[একটা রূপকথার গল্প লিখতে চেয়েছিলাম। সেটা লেখার জন্য ভাবতে গিয়ে ভাবলাম ছোটবেলায় কার থেকে আমি রূপকথা শুনেছি। ভেবে দেখলাম আমাকে কেউ গল্প শোনায় নি ছোটবেলায়। নিজে নিজেই গল্পের বই পড়ার আগ পর্যন্ত তাই গল্প শোনা হয়নি আমার। কিন্তু রাতে কেও গল্প শোনাচ্ছে কখনো বা ভূতের কখনো বা রাজপুত্র-কন্যাদের সে ফিলিংসই আলাদা। সেরকম ফিলিংস এর জন্য একটা রূপকথা শোনার গল্প লেখতে গিয়ে দেখি একটা যা-তা লেখা হয়েছে।
বিস্তারিত»২২০ এবং ২৮৪ এর মতো বন্ধুত্ব!
পিথাগোরাস এবং তাঁর শিষ্যকূল পিথাগোরিয়ানরা মহাবিশ্বের সবকিছুকে ধণাত্মক পূর্ণসংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করা সম্ভব বলে মনে করতেন। তাঁদের মতানুসারে…
ঈশ্বর = ১
নারী = ২
পুরুষ = ৩
আবার, বিবাহ = ২+৩ = ৫
… ইত্যাদি ইত্যাদি।
একইভাব বন্ধুত্বেরও সাংখ্যিক প্রকাশ থাকা চাই। সেটা কেমন? ২২০ এবং ২৮৪ – এই দুটি সংখ্যার কথা ধরা যাক।
২২০ এর উৎপাদকগুলো হল: ১,
বিস্তারিত»আমার ১৩ মাসের বন্ধুত্ব-ভালোবাসা
মাত্র ১৩ মাস বয়স আমাদের বন্ধুত্বের। বন্ধু চেনার জন্য বলা যায় যথেষ্ট সময়। সম্পর্কের শুরুতে আমার দিক থেকে কিছুটা জড়তা ছিল। অসম বয়সের বন্ধুত্ব। নতুন বন্ধুর বয়স বেশ কম। ছোট-বড়োয় সম্পর্কটা কি গড়ায়, এগোয়? এমন একটা দ্বিধা নিয়ে শুরু করেছিলাম। কিন্তু সময় যতো গড়িয়েছে ততোই আমাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ট হয়েছে। দিনে দিনে আমাদের মধ্যে পরস্পরের জন্য ভালোবাসাটা এমন পর্যায়ে গেল যে একটা দিন আমি ওকে না দেখে থাকতে পারিনা।
বিস্তারিত»রাত্রিযাপন !
ডীম লাইটের আবছা আলোয়
একেকটি দীর্ঘরাত্রি শুরু হয়।
অতঃপর কাটে নির্ঘুম প্রহর-
বাইরে এক রাশ অন্ধকার,
একটু দূরে কিছু ঝিঝি পোকা।
দুবার কয়েল সারানো ফ্যানটা
শ্লথ গতিতে দুলে দুলে ঘুরছে।
বিষাদযোগ
(কবিতাটা লেখার পর মনে হলো এটা লেখার সময় কাজী নজরুল ইসলামের ‘সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ বুঝি আমার উপর ভর করেছিল…)
আজকে তোমার মনের মাঝে
বাদ্য বাজে
দুঃখ ভরা?
সুখ পাখিটা আজকে কেমন পাগল পারা
মনের মাঝে
আনমনা আজ মনটা তোমার সকল কাজে
উচ্চ নম্বরের সিঁড়ি-২ (সৌমিত্রের প্যালিন্ড্রোম)
ঝিনাইদা’র পুলাপাইন গুলা যা সব শক্ত শক্ত কোবতে লেখে। পড়তে গিয়ে কতদিন চশমা ভেঙ্গেছি, অনুবাদ করতে গিয়ে ভেঙ্গেছি দাঁত, তার ইয়ত্তা নাই। আজকে সৌমিত্র মশাইয়ের প্যালিন্ড্রোম পড়ে পুরাই গেছি … প্রতিটি চরণ উল্টোদিক থেকে পড়লেও নাকি একই শোনায়। লেখা তো দুরের কথা, এই ধরনের আইডিয়া মাথায় আসার জন্য যতটুকু মাল মাথায় থাকা দরকার ততটুকু মালও নাই আমার। সৌমিত্র কে অভিনন্দন।
ম্যালা আগে আন্দা’র কোবতে অনুবাদ করে গাইড বই প্রকাশ করে বেশ টুপাইস কামাইছিলাম।
বিস্তারিত»ফেরারী
আবীরের একসময় নিজের জন্য অফুরন্ত সময় ছিল।তখন বিকেলে বুড়িগঙ্গার তীরে বেনসনের প্যাকেট নিয়ে বসে যেত। রাত নিঝুম হওয়া
পর্যন্ত চলত সিগারেটে অগ্নি সংযোগ।কখনো বা খালি পায়ে হাটাহাটি করত সংসদের সামনের রাস্তার,কৃষ্ণচূড়ার ফুল ঝরা লাল গালিচায়।তখন জীবনের স্বাদটা সত্যিই অন্যরকম ছিল।এখন আর নিজের করে সময় বের করা হয়ে ওঠেনা।সারাদিন অফিস তারপর সংসারের টুকিটাকি কাজ করতে করেত মধ্যরাত
তারপর পরের দিনের জন্য ঘুমিয়ে পড়া।আবীর একটু পাশ ফিরে শোয়.পুরোন অভ্যাস মত হাতঘড়ি দেখে।রেডিয়ামের জ্বলজ্বলে কাটাটা জানিয়ে দেয় রাত পৌনে চারটা।পুরো বাসা নিঃস্তব্ধ।পাশের বস্তিতে একটা বাচ্চা কেদে ওঠে।ঢাকার অনেক কিছু পরিবর্তন হয়ে গেছে।আবাসিক এলাকায় রঙহীন বাসা আজকাল দেখা যায়না বললেই চলে।কিন্তু এই বস্তিগুলো আর তার ভিতরের মানুষগুলোর জীবন সংগ্রাম একই রকম আছে,আদিম অকৃত্রিম।
প্যালিন্ড্রোম
রাধা নাচে অচেনা ধারা
রাজণ্যগণ তরঙ্গরত, নগণ্য জরা
কীলক-সঙ্গ নয়নঙ্গ সকল কী?
কীর্তন মঞ্চ পরে পঞ্চম নর্তকী।
(প্রতিটি চরণ উল্টোদিক থেকে পড়লেও একই শোনায়। অবশ্য এখানে পুরোটা মিলিয়ে খুব একটা অর্থবোধক কিছু হয়নি। পাঠক আশাকরি নিজ মেধা ব্যবহার করে কোনো না কোনো অর্থ দাঁড় করিয়ে ফেলবেন, সেটাই ভরসা। আর একটা কথা, চতুর্থ চরণটি সম্ভবত শরৎচন্দ্র পণ্ডিতের কাছ থেকে ধার করা।)
বিস্তারিত»