মা তেরেসার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি

মাদার তেরেসা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম সেরা মানবতাবাদী ও মানবসেবী। গোঁড়া ধর্মীয় মনোভাব এবং রাজনৈতিকি অপোরচুনিজম এর কারণে সমালোচিত হলেও তার অনবদ্য মানবসেবা নিয়ে কেউ সন্দেহ পোষণ করে না।

আলবেনীয় ভাষায় তার নাম: Nënë Tereza, ন্যন্য টেরেজা
মেসিডোনীয় ভাষায়: Агнес Гонџа Бојаџиу (Agnes Gonxhe Bojaxhiu) – আগনেস গঞ্জা বয়াজু
জন্ম – ২৬শে আগস্ট, ১৯১০
মৃত্যু –

বিস্তারিত»

পাকিস্তানের জন্য গোলাম আযমের আক্ষেপ ফুরাবে না!

গোলাম আযমের লেখা আত্মজীবনী মাত্রই শেষ করলাম। একটা মানুষকে বোঝার জন্যই কষ্ট করে তিন খন্ড জীবনী পড়া। পড়ে বুঝলাম এই লোকটার মতো অভাগা আসলেই কেউ নেই। বুকে পাকিস্তান নিয়ে বাস করতে বাংলাদেশে। তাই সারা বই জুড়েই পাকিস্তান নিয়ে আক্ষেপ। এটা পড়ে বুঝলাম তার আন্ডা-বাচ্চারাও কি পরিমান মনোকষ্টে থাকে।
আসুন দেখি কি লিখেছেন গোলাম আযম।
১৯৭০ সালের নির্বাচনের সময় অধ্যাপক গোলাম আযম নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় জনগণকে আওয়ামী লীগকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলতেন,

বিস্তারিত»

ফ্রেমে বন্দী সিসিবি ইফতার পার্টি

যারা দেশের বাইরে আছেন কিংবা ব্যস্ততার কারণে মিস করেছেন তাদের জন্য … … দু:খ করবেন না, একদিন আপনিও দেশে আসবেন, আপনিও আমাদের খাওয়াবেন এবং তখনো আমরা আবার এভাবে সিসিবিতে তা তুলে ধরব … … তো কে কবে দেশে আসছেন – ছবি দেখতে দেখতে সেটা ঠিক করে ফেলুন … …

বিস্তারিত»

আমার ক্যাডেট লাইফ এবং প্রবাস লাইফ (২য় পর্ব)

কলেজে আমি ছাত্র হিসাবে ছিলাম মিডিয়াম ক্যাটাগরির আর ক্যাডেট হিসাবে ছিলাম টপ বদমাইশ। প্রথম টার্মে ছিলাম ১৮ দিন এবং এরমধ্যে ২/৩ টা ঘটনা ঘটালাম।আমার প্রথম ক্যাড্ট ক্রাইম হিসেবে সুরু হল , জুম্মার নামাজের সময় , আমার দুই ফ্রেণ্ডের পাঞ্জাবির কোনা গীড়া দিয়ে দেয়া।দুঃখজনকভাবে আমাদের শ্রদ্ধেয় স্যার পাঁঠা তা দেখে ফেলল এবং তাঁর আভ্যাসমত কান ধরে মলা এবং ৮২ শিক্কার একটা থাপ্পর ! ক্লাস সেভেনে এইরকম কাজ করার জন্য তিনি আতিশয় আশ্চয’

বিস্তারিত»

আমরা আমরাই তো !

১.
তাইফুর ভাইয়ের আসার কথা ছিল বিকাল ৫টার মধ্যে। কাইয়ুম ভাই আর আমারে তুলে নিবেন পান্থপথ থেকে, সেখান থেকে যাবো মিঃ বেকারের কেক নিতে, তারপর বেঙ্গল ক্যাফেটেরিয়া।
ঘড়ির কাটা পাঁচটা পার হয়ে যাবার পর আর থাকতে না পেরে কাইয়ুম ভাইরে ফোন দিলাম,
বস, তাইফুর ভাই কই?
মৌচাক পর্যন্ত আসছিলো, এখন আবার বাসায় ফেরত যাইতেছে
ক্যান কি হইছে?
মনটা নাকি ভুলে বৌয়ের কাছে রাইখা আসছে ,

বিস্তারিত»

ফ্লার্ট নিয়ে কথকতাঃ

ফ্লার্ট করা কি তা এই ব্লগের ইঁচড়ে পাকা জুনিয়র পোলাপাইন থেকে শুরু করে সম্মানিত বড় ভাইয়েরা-মোটামুটি সবার নখদর্পনে।আর ইয়ে মানে আমার পড়াশুনাটা যেহেতু দেশের নামকরা ডিজুস ইউনিভার্সিটি এন এস ইউতে-তাই মিলিটারি একাডেমি থেকে “ম্যায় হু না” এর মেজর রামের মত সরাসরি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির চক্করে পড়া এই আমার ফ্লার্টিং নিয়ে অভিজ্ঞতার ঝুলিটাও একেবারে খালি না।আপনারা জানেন যে আপনাদের মাস্ফ্যু অতি ভদ্র ছেলে তাই ব্যক্তিগত জীবনে তার ক্যারিয়ারে কালো দাগ নাই বললেই চলে।কিন্তু আশে পাশের রথী-মহারথীদের কীর্তি কাহিনী এবং চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কখনো কখনো এতই বিনোদন-উদ্দীপক ছিল যে ভাবলাম কিছু কিছু শেয়ার করি আপনাদের সাথেঃ

১)জাতীয় ভাইয়া-আমাদের কাশেম ভাই ছিলেন পুরা রোমিও টাইপ।প্রতি সেমিস্টারে ক্যাম্পাসে কোন ডিপার্টমেন্টে কোন সুন্দরী তরুনীর আগমন ঘটেছে সে ব্যাপারে উনার জ্ঞান ছিল অনেকটা কিংবদন্তী পর্যায়ের।আশ্চর্যের বিষয়-সেই সব তরুনীদের সাথে কিভাবে কিভাবে জানি উনার ভাবও হয়ে যেত।কিছুদিন উনাকে বেশ লাজুক মুখে ঘুরতে দেখা যেত ওই তরুনীর সাথে-একসাথে গ্রুপ ডিসকাশন আর এসাইনমেন্ট সল্ভিং হত লাইব্রেরিতে-এবং সবচাইতে উল্লেখযোগ্য যেটা হত-এক মাসের মধ্যে সেই মেয়ে উনাকে “ভাইয়া”

বিস্তারিত»

ইফতার পার্টি (অপেক্ষায় আছি…………)

আসেন সবাই।
সময় হইয়া গেছে।

সিসিবিতে বইসা না থাইকা অজু কইরা ‘আল্লাহ ভরসা’ বইলা রওনা দেন। 😛

বিস্তারিত»

বিষন্নতা নিয়ে একটু রসকথা

(লেখাটি আগে অন্য একটি ব্লগে দিয়েছিলাম।)

বিষন্নতাকে বিষন্নভাবে না দেখে একে নিয়ে একটু রসকথা বললে কেমন হয়? এই যেমন অন্ধকার না থাকলে আলোর কোন মূল্য নেই ঠিক তেমনি সুখ কিম্বা আনন্দকে আরাধ্য করে তুলবার জন্য বিষন্নতার ভূমিকা অপরিহার্য নয় কি? ছোট্টবেলায় বাবা মায়ের বকুনী, ক্লাসে ভালো করতে না পারা, সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাওয়া, প্রেমে ব্যর্থতা, চাকুরীর অনিশ্চয়তা, জীবনযুদ্ধে অন্যের চোখে পিছিয়ে পরা এরকম আরো নানা অব্যক্ত মূহুর্তে কে কখনই একদম বিষন্নতায় ভোগেননি বলেন?

বিস্তারিত»

মা

“সাহিদ রাহিদ এসেছিস?” মিসেস রহমান রান্নাঘর থেকে চুলার ওপর থেকে চোখ না সরিয়েই জিগ্যেস করলেন। “হ্যা মামনি” রাহিদের জবাব আসল। “সাহিদ তোর সাথে এসেছে?”মিসেস রহমানের প্রশ্ন। “না”; ছেলে জবাব দিলো। “কোথায় সে?” জিগ্যেস করাতে ছেলের জবাব “কোথায় আবার..সব সময় যেখানে থাকে স্কুলের পর।” মামনি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। তার বড়ো ছেলেটার ইদানিং ভিডিও গেম খেলার কি একটা নেশা হয়েছে। রাস্তার পাশে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা খোপের মত দোকানগুলোতে বসে থাকে।

বিস্তারিত»

খালাম্মা কাহিনী

কলেজে সবসময়ই একটা ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের গ্রুপ থাকে। আমারো ছিল। তো এইরকম আমার এক দোস্তর লগে আমগো ব্যাচেরই মগকক এর এক ক্যাডেটের :just: ভালো রিলেশন ছিল। তো ওরে এর :just: বান্ধবী একটা গিফট দিছিলো, একটা ফটো ফ্রেম। বলারর দরকার নাই আমার দোস্তে ওই ফেরেমে কার ছবি বান্ধায়ে রাখছিলো 😀
তো আমার দোস্তের বান্ধবী কিঞ্চিত স্থূল হইবার কারণে আমরা ওরে খালাম্মা কইয়া ডাকতাম। 😀 😀 দোস্ত আমার হেব্বি মাইন্ড খাইতো :grr:
কাহিনী শুরু হইলো ইন্সপেকশনের দিন।

বিস্তারিত»

পথের পাঁচালীর পঞ্চাশ বছর-২

প্রথম পর্ব
[আগের পর্ব শেষ করেছিলাম ইন্টেলেকচুয়াল মন্তাজ দিয়ে।এটা নিয়ে কিছু কথা বলার প্রয়োজন বোধ করছি।মন্তাজ ব্যাপারটি রাশিয়ান চলচ্চিত্রকার আইজেনস্টাইনের আবিষ্কার। মন্তাজ শব্দটার সাথে যেহেতু ইন্টেলেকচুয়াল শব্দটি যোগ হয়েছে কাজেই এটা অন্তত বোঝা যায়, বুদ্ধিবৃত্তিক দৃশ্য তৈরি জাতীয় কিছু একটা। হ্যা, আসলেই তাই। ইন্টেলেকচুয়াল মন্তাজ সম্পূর্ণ ভিন্নরকম দুটি দৃশ্য পরপর একটি তৃতীয় অর্থকরী দৃশ্য তৈরি করে, যার মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক একটি সিকোয়েন্স দাঁড়িয়ে যায ।

বিস্তারিত»

নাটাই

১।
-এই টিপু, তোর তো দেখি নতুন নাটাই। কবে কিনলিরে?
-আমার মামা এসেছিল ঐ যে বিদেশ থাকে উনি কিনে দিয়েছে।
-কত দাম রে?
-১২ টাকা, রাজার দোকানেই পাওয়া যায়।
-একটু দেখতে দিবি?
-তুই ফেলে দিবি দেখিস। তারচেয়ে বরং তুই সুতাটা ধর আমি মাঞ্জা দেই । এবার মাঞ্জায় কাচের গুড়া দিয়েছি আমার ঘুড়ি কাটা এইবার কারো সাধ্য নাই।

বিস্তারিত»

কে কারে কি কয়?

[ এই ছড়ার কোন মানে নাই। নেই কাজ তো খই ভাজার বাইপ্রোডাক্ট ]

ফকা বলে সাকারে
ভাল করে তাকারে!
আমি তোর বাবা হই
নই বড় কাকা রে!

সাকা বলে ফকারে
দিয়ে গালে টোকারে!
তোমারইতো এই আমি
বুড়ো ধেড়ে খোকা রে!

বিস্তারিত»

আমিই তো তোর সব চিনি!

আমি তোর সব চিনি,তোর মেখলা হাসা
ঠোঁট ফুলিয়ে মান করা,ফের ভালোবাসা!
তোর গালে কি ছোট্ট কালো তিল আছে?

অন্ধকারের মতন কালো চুলের খোঁপায়
আলতো করে গুঁজে দেওয়া রক্তজবা
আজো আমার চোখে যেন বিঁধে আছে!

বিস্তারিত»