কলেজ এর কাহিনির তো শেষ নাই। যাই হোক, প্রথম ব্লগ হিসাবে একটা ঘটনা বলি। কলেজ এর খুব বিরক্তকর কিছু বাশির আওয়াজ এর মধ্যে
আফটার নুন প্রেপ এর বাশি টা ছিল জঘন্যতম। আধো ঘুম, আধো জাগরনের মধ্য একাডেমীর উদ্দেশ্য রওনা হতাম। ৯৭’ এর ঘটনা, আমরা তখন ক্লাস নাইনে পরি।
হাফ প্যান্ট, হাফ শার্ট পরে রাজ্যের ঘুম চোখে নিয়ে হাউস থাকে বের হয়ে একাডেমীতে যাচ্ছি।
ক্যাডেট নামচা-BCC-১৯৮৬-৯২ (পর্ব-২)
টিচার এর নাম উল্লেখ করে এই ব্লগ এর নিয়মাবলী লঙ্ঘন হবে কিনা জানিনা, তবে নামটা বলছি এই জন্যে যে নাম উল্লেখ না করলে হয়তো ঘটনার রস আস্বাদনে কিঞ্চিত ব্যাঘাত ঘটবে; তাই ব্লগ এর নীতিমালা ক্ষনিকের জন্যে ভুলে যাচ্ছি। তিনি ছিলেন আমাদের রেজাউল করিম স্যার। স্যার তখন Political Science এর প্রভাষক। এখন উনি পাবনা ক্যাডেট কলেজ এর কোনও এক হাউসের হাউস মাস্টার, মজার ব্যাপার হইলো- আমাদের Mobashwer এখন পাবনার adjutant.
বিস্তারিত»ক্যাডেট নামচা- ১৯৮৬-৯২
ক্যাডেট কলেজ ব্লগ এ কিছু লিখতে যায়ে মান্না দে’র “কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই……আজ আর নেই” – এই গানটাই প্রথম মনে পড়ল। সমাজবিজ্ঞানে বলে, প্রতিটা মানুশের জীবনে কী স্টেজ ৩ টা – 1. Birth, 2. Puberty, 3. Marriage and Death।আর আমার জীবনে কী স্টেজ চারটা। সেই ৪ নম্বর টা হইলো ক্যাডেট কলেজ.আমার জীবন নামের ৪ খন্ডের বইয়ের একটা খন্ড এই ক্যাডেট কলেজ. আজকে আমি যতটুকুন,
বিস্তারিত»ওস্তাদজীঃ বয়েজ ভার্সন
‘গার্লসের পোলাপাইন’ নাকি তাহাদের সর্বজনশ্রদ্ধেয় ড্রিল প্রশিক্ষকদের “ওস্তাদজী” বলিয়া ডাকিতেন। আমিতো হাসিয়াই খুন। তাঁহারা সত্যিই গুণীর কদর করিতে জানিতেন, মারহাবা। সেই হিসেবে আমরা বোধকরি কিছুটা বেয়াড়াই ছিলাম। বিশাল গড়নের এইসব অর্ধশিক্ষিত লোকেদের আমরা যেন মানুষ হিসেবেই মানিতে চাহিতাম না। ওহারা যেন অসম্ভব ডিস্টার্বিং কতিপয় এলিমেন্ট, বড়জোর “স্টাফ” বলিতেই যেন বইয়া যাইত।
আসলে আমাদের কালে ওঁহাদের দৌরাত্ম্য ছিলো অভাবনীয়, প্রতি মুহুর্তের সহবাস, টাচ এন্ড ব্যাক থেকে শুরু করিয়া ইডি-থ্রিডি যাই বলুন সর্বত্র,
বিস্তারিত»চোথা মারা পোস্ট
নিরানব্বই সালের ৩রা জুন, আমার অদ্ভুত একটা ফিলিং এর জন্ম হলো, সারা কলেজ ঘুরাঘুরি করে আসার পর প্যারেড গ্রাউন্ডে ওস্তাদজীরা (আমরা স্টাফদের ওস্তাদজী বলতাম) আমাদের ফল ইন করে দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন। আম্মু আব্বু একটু দূর থেকে হাসিহাসি মুখ করে খাকি ড্রেস পরা নিজের মেয়েকে দেখছে, লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে, বিশাল গর্বের ব্যাপার। আমি তখনো বুঝিনাই এখুনি আমাকে আলাদা করে দেবে। হঠাৎ দেখি বলে উলটা ঘোর,
বিস্তারিত»আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম……
যেদিন চলে আসি সেদিন কেঁদেছিলাম, জানিনা কেন। হয়তবা অন্যদের কান্না দেখে কিংবা নিজে থেকেই। সবার সাথে হ্যান্ডশেক করার পর এডজুটেন্ট স্যার যখন কলেজ গেটে অপেক্ষারত বাসে উঠতে বললেন কোন হারামজাদা যেন কান্না শুরু করে দিল। কান্না যে মহামারীর মত এর আগে টের পাই নাই।
বিস্তারিত»