনা অফিসার সহ ১৩৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন এখনো। আমরা সবার জন্য প্রার্থনা করি উনারা ফিরে আসবেন।
মাজহার ভাই, হায়দার ভাই………
মাজহার ভাই, হায়দার ভাই, মোশারফ স্যার ,তোমরা কি শুনতে পাও। আমাদের কান্না? তোমরা তোমাদের বিবেকের কাছেতো হেরে যাওনি? এই অকৃতজ্ঞ জাতি তোমাদের কে দুর্নিতিবাজ আর ব্যর্থ কমান্ডার বলে……তোমাদের লাশটাকে খুজে বের করারা প্রয়াস করেনি, কেউ তোমাদের কথা বলেনি। তোমরা আমাদেরকে ক্ষমা করে দিও।
তোমরা কষ্ট পেয়োনা প্লিজ। তোমরাতো তোমাদের বিবেকের কাছে হেরে যাও নি। তোমাদের জীবনের বিনিময়ে এই জাতি বেচে আছে। যারা আজ তোমাদের দুর্নীতিবাজ বলছে,
বন্ধু, সি ইউ এগেন
মনরোভিয়াতে গিয়েছিলাম একটা ছোট্ট কাজ নিয়ে। দুদিনের জন্য ওখানে আমিই আমার রাজা – সকালের পিটি, বিকেলের গেমস বা দিনের অফিস সবই আমার ইচ্ছায়। সকালে জমিয়ে ঘুমাব বলে রাত জেগে অফিসাররা মিলে “স্লামডগ মিলিওনিয়ার” রিভাইস করলাম। কিন্তু মানুষ ভাবে এক আর হয় আর এক। অন্ধকার থাকতে থাকতেই পাশের বেডে মোবাইলে রিশাদের (রংপুর, ৯২-৯৮) উদ্ধিগ্ন কথোপকথনে ঘুম ভাংলো। জানালো ডিজি বিডিআর শট ডেড।
হুড়মুড় করে এখানে ওখানে কয়েক দফা ফোন চালালাম,
বিস্তারিত»আমাদের কি বেচে থাকা উচিত?……কার জন্য কিসের জন্য?
ফিনিক্স ভবণ ধ্বসে পড়ল, গার্মেন্টসে আগুন লাগলো, লোকজন পানির অভাবে বিদ্রোহ করল, সিডর হল ,বন্যা হল, ভোটার লিস্ট হলো ……রাত নেই, দিন নেই, ঘুম নেই, নিজের পকেট থেকে মোবাইল বিল দিয়ে কাজ করেছি। আমি অফিসার, ৫০০/১০০ টাকা মোবাইল বিল চাওয়া আমার জন্য লজ্জার ব্যাপার। মাস শেষে ব্যাঙ্কে ওডি লেগেই আছে, বাবার নীরব অভিযোগ, ভাই বোনের অভিযোগ, আর্মি অফিসার অথচ ফ্যামিলিকে কোন সাপোর্ট দিতে পারে না।
বিস্তারিত»যাদের জন্য সহানুভূতি নাই , শুধুই ভালোবাসা ………….
( সামুতে প্রকাশিত। এর বক্তব্যগুলো জেনারেল । কেউ পার্সোনালি না নিলে খুশি হবো )
দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে কথার শেষ নেই। জল্পনা কল্পনা করে নিজেদের সময় কাটানোর দারুণ বিষয় পেয়ে গেছি আমরা। সব কিছু শেষ হওয়ার পরো আমরা আলোচনা করে যাচ্ছি সেইসব কিছু নিয়ে যার আদতে কোন ফল নেই। অনেকে বোধ করি উত্তেজনায় ভাটা পরায় কিঞ্চিত বিরক্ত হয়েছেন। যা হোক এসব বলা আমার উদ্দেশ্য না কিংবা আর্মি বিডিআর এর কে দোষী তা নির্ণয়ও আমার কর্তব্য না।
বিস্তারিত»এখনও কিছুই জানা যায়নি কর্ণেল জাকির হোসেন সম্পর্কে
নেটে ছিলাম না। প্রায় ছয়শ মন্তব্য দেখলাম তিনটি ব্লগে। সেগুলোতে চোখ বুলানোর মতো মানসিক অবস্থা নেই। ভালো লাগছে না কিছুই।
স্যামের সাথে শেষ কথা হয়েছে রাত সাড়ে দশটায়।
ঘটনা শুরু হবার আগের দিন রাতে ও বাসায় ছিল না। বাসার ভেতরে আটকা পড়ে যান আন্টি আর ছোট ভাই সাকিব। আর আংকেল কর্নেল জাকির ছিলেন দরবার হলে।
প্রথমদিন বেলা এগারোটায় স্যামের ড্রাইভারকে ফোন করা হলে তিনি জানান আংকেলের সুস্থ থাকার কথা।
বিস্তারিত»