প্রসংগঃ ক্যাডেট কলেজের ভিতর-বাহির (পর্ব-২)
লিখেছেনঃ কালবেলা | মঙ্গল, ২৬/০৮/০৮ ১০:১৪ অপরাহ্ন
………..নিজস্ব অপারগতাগুলো তুলে ধরতে খুব আপন কেউ চাই। এমন কেউ যার সাথে কোন কম্পিটিশন নাই। যার সাথে কোন লেনাদেনা নাই। যার সাথে কোন রাখ-ঢাক বা ইজ্জতের ব্যাপার নাই। প্রশ্ন উঠতে পারে…ক্যাডেট কলেজের বন্ধুরা তাহলে কি? উত্তরে বলব। জ্বী। অবশ্যই ক্যাডেট কলেজের বন্ধুরাই হতে পারে এরকম কেউ এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। আমি নিজেও কতবার অংকে খারাপ করার পর আমার বন্ধুর কাছে গিয়ে অংক বুঝিয়ে নিয়েছি। বরং বলা যায় ক্যাডেট কলেজই পড়াশুনার জন্য আদর্শ স্থান যেখানে সার্বক্ষনিক সাহায্যের হাত বাড়ানো আছে। যাদের কাছ থেকে হেল্প নেয়া যাবে তারা সবসময় সাথে সাথেই আছে। বন্ধুরা তথা ক্লাসমেটরা। শুধু নিতে শেখা। আর আমার এই লেখার চুম্বক অংশই হল এই “নিতে শেখার” মধ্যে। নিতে শেখা বা নিতে পারাটা কি কলেজে এতই সহজ আসলে ? সবাই কি নিতে শিখতে পেরেছিল? যদি ৫০ জনের মধ্যে ৪৯ জনই নিতে শিখেছে বলে দাবি করে আর একজন বাকি থাকে, তাহলে আমার আজকের এই আয়োজন শুধু ঐ একজন ছেলেটিকে নিয়েই। কেন সে পারলো না। কোথায় প্রবলেম ছিল। কিসের অভাব ছিল। কি তাকে কষ্ট দিল? কি তাকে বাধা দিল। কেন তার নিতে ইচ্ছা করল না। কেন মিশে যেতে পারল না স্রোতে?
খুব নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষন করলে যে যে সম্ভাব্য বিষয় গুলো তার মনে কাজ করতে পারে বলে আপাতত মনে হচ্ছে সেগুলো একে একে বিশ্লেষণ করা যায় কিনা চেষ্টা করে দেখিঃ
ক। কলেজে প্রেপের সময়টাই নিজে পড়ার সময়। আমরা সাবাই জানি প্রেপের সর্বসাকুল্যে সময় কতটুকু। যে ছেলেটার বুঝতে একটু সময় বেশি লাগে তার জন্যে এই সময় টুকু পরিমিত-পর্যাপ্ত কিন্তু নাও হতে পারে। আমি বাস্তেবেই দেখেছি এই সময়টা পর্যাপ্ত হয় না অনেক সময়। সকলের মাথার ধারন ক্ষমতা এক নয়। ক্লাসে ফার্স্ট হওয়া ছেলেটা যত তাড়াতাড়ি একটা জিনিস ক্যাচ করে ফেলল, বা দিনের বেলা স্যারের / ম্যাডামের ক্লাস চলাকালেই নিজে পড়ার বিষয়টা কৌশলে এগিয়ে রাখলো সেরকম তো সবাই পারে না। যাই হোক অনেক শাখা প্রসংগ এসে যাচ্ছে। অত কথা বলতে গেলে হাতে ফোস্কা পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এখানে যেটুকু বলতে চাই……যে ছেলেটার হেল্প দরকার সে কখন হেল্প নিতে যাবে? প্রেপের সময়? তাহলে যার কাছে যাবে তার পড়ার কি হবে? তার পড়ার ক্ষতি হবে না? আবার প্রেপের সময় দেখা যায় ডেস্ক থেকে নড়ন চড়ন করা নিষেধ। প্রেপ ডিউটি স্যার ম্যাডামরা সেটা এনশিওর করছেন পেছনে বসে বসে। তাও যদি কোন মতে পারমিশন- টারমিশন নিয়ে যাওয়া হয়ও তাহলেও আর একজনের পড়ার ডিস্টার্ব করে কারো কাছে পড়া বুঝতে যেতে অনেকের সংকোচ হতেই পারে। আবার যদি ছেলেটা ক্লাসের একদমই পেছনের প্রোফাইলের হয়(একাডেমিক্সের দিক থেকে) তাহলে একদম ফার্স্ট বয়ের কাছে যেয়ে পড়া বুঝতে যেতে আরো বেশি দ্বিধার মধ্যে পড়ে যেতে পারে। হয়ত প্রকাশ করবে না। কিন্তু মনে মনে? যেতেই পারে। মনে হতে পারে- ” ওর পড়া নষ্ট করব? নাহ্ থাক। না জানি কি মনে করে আবার।” আর সেই সাথে যদি কোন একদিন মেজাজ খারাপের সুবাদে কারো কাছে বুঝতে যেয়ে একটু হালকা টিজ বা ঝারি খায় তাইলে তো হইসেই কাম। আর কখনই হয়ত মন চাইবে না কারো কাছে কিছু বুঝতে যেতে। সবার জন্য সত্যি না, কিন্তু হয়। এরকম হয় কিন্তু।
এভাবে দেখা যায় প্রেপ গুলো পর্যাপ্ত না হওয়ায় সপ্তাহ শেষে অনেক অনেক পড়া পেন্ডিং পড়ে যায়। এদিকে
প্রেপ ছাড়া বাকি বুঝিয়ে নেয়ার মত সময় থাকে বৃহস্পতিবার বিকাল ( যেদিন মুভি দেখানো হত আমাদের সময়- সে এক বিরাট আকর্ষণ) আর হল শুক্রবার। বৃহস্পতিবারের মুভি মিস করে পড়াশুনা করবে, এমন বেরসিক কমই আছে। তাও ধরে নিলাম পরীক্ষায় ভালো করতে হবে বলে সিনেমার আকর্ষণ উপেক্ষা করে সে টেবিল চেয়ারে বসল। কিন্তু হেল্প নেয়ার জন্য যাকে দরকার সে গিয়েছে সিনেমা দেখতে। তখন? এমনটা তো হতেই পারে। এবং হয়ও। অতএব ঐদিন আর হলনা। এরপর তো স্পেশাল ডিনার ( আহা! লিখতে যেয়ে পোলাওএর গন্ধ পাচ্ছি রে…উম্ম্ম্) , তাপর এসে একটু হৈ হট্টগোল এবং ১১টায় লাইটস অফ। লাইট্স অফ মানে তো সব অফ। যাই হোক, অতএব এদিন হয়ত হলোনা।
আবার বাকি থাকে শুক্রবারটা। এদিন সকাল ০৮০০ ঘটিকায় ঘুম থেকে ওঠার মজাটা যেন আল্লাহর নিজ হাতে পাঠানো ক্যাডেটদের জন্য একটি বেহেশতি আইটেম। আহা!! আহা!! যাই হোক জুনিয়র থাকা অবস্থায় হলে এরপর হয়ত থাকবে গার্ডেনিং, নাইলে চুলকাটা, নাইলে অপশনাল গেমস, নাইলে কোন দিন হয়ত স্যোশাল ওয়ার্ক( কাঁচি দিয়ে আশপাশ পরিষ্কার)ইত্যাদি, এরপর জুম্মা, লাঞ্চ। হ্যাঁ এই লাঞ্চের পরে একটু লম্বা সময় পাওয়া গেল ছেলেটির জন্যে কারো কাছে কোন কিছু বুঝিয়ে নিতে। তাও কথা আছে- যদি যার কাছে হেল্প নেয়া হবে সে একটু ঘুমিয়ে নিতে না চায়? হা…হা…। এখন কথা হল সারা সপ্তাহ জুড়ে যে এক গাদা না বুঝা জিনিস বাকি পড়ে রইল তার সবটাই কি সল্ভ করা যাবে এই সময়ের মধ্যে? হয়না। কিছু হয়। মেলা কিছুই হয় না।
এদিকে পরদিন থেকে আবার শুরু হয়ে যায় নতুন সপ্তাহ। নতুন পড়া। নতুন ভাবে নতুন কিছু জমে যাওয়া। আর দুই সপ্তাহ যেতে না যেতেই পাক্ষিক পরীক্ষা! পরীক্ষা খারাপ করার সাথে সাথে বাসায় চিঠি। মা-বাবার দুঃশ্চিন্তা। এমনিতেই পরীক্ষা খারাপ করলে নিজের মনই খারাপ থাকে তার উপর আবার বাবা-মা চিন্তা করছেন- এটা তার সাথে একটা নতুন মাত্রা দেয় হয়ত। নিজেকে আরো অসহায় অসহায় মনে হতে পারে…।
সুতরাং পয়েন্ট টু নোট ইজ…ফাইনালি হেল্প নেয়াটা সে ভাবে হল না। আর হলেও পর্যাপ্ত হল না। মনের ভিতরে অতৃপ্তিটা রয়েই গেল। একথাও বলে রাখি আমি এভাবে দেখলাম জিনিসটা- এটা একধরনের পারসেপশন। আমার এই বিশ্লেষণ পড়ে এটা ধরে নেয়ার কোন কারণ নাই যে ” ওমা, তাইলে কি ক্যাডেট কলেজে কেউ কাউরে হেল্প করে না। হেল্প করে জন্যেই তো বাইচা ছিলাম”? আমি বলব- অবশ্যই করে। অবশ্যই করে। করে জন্যেই চালিয়ে যাওয়া যায় আসলে। এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই করে। আমি শুধু ” নাও যে হতে পারে ” শুধু সেটা বিশ্লেষণের চেষ্টা করছি। এবং আমার মনে হয় আমি যে ভাবে বললাম সেভাবে আমাদের অনেকের জীবনেই হয়েছে। হতেই পারে।
তবে বেশিরভাগ হেল্পিং টা হয় গিভ এন্ড টেকের ক্ষেত্রে। যার কাছে কিছু পাওয়ার থাকে তাকেই কিছু দেয়া আরকি। অতিশয় দরদী ক্যাডেটদের কথা আলাদা। যারা নিজে কিছু না নিয়েও কাউকে ভালো করানোর চেষ্টা করে। এরকম আছে।
এখানে প্রসংগক্রমে একটা কথা এসেই যাচ্ছেঃ এই যে কলেজে পড়াশুনা বিষয়ক সময়াভাব, ক্লাসের সাথে তাল মিলাতে না পারা, পরীক্ষায় খারাপ করা এগুলো এড়াতে বাধ্য হয়ে একটা চিন্তা মাথায় আসে এবং আমার জানামতে ৯০% ছেলে যেটা করতে বাধ্য হয় সেটা হল ” ছুটিতে বাসায় যেয়ে প্রাইভেট পড়া”। হা…হা…। এ এক মজার দৃশ্য। প্রত্যেকবার ছুটিতে যাবার সময় ব্যাগে আর কিছু না থাকুক বই থাকবে এক গাদা। প্রত্যেকবার পর্বান্ত পরীক্ষায় খারাপ করে রেজাল্ট হাতে নিয়ে মনে হয় ” বেটার লাক নেক্সট টাইম”। ছুটিতে বাড়ি গমনের সময় চোখে থাকে বিরাট স্বপ্ন - পরের বারের পর্বান্তে আর এরকম হবে না। এবার ছুটিতে সব কিছু পড়ে আসবো। সব মুখস্থ করে আসবো। কলেজে এসে সময় পাই না। এবার সব পড়ে আসবো । সব। বুকের মধ্যে এরকম একটা সংকল্প নিয়ে সাথে বইয়ের গাট্টি নিয়ে ক্যাডেট পাড়ি জমায় ছুটিতে। হোম, সুইট হোম। বাড়ি আসে। বাড়িতে এসেই শুরু করে দেয় ২/ ৩ টা প্রাইভেট পড়া। ছুটি মানেই যেন পড়াশুনা করতে আসা। সবার ক্ষেত্রে হয়ত না। কিন্তু সবাই যে প্রাইভেট পড়ে এতে কোন সন্দেহ নাই। এই প্রাইভেট যে শুধু খারাপ স্টুডেন্ট টা পড়ে তা কিন্তু না। ভালো রাও। বরং ভালোরা আরো বেশি পড়ে দেখেছি। নিজেকে পরের পর্বান্ত পরীক্ষার জন্য এগিয়ে নিয়ে যায়। কলেজে যেয়ে খালি রিভাইজ দেয় আর পরীক্ষা দেয়। বড় বড় নোট লেখার সময় কম পাওয়া যায় কলেজে বিধায় সুন্দর সুন্দর হাতের লেখা করে অনেক বিশাল বিশাল নোট বানিয়ে নিয়ে যায়।
এর মধ্যে বেশির ভাগের জন্যেই মজার বিষয় যেটা হয় সেটা হল কোন-বারই যেমনটি ভেবে ছুটিতে আসা হয়েছিল, ছুটি থেকে ফেরার কালে সেইরকম একটা তুমুল হতাশা নিয়ে কলেজে ফেরত আসতে হয়। হা…হা…। কিছুই বের করা হয় না। দেখা যায় যে উপরে থেকে কেবল হয়ত ম্যাথ, ফিজিক্স, ক্যামিস্ট্রি এই তিনটার বই গুলা বের হয়েছে, সাথে কলেজের খাতা কিছু। আর বাকি যাবতীয় বই -পত্তর -খাতা-কলম যা কিছু সব যেমন কলেজ থেকে ব্যাগে করে এসেছিল ঠিক ঠিক তেমনই রয়ে গেছে……হা…হা…। কেউ অস্বীকার করতে পারবে এই সীন?
যাই হোক এই সীন যদি ঐ ছেলেটার ও হয়ে থাকে তাহলে কি হতে পার তার কনসিকোয়েন্স?
এছাড়াও কলেজে একাডেমিক্সে খারাপ করার আরো কিছু অনিবার্য কারণ হলঃ
ক। মাঝে মাঝে পড়তে ভালো না লাগা।
খ। ক্লাসে ঘুম পাওয়া ।
গ। প্রেপে ঘুম পাওয়া। ইত্যাদি।
ঘ। কোন স্যারের ক্লাস ভালো না লাগা। (বোরিং)।ক্লাস না বোঝা। ফলে ভালো করে পড়তে না পারা।
ফলশ্রুতিতে , পরের পর্বান্ত পরীক্ষাতেও য্যায়সা কা ওয়েসা হি।
এট দ্যা এন্ড অফ দ্যা ডে, একাডেমিক্স সংক্রান্ত ব্যাক বাইটিং টা তার মাথায় কিন্তু রয়েই গেল। ভালো করতে পারছিনা, ভালো করতে পারছি না…………
বিধায় আমার আলোচনার বিষয়বস্তু তথা- “একটা ছেলে কেমন করে ধীরে ধীরে মেইন স্ট্রীম থেকে সেগরিগেটেড হতে থাকে” এই বিষয়ের পরথম পয়েন্ট/ ক্যাটালিস্ট- “একাডেমিক্স” এর একশন বর্নিত হইল।
একাডেমিক্স বিষয়ক পয়েন্টটির পরিশেষে যেন কোন দ্বিমত এর উদ্রেগ না ঘটে সেকারণে বলছি… কেউ প্রশ্ন করতে পারেন- তাহলে ক্যাডেট কলেজের সামগ্রিক রেজাল্ট ভালো হয় কি করে? কাউকে তো কখনো দেখা গেল না ভীষণ খারাপ করে বের হয়েছে। উত্তরটা হল…আসলে ক্যাডেট কলেজের স্ট্যান্ডার্ড টাই অনেক ঊঁচু স্তরের। এখানে খারাপ যাকে বলছি সেও হয়ত দেখা যাবে কলেজে আসার আগে ক্লাস ফাইভ অথবা সিক্সে ফার্স্ট বয় ছিল কোন স্কুলের। কলেজে এসে খারাপ করা শুরু করেছে। নরমালি ইন এন এভারেজ এদের ব্রেন থাকে শার্প। দেখা যায় পরীক্ষার আগের রাথে কম্বলিং করেই পর্বান্ত পরীক্ষায় পাশ করে পরের শ্রেনীতে চলে যায় অনেকেই। অনেকেই না বরং বেশির ভাগই। এটা আমাদের একটা ট্রেডিশানেরই মত। গুরুজনেরা বলতেন পরীক্ষার পূর্ব রাত্রি ভয়ানক নিয়ম কনুন করে পড়া এবং তারাতারি ঘুমানোর রাত্রি। আমাদের বেলায় সেটা কিসের কি। এমনো দেখা গেছে সারারাত পরে সকালে পরীক্ষা দিতে। আর পাবলিক এক্সাম গুলোর আগে কলেজে ১৫ দিনের বা এক মাসের করে যে প্রিপারেশন টাইম টা দেয়া হয় সেই টাইম টাকে কাজে লাগিয়েই একটা ক্লাসের অন্তত ২০ থেকে ২৫ জন তুমুল রেজাল্ট করে ফেলে। এগুলো সবই সত্যি। পাবলিক এক্সাম গুলোর আগে যদি ঐ সুযোগটুকু না দেওয়া হতো তাহলে ক্যাডেট কলেজের রেজাল্ট এতো ভালো হত কি?
হয়তো…হয়তো নয়।
আমার এখনকার আলোচনার পার্ট সেটা না। এই আলোচনার পার্ট হল…এতো কিছুর মধ্যে থেকেও একটা বা একাধিক মানুষ কি করে ভিতরে ভিতরে একা হয়ে যায়?
( চলবে…?)




















। ইনফ্যাক্ট কার লাগে!
(তৌফিকের অবশ্য লাগতে পারে…
। আপসোস, ঘাটাঘাটি টা পরীক্ষার আগের রাতে ১১/১২টার দিকে শুরু হতো…আর সে পরীক্ষা চেগাইতো!
। একবার ক্লাসে অনেক উপরের দিকে ছিল, হাউজ ফার্স্ট মনে হয়…সেইটা ধরে রাখার প্রতিজ্ঞা নিয়ে ম্যাথ পরীক্ষার আগে না ঘুমায়ে সারারাত পড়ে পরের দিনের ম্যাথ পরীক্ষায় ফেল করলো!


নিজে তাড়াতাড়ি পড়াশোনা শেষ করে আমাদের রুমে এসে খাজুইরা গ্যাজাইতো ।

আগস্ট ২৬, ২০০৮ , ১০:৪০ অপরাহ্ন
ওক্কে…
[জবাব দিন ]